somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আলোর মিছিল চাই- চাই আলোকিত মানুষ- বিসাকে কলেজ কর্মসূচি ২৫ বছরপূর্তি

২১ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

***এই ব্লগটি নেওয়া হয়েছে আমার বন্ধু ব্লগ এর রূম্পা আপুর ব্লগ থেকে ।
http://www.amrabondhu.com/roopkotha/2077
সুন্দর ব্লগটির জন্য তাঁকে ধন্যবাদ, ১ম বার ব্লগটি পোস্ট করার সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে মূল লেখক ও ব্লগ এর নাম না দেবার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত****


নিজের নদী সবার থাকে। কেউ চায় সেই নদীতে ভেসে যেতে, কেউ চায় স্রোতের টানে ভেসে আসা খরকুটোকে সম্বল করে নতুন গতি বেছে নিতে। চিরায়ত গণ্ডির বাইরে গিয়ে নতুন ধারাকে অবলম্বন করাটা অনেকেরই কাছেই অসম্ভব। আর সেই না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই শুরু হয় নানা রকমের আফসোস। আর ভাবে আমার দেশ কেনো এমন নেই, কেনো ওমন হলোনা! অথচ জীবনকে নতুন গতি দেয়ার, নিজের মতো করে চালানোর যে আলোকিত পথ সবাই খোঁজে, তা কিন্তু ছিল চোখের সামনে।
ছিলেন, আছেন আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। আর ইন্দিরা রোডের ছোট্ট একটি কামড়া থেকে আজ বাংলা মোটরের আকাশ ছোয়া বাড়িতে যে স্বপ্নের কারখানা, তার নাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র নিয়ে লেখা শুরু করা যায়, শেষ করা মুশকিল। আজ যারা আজকালকার সিনেমা নিজের মতো করে বাঁচার স্বপ্নকে হাতড়ে বেড়ায়, সেই স্বপ্নকে ১৯৮৪ সাল থেকে বাস্তব করেছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এক একজন সভ্য। বিশেষ করে তারা, যারা কলেজ কর্মসূচি (ঢাকা মহানগরী)-এর সভ্য ছিলেন।যারা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে নিয়মিত যাতায়াত করেন, তারা একনামে চিনেন, “জাভিক কর্মসূচি" নামে। স্কুলের লাইব্রেরিতে বিসাকের বই পড়া উপভোগ করতো, তাদেরই একাংশ স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে সোজা চলে আসতো বাংলামটর। সেই ১৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভ্যিনিউ। সামনে ছোট্ট লন।আর গেট দিয়ে ঢুকতেই সুরঞ্জনা। অতঃপর রেজিস্ট্রেশন এবং যাত্রা শুরু কেন্দ্রবেলার।
১৯৮৪ থেকে ২০০৯ সাল। সায়ীদ স্যারের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যমতে জাভিকের কলেজ কর্মসূচির সভ্যসংখ্যা প্রায় দশ হাজার। এই দশ হাজার সভ্যের মাঝে যারা কেন্দ্রবেলা উপভোগ করেছেন, তারা মনে প্রাণে স্বীকার করতে বাধ্য, এই কেন্দ্র সেই সকল আলোকিত মানুষকে দিয়েছে নিজের মতো করে বাঁচার সাহস।তাই আজ কেন্দ্রের আলোকিত মানুষের অনেকেই ডাক্তার হয়েও সেরা বিতার্কিক, প্রকৌশলি হয়েও নাট্য কর্মী, কর্পোরেট হয়েও চারুশিল্পপ্রেমি। সামাজিক অসামাজিকতার এই অস্থির সময়ে আজো "কেন্দ্রের সভ্য" এই পরিচয়টি দুরত্ব মিটিয়ে দেয় বয়সের।"আপনি" পরিচয়টি দূর হয়ে যায় "তুমি" বা কখনো কখনো "তুই" বলে ডাকার আন্তরিকতায়।
আজ 'বিশ্বায়নের চাপ'-এ পিষ্ট মানবজাতি অবিরাম দৌঁড়াতে বাধ্য। তারপরও ব্যস্ততার মাঝে কিছু আলোকিত মানুষ আবার এক হতে চায় প্রাণের টানে। বড়দের কাছে আশ্রয়, ছোটদের হাত ধরে নিয়ে চলা আর নিজের বন্ধুদের সাথে আবার সেই আলোর বন্ধন তৈরিতে আজ আবার হাতছানি দিচ্ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। কি হবে, যদি একটি ছুটির দিন উৎসর্গ করা হয় নিজের জন্য! কি ক্ষতি যদি একদিন ব্যস্ততা ভুলে গেলে! কি ক্ষতি অন্তত একটি দিন নিজের মতো করে বাঁচালে, না হয় "ইডিয়ট" হয়েই!
যদি আবার আলোকিত মানুষেরা এক হয় শুরু করে আলোর আন্দোলন তাহলে ক্ষতি কি!!

