somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি (রবীন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিকতাও বিজ্ঞান মনস্কতা

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি
(রবীন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিকতাও বিজ্ঞান মনস্কতা)


সেলিমা তাসনীম ছন্দা।



“আমি পথভোলা এক পথিক এসেছি
সন্ধ্যা বেলার চামেলীগো,সকাল বেলার মল্লিকা
আমায় চেন কি?”

হ্যাঁ বৈশাখের এক উত্তপ্ত প্রহরে(২৫শে বৈশাখ,১২৬৮বাং) পা রাখলেন এ ধরাধামে।নরম কোমল সাবলীল ভংগীতে, খুব যত্নের সাথে ফেলেছেন তাঁর পা, দীর্ঘ ৮০(১৮৬১-১৯৪১) বছর ধরে। পূর্ণ ক’রেছেন দর্শনের গভীরতায়, সিক্ত করেছেন ভালোবাসার কোমলতায়। ঐক্যের,মহত্যের এবং শান্তির রিমঝিম বৃষ্টি হ’য়ে ঝরে এক শ্রাবণে (২২শে শ্রাবণ,১৩৪৮বাং)হারিয়ে গেলেন,মিলিয়ে গেলেন অন্যকোন খানে, অন্যকোন পথে।তাতে কীইবা আসে যায়! বাঙালীর মন মানসে ভর ক’রে তিঁনি আজও পথ চলছেন।আর ও শত শত বছর তিঁনি এমনই থাকবেন।যত দিন বাংলা ভাষা আছে,যতদিন বাঙালী জাতি আছে ততদিন শাশ্বত সুন্দর আলোর প্রদীপ জ়্বেলে থাকবেন ‘রবি কবি’।কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাঁকুর।

আমি অবাক হ’য়ে ভাবি, একজন মানুষ তার এক জীবনে এত কিছু কিভাবে লিখলেন! যা কিনা এক জীবনে পড়ে শেষ করাই এক কঠিন কাজ়। তিঁনি উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ,ছোট গল্প,গীতিনাট্য এবং কাব্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।আর তাঁর গান। এ যেন যাদু ।যার স্বরলিপি তিনি নিজেই করে গিয়েছেন।কী অসাধারণ তাঁর সংগীত! কথা আর সুরের খেলা। যখন যে শোনে তখন তারই কথা বলে।আপনার মনের গহীন গোপন কথাটি গুছিয়ে বলার ভাষা যখন আপনার কাছে নেই, ভাবনা যখন এলোমেলো, অস্থির যখন চিত্ত ,হাতে তুলে নিন গীতাঞ্জলী,গীতবিতান, দেখবেন কী নিপুন দক্ষতার সাথে আপনার আনুভূতি গুলোকে ভাষা দিয়েছেন সেই শত বর্ষ আগের এক কবি।শুধু কি তাই? প্রাণ দিয়েছেন, সুর দিয়ে।সেই সুরের ছোঁয়া , প্রাণের পরশ, কী যে যাদুকরী তার ক্ষমতা! তা প্রকাশ করা কি আমার কলমের শোভা পায়! আমি সেদিক দিয়ে যাচ্ছিওনা।এ তো শিল্প। এ হচ্ছে বোধের ব্যাপার।দেখারও নেই, শোনার ও নেই,বোঝার ও তেমন কিছু নেই। শুধু আছে অনুভবের।কেউ যদি সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনার সময় রবীন্দ্রনাথের কবিতা বা গানের সুরে করে, দায়ী কে? আমার অনুভুতি গুলো ভাষা পেয়েছে রবীন্দ্রনাথের কথায়। আমার কি দোষ! আমি প্রেমে পড়লে নিজেকে খুঁজে পাই রবীন্দ্রনাথের গানে তাতে কোন দোষ নেই, প্রার্থনা তো আরো বড় প্রেমের বহি;প্রকাশ। এত ভয় পাবার কি আছে? গেল গেল সব রসাতলে গেল , আর ও একজন নতুন দেবতা আবির্ভূত হ’ল ভাববারইবা কি আছে?এবার ২৫শে বৈশাখে এ ধরণের কিছু লেখা পড়ে এবং কিছু কিছু ব্যাপারে, যেমন রবীন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিকতা ও বিজ্ঞান মনস্কতা প্রসংগে আমাদের কারো কারো অজ্ঞতা দেখে অনকটা বাধ্য হ’য়েই নিজের দায়বদ্ধতা থেকে আজ আমার স্বল্প জ্ঞান নিয়ে এই ক্ষুদ্র পরিসরে লিখতে বসলাম।
তা যা বলছিলাম।রবীন্দ্রনাথ দেবতা হতে যাবেন কেন? পুজাই বা চাইবেন কেন? উনি নিজেই মূর্তি পূজায় বিশ্বাস করতেন না।রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না। উঁনি ব্রন্ম ধর্মাবলম্বি ছিলেন এবং প্রচার করেছেন।রাজা রাম মোহণ রায়ের সময় থেকে শুরু হয় এ ধর্ম।কবির বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তার পৃষ্ঠপোষকতা করতেন কবির সময় আরো ব্যাপক প্রচার হয়।।পারিবারিক পরিবেশই ছিল উদার।রাজা রামমোহন রায় (১৭৭৫-১৮৩৫)হিন্দু ধর্মদ্ভূত হ’য়েও অধ্যয়ণ করেছেন আরবী ভাষায় কোরাণ, সংস্কৃত এ বেদ, হিব্রুতে বাইবেলও গ্রীক। এবং দেখলেন, সব ধর্মই শেষ হয় একই বিন্দুতে এসে।তাঁর এই পর্যবেক্ষ্ণণ তাঁকে নিয়ে এল এক নতুন ধর্মে, যেখানে সব ধর্মেরই মূল দর্শনটুকু ছিল।দেব দেবতা বা মূর্তি পূজার কোন অস্তিত্বই ছিলনা।ছিলনা কোন প্রার্থনার আনুষ্ঠানিকতা।ছিলনা কোন মন্দির, মসজিদ কিংবা গীর্জার মত উপাসনালয়।

