somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মিঃ মাইক্রোক্রেডিট শান্তিতে নোবেল মানেই কি গণতন্ত্রের হাত ভাঙ্গার লাইসেন্স???

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকাল দেখছি ডঃ মোঃ ইউনুছ সদৃশ্য রাজনৈতিক ক্যাম্পেইনে নেমেছেন। সরকার তোষণ অতি স্বাভাবিক তার প্রেক্ষাপটে কিন্তু কিছু কিছু বিষয়ে তার মত ব্যক্তির যে ভূমিকায় থাকার দরকার ছিল সেই জায়গায় তার ঘাটতি জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

১) যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গ নিয়ে নিরবতা
২) রামু সাম্প্রদায়িক হামলা প্রসঙ্গ নিয়ে নিরবতা
৩) রানাপ্লাজা দুর্ঘটনা প্রসঙ্গ নিয়ে নিরবতা

অনেকেই বলতে পারেন কেন ডঃ মোঃ ইউনুছ এই বিষয়গুলিতে বক্তব্য দিবেন, এগুলো রাজনৈতিক কাঁদা ছুড়াছুড়ি। তবে আমার প্রশ্ন -

১) কেন তিনি নির্বাচন নিয়ে কথা বলবেন ?
২) কেন তিনি ছাত্রশিবিরের কাছথেকে সংবর্ধনা নেবেন ?
৩) কেন তিনি ইউনুছ সেন্টারে মিটিং করে নির্বাচনী খেলায় অংশ নেবেন ?

ডঃ মোঃ ইউনুছ আজ গ্রামীণ ব্যাংক দখলদারদের হাত ভেঙ্গে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন তবে কি তিনি বাংলাদেশ সরকারের হাত ভাঙ্গতে চায়, বাংলদেশের গণতন্ত্রের হাত ভাঙ্গতে চায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার উদ্দেশ্যকে হেয় প্রতিপন্ন করতে চায়!

প্রকৃতপক্ষে ডঃ মোঃ ইউনুছ একজন ব্যাবসায়ী, সে কক্ষনোই আমাদের ছিল না, আমাদের না। তাই তার অর্জন আজ বাঙালীকে কতটা তৃপ্তিদেয় তাও প্রশ্নবিদ্ধ।

আপনি আমেরিকা গিয়ে বিজনেস শিক্ষা দিতে পারেন আর বাংলাদেশের ছেলেদের দিতে পারেন না তাই না? বাংলাদেশের কোন ক্রান্তি লগ্নে আপনাকে পেয়েছি আমরা জানতে চাই? যাকে পুঁজি করে আপনার নোবেল প্রাপ্তি তার প্রকৃত রুপ বাংলাদেশের মানুষ জানে। আপনি না শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন, তাহলে শান্তিতে নোবেল মানেই কি গণতন্ত্রের হাত ভাঙ্গার লাইসেন্স মিঃ মাইক্রোক্রেডিট???

আপনাকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের সব মানুষই কিন্তু আপনার মত বিক্রি হয়ে যায় নাই।

আর সবকিছু মিলিয়ে আপনি যে একজন গভীর জ্বলের মাছ খোকা ৪২০ তা দেশের মানুষ কিছুটা হলেও আন্দাজ করতে পারে। তাই সহজেই আনুমান করা যায় আওয়ামিলীগ আর বিএনপি'র ডামাডোল থেকে দেশকে রক্ষার্থে আপনি যদি রাজনৈতিক দল নিয়ে মাঠে নামেন তাহলে সেই দল কতটা হিতকর হবে আমাদের দেশটার জন্য।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:৩৫
৩১টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×