আমার প্রিয় পোস্ট

আমি বলছি যাব যাব, ঘর বলছে না; অবাধ্য সেই দুয়ার আমার, আটকে রাখে পা...

শিশুর মতোই আমি-আপনি, তুমি-তুই

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

একজন আরব দার্শনিক শিশুদের ভালোবাসতেন, কারণ শিশুরা কিছু তৈরি করার পর তা ভেঙ্গে ফেলে। তারা নতুন কাপড় পরে খুশি হয়, তারপর সেটা নোংরাও করে ফেলে। কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য বা কৌশল না ভেবেই নিজেদের মধ্যে তারা বিবাদ তৈরী করে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আঁকা-বাঁকাকৃষ্ণচূড়ামেঘ বালিকারঙ বেরঙস্বপ্ন রঙিন  বিভাগে ।

 

  • ১৬ টি মন্তব্য
  • ২৭৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৯
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: বুঝলাম না ঠিক......
২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১১
comment by: তেলাপোকা বলেছেন: :)
বুঝবেন।
৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৯
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: "একজন আরব দার্শনিক শিশুদের ভালোবাসতেন"
হুম... আর কেউ ভালবাসে না?
৪. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৬
comment by: তেলাপোকা বলেছেন: বাসেন তবে কারণগুলো ভিন্ন ;)
৫. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
comment by: রুপা বলেছেন: তেলা দা
কেমন আছেন।।।
৬. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:১১
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
আপনি কি আর লিখবেন না, তেলাপোকা?
৭. ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: আজহার ফরহাদ বলেছেন: এই আরব দার্শনিকটা কে? আর ভালোই তো লাগছিলো লেখাটি, মনে হলো হঠাৎ শেষ।
৮. ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১৫
comment by: তেলাপোকা বলেছেন: ব্যাপার কিন্তু সত্যিই। চাইছিলাম কিছু লিখতে। যতদূর মনে পড়ে লিখেছিলামও। পরে মনে হলো আসলে না লিখলেও হয়। তাই বেশির ভাগ ছেঁটেই ফেলেছিলাম।

ধন্যবাদ।
৯. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ রাত ৮:১৯
comment by: আবু সালেহ বলেছেন: বাণীচিরন্তন......

শুরু তো ভালোই তবে হঠাৎ শেষ!!!!
১০. ০৮ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৫
comment by: বিহংগ বলেছেন: সকালে অফিসে যখন যাচ্ছি ,তখন দেখি পাশের বাসার দুটি ছোট্ট শিশু একজন আরেকজনকে মেরে কান্নাকাটি করছে। বিকেলে যখন বাসায় ফিরলাম,তখন দেখি দুজন একজন আরেক জনের গলা ধরে ঘুমিয়ে আছে। সকালের ঝগড়া ,বিকেলেই ভুলে বসেছে।এই হলো শিশুরা।
আর আমরা বড়রা ভুলতে পারিনা ,শুধু ঝিইয়ে রাখি।
১১. ০৮ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:০২
comment by: বিহংগ বলেছেন: আসলে সে রাত অনেক ভেবেছি। এই শিশুরাই আস্তে আস্তে বড় হয়।
চারপাশে কাম,ক্রোধ,লোভ,মোহ,ঐশ্বর্য্য ,দ্বেষের সব কলাকৌশল বুঝতে পারে।তাদের উপর এই সকল উপসর্গের ভূত চড়াও হয়।তারপর সারা জীবনের জন্য হয়ে যায় এর বশীভূত। জীবন চক্রে আবার শিশুরা আসে,আবারো ঘুরপাক,কী এক জীবন .....আর এভাবেই চলছে।এই চলমান জীবনে কেউ আর হারতে চায়না, বিজয়ীর বেশে শুধু লাভের অন্বেষন। আর এই লাভের হিসাব নিকাশই শিশুর সেই সারল্যকে চিরদিনের জন্য দাগা দিয়ে যায়।
সরি, অনেক বলে ফেললাম। ভালো থাকবেন।
১২. ০৮ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৯
comment by: তেলাপোকা বলেছেন: না, না। ঠিক আছে। আসলে মাঝে মাঝে খুব এলোমেলো হয়ে যাই। ভাবি- যাকে জানি, চিনি বলে এতো চিৎকার ছ্যাছাম্যাছি করি তাকে সত্যিকার অর্থে ঠিক কতটুকু জানি...?

আমি নিজের ভেতরে ছোট্ট শিশুর সারল্যের অনুভূতি পেতে ভালোবাসি। যতোদিন এই উঁচু নিচু এবং বহু হিসেবী জীবনের পথ মাড়িয়ে এগিয়ে যাই ততোদিন যেনো এই সরলতা আমি নিজের ভেতরে টের পাই... ব্যাস, এটুকুই চাই। জীবনে আমার আর কোনো উচ্ছ্বাসা নাই।

আপনিও ভালো থাকবেন।
১৩. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ২:৩২
comment by: মাহবুবা আখতার বলেছেন:
হুমম.... ব্যাপার পরিষ্কার হল না। আরব দার্শনিক তো বুঝলাম, কিন্তু আপনার লেখার উদ্দেশ্য পরিষ্কার হল না।
+
১৪. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ২:৩৩
comment by: মাহবুবা আখতার বলেছেন:
আরব দার্শনিককে + টা দিলাম ;)
১৫. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:০৬
comment by: চাঁদের বুড়ি বলেছেন: বাহ....... চমৎকার লিখেছেন তো! তবে একটু পেঁচিয়ে। পড়তে ভাল লাগলো।
শিশুরা অনেক যুক্তিহীন কাজ করে। আরব দার্শনিকের ভাল লাগার কারণ বোধ হয় এই। আপনি, আমি, তুইতে গোলমাল করাটাও এমন বালখিল্যতা।

আপনার নতুন পোস্টের প্রতীক্ষায় রইলাম।
১৬. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৬
comment by: শাহানা বলেছেন: আমিও শিশুদের ভালোবাসি, তবে আরব দার্শনিকের সাথে হয়তো চিন্তা-ভাবনা মিলবে না।

 



 


শ্রম+প্রার্থণা+শস্য -- ফসল
শ্রম+শস্য -- ফসল
অতএব,
প্রার্থণা -- শূণ্য।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩০১৯৬