খুব গোলমেলে, নিজেও ভাল জানি না। তবে আছে,এই ঢের।

জেগে আছে বাংলাদেশ - ৪

২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

টুটুর এই বারান্দায় হাজিরা দেওয়াটা এখন এত বেশি স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে এখন ওকে কেউ ওখানে দেখতে না পেলেই ভবে, আরে, টুটু কোথায়? শরীর খারাপ নয় তো ছেলেটার! সেদিন যেমন আব্বু জিজ্ঞেস করছিল আম্মুকে ৷ আম্মু বেশ নিরাপদ আর নিশ্চিন্ত বোধ করে টুটু না থাকলে ৷ সেই টুটু কেন নেই, ওর ভাল-মন্দ নিয়ে আব্বুর উদ্বেগ শুনে আম্মু বেশ রেগে গেল, বলল, নেই তো কী হয়েছে, শান্তি, যদ্দিন না থাকে! এঘর থেকে আমার খুব নিষ্ঠুর মনে হল আম্মুকে ৷ আম্মু কেন এভাবে কথা বলে? এত নিষ্ঠুর তো আম্মু নয় ৷ তবে টুটুর বেলাতেই কেন আম্মু এমন অবুঝ আর নিষ্ঠুর হয়ে যায় আমি ভেবে পাই না ৷ সেই একবার এক চিঠি লেখা ছাড়া আর তো কখনও টুটু কোন চিঠি লেখেনি, আমাদের বাড়িতেও তো আসে না টুটু এমনকি আমার সাথে কখনও কোন কথা বলারও চেষ্টা করে না ৷ তবে কেন আম্মুর এত রাগ টুটুর পরে ৷ আম্মুর রাগের কারন খুঁজে না পেয়ে আমি মন দিই পড়ার বইয়ে ৷ পরীক্ষার আর বেশিদিন নেই৷ এ বছর রুনা আপুদের স্কুল ফাইন্যাল তার পরের বছর আমাদের ৷ আব্বু বলে, এখন থেকেই পুরোদস্তুর পড়াশোনা করতে হবে স্কুল ফাইন্যালের জন্যে, নইলে রেজাল্ট ভাল হবে না, ভাইয়ার মত৷ কিন্তু আব্বু জানে না, আমি ভাইয়ার মত ভাল রেজাল্ট করতেও চাই না ৷ আমার ভাল লাগে না সারাক্ষণ শুধু পড়া পড়া আর পড়া করতে৷ ভাইয়াটা কেন হষ্টেলে চলে গেল? আমার খুব মন খারাপ হয় ভাইয়ার জন্য ৷ গুণে গুণে হিসেব করে দেখলাম অবার, এই নিয়ে পাঁচ বছর হয়ে গেল, ভাইয়া গেছে৷ এবছর ওর উচ্চ মাধ্যমিক, তারপর অবশ্য ভাইয়া কিছুদিনের জন্যে বাড়ি আসবে৷ যŸনি না রেজাল্ট বের হয় আর তারপর আবার কোথাও ভর্তি না হয় ৷ পরীক্ষার পরে বাড়ি এসে যে ভাইয়া শুধু ছুটি কাটাবে তা নয়, আব্বু এখন থেকেই সব লিষ্ট বানিয়ে রেখেছে,সব ইনিয়ারিং কলেজের, যেখানে যেখানে ভাইয়া ভর্তি পরীক্ষা দেবে৷ আরেকটা অপশন অবশ্য আছে আছে, আর্মিতে ঢুকে যাওয়া৷ ভাইয়ার সেটাই ইচ্ছে কিন্তু গম্ভীর মুখে আব্বু জানিয়ে দিয়েছে ভাইয়াকে, ওসব আর্মিতে যাওয়ার চিন্তা ভাবনা ছাড়ো, পরীক্ষা শেষ হলে ফিরে এসো, এর পরে কি করবে সে অনেক আগেই ভেবে রেখেছি! আব্বু সবকিছুই অনেক আগে থেকেই ভেবে রাখে, আমাদের সব ভাবনাই আব্বু ভাবে ৷ ভাইয়া চিঠিতে আমাকে লিখেছে, পরীক্ষার পর ফিরে এসে ও সিলেটেই থাকবে, সিলেটেরই কোন কলেজে ভর্তি হবে, আব্বু যতই লিষ্ট বানাক না কেন আর যতই ভাবুক না কেন! ভাইয়া এখানেই থাকবে ভেবে আমি নিশচিন্ত বোধ করি৷

-3-

পরজনমে দেখা হবে প্রিয়!
ভুলিও মোরে হেথা ভুলিও৷৷


এ জনমে যাহা বলা হ'ল না,
আমি বলিব না, তুমিও ব'লো না!
জানাইলে প্রেম করিও ছলনা,
যদি আসি ফিরে, বেদনা দিও৷৷



হাউজিং এষ্টেটের আমাদের এই বাড়িটার সামনে পেছনে দুটো বারান্দা ৷ সামনের বারান্দার গ্রীলএর হাফ রেলিং পেরিয়েই ছোট্ট একটুখানি লন, তাতে ছোট্ট একটু বাগান৷ কিছু গাছ বাগানের মাটিতে আর কিছু গাছ টবে ৷ এই বাগানটা ভাইয়ার, গাছগুলো ও ওরই লাগানো ৷ বাগানের শেষে যেখানে আমাদের বাড়ির সীমানা সেখানে ইটের হাফ দেওয়াল, ছোট্ট কাঠের গেট৷ গেট ছাড়িয়ে সামনে দিয়ে রাস্তা, হাউজি ংএষ্টেটের তিন নম্বর রোড, পাশাপাশি এরকম চারখানি রাস্তা সমান্তরালভাবে গেছে, এক, দুই, তিন, চার ৷ প্রতিটা রাস্তাই ডানদিক দিয়ে গিয়ে পড়েছে বড় রাস্তায় আর বাঁদিক দিয়ে শেষ হয়েছে ছোট এক টিলার গায়ে, আমরা যাকে পাহাড় বলি ৷ হাউজিং এর এই শেষ মাথায়, পাহাড়ের নিচে আমাদের খেলার মাঠ ৷ এই হাউজিং এর প্রায় সব ছেলে মেয়েরাই এখানে খেলতে আসে৷ দিনের বেলা কচি কাঁচারা খেলে, সন্ধ্যের পরে বড়রা বাতি জ্বালিয়ে শীতকালে ব্যাডমিন্টন খেলেন আর গরমকালে চেয়ার পেতে বসে শুধুই আড্ডা দেন ৷ হাউজিং এর এই রাস্তাগুলো যেখানে শেষ হয়ে বড় রাস্তায় পড়েছে সেখানে একটু ছোট্ট বাজার মত আছে সব কটি রাস্তাতেই৷ হাউজিং এর লোকজন ওখান থেকেই দরকারী ছোটখাট জিনিসপœ কিনে আনেন ৷ রাস্তার দুধারে বাড়ি, কোনটা একতলা কোনটা দোতলা ৷ প্রতিটা বাড়ির সামনেই ছোট্ট এক টুকরো বাগান, ঠিক যেমনটি আমাদের বাড়ির সামনে আছে৷ এই তিন নম্বর রোডের পেছন দিয়ে সমান্তরালভাবে গেছে এক সরু ঝর্ণা, আমরা সিলেটিরা যাকে 'ছড়া' বলি ৷ আমাদের বাড়ির ঠিক পেছন দিয়েই গেছে এই ছড়া, এমনিতে খুবই সরু, শুধুই তিরতিরে এক জলরেখা ৷ ওদিকের