এমন একজন ব্রম্মচারী কেন দেবতা হ’তে চাইবেন?আর যে কিনা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে এবং ধারণ করে রবীন্দ্রনাথের গান,প্রার্থনা করে তাঁর ভাষায়। সে তো এ মহাবিশ্বে অন্য কাউকেই পূজা করবেনা।তার ঈশ্বর সে নিজেই।রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস করতেন প্রতিটি আত্মার পরিশুদ্ধ রূপই ঈশ্বর।ঈশ্বর বাইরের কেউনা।“আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে, দেখতে আমি পাইনি” কিংবা “আমার প্রণের মানুষ আছে প্রাণে তাই হেরি তায় সকল খানে...।।আমি তার মুখের কথা শুনব বলে গেলাম কোথা, শোনা হল না, হল না-আজ ফিরে এসে নিজের দেশে এই যে শুনি,তাহার বাণী আপন গানে................................................।।এমন অসংখ্য গানে তিঁনি তাঁর আধ্যাত্মিকতার পরিচয় রেখে গিয়েছেন।তাই ধর্ম নিয়ে বিরাজমান এই চরম অবক্ষয়ের যুগে আমারা কি রবীন্দ্র প্রেমীদেরকে ভয় পাব নাকি উৎসাহ যোগাব?
আমি আজও ভেবে পাইনা, এমন সহজ সরল ঈশ্বরের ভালোবাসার বন্দনা,মানুষ ও প্রকৃতির প্রেমই যার সাহিত্যের মূল বিষয় বস্তু তার গান কেন শোনা নিষিদ্ধ ছিল স্বাধীনতা পূর্ব বাংলাদেশে?রবীন্দ্রনাথ সাম্প্রদায়িক ছিলেন এমন কোন লেখাই আমার চোখে পড়েনি।অনেকেই আবার আক্ষেপ করে বলেন যে উঁনি সাধারণ মানুষের কথা লেখেননি। আমি তো সাধারন এক মানুষ আমার সব অনুভূতিই আমি খুঁজে পাই তার লেখনীতে।তবে হ্যাঁ। ওনারা যেটা বোঝাতে চান সেটা হল, কৃষক শ্রেণীকে নিয়ে, তাদের সংগ্রামকে নিয়ে তিঁনি লেখেন নি। একটা মানুষ এক জীবনে আর কত কি লিখবেন!আর এ কথা তো উঁনি নিজেই স্বীকার করে গিয়েছেন।বলেছেন, ‘ কালিদাস যদি মেঘদূত না লিখে কৃষকদের জন্য লিফলেট লিখতেন,তা হলে আমরা এক সমাজ সংস্কারক কালিদাসকে পেতাম। মহা কবি কালিদাসকে নয়’।' উঁনি বিশুদ্ধ সাহিত্য রচনা করতে চেয়েছিলেন এবং করেছেন। গান্ধী ধরেছিলেন সে হাল। কবি এবং মহাত্মা গান্ধী অনেক ভাল বন্ধু ছিলেন।তিঁনি তাঁর অবস্থানে থেকে সমাজের জন্য কিছুই করেননি তা ও কিন্তু না।উঁনিই প্রথম এবং একমাত্র তিঁনিই পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সমন্বয় গঠানোর চেষ্টা করেছেন।১৯১৫ সালে বৃটিশদের দেয়া নাইটহুডকে উনি প্রত্যাক্ষাণ করেছেন , বৃটিশদের ভারতবাসীর ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ স্বরুপ।
সে যাই হোক, যা বলছিলাম।কবিগুরুর বিজ্ঞান মনস্কতা। আমদের অনেকেরই ধারণা সাহিত্য ও বিজ্ঞানের দুই মেরুতে অবস্থান।কারো সাথে কারো কোন লেন দেন নেই। আসলে কি তাই? সাহিত্যিক ও বিজ্ঞানী দুজনারই প্রকৃতি নিয়ে কাজ।এ মহা বিশ্বের ,মহা সৃষ্টির রহস্য উদ্ঘাটন করা।তাইতো কবি বলেছেন,

মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকাল মাঝে
আমি মানব একাকী ভ্রমি বিস্ময়ে, ভ্রমি বিস্ময়ে।

বলেছেন,‘এ সত্য, তাই এ কাব্য’।

কিংবা, “জ়্যোতির্বিজ্ঞান আর প্রাণবিজ্ঞান --কেবলি এই দুই বিষয় নিয়ে আমার মন নাড়াচাড়া করছে’(বিশ্বপরিচয়,রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর,২৫ খন্ড ,পৃ;৩৫০)এবং শেষ বয়সে লেখা ‘ বিশ্ব পরিচয়’,(একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক বই,) তিঁনি উৎসর্গ করেছিলেন বিজ্ঞানী সত্যেন বসুকে।


জগত বিক্ষাত বিজ্ঞনী আইনস্টাইনের সাথে কবির বহুবার দেখা হয়।কথা হয় বিজ্ঞান নিয়ে, জীবনের গভীরতম দর্শন নিয়ে , সংগীত নিয়ে।বিজ্ঞানের সাথে রবীন্দ্রনাথের নিবিড় সম্পর্কের আর একটি উদাহরণ হ’ল বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর সাথে তাঁর বন্ধুত্ব।রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছিলেন,

‘ বিজ্ঞান ও রস সাহিত্যের প্রকোষ্ঠ সংস্কৃতির ভিন্ন ভিন্ন মহলে, কিন্তু তাদের মধ্যে যাওয়া আসার, দেনা পাওনার পথ আছে।জগদীশ ছিলেন সেই পথের পথিক।সেই জন্য বিজ্ঞানী ও কবির মিলনের উপকরন দুই মহল থেকেই জুটত।আমার অনুশীলনের মধ্যে বিজ্ঞানের অংশ
ছিলনা,কিন্তু ছিল তা আমার প্রবৃত্তির মধ্যে।সাহিত্য সম্বন্ধে তার ছিল অনুরুপ অবস্থা।সেইজন্যই আমাদের বন্ধুত্বের কক্ষে হাওয়া চলত দুই দিকের খোলা জানালা দিয়ে।
(চিঠি পত্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ষষ্ঠ খণ্ড,বিশ্বভারতী,পৃ;১২৪-২৫)।
রবীন্দ্র সাহিত্যের সাথে বিজ্ঞানের এই সম্পর্ক তাঁর সাহিত্য জীবনের শুরু থেকেই ছিল।সাড়ে বারো বছর বয়সে তাঁর বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ “গ্রহগণ জীবের আবসভুমি”, 'ত্তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকায় প্রকাশিত হ’য়েছিল এবং এটাই কবির প্রথম প্রকাশিত গদ্য রচনা।(রবীন্দ্রনাথের প্রথম গদ্য রচনা, সুসান্ত কুমার মিত্র,অমৃত,১৬ বর্ষ ৮ও৯ সংখ্যা
)

