somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জেগে আছে বাংলাদেশ - ৪

২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টুটুর এই বারান্দায় হাজিরা দেওয়াটা এখন এত বেশি স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে এখন ওকে কেউ ওখানে দেখতে না পেলেই ভবে, আরে, টুটু কোথায়? শরীর খারাপ নয় তো ছেলেটার! সেদিন যেমন আব্বু জিজ্ঞেস করছিল আম্মুকে ৷ আম্মু বেশ নিরাপদ আর নিশ্চিন্ত বোধ করে টুটু না থাকলে ৷ সেই টুটু কেন নেই, ওর ভাল-মন্দ নিয়ে আব্বুর উদ্বেগ শুনে আম্মু বেশ রেগে গেল, বলল, নেই তো কী হয়েছে, শান্তি, যদ্দিন না থাকে! এঘর থেকে আমার খুব নিষ্ঠুর মনে হল আম্মুকে ৷ আম্মু কেন এভাবে কথা বলে? এত নিষ্ঠুর তো আম্মু নয় ৷ তবে টুটুর বেলাতেই কেন আম্মু এমন অবুঝ আর নিষ্ঠুর হয়ে যায় আমি ভেবে পাই না ৷ সেই একবার এক চিঠি লেখা ছাড়া আর তো কখনও টুটু কোন চিঠি লেখেনি, আমাদের বাড়িতেও তো আসে না টুটু এমনকি আমার সাথে কখনও কোন কথা বলারও চেষ্টা করে না ৷ তবে কেন আম্মুর এত রাগ টুটুর পরে ৷ আম্মুর রাগের কারন খুঁজে না পেয়ে আমি মন দিই পড়ার বইয়ে ৷ পরীক্ষার আর বেশিদিন নেই৷ এ বছর রুনা আপুদের স্কুল ফাইন্যাল তার পরের বছর আমাদের ৷ আব্বু বলে, এখন থেকেই পুরোদস্তুর পড়াশোনা করতে হবে স্কুল ফাইন্যালের জন্যে, নইলে রেজাল্ট ভাল হবে না, ভাইয়ার মত৷ কিন্তু আব্বু জানে না, আমি ভাইয়ার মত ভাল রেজাল্ট করতেও চাই না ৷ আমার ভাল লাগে না সারাক্ষণ শুধু পড়া পড়া আর পড়া করতে৷ ভাইয়াটা কেন হষ্টেলে চলে গেল? আমার খুব মন খারাপ হয় ভাইয়ার জন্য ৷ গুণে গুণে হিসেব করে দেখলাম অবার, এই নিয়ে পাঁচ বছর হয়ে গেল, ভাইয়া গেছে৷ এবছর ওর উচ্চ মাধ্যমিক, তারপর অবশ্য ভাইয়া কিছুদিনের জন্যে বাড়ি আসবে৷ যŸনি না রেজাল্ট বের হয় আর তারপর আবার কোথাও ভর্তি না হয় ৷ পরীক্ষার পরে বাড়ি এসে যে ভাইয়া শুধু ছুটি কাটাবে তা নয়, আব্বু এখন থেকেই সব লিষ্ট বানিয়ে রেখেছে,সব ইনিয়ারিং কলেজের, যেখানে যেখানে ভাইয়া ভর্তি পরীক্ষা দেবে৷ আরেকটা অপশন অবশ্য আছে আছে, আর্মিতে ঢুকে যাওয়া৷ ভাইয়ার সেটাই ইচ্ছে কিন্তু গম্ভীর মুখে আব্বু জানিয়ে দিয়েছে ভাইয়াকে, ওসব আর্মিতে যাওয়ার চিন্তা ভাবনা ছাড়ো, পরীক্ষা শেষ হলে ফিরে এসো, এর পরে কি করবে সে অনেক আগেই ভেবে রেখেছি! আব্বু সবকিছুই অনেক আগে থেকেই ভেবে রাখে, আমাদের সব ভাবনাই আব্বু ভাবে ৷ ভাইয়া চিঠিতে আমাকে লিখেছে, পরীক্ষার পর ফিরে এসে ও সিলেটেই থাকবে, সিলেটেরই কোন কলেজে ভর্তি হবে, আব্বু যতই লিষ্ট বানাক না কেন আর যতই ভাবুক না কেন! ভাইয়া এখানেই থাকবে ভেবে আমি নিশচিন্ত বোধ করি৷

-3-

পরজনমে দেখা হবে প্রিয়!
ভুলিও মোরে হেথা ভুলিও৷৷


এ জনমে যাহা বলা হ'ল না,
আমি বলিব না, তুমিও ব'লো না!
জানাইলে প্রেম করিও ছলনা,
যদি আসি ফিরে, বেদনা দিও৷৷



হাউজিং এষ্টেটের আমাদের এই বাড়িটার সামনে পেছনে দুটো বারান্দা ৷ সামনের বারান্দার গ্রীলএর হাফ রেলিং পেরিয়েই ছোট্ট একটুখানি লন, তাতে ছোট্ট একটু বাগান৷ কিছু গাছ বাগানের মাটিতে আর কিছু গাছ টবে ৷ এই বাগানটা ভাইয়ার, গাছগুলো ও ওরই লাগানো ৷ বাগানের শেষে যেখানে আমাদের বাড়ির সীমানা সেখানে ইটের হাফ দেওয়াল, ছোট্ট কাঠের গেট৷ গেট ছাড়িয়ে সামনে দিয়ে রাস্তা, হাউজি ংএষ্টেটের তিন নম্বর রোড, পাশাপাশি এরকম চারখানি রাস্তা সমান্তরালভাবে গেছে, এক, দুই, তিন, চার ৷ প্রতিটা রাস্তাই ডানদিক দিয়ে গিয়ে পড়েছে বড় রাস্তায় আর বাঁদিক দিয়ে শেষ হয়েছে ছোট এক টিলার গায়ে, আমরা যাকে পাহাড় বলি ৷ হাউজিং এর এই শেষ মাথায়, পাহাড়ের নিচে আমাদের খেলার মাঠ ৷ এই হাউজিং এর প্রায় সব ছেলে মেয়েরাই এখানে খেলতে আসে৷ দিনের বেলা কচি কাঁচারা খেলে, সন্ধ্যের পরে বড়রা বাতি জ্বালিয়ে শীতকালে ব্যাডমিন্টন খেলেন আর গরমকালে চেয়ার পেতে বসে শুধুই আড্ডা দেন ৷ হাউজিং এর এই রাস্তাগুলো যেখানে শেষ হয়ে বড় রাস্তায় পড়েছে সেখানে একটু ছোট্ট বাজার মত আছে সব কটি রাস্তাতেই৷ হাউজিং এর লোকজন ওখান থেকেই দরকারী ছোটখাট জিনিসপœ কিনে আনেন ৷ রাস্তার দুধারে বাড়ি, কোনটা একতলা কোনটা দোতলা ৷ প্রতিটা বাড়ির সামনেই ছোট্ট এক টুকরো বাগান, ঠিক যেমনটি আমাদের বাড়ির সামনে আছে৷ এই তিন নম্বর রোডের পেছন দিয়ে সমান্তরালভাবে গেছে এক সরু ঝর্ণা, আমরা সিলেটিরা যাকে 'ছড়া' বলি ৷ আমাদের বাড়ির ঠিক পেছন দিয়েই গেছে এই ছড়া, এমনিতে খুবই সরু, শুধুই তিরতিরে এক জলরেখা ৷ ওদিকের পাহাড় থেকে নেমে এসেছে , এই হাউজিং এষ্টেটের বুকের উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে এগিয়ে গেছে অনেকদূর, কোথাও খুব সরু তো কোথাও বা খানিকটা চওড়া হয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে একেবারে শেষ হয়েছে সুর্মায় ৷ আম্মু বলে, রিকাবী বাজারের যে বাড়িটাতে আমার জন্ম হয়েছিল, সেও নাকি এই ছড়ার পারেই ছিল! ছোট্ট আমার কাঁথা কাপড় ঐ ছড়া থেকেই ধুয়ে আনত জামশিদা বুবু ৷ ছড়ার পারের সেই বাড়িতে আম্মুরা তখন ভাড়া থাকত, আমার জন্মের কিছুদিন পরেই এবাড়িতে উঠে আসা হয়, সব চাইতে মজার ব্যপার, এখানেও বাড়িটি সেই ছড়ার পারেই ৷ পেছনের বারান্দায়ও হাফ রেলিং, গ্রীলের, আর তারপরেই খানিকটা দূর থেকেই শুরু হয়েছে ঢাল, নেমে গেছে ছড়ায় ৷ যখন খুব বর্ষা হয়, তখন ছড়ার জল উঠে আসে বাড়ির একেবারে পেছন অব্দি ৷ ঘোলা, ময়লা জল ৷ আম্মু বলে, পাহাড় ধুয়ে নেমে আসে এই পানি, ময়লা তো হবেই ৷ ছড়ার ওপাশে যতদূর চোখ যায় ঘন জঙ্গল ৷ অচেনা সব গাছ, ছোট বড়, অন্ধকার হয়ে থাকে দিনের বেলাতেও ৷ পেছনের এই বারান্দা, তিরতির করে বয়ে যাওয়া ঐ ছড়া আর ওপাশের ঘন জঙ্গল, সবই আমার খুব প্রিয়৷ আমার যখন খুব মন খারাপ হয়, আমি এসে এই বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকি, রেলি ংএ হেলান দিয়ে৷ পাশের বাড়িতে গানের মাষ্টার একই গান তুলিয়ে যায় রুনা আপাকে৷ ' আমারে চোখ-ইশারায় ডাক দিলে হায় কে গো দরদী,/ খুলে দাও রংমহলার তিমির-দুয়ার ডাকিলে যদি৷৷' আমাদের বাড়িতে গান বাজনার চল নেই, তাই আমি বারান্দার এসে শুনি ৷ কত তো গান আছে সে গুলো কেন শেখায় না মাষ্টার? একঘেয়ে লাগে, আমি চুউপ করে ঘরে এসে বসে থাকি৷ আজকাল আমার খুব ঘন ঘন মন খারাপ হয় ৷ নি:শব্দে কেটে যায় প্রহর ৷

