somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ও চুক্তি; একটি বিশ্লেষন

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ক’দিন আগে ভারত সফর করে এেেসছেন। ভারত যে কেবল আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র তাই নয়, এটা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মা এ’র দেশ। প্রয়াত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্ধিরা গান্ধী নাকি তাঁর কাছে ছিলেন মা’র মত। পিতা শেখ মুজিবর রহমান নিহত হবার পরে আঠারো বৎসরের বোন শেখ রেহানা সহ প্রধারনমন্ত্রী শেখহাসিনা স্বপরিবারে দিল্লীতে আশ্রয় নিয়েছিলেন আর তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের মাতৃস্নেহে আশ্রয়, নিরাপত্তা সহ বসবাসের সকল প্রকার সুবিধা দিয়েছিলেন।
এসব কথা আমরা ততটা জানতাম ন্,া যতটা জেনেছি খোদ প্রধানমন্ত্রীর নিজের মুখেই। তিনি নিজেই এসব কথা সাংবাদিকদের সামনে অবলীলায় বলেছেন। বাবা মা হারা কন্যাদের নিজেদের দেশে আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় নিরপাত্তা দিয়ে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মিসেস গান্ধী নি:সন্দেহে একটি মানবিক কাজই করেছিলেন। এ জন্য মিসেস গান্ধীর কাছে যে কেবল প্রধানমন্ত্রী হাসিনাই কৃতজ্ঞ, তাই নয় একই সাথে কৃতজ্ঞ আমরা এই বাংলাদেশীরাও। কিন্তু তাই বলে কি সেই কৃতজ্ঞতার ঋন শুধতে হবে পুরো দেশ আর তার স্বাধীনতাকে বিসর্জন দিয়ে?
প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা ভারত সফরে স্বাক্ষরিত তিনিটি চুক্তি হল অপরাধসংক্রান্ত বিষয়ে পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতা, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও পরিকল্পিত অপরাধ এবং মাদকপাচার দমন ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি প্রত্যাবর্তন বিষয়ে চুক্তি। এটাই দুই সরকারের ঘোষনা।
এছাড়াও সেখানে তিনি ভারতকে তার দীর্ঘদিনের চাওয়াটাও পূরণ করে এসেছেন। তিনি ভারতকে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিট দিয়েছেন। চট্টগ্রাম ও মংলা নৌবন্দর ব্যবহারের সুযোগও তিনি বন্ধু ভারতকে দিয়ে এসেছেন।ূ এভাবেই তিনি তার মাতৃস্নেহের ঋন পরিশোধ করে এসেছেন।
আর ভারতও অবশ্য কিছু দিয়েছে। একতরফা বাংলাদেশই কি শুধু দিয়ে যাবে? না, তা আমাদের প্রধানমন্ত্রী হতে দিতে পারেননা! তা ছাড়া দেশে মুখ দেখানোর প্রশ্নটা জড়িত আছেন না? তাই তিনি ভারত থেকে কিছু ‘আদায়’ করে এনেছেন! সেই ফিরিস্তিটাও কিন্তু কম না! তবে সূধী পাঠক, দয়া করে হাঁসিটা একটু কষ্ট করে সম্বরণ করবেন সেই ফিরস্তি শুনে, এমন অনুরোধটা আগে ভাগেই করে রাখছি।
আমাদের প্রধানমন্ত্রীর এক ডজনেরও বেশী ড্ক্টরেট ডিগ্রি থাকা সত্তেও তিনি এবারেও আরও একটা মহা অর্জন জুটিয়ে এনেছেন! আর তা হলো, তিনি এবার আরও একটা পদক ‘ইন্ধিরা গান্ধী পুরষ্কার’ জুটিয়েছেন তাঁর শিরোপায়।
বাংলাদেশী জাতি যখন ক্রমাগতভাবে রাজনৈতিক নৈরাজ্য, হানাহানী আর আভ্যন্তরীণ বিশৃংখলা সহ ক্রসফায়ারের আতংকে ভূগছে, ক্ষমতাসীনদের আচার আচরণে রাষ্ট্রীয়ভাবেই সন্ত্রাসের শীকাÍ হচ্ছে যখন জনগন অহর্নীশ, তখন তাঁর এমন একটা পুরষ্কার পাওয়াটাকে সাধুবাদ দেবে দেশবাসী, নাকি এটাকে আরও একটা হাস্যকর, লজ্জাষ্কর ঘটনা বলে ভাববে, সেটা দেশবাসীর উপরেই ছেড়ে দিলাম।
যাহোক, বাংলাদেশের জন্য আরও কিছু এনেছেন। এই যেমন, তিনি একশতকোটি মার্কিন ডলার এনেছেন ঋন হিসেবে! যার জন্য অবশ্য বাংলাদেশকে চড়া সুদ গুনতে হবে। সেই ব্রিটিশ ভারতে হিন্দু মহাজনদের অতি পরিচিত সুদী কারবার, সেই পুরানো ব্যবসা! যেখানে বাংলাদেশের ব্যংকেই পড়ে আছে অলস টাকার পাহাড়, কাজে লাগানো যাচ্ছেনা, বিনিয়োগও হচ্ছেনা, সেখানে আবার ভারত থেকে এই চড়া সুদে টাকা নেয়া কেন? সেটাও কিন্তু ভারতের স্বার্থেই। একে তো ভারতের আর্থিক লাভ, এর উপরে সহজ সরল বাংলাদেশের মানুষকে দেখানো যে, ভারত আমাদের এই বিশাল অংকের টাকা দিয়েছে! ডিজিটাল যুগে আরও একটা ডিজিটাল প্রতারণা বৈকি!
প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে আশ্বাস এর ফুলঝুরী এনেছেন। বিনা শুল্কে বাংলাদেশী পন্যের প্রবেশাধিকার কয়েকটি পন্যের উপরে, তবে সমস্য হলো, এইসব পন্যের তালিকায় এমন সব পন্য জুড়ে দেয়া হয়েছে, যে গুলো বাংলাদেশে তৈরীই হয়না! ভারতের বাজারে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানী হওয়াতো দুরের কথা। অর্থাৎ এটা একটা শুভংকরের ফাঁকি মাত্র। আরও একটা ডিজিটাল প্রতারণা!
ভারতইে চুক্তির বদৌলতে সব কিছুই পেয়েছে, যা যা সে এতদিন চেয়ে আসছিল। তার পক্ষে এ কথা বলাটা সম্ভব যে ‘সফর সফল’ হয়েছে। কিন্তা তারা তা বলেনি। তার এই সফরকে কেবল ‘ফলপ্রসু’ বলেছে। ভারতের পক্ষেতো তখনই কোন বাংলাদেশী প্রধানমন্ত্রীর সফর ‘শতভাগ সফল’ হবে, যখন পুরো বাংলাদেশটাকেই প্রকাশ্যে, সরকারিভাবে ভারতের একটা ‘অঙ্গরাজ্য’ বলে ঘোষনা দেয়া হবে!
অতএব সাবধানী ভারত এই সফরকে কেবল ‘ফলপ্রসু’ বলেই ক্ষান্ত থেকেছে ‘শতভাগ সফল’ বলেনি। তবে প্রাপ্তির আনন্দে তারা এতটাই বিহ্বল যে, তারা তাদের সেই আনন্দ কোন মতেই চেপে রাখতে পারেনি। ট্রানজিট আর নৌ বন্দর সুবিধা পