সেভেন ওয়ান্ডারস অব কানাডা
২১ শে জুন, ২০০৭ সকাল ৯:০৬
(ছবিতে ১ম দুইটা স্লিপিং জায়ান্ট, বে অব ফান্ডি, ক্যাব ট্রেইল ও নর্দান লাইট ক্রমানুসারে)
সিবিসি রেডিওর এক জরিপে কানাডিয়ানদের ভোটে নির্বাচিত সেভেন ওয়ান্ডারসের মধ্যে ক্রমানুসরে-
১. স্লিপিং জায়ান্ট (থানডার বে, অন্টারিও)
২. নায়াগ্রা ফলস (নায়াগ্রা, অন্টারিও)
৩. বে অব ফান্ডি (নোভা স্কোশিয়া ও নিউ ব্রানচুইকের ষ্টেটের মাঝে)
৪. নাহানি ন্যাশনাল পার্ক ( নর্থওয়েষ্ট টেরিটরিষ্ট)
৫. নর্দান লাইটস (নর্দান কানাডা)
৬. দ্যা রকিস (বিসি/আলবার্টা)
৭. ক্যাব ট্রেইল (নোভাস্কোশিয়া)
সংক্ষেপে সবগুলোঃ
স্লিপিং জায়ান্ট
--------------------
স্লিপিং জায়ান্ট বা ঘুমন্ত সাধক আসলে কতকগুলো পাহাড়ের সমষ্টি যা মিলে এমন আকার সৃষ্টি করেছে--- দেখলে মনে হয় যেন একজন সাধক খোলা চুলে দিগন্তে মাথা দিয়ে শুয়ে আছে। একপাশে সুপিয়রের নীল পানি আর আরেক পাশে নীল দিগন্তে মাথা দিয়ে ঘুমিয়ে থাকা সাধকে দেখতে আসলেই সুন্দর। সবচাইতে ভাল দেখা যায়, মেরিনা পার্ক, এট্যাক বিল্ডিং, আর চিপুয়া পার্ক থেকে।
বে অব ফান্ডি
--------------------
বে অব ফান্ডি নোভা স্কোশিয়া ও নিউ ব্রানচুইকের ষ্টেটের মধ্যে অবস্থিত সাগর। এইখানে দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি স্রোত, এইখানের স্রোতের প্রতি সাইকেলে ১০০ বিলিয়ন টন সাগরের পানি প্রবাহিত হয়।
নাহানি ন্যাশনাল পার্ক
----------------------
বিশ্বের অন্যতম হেরিটেজ। সাউথ নাহানী রিভার আর ভার্জিনিয়া ফলসের মিলনস্থলের অদুরে। গরম সালফারের ঝরনা, ঐতিহাসিক অনেক কিছুর জন্য বিখ্যাত। ১৯৭৮ সালে ইউনিস্কো তার লিষ্টে এই পার্কের নাম তুলে -- ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসাবে।
নর্দান লাইটস
------------------------
কানডার উততরে রাতের আকাশে ঝলমলে আলোর ছটা দেখা যায় সেপ্টেম্বর-অক্টবর আর মার্চ-এপ্রিল মাসে। কেন দেখা যায় তার কারন আপাতত আমি জানি না।
দ্যা রকিস
---------------------------
লেক লুইসের নীল জলের পাশে দশটা ভাজে একসাথে দাড়িয়ে থাকা অনেকগুলো পাহাড়ের সম্বনয়কে বলা হয়েছে দ্যা রকিস।
ক্যাব ট্রেইল
---------------------------
৯৫০ কিমিটারের ট্রেইল কেপ ব্রেটন পার্বত্য এলাকায়। বাংলাদেশের নাফ নদীর পাশ দিয়া রাস্তার সাথে তুলনা করা চলে, তবে ক্যাব ট্রেইল আরও অনেক বেশি গালপালায় ঘেরা আর দীর্ঘ।
(নায়াগ্রা সম্পর্কে সবাই মনে হয় আমার থেকে বেশি জানে তাই লিখলাম না)
সূত্রঃ সিবিসি.সিএ
মানবী বলেছেন:
ভালো পোস্টের জন্য ধন্যবাদ কেমিকেল আলী।
তারেক রহিম বলেছেন:
দারুন!
জলদস্যু বলেছেন:
Auroral mechanism এর জন্য নর্দান লাইটসের সৃষ্টি। শুধু কানাডা নয়, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলোতেও অরোরা দেখা যায়। আরও ব্যাপক জানতে চাইলে http://en.wikipedia.org/wiki/Aurora_(astronomy)
এই লিংকে দেখুন। sleepin giant টাকে দেখতে পেলাম না আপনার ছবিতে
রাগ ইমন বলেছেন:
রসের ভিতর সের -মণে ঠিক আবেগ গোঁজা থাকে বোশেখ হলে রসের নহর মনের আঁকে বাঁকে
ঢেউ তুলিয়া সব ভুলিয়া বানায় শুধু আয়ন
কেমির মনে কেম কেমিয়া শুধুই রসের গায়ন
গান বাঁধিয়া শান সাধিয়া রসের নদী বেয়ে
আয়নিত ক্যামস ও মোদের হইলো রসের নেয়ে
সেই নায়ে কি পাল তুলিবে আলেয়া নাম নারী?
রসায়িত আয়ন দেখে শায়ন স্বাপন তারি!
_______________________
এই বকিতার নাম হইলো , " দা কেমিষ্ট্রি অফ ওয়েটিং " । লাভ আর কইলাম না । লাভে লাভ নাই আজকাল । কিংবা কখনোই ছিলো না।
কবিতা লেখা হচ্ছে না , তাই বকিতা । সেন্টু খাইয়েন না , ব্রাদার ।
দেশী ক্যাঙ্গারু বলেছেন:
এটার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। থ্যাংকু @ কেমিক্যাল আলী। আর খবর কি?
কেমিকেল আলী বলেছেন:
আর খবর নাই, মুভি দেখি আর ছাগল তাড়াই
দেশী ক্যাঙ্গারু বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা ভাই, স্টেস্টস থেকে আপনি? নাকি সিএ
কেমিকেল আলী বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা ভাই,শোহেইল মোতাহের ভাই এর একটা কথা আমি খুব পছন্দ করছি। কথাটা অবশ্য সে আপনাকে বলছিল। আজ আবার আমি বলি।
যারা পিএইচডি করার সময় ব্লগায় আর ঘুরে বেড়ায় তাগো চাকরীর আর ভাল ভবিষ্যতের আশা নাই - যেমন কেমিকেল আলী।
আর যারা পিএইচডির সময় না ব্লগাইয়া চাকরী পাইয়া পা এর উপর পা তুলে ব্লগায় আর বাদাম খায় তারাই সাইন যেমন- জ্বিনের বাদশা।
অরোরা দেখার ট্যাকা এখনও জমাইতে পারি নাই।
দেশী ক্যাঙ্গারু বলেছেন:
সবুরে মেওয়া ফলে!!!


















