অর্নাসের ২য় বছরে পদার্থের একটা কোর্স আমাদের পড়তে হয়েছিল। পদার্থ মূল বিষয় না হওয়ায় তেমন একটা পাত্তা দেবার দরকার সারা ক্লাসের অধিকাংশই মনে করিনি। আর আমদের স্যার ছিল সারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যাকে একনামে চিনে--- মোঃ আবুল কাশেম ছাত্রদের কাছে ওরফে কাশু (বিঃ দ্রঃ এই কাশু স্যারের সাথে ব্লগের আশু'র কোন সম্পর্ক নাই)।
শ্রদ্বেয় কাশু স্যার দুইবার বিদেশ থেকে ফেরত আসিয়াছেন পিএইচডি না করিয়া। কারন হিসাবে যতটুকু লোকমুখে শোনা গেছে তা হল - উনি নাকি বিদেশ গিয়া বাপের আগে হাটতেন। আরও সম্প্রসারন করিলে বলতে হয় - কাশু স্যার নাকি সর্বদাই তাহার প্রফেসরের ভুল ধরিতে ব্যস্ত থাকিত। ফলশ্রুতিতে, তিনার প্রফেসররা উনাকে বলিয়াছেন -- আপনি আপনার দেশে ফিরিয়া যান, সময় ও সুযোগ হলে আমিই আপনার নিকট গিয়া পোষ্টডক করিব।
ফলাফল কাশু স্যারের আর পিএইচডি হয়নি, হয়নি তার প্রমোশনও।
যার কারনে কপাল পুড়িল আমাদের মত যাদের পদার্থ মাইনর হিসাবে পড়তে হয়। কারন কাশু স্যার তার নিজের ডিপার্টমেন্টে প্রথম বর্ষের উপরে কোন কোর্স পড়াতে পারে না।
যাই হোক মূল কথায় আসি। স্যার আমাদের পড়ায় আর বলে এই বইতে এইডা ঠিক লেখে নাই, ঐ বইতে ঐডা ঠিক লেখে নাই। কাজেই তোমরা পরীক্ষার সময় এই সব ঠিক করে লিখবা।
কে শুনে কার কথা, আমরা সবাই প্রায় একটা/দুইটা বই পড়লাম মাত্র।যথা সময়ে মিড টার্ম পরীক্ষা হল। খাতা দেবার সময় কাশু স্যার শুধু একটা কথাই বলল
"তোমরা এই ডিপার্টমেন্টকে হেফ্জো-খানা বানাইয়া ছাড়লে"। সারা জীবনে একটা বই পড়লেই আর কিছু পড়তে হয় না। এই রকম পড়বা তো অন্যকিছু পড়, পদার্থ পড়ার দরকার নাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