অর্থের অভাবে জগদীশের গবেষণা যখন প্রায় বন্ধ হতে বসেছিল তখন তাঁকে অনুপ্রেরণা যোগানো এবং আর্থিক সহযোগীতার হাত বাড়ানোর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন কবি।বন্ধুকে সাহায্য করার আবেদন তিঁনি অন্যদেরকে ও জানিয়েছেন।এমনকি শরণাপন্ন হয়াছিলেন ত্রিপুরার মহারাজা রাধাকিশোর মানিক্যের।শুধু কি তাই জগদীশের গবেষণাকে সাধারনের মাঝে জনপ্রিয় করার জন্য তিঁনি নিজের জ্ঞান এবং ইলেক্টিশ্যান(বিজ্ঞান ভিত্তিক পত্রিকা) থেকে তথ্য সংগ্রহ
করে ১৯০১ সালে ‘বংগদর্শন’ পত্রিকার আষাঢ় ও শ্রাবণ সংখ্যার জন্য ,’আচার্য জগদীশের জয়বার্তা’ এবং ‘ জড় কী সজ়ীব”নামে দু’টি বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রবন্ধ লিখেছেন। যা পড়ে জ়গদীশ চন্দ্র লিখেছিলেন, “তুমি যে গত মাসে আমার কার্যের আভাস বঙ্গদর্শণে লিখিয়াছিলে তাহা অতি সুন্দর হইয়াছে।তুমি যে এত সহজে বৈজ্ঞানিক সত্য স্থির রাখিয়া লিখিতে পার,ইহাতে আমি আশ্চর্য হইয়াছি’।(পত্রাবলী, জ়গদীশ চন্দ্র বসু,পৃ;১০২)।তাই রবীন্দ্রনাথ কবি বলে লা লা জ়গতে বাস করতেন ,বিজ্ঞান সম্পর্কে কোনই জ্ঞান ছিলনা, এমন ভাবার কোনই কারণ নেই।
আমার এক বন্ধু সেদিন বলছিলেন,’আমরা বুঝিনা কোয়াণ্টম থিওরী, রবীন্দ্রনাথ বুঝতেন’? আমি শুধু হেসে মাথা নেড়েছিলাম।ভাবছি এ পরিসরে তার সংক্ষিপ্ত একটা আলোচনা সেরে নেই,পরে না হ্য় অন্য কোন
পরিসরে আরো বড় করে ।তবে এটুকু বলতে পারি পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্রী/ছাত্র না হয়ে ও ইণ্টারনেট আর দুএকটি বই পড়ে আমরা যেটুকু বুঝেছি, রবীন্দ্রনাথের মত একজন রেনেসাঁ,স্বয়ং আইনষ্টাইনের সাথে আলাপ ক'রে ,এতটুকু ও কম বোঝেননি।উঁনি এতটাই হৃদয়াঙ্গম করতে পেরেছিলেন যে নিজের মতামতে অটুট থেকে আইনষ্টাইনের সাথে বিতর্কে গিয়েছিলেন।১৯৩০ সালের ১৪ই জুলাই তারিখে কবি ও বিজ্ঞানীর এ কথাবার্তা ‘রিলিজিয়ন অব ম্যান’ বইটিতে প্রকাশিত হয় এবং ১৯৩০সালের ১০ই আগস্ট, 'নিউইয়র্ক টইমস' এ প্রকাশিত হয়।



আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন না যে মানুষের পর্যবেক্ষণের ওপরই নির্ভর করে আছে মহাবিশ্বের বাস্তব সত্য।বোরের কোয়াণ্টাম থিওরীর কোপেনহেগের ব্যাখ্যার সাথে এখানেই ছিল তাঁর বিরোধ।সেই আলোকেই ছিল তাঁদের সেদিনকার আলাপচারিতা।ছোট্ট একটি অংশ তুলে ধরছি এখানে,


আইনস্টাইনঃ মহাবিশ্বের স্বরুপ নিয়ে দুটি ধারণা রয়েছে, জগৎ হলো একটি একক সত্ত্বা যা মনুষ্যত্ত্বের ওপড় নির্ভরশীল এবং জগৎ হল একটি বাস্তবতা যা মনুষ্য উপাদানের ওপড় নির্ভর করেনা।

রবীন্দ্রনাথঃযখন আমাদের মহাবিশ্ব মানুষের সাথে ঐকতানে বিরাজ করে তখন শাশ্বত,যাকে আমরা সত্য বলে জানি,হয়ে দাঁড়ায় সৈন্দর্য,আমাদের অনুভূতিতে।

বোরের সেই বিখ্যাত থিওরী, মানুষের পর্যবেক্ষণের ওপড় ই সব নির্ভর ,তিঁনি তার লেখনীর মধ্য দিয়ে তুলে ধরেছেন সাধারণ মানুষের কাছে।
তার বিখ্যাত কবিতা “আমি” তে তিঁনি বলেছেন,
আমারই চেতনার রংএ পান্না হল সবুজ,
চুনি উঠল রাঙা হয়ে।
আমি চোখ মেললুম আকাশে-
জ্বলে উঠল আলো পূবে পশ্চিমে।
গোলাপের দিকে চেয়ে বললুম,’সুন্দর’
সুন্দর হলো সে।



তুমি বলবে এ তত্ত্ব কথা এ কবির বাণী নয়।
আমি বলব এ সত্য,
তাই এ কাব্য।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৭
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×