ভাইয়া ক্যাডেট কলেজ থেকে পাশ করে গিয়ে ভর্তি হয়েছে বুয়েটে, ঢাকায় ৷ আবার হষ্টেল ৷ ভাইয়ার সেই ট্রাঙ্কের গায়ে এবারে ক্যাডেট কলেজের বদলে বুয়েটের নাম ঠিকানা লেখা৷ কায়সার আহমেদ ৷ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ ইনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি ৷ নজরুল ইসলাম হল ৷ ঢাকা ৷ ক্যাডেট কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পরে রিতিমত বাকযুদ্ধ হয়েছে আব্বুর সাথে ভাইয়ার এবং ভাইয়াকে সব কটা ইনিয়ারিং ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষা দিতে হয়েছে, আব্বুর খুব ইচ্ছে ছিল ভাইয়া যেন বুয়েটে পড়ে, তাই হয়েছে, ভাইয়া বুয়েটেই ভর্তি হয়েছে ৷ তবে ভাইয়া একটুও মন খারাপ করে বসে থাকে না, বলে, দাঁড়া, ক'দিন লাগবে পাশ করে বেরুতে, তারপর আমি এখানেই ফিরছি, সিলেটে৷ ভাইয়া কবে ফিরবে, আদৌ ফিরবে কী না? আমি আর এ নিয়ে ভাবি না ৷ হয়ত দেখা গেল, ভাইয়া যখন ফিরে আসবে পাশ করে, তার আগেই আব্বু অন্য কিছু প্ল্যান করে ফেলেছে ভাইয়ার জন্য ৷ ওবাড়ির রুনা আপুর বিয়ে হয়েছে লন্ডননিবাসী সাদেক ভাইয়ার সাথে৷ রুনা আপু নিজেও এখন লন্ডননিবাসিনী৷ কলেজে পড়তে গিয়ে রুনা আপুর দেখা হয় শিরিনের সাথে, বন্ধুত্ব হয়, শিরিন সাদেক ভাইয়ার ছোট বোন, একই ক্লাসে পড়ত রুনা আপুর সাথে৷ তখন সাদেক ভাইয়া মাঝে মাঝেই কলেজে আসে ছোটবোনকে পৌঁছে দিতে অথবা কলেজ থেকে বাড়ি নিয়ে যেতে৷ কলেজেই দেখা হয় রুনা আপুর সাথে সাদেক ভাইয়ার, মন জানাজানি হতেও সময় লাগেনি ৷ সাদেক ভাইয়ার বাড়ির লোকেদেরও অপছন্দ হয় না রুনা আপুকে৷ বড়দের মারফত বিয়ের প্রস্তাব আসে রুনা আপুদের বাড়িতে, খালাম্মা খালুজীরও অপছন্দের কারণ ছিল না, লন্ডননিবাসী হোটেলমালিক সাদেক ভাইয়ার সাথে রুনা আপুর বিয়ে হয়ে যায় ৷ আমিও গেছিলাম খালাম্মা আর খালুজীর সাথে সিলেট এয়ারপোর্টে, রুনা আপুকে প্লেনে তুলে দিতে৷ সিলেট থেকে রুনা আপু যাচ্ছে ঢাকায়, ওদের লন্ডনের ফ্লাইট রাতে, বিকেলটা ওরা ঢাকা এয়ারপোর্টেই থাকবে ৷ সাদেক ভাইয়া খালাম্মা আর খালুজী দুজনকেই বলেছিল ওদের সাথে ঢাকায় যেতে, পরদিনের ফ্লাইটে আবার ওঁরা সিলেটে ফিরে আসবেন কিন্তু ওঁরা কেউই যেতে চাননি ঢাকায়, এখান থেকেই মেয়ে জামাইকে বিদায় জানিয়ে বাড়ি ফিরবেন ৷ জরির কাজ করা লাল জর্জেট শাড়ি আর ঝকঝকে সোনার গয়নায় সুন্দরী রুনা আপু কখনও লন্ডন যাওয়ার আনন্দে হাসিতে উচ্ছ্বল তো কখনও কেঁদে আকুল খালাম্মা-খালুজী আর সবাইকে ছেড়ে যাচ্ছে বলে ৷ কানে কানে আমাকে বলে গেল যাওয়ার আগে, রুকুরে, টুটুভাই তোকে সত্যিই খুব ভালবাসে, একটু ভেবে দেখিস ৷ আমি জড়িয়ে ধরি রুনা আপুকে, চোখের জল চাপার চেষ্টা করেও পারি না, নি:শব্দে কাঁদতে থাকি রুনা আপু আর আমি ৷ আমি দেখতে পাই আমার নজরুলগীতিরা ঐ চলে যাচ্ছে, আমাকে ছেড়ে ৷



(আগামী খন্ডে সমাপ্য)
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×