পাহাড় থেকে নেমে এসেছে , এই হাউজিং এষ্টেটের বুকের উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে এগিয়ে গেছে অনেকদূর, কোথাও খুব সরু তো কোথাও বা খানিকটা চওড়া হয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে একেবারে শেষ হয়েছে সুর্মায় ৷ আম্মু বলে, রিকাবী বাজারের যে বাড়িটাতে আমার জন্ম হয়েছিল, সেও নাকি এই ছড়ার পারেই ছিল! ছোট্ট আমার কাঁথা কাপড় ঐ ছড়া থেকেই ধুয়ে আনত জামশিদা বুবু ৷ ছড়ার পারের সেই বাড়িতে আম্মুরা তখন ভাড়া থাকত, আমার জন্মের কিছুদিন পরেই এবাড়িতে উঠে আসা হয়, সব চাইতে মজার ব্যপার, এখানেও বাড়িটি সেই ছড়ার পারেই ৷ পেছনের বারান্দায়ও হাফ রেলিং, গ্রীলের, আর তারপরেই খানিকটা দূর থেকেই শুরু হয়েছে ঢাল, নেমে গেছে ছড়ায় ৷ যখন খুব বর্ষা হয়, তখন ছড়ার জল উঠে আসে বাড়ির একেবারে পেছন অব্দি ৷ ঘোলা, ময়লা জল ৷ আম্মু বলে, পাহাড় ধুয়ে নেমে আসে এই পানি, ময়লা তো হবেই ৷ ছড়ার ওপাশে যতদূর চোখ যায় ঘন জঙ্গল ৷ অচেনা সব গাছ, ছোট বড়, অন্ধকার হয়ে থাকে দিনের বেলাতেও ৷ পেছনের এই বারান্দা, তিরতির করে বয়ে যাওয়া ঐ ছড়া আর ওপাশের ঘন জঙ্গল, সবই আমার খুব প্রিয়৷ আমার যখন খুব মন খারাপ হয়, আমি এসে এই বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকি, রেলি ংএ হেলান দিয়ে৷ পাশের বাড়িতে গানের মাষ্টার একই গান তুলিয়ে যায় রুনা আপাকে৷ ' আমারে চোখ-ইশারায় ডাক দিলে হায় কে গো দরদী,/ খুলে দাও রংমহলার তিমির-দুয়ার ডাকিলে যদি৷৷' আমাদের বাড়িতে গান বাজনার চল নেই, তাই আমি বারান্দার এসে শুনি ৷ কত তো গান আছে সে গুলো কেন শেখায় না মাষ্টার? একঘেয়ে লাগে, আমি চুউপ করে ঘরে এসে বসে থাকি৷ আজকাল আমার খুব ঘন ঘন মন খারাপ হয় ৷ নি:শব্দে কেটে যায় প্রহর ৷

ভাইয়া ক্যাডেট কলেজ থেকে পাশ করে গিয়ে ভর্তি হয়েছে বুয়েটে, ঢাকায় ৷ আবার হষ্টেল ৷ ভাইয়ার সেই ট্রাঙ্কের গায়ে এবারে ক্যাডেট কলেজের বদলে বুয়েটের নাম ঠিকানা লেখা৷ কায়সার আহমেদ ৷ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ ইনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি ৷ নজরুল ইসলাম হল ৷ ঢাকা ৷ ক্যাডেট কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পরে রিতিমত বাকযুদ্ধ হয়েছে আব্বুর সাথে ভাইয়ার এবং ভাইয়াকে সব কটা ইনিয়ারিং ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষা দিতে হয়েছে, আব্বুর খুব ইচ্ছে ছিল ভাইয়া যেন বুয়েটে পড়ে, তাই হয়েছে, ভাইয়া বুয়েটেই ভর্তি হয়েছে ৷ তবে ভাইয়া একটুও মন খারাপ করে বসে থাকে না, বলে, দাঁড়া, ক'দিন লাগবে পাশ করে বেরুতে, তারপর আমি এখানেই ফিরছি, সিলেটে৷ ভাইয়া কবে ফিরবে, আদৌ ফিরবে কী না? আমি আর এ নিয়ে ভাবি না ৷ হয়ত দেখা গেল, ভাইয়া যখন ফিরে আসবে পাশ করে, তার আগেই আব্বু অন্য কিছু প্ল্যান করে ফেলেছে ভাইয়ার জন্য ৷ ওবাড়ির রুনা আপুর বিয়ে হয়েছে লন্ডননিবাসী সাদেক ভাইয়ার সাথে৷ রুনা আপু নিজেও এখন লন্ডননিবাসিনী৷ কলেজে পড়তে গিয়ে রুনা আপুর দেখা হয় শিরিনের সাথে, বন্ধুত্ব হয়, শিরিন সাদেক ভাইয়ার ছোট বোন, একই ক্লাসে পড়ত রুনা আপুর সাথে৷ তখন সাদেক ভাইয়া মাঝে মাঝেই কলেজে আসে ছোটবোনকে পৌঁছে দিতে অথবা কলেজ থেকে বাড়ি নিয়ে যেতে৷ কলেজেই দেখা হয় রুনা আপুর সাথে সাদেক ভাইয়ার, মন জানাজানি হতেও সময় লাগেনি ৷ সাদেক ভাইয়ার বাড়ির লোকেদেরও অপছন্দ হয় না রুনা আপুকে৷ বড়দের মারফত বিয়ের প্রস্তাব আসে রুনা আপুদের বাড়িতে, খালাম্মা খালুজীরও অপছন্দের কারণ ছিল না, লন্ডননিবাসী হোটেলমালিক সাদেক ভাইয়ার সাথে রুনা আপুর বিয়ে হয়ে যায় ৷ আমিও গেছিলাম খালাম্মা আর খালুজীর সাথে সিলেট এয়ারপোর্টে, রুনা আপুকে প্লেনে তুলে দিতে৷ সিলেট থেকে রুনা আপু যাচ্ছে ঢাকায়, ওদের লন্ডনের ফ্লাইট রাতে, বিকেলটা ওরা ঢাকা এয়ারপোর্টেই থাকবে ৷ সাদেক ভাইয়া খালাম্মা আর খালুজী দুজনকেই বলেছিল ওদের সাথে ঢাকায় যেতে, পরদিনের ফ্লাইটে আবার ওঁরা সিলেটে ফিরে আসবেন কিন্তু ওঁরা কেউই যেতে চাননি ঢাকায়, এখান থেকেই মেয়ে জামাইকে বিদায় জানিয়ে বাড়ি ফিরবেন ৷ জরির কাজ করা লাল জর্জেট শাড়ি আর ঝকঝকে সোনার গয়নায় সুন্দরী রুনা আপু কখনও লন্ডন যাওয়ার আনন্দে হাসিতে উচ্ছ্বল তো কখনও কেঁদে আকুল খালাম্মা-খালুজী আর সবাইকে ছেড়ে যাচ্ছে বলে ৷ কানে কানে আমাকে বলে গেল যাওয়ার আগে, রুকুরে, টুটুভাই তোকে সত্যিই খুব ভালবাসে, একটু ভেবে দেখিস ৷ আমি জড়িয়ে ধরি রুনা আপুকে, চোখের জল চাপার চেষ্টা করেও পারি না, নি:শব্দে কাঁদতে থাকি রুনা আপু আর আমি ৷ আমি দেখতে পাই আমার নজরুলগীতিরা ঐ চলে যাচ্ছে, আমাকে ছেড়ে ৷



