somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

‘সেকুল্যারিজম’ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রসংগ

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :





আবারও বাংলাদেশের বৃদ্ধিজীবি মহল থেকে আরম্ভ করে প্রায় প্রতিটি সচেতন মহলেই একটা বিষয় আলোচ্যসূচীতে পরিণত হয়ে উঠেছে। এবং খুব দ্রততার সাথেই তা যেন দেশের একটা প্রধানতম বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সেটা হলো, দেশের সংবিধানকে পরিবর্তন করে বাংলাদেশের পরিচয়টাকেই পরিবর্তন করে দিতে হবে। পরিবর্তন করে দিতে হবে এই দেশটার আদর্শিক পরিচিতি, তার মূল চেতনাকেই!
শতকরা আশি ভাগেরও বেশী জনগোষ্ঠি যেখানে মুসলমান, সেখানে তাদের আদর্শীক কোন পরিচিতি থাকবে না তাদের দেশে, তাদের সমাজ আর রাষ্ট্রিয় অবকাঠামোতে। সেখানে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে চরম ইসলাম বিদ্বেষী একটা আদর্শ ‘সেকুল্যারিজম’।
এটা যে চরম ইসলাম বিদ্বেষী আদর্শ, তাই নয় কেবল, বরং ইসলাম এর একেশ্বরবাদ, এর তাওহীদি শিক্ষা, এর কি সামাজিক, কি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কি সাং®কৃতিক, প্রাশাসনিক কি প্রতিষ্ঠানিক, যে কোন দিক বিচারেই এই দুই এর মধ্যে সম্পর্ক দা কুমড়ো হতে বাধ্য।
সেকুল্যারিজম এর সঙ্গা থেকে শুরু করে এর প্রায়োগিক দিক, সার্বিক অংগনেই এই ধারা বিরাজমান। ইংল্যন্ডের বার্মিংহাম এ জন্মগ্রহনকারী ইংরেজ চিন্তাবীদ, সাহিতি্িযক, জর্জ জ্যাকব হলিওক ১৮৫১ সালে সর্বপ্রথম এই সেকুলারিজম শব্দটির ব্যবহার করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন নাস্তিক।
বিগত প্রায় চারটি শতাব্দীর ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখলে আমরা যে বিষয়টি সুষ্পষ্টভাবে দেখতে পাই তা এই যে, সেকুলারিজম সবখানেই মূলত মানবিক প্রবৃত্তির সাথে সাংঘর্ষিক পর্যায়ে এর সম্পর্ককে বিন্যাস করে চলেছে। বিশ্বের আজকের সার্বিক আর্থ-সামাজিক, ভূ-রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, আদর্শিক ও নৈতিক বিচারে যে বিপর্যয়কর অবস্থা, তা মূলত এই মতবাদটিরই অবদান। বিষয়টা ব্যাপক আলোচনা ও ব্যাখা বিশে¬ষণ সাপেক্ষ। এই স্বল্প পরিসরে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করাটা সম্ভব নয়।
‘সেকুল্যারিজম’ একটা মতবাদ। আর মতবাদটির জন্ম ইউরোপ’এ। একটা বিশেষ সামজিক, রাজনৈতিক, আদর্শিক আর বুদ্ধিবৃত্তিক প্রেক্ষাপটে এর উদ্ভব। সেকুলারিজম নামক মতবাদটির উদ্ভবের সাথে এইসব ঐতিহাসিক পটভূমীর একটা যোগসাজুস আছে, যাকে কোন মতেই আলাদা করে দেখার বা ভাবাÍ কোন অবকাশ নেই। ঐতিহাসিক এই প্রেক্ষাপট থেকে সেকুলারিজম কে আলাদা করে নিয়ে বিচার করলে এটা তার মুল তাৎপর্যকেই হারিয়ে ফেলে।
এই মতবাদটি একটি সামাজিক বিপ¬বের ফলশ্র“তি। ইউরোপিয় সমাজে সেই ষোড়শ শতাব্দীতে চার্চ এর বাড়াবাড়ীর সুত্র ধরেই শুরু হয় সংশয়বাদীতার। এরই সূত্র ধরে মুক্তবুদ্ধি, মুক্তচিন্তার নামে বিজ্ঞান চর্চায় নতুন হাওয়া লাগে। আর এর বিরুদ্ধে চার্চনির্ভর যাজক শ্রেনীও তাদের স্বভাবজাত ভংগীতেই প্রতিক্রিয়া দেখায়।
তাদের ক্রমবর্ধমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক শোষন সমাজের গভীরে যেমন ক্রোধ আর ক্ষোভ এর জন্ম দিতে থাকে, তেমনি ইশ্বরের ‘প্রতিনিধি’ হবার দাবীদার চার্চ ও তার যাজক শ্রেনীও সমাজ, প্রশাসন আর রাষ্ট্রে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার কÍে যেতে থাকে। বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে ধর্মকে অস্ত্র করে চিন্তাবীদ ও বিজ্ঞানিদের সাথে দ্বন্দ, সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে থাকে তারা, সর্বোপরি ‘ইশ্বরের বিধান’ এর নাম ভাংগিয়ে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।