আবার এসেছে আলোর আহবান। আগামী ২৫ ডিসেম্বর ২০১০, শনিবার, বড়দিনটিকে আরো বড় করতে নিমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে সকল আলোকিত মানুষকে।যারা ১৯৮৪ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কলেজ কর্মসূচি (ঢাকা মহানগরী)-এর সভ্য ছিলেন তাদের সবাইকে নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে সারাদিনব্যাপি মিলনমেলার। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার, কেন্দ্রের সকল সহযোগী আর একদল মানুষ আবার মেতে উঠতে আলোর মেলায়।৫ হাজার হয়তো নয় অন্তত ১ হাজার আলোকিত মানুষের মিছিল চাই।
রেজিস্ট্রেশন চলছে অস্থায়ী কেন্দ্রে। প্রতি শুক্র এবং শনিবার সারাদিন। ৩০ নভেম্বর ২০১০ পর্যন্ত। ঠিকানা একই। ১৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভ্যিনিউ, বাংলামটর ঢাকা।
যাবতীয় যোগাযোগ, এই ঠিকানায়
[email protected]
Click This Link নদী সবার থাকে। কেউ চায় সেই নদীতে ভেসে যেতে, কেউ চায় স্রোতের টানে ভেসে আসা খরকুটোকে সম্বল করে নতুন গতি বেছে নিতে। চিরায়ত গণ্ডির বাইরে গিয়ে নতুন ধারাকে অবলম্বন করাটা অনেকেরই কাছেই অসম্ভব। আর সেই না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই শুরু হয় নানা রকমের আফসোস। আর ভাবে আমার দেশ কেনো এমন নেই, কেনো ওমন হলোনা! অথচ জীবনকে নতুন গতি দেয়ার, নিজের মতো করে চালানোর যে আলোকিত পথ সবাই খোঁজে, তা কিন্তু ছিল চোখের সামনে।
ছিলেন, আছেন আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। আর ইন্দিরা রোডের ছোট্ট একটি কামড়া থেকে আজ বাংলা মোটরের আকাশ ছোয়া বাড়িতে যে স্বপ্নের কারখানা, তার নাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র নিয়ে লেখা শুরু করা যায়, শেষ করা মুশকিল। আজ যারা আজকালকার সিনেমা নিজের মতো করে বাঁচার স্বপ্নকে হাতড়ে বেড়ায়, সেই স্বপ্নকে ১৯৮৪ সাল থেকে বাস্তব করেছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এক একজন সভ্য। বিশেষ করে তারা, যারা কলেজ কর্মসূচি (ঢাকা মহানগরী)-এর সভ্য ছিলেন।যারা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে নিয়মিত যাতায়াত করেন, তারা একনামে চিনেন, “জাভিক কর্মসূচি" নামে। স্কুলের লাইব্রেরিতে বিসাকের বই পড়া উপভোগ করতো, তাদেরই একাংশ স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে সোজা চলে আসতো বাংলামটর। সেই ১৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভ্যিনিউ। সামনে ছোট্ট লন।আর গেট দিয়ে ঢুকতেই সুরঞ্জনা। অতঃপর রেজিস্ট্রেশন এবং যাত্রা শুরু কেন্দ্রবেলার।
১৯৮৪ থেকে ২০০৯ সাল। সায়ীদ স্যারের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যমতে জাভিকের কলেজ কর্মসূচির সভ্যসংখ্যা প্রায় দশ হাজার। এই দশ হাজার সভ্যের মাঝে যারা কেন্দ্রবেলা উপভোগ করেছেন, তারা মনে প্রাণে স্বীকার করতে বাধ্য, এই কেন্দ্র সেই সকল আলোকিত মানুষকে দিয়েছে নিজের মতো করে বাঁচার সাহস।তাই আজ কেন্দ্রের আলোকিত মানুষের অনেকেই ডাক্তার হয়েও সেরা বিতার্কিক, প্রকৌশলি হয়েও নাট্য কর্মী, কর্পোরেট হয়েও চারুশিল্পপ্রেমি। সামাজিক অসামাজিকতার এই অস্থির সময়ে আজো "কেন্দ্রের সভ্য" এই পরিচয়টি দুরত্ব মিটিয়ে দেয় বয়সের।"আপনি" পরিচয়টি দূর হয়ে যায় "তুমি" বা কখনো কখনো "তুই" বলে ডাকার আন্তরিকতায়।
আজ 'বিশ্বায়নের চাপ'-এ পিষ্ট মানবজাতি অবিরাম দৌঁড়াতে বাধ্য। তারপরও ব্যস্ততার মাঝে কিছু আলোকিত মানুষ আবার এক হতে চায় প্রাণের টানে। বড়দের কাছে আশ্রয়, ছোটদের হাত ধরে নিয়ে চলা আর নিজের বন্ধুদের সাথে আবার সেই আলোর বন্ধন তৈরিতে আজ আবার হাতছানি দিচ্ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। কি হবে, যদি একটি ছুটির দিন উৎসর্গ করা হয় নিজের জন্য! কি ক্ষতি যদি একদিন ব্যস্ততা ভুলে গেলে! কি ক্ষতি অন্তত একটি দিন নিজের মতো করে বাঁচালে, না হয় "ইডিয়ট" হয়েই!
যদি আবার আলোকিত মানুষেরা এক হয় শুরু করে আলোর আন্দোলন তাহলে ক্ষতি কি!!

