somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় (বা জাতিসংঘে) কাজ করেন, এমন কেউ কি আছেন? আমার এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে পৃথিবীজুড়ে বিশুদ্ধ রক্তের সমস্যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণেই দূর হবে।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কি জন্য আমরা সঙ্কটময় মুহূর্তে বিশুদ্ধ রক্ত খুঁজে বের করার জন্য ইন্টারনেটের শক্তি কাজে লাগাচ্ছি না? একশ কোটির বেশি মানুষের তথ্য সম্বলিত বেশ কিছু ডাটাবেস আমাদের রয়েছে। আমরা এগুলোকে অ্যাপস এর সাথে সমন্বয় করবো।

আসুন আমরা প্রস্তাবিত অ্যাপসকে “ব্লাড রিলেটিভ” বলি। প্রস্তাবিত অ্যাপস একটিই সার্ভার ব্যবহার করবে, কিন্তু মানুষকে ফেসবুক, গুগল প্লাস, টুইটার, ভাইবার, হোয়াটস-অ্যাপ ইত্যাদির মাধ্যমে সংযুক্ত করবে। প্রস্তাবিত অ্যাপস “ব্লাড রিলেটিভ” প্লে স্টোর, আইফোন অ্যাপ স্টোর, ফেসবুক অ্যাপলিকেশন ইত্যাদির মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

এই অ্যাপস সবাইকে তাদের ব্লাড গ্রুপ জানাতে অনুরোধ করবে, যা তাদের প্রোফাইলে প্রদর্শিত হবে। যদি কেউ রক্তদানে উৎসাহিত হয়, তবে তাকে অ্যাপসে ঘোষণা দিতে হবে। সময়ে সময়ে দাতা তার শেষ রক্তদানের তারিখ আপডেট করবে। (অবশ্যই প্রত্যেকেরই যে কোন মুহূর্তে রক্ত সংক্রান্ত তথ্য ও ঘোষণা পরিবর্তনের অধিকার রয়েছে।)

যদি কেউ হসপিটালে ভর্তি হয়, বা রক্তের প্রয়োজন অনুভব করে, সেক্ষেত্রে অ্যাপসে একটা রিকোয়েস্ট দিতে হবে। অ্যাপস তখন বন্ধু তালিকায় ও অনুসরণকারির তালিকায় থাকা সকলের কাছে একটা নোটিফিকেশন পাঠাবে। রক্তদাতা ও গ্রহীতা উভয়ের জন্যই একটা ‘থাম্বস আপ’ রেটিং দেয়ার সুযোগ থাকবে যা প্রকাশ্য দাতা ও গ্রহীতার প্রোফাইলে কতবার রক্তদান বা গ্রহণ করা হয়েছে সেই তথ্যসহ প্রদর্শিত হবে। বড় হৃদয়ের মানুষদের খুঁজে বের করে সম্মান প্রদর্শন করার জন্য এটা জরুরি।

সোশাল নেটওয়ার্কের সহযোগিতা ছাড়া একা একা একটা বৈশ্বিক বা আঞ্চলিক ডাটাবেস গড়ে তোলা অত্যন্ত কঠিন হবে। যদি আমরা রেডিমেড ডাটাবেস ব্যবহার করি, এটা হবে সমাধানের সবচে সহজ পথ। কে এই অ্যাপসটা নিয়ন্ত্রণ করবে? আমি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে প্রস্তাব করছি। যদি কোন ব্যক্তি উদ্যোক্তা উদ্যোগ নেয়, তবে তা বিতর্ক তৈরি করতে পারে। কিন্তু যদি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নেতৃত্ব দেয়, তবে সবাই সহযোগিতা করবে।


লেখাটি সর্বপ্রথম আজ আমার ফেসবুক নোটসে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় প্রকাশিতঃ
https://www.facebook.com/notes/1313374078686631
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৯
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই যে জীবন

লিখেছেন সামিয়া, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২৪



এই যে আমার জীবনে কিছুই করা হলোনা, সেটা নিয়ে এখন আর খুব বড় কোনো আফসোস করি না। জীবন আসলে নিজের মতোই চলতে থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠি, রান্নাঘরে গিয়ে চায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্ব পাঠ

লিখেছেন আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বমিনং করোনং ইচ্ছং

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১১


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ স্বাধীনতা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১২


বাবা পাখিটি গাইছে গান
আমড়া গাছের ডালে।
ছানাগুলো নিশ্চিন্তে
মায়ের বুকের তলে।

রীনা বসে বীনা বাজায়
মীনা গায় গান।
দীনা বলে পুষবো পাখি
একটা ধরে আন।

মা শুনে কয় বনের পাখি
বনেতেই মানায়।
বন্দী পাখি হয় যে দুঃখী
উচিত কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×