আর ধর্মের পবিত্রতা রক্ষার নামে ‘ইনকুইজশন কোর্ট’ মাধ্যমে শিক্ষা-গবেষনা, শিল্প-সং®কৃতি, বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা মানবাধিকার, ন্যায় বিচার, সাম্য আর ইনসাফ এসবের সকল পথই রুদ্ধ করে দেয় চার্চ। অর্থাৎ ইউরোপিয় সমাজে ধর্মের নামে যে কেবল শোষনই কায়েম হয়, তাই নয় , বÍং এই ধর্মের নামেই তারা সেখানে মানবাধিকার হরণ থেকে শুরু করে সকল প্রকার মানবতাবিরোধি কর্মকান্ড চালিয়ে যেতে থাকে।
আর এরই প্রতিবাদে গড়ে ওঠে সমাজ বিপ¬ব। এই সমাজ বিপ¬ব এর মুল চেতনাই ছিল শোষক, উৎপীড়ক চার্চ বা ধর্মীয় গোষ্ঠির হাত থেকে দেশ আর সমাজকে বাঁচানো। ‘বাঁচানো’র প্রশ্ন এসেছিল এই জন্য যে, তারা ধর্মের নামে একটা বিশেষ গোষ্ঠির হাতে নির্যাতিত, শোষিত হচ্ছিল। শোষনের হাত থেকে মুক্তির জন্যই সেখানকার সমাজ ধর্ম আর রাজনীতি, চার্চ আর কিং এর ক্ষমতা, অধিকার, বিচরণ ক্ষেত্র, সব আলাদা করে নেয়।
এরপরে আঠারো শতকের শিল্প বিপ¬ব, ফরাসি বিপ¬ব, ইউরোপিয় রেনেঁসার হাত ধরে প্রথম ও দ্বিতিয় বিশ্বযুদ্ধ, যুদ্ধোত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মাধ্যমে আজকের বিশ্ব এক ক্রান্তিকালে এসে দাঁড়িয়েছে। সেক্যুলারিজম এর চর্চায় জর্জরিত বিশ্ব আজ মুক্তির পথ খুঁজছে। এই খোঁজাখুঁজিরই প্রতিফলন ঘটছে সারা বিশ্বময় ধর্মীয় ভাবাবেগের পূনরুজ্জীবনের মাধ্যমে। অর্থাৎ রাষ্ট্র সেকুলারিজম এর কথা বললেও সমাজবাসী ধর্মকেই আশ্রয় করছে। তারা ধর্মের কাছেই ফিরে যাচ্ছে।
যাহোক, ‘সেকুলারিজম’ প্রথম শুরু হয় চটকদার বুলির মাধ্যমেই। যেমন বলা হয়ে থাকে, যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। রাষ্ট্র বা সমাজ কেউই কোন ধর্মেরই কোন রকম পৃষ্ঠপোষকতা দেবেনা কিংবা কোন ধর্মকেই তার পরিচিতি হিসেবে গ্রহন করবেনা বা লালন করবেনা। ধর্ম রাষ্ট্রের উপরে কোন প্রভাব বিস্তার করবেনা, রাষ্ট্রও ধর্মের ব্যাপারে কোন রকম মাথা ঘামাবেনা।
এরকম আপাত শ্র“তীমধূর ও নিরপেক্ষ বুলি দিয়ে শুরু করেই সেকুলারিজম তার চুড়ান্ত স্তরের দিকে এগুতে থাকে। এর পরে তা এমন একটা পর্যায়ে এসে দাঁড়ায়, যেখানে সেকুল্যারিজম এর ব্যাখা দাঁড়ায় নিরেট ধর্মহীনতা, যদিও তার প্রকাশ্য দাবী থাকে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ হবার।
এটা আসলে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার তীব্র বিরোধি হয়ে দাঁড়ায়। এই জন্য যে, সেকুলারিজম মনে করে, ধর্ম চর্চা মানুষের জীবনে প্রগতীর অন্তরায়। কারণ, ধর্ম যুক্তি ও বিজ্ঞান এর বদলে কিছু অন্ধ বিশ্বাস ও ধারণার প্রতি দৃষ্টিনিবদ্ধ করে। সেকুলারিজম এর প্রধানতম ত্বাত্তিক জর্জ জ্যকব এর নিজের ভাঁষায়,
In its most prominent form, secularism is critical of religious orthodoxy and asserts that religion impedes human progress because of its focus on superstition and dogma rather than on reason and the scientific method.
তার উক্ত কথাÍ মধ্যে এটা সুষ্পষ্ট যে, সেক্যুলারিজম তার চুড়ান্ত পর্যায়ে এসে ধর্মকে নিরেট অপ্রয়োজনীয়, কুসংষ্কারমুলক আচার আচরণ, আর মনুষ্য প্রগতীর জন্য বড় বাধা হিসেবে গন্য করে থাকে। আর মনুষ্য সমাজের শান্তি, স্থিতি বজায়, তার উন্নতি, প্রগতী নিশ্চিত করতে গিয়ে এ পথে বাধাটি অর্থাৎ ধর্মের মুলোৎপাটন করতে উঠে পড়ে লাগে রাষ্ট্র আর সমাজ। এরকম বাস্তবতা আমাদের সামনেই রয়েছে। নিকট অতিতের কমিউনিষ্ট রাশিয়া, বর্তমানের চীন একথার জাজ্বল্যমান উদাহারণ।
সেকুলারিজমের সংগা নির্ধারণ করে দিয়েছেন জর্জ জ্যাকব ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত তার English Secularism নামক এক লেখায়। সেখানে তিনি সেকুলরাজিম কি? সে কথা বলার পাশাপাশি এটা কাদের জন্য এবং এর মৌলিক তিন নীতি কি কি, সে বিষয়গুলোও অতি সংক্ষেপে তুলে ধরেছেন এভাবে ;