আবার এসেছে আলোর আহবান। আগামী ২৫ ডিসেম্বর ২০১০, শনিবার, বড়দিনটিকে আরো বড় করতে নিমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে সকল আলোকিত মানুষকে।যারা ১৯৮৪ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কলেজ কর্মসূচি (ঢাকা মহানগরী)-এর সভ্য ছিলেন তাদের সবাইকে নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে সারাদিনব্যাপি মিলনমেলার। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার, কেন্দ্রের সকল সহযোগী আর একদল মানুষ আবার মেতে উঠতে আলোর মেলায়।৫ হাজার হয়তো নয় অন্তত ১ হাজার আলোকিত মানুষের মিছিল চাই।
রেজিস্ট্রেশন চলছে অস্থায়ী কেন্দ্রে। প্রতি শুক্র এবং শনিবার সারাদিন। ৩০ নভেম্বর ২০১০ পর্যন্ত। ঠিকানা একই। ১৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভ্যিনিউ, বাংলামটর ঢাকা।
যাবতীয় যোগাযোগ, এই ঠিকানায়
[email protected]
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রুশদেশের চিরায়ত শিশুসাহিত্য

লিখেছেন জ্যোতির্ময় ধর, ১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৩:১৭


ঊনবিংশ শতাব্দীর মহান লেখক চেখভ , তুর্গেনেভ , দস্তয়েভ্‌স্কি , তলস্তয়ের নাম বিশ্ববাসীর কাছে সুপরিচিত। এই লেখকেরা - রাশিয়ার জাতীয় গৌরব । ঊনবিংশ শতাব্দীর রুশ লেখকদের মধ্যে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভবিষ্যতের স্পষ্ট বার্তা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:১৭



কারিনা ইস্যুতে যা ঘটেছে, তা শুধু একটি পরিবারের আত্মপক্ষ সমর্থন না- এটা জনমতের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন। যদি শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেই হেটস্পিচ আসতো, তাহলে কারিনার মা জানাজার পর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রক্তের দাগে ধুয়ে যাওয়া আভিজাত্য: কারিনা কায়সারের বিদায় এবং আমাদের কিছু নির্মম শিক্ষা

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১৮ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯



​বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত নিয়মে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষ সব বৈরিতা ভুলে যায়। জানাজার খাটিয়া সামনে রেখে স্বজনরা কেবল ক্ষমা চান, চিরবিদায়ের প্রার্থনা করেন। কিন্তু গতকাল আমরা এক অভূতপূর্ব ও হাহাকারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইউনুস শুধুমাত্র বাই বর্ন বাংলাদেশী!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


আমেরিকার সাথে চুক্তির কথাটি আসলেই ইউনুসের উপদেষ্টাসহ তার লোকজন বলে বিএনপি ও জামাতের সাথে আলোচনা করেই চুক্তিটি হয়েছে!
বিএনপি ও জামায়েতের সাথে আলোচনা করলেই কি এই চুক্তি সঠিক হয়ে যায়?

আপনাদের বিএনপি-... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিজেকে জানুন, নিজেকে গড়ুন

লিখেছেন মোঃ ফরিদুল ইসলাম, ১৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৭

"নিজেকে জানুন, নিজেকে গড়ুন — নীরবতা হোক আপনার শক্তির সবচেয়ে ধারালো অস্ত্র।"
সব সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আপনার একার না। আপনি যদি বারবার বোঝান, কিন্তু কেউ বুঝতে না চায় — তাহলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×