(আগামী খন্ডে সমাপ্য)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার গল্প  বিভাগে ।

 

  • ৯ টি মন্তব্য
  • ২৬২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১২
comment by: নজমুল আলবাব বলেছেন: আমি এর আগে আপনার লেখা এত মনোযোগ দিয়ে পড়িনি। এই সিরিজটা পড়তে গিয়ে দারুন লাগছে। এত বড় লেখা তবু পড়তে কোন কস্ট হয়নি। খুব ভালো লেগেছে। চলুক।


*আপনার সেই পাহাড়গুলো আর নেই। সব কেটে ফেলা হয়েছে। আকাশ ছুঁয়া ইমারত এখন সেখানে।
২. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১৮
comment by: রক্তিম বলেছেন: আগেরটার মতই সুন্দর। ভালো লাগল বর্ণনা।
৩. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১৫
comment by: শ্যাজা বলেছেন: নজমুল আলবাব,
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনার মতামত পেয়ে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। গল্পটা কিছু হয়েছে কিনা সেই চিন্তাটা ছিলই। যদিও অনেকেই ভাল বলেছেন। তবুও।
আবারও ধন্যবাদ।

পাহাড়গুলো যে থাকবে না সে তো জানা কথাই। নগরজীবনের প্রয়োজনে প্রকৃতি এভাবেই শেষ হয়ে যাচ্ছে সর্বত্র। স্মৃতিতে তবু রয়ে যায় কিছু কিছু...

অনেককাল যাইনি সিলেটে, যেতে খুব ইচ্ছে করে কিন্তু আবার ভাবি, গিয়ে হয়ত দেখব কিছুই আর চেনা নেই, সবই নতুন, সবই অচেনা। ভেবেও তাই যাওয়া হয় না...


ধন্যবাদ রক্তিমকেও। পরপর লেখাগুলো পড়েছেন, মন্তব্য করেছেন। ধন্যবাদ।
৪. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ১২:০২
comment by: নজমুল আলবাব বলেছেন: বদলে গেলেও পুরনো বন্দরে নৌকা না ভেড়ানোটা ভারি অন্যায় দিদি। মানুষের রঙ, বৈচিত্র আর মাটির ঘ্রান কিন্তু বদলায়না।
৫. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ১২:২৬
comment by: শ্যাজা বলেছেন: মাটির গন্ধ পেতেই বোধ হয় ফিরে যেতে চাই। ছেলেবেলার ঐ ভূমিতে। ঐ টিলায়, আমরা যাকে পাহাড় বলতাম। গৌর গোবিন্দের পাহাড়ের ঐ বাংলোটা কি এখনও আছে? আর কিশোরীমোহোন গার্লস স্কুলটা? এয়ারপোর্টে যাওয়ার রাস্তাটা কি এখনও খুব নীরব? আর অমনই ঝাঁকুনি খেতে হয় আঁকাবাঁকা রাস্তায়?

কি জানি...

কাজলহাওরের সেই সদ্য সদ্য গড়ে ওঠা দু একটা বাংলোবাড়ি কি এখন ঢেকে গেছে উঁচু উঁচু সব বিল্ডিংএ...

দরগাহের পেছনের রাস্তার পাশের ঐ কবরস্থান, সে কি এখনও আগেরই মতন...
৬. ০২ রা জুন, ২০০৭ রাত ১:৪২
comment by: নজমুল আলবাব বলেছেন: শহরের আশেপাশে এখন টিলা পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য। তবে আছে কিছু কিছু। আমি থাকি একতলা এক টিলার উপর। পাশে আছে কয়েকটা ৮/১০ তলা। তবে এই যায় কি সেই যায় অবস্থা। গৌড়গোবিন্দের টিলার বাংলোটা এখনও আছে। তবে এয়ারপোর্টের রাস্তাটা আর আগের মত নেই। বিশাল রাস্তা আর নৈসর্গে টানেনা।
কাজলহাওর এখন পুরাটাই ঘিঞ্জি এলাকা।
কবরস্থানের বেশ উন্নতি হয়েছে।
৭. ০২ রা জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭
comment by: সুমেরু বলেছেন: যাওয়া যেতে পারে।
৮. ০২ রা জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: সুমেরুরে কই পাইলেন?;)
৯. ০২ রা জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯
comment by: সুমেরু বলেছেন: এ আবার কি কথা!

 



 


আমি লিখি আবার লিখি না।
আমি শাহজাদী কিন্তু হাতি ঘোড়া নেই।
ঘুমোতে ভালবাসি, তবে জেগে জেগে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩১২৮০