Secularism is a code of duty pertaining to this life, founded on considerations purely human, and intended mainly for those who find theology indefinite or inadequate, unreliable or unbelievable. Its essential principles are three: (1) The improvement of this life by material means. (2) That science is the available Providence of man. (3) That it is good to do good. Whether there be other good or not, the good of the present life is good, and it is good to seek that good

সেকুলারিজম এর উক্ত সংগা, পরিচিতি, ও মৌলনীিিতকে পর্যালোচনা করলে আমাদের সামনে এটা পরিষ্কার হয়ে ওঠে যে, সেকুলারিজম হলো নাস্তিকদের আদর্শ। এটা নিরেট নাস্তিক্যবাদ। ইসলামের একেশ্বরবাদ সম্পুর্ণ বিপরিত একটা ধারণা।

আর এটার তিনটি মৌল নীতির প্রথমটি সুষ্পষ্টভাবেই বস্তুবাদীতার ভিত্তি স্থাপন করে দেয়। আজকের বস্তুবাদী, পুঁজিবাদী বিশ্ব এই সেকুল্যার মতবাদেরই ফল। আর সে কারণেই আজকের বিশ্ব এই মতবাদটিকে যে কোন মুল্যে রক্ষা করতে, তাকে প্রতিষ্ঠিত রাখতে এতটা উৎসাহী!
এর দ্বিতিয় মৌলনীতির উপরে ভর করেই জন্ম নেয় ডারউইনিজম এর মত মানবতাবিধ্বংসি মতবাদ। আর এই ডারউইনিজম এর হাত ধরে বিশ্বে কি নৈরাজ্যবাদীতার জন্ম হয়েছে, তা কাউকেই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবেনা। বিংশ শতাব্দীর কমিউনিজম, আর একবিংশ শতাব্দীর ‘নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার’ বা ‘নিউকন’ চেতনা সন্দেহাতীতভাবে এই মৌলনীতিরই ফল।

তৃতিয় ও সর্বশেষ মৌলনীতিটি একজন ব্যক্তি ও একটি রাষ্ট্রের সম্মুখে খুলে দেয় সেচ্ছচারীতা, ডিক্টেটরশীপ, জুলুমতন্ত্র আর চরম নৈরাজ্যবাদীতার পথ। এই পথ ধরেই আসে লেনিন, ষ্টালিন, মুসোলীনি, মাও সে তুং, হিটলার, চসেষ্কু, নাসের, কামাল পাশা, হাবিব বরগুইবা, রেজা শাহ, এদের মত ডিক্টেটররা।

একারণেই বোধ করি আল¬ামা ইকবাল লিখেছেন ‘জালালে পাদশাহী হো, কে জামহুরী তামাশা হো / জুদা হো দীন সিয়াসাত সে তো রেহ্ যাতি হে চেঙ্গেজী’

সরল অর্থ এই দাঁড়ায় যে, ‘বাদশাহীর দাপট কিংবা গনতন্ত্র’র তামাশা, যাই হোকনা কেন, রাজনীতি থেকে ধর্মকে বাদ দিলে যা থােেক, তার নাম হলো চেঙ্গিজী বর্বরতা।’
বাংলাদেশের রক্ষনশীল সমাজে এরকম একটা প্রভাব আমরা দেখেছি। স্বাধীনতার পরবর্তি সময়কালে পঁচাত্তর পর্যন্ত ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশে যে চেঙ্গিজি শাসন চলেছে, বাকশালি তান্ডব আর রক্ষী বাহিনীর বর্বরতা, চুয়াত্তর এর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, এসবই হলো সেক্যুলার মতবাদ চর্চার পরিণতি।

এই ব্যবস্থা চালুর ফলে অনিবার্যভাবেই এর একটা প্রভাব পড়বে সমাজ জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই। এর আলাকে সাঁজাতে হবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে, প্রশাসন, রাষ্ট্র, সরকার সবকিছুই। সমাজ থেকে ইসলাম এর সাথে সম্পর্কিত সকল কিছুকেই করা হবে বিদেয়। মাত্র কয়েকটি বৎসরের মধ্যেই এসবের প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে দেশের উঠতি প্রজন্মের আচার, আচরণ আর তাদের মতাদর্শে। ঘরে ঘরে জন্ম নেবে হিটলার আর চেঙ্গিজ এর একবিংশ শতাব্দীর ডিজিটাল সংস্করণ!

দেশের পাঁচাশি ভাগ জনগোষ্ঠির আদর্শ ইসলাম। নানাবিধ কারণে ইসলাম চর্চার ব্যাপারে তাদের অনেকের মধেই শৈথিল্য আছে এবং তা থাকতেও পারে। কিন্তু যে বিষয়টির মধ্যে কোন সন্দেহ নেই তা হলো, এই আদর্শের সাথে তাদের মানসিক ও আত্বিক সম্পৃক্ততা। এই বিশাল জনগোষ্ঠিকে রাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে সরাসরি সাংঘর্ষিক অবস্থানে নিয়ে দাঁড় করাবে, সেটা কোনমতেই গ্রহনযোগ্য হতে পারেন্।া রাষ্ট্র আর সমাজের সংহতির জন্য এমন একটা পদক্ষেপ হবে আত্বঘাতী।

যে আদর্শিক বৈপরিত্যের কারণে পুর্ববাংলা ভারতের একটি প্রদেশ না হয়ে হয়েছে বাংলাদেশ নামক একটা গর্বিত রাষ্ট্র, সেই আদর্শিক বৈপরিত্যের মূলে কুঠারাঘাত করতেই কি সরকার দেশে সেকুলারিজম চালু করতে যাচ্ছে? এটাতো খোদ স্বাধীনতার বিরুদ্ধেই অবস্থান নেবার শামিল! যে দেশের মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে স্বাধীনতা আনতে পেরেছে, সেই দেশের মানুষ সেই একইভাবে রক্ত নজরানা দিয়ে স্বাধীনতার এই মৌলিক রক্ষাকবচটিকেও রক্ষা করবে। করবে যে, সেটা সময়েই প্রমানিত হবে ইনশাআল¬াহ।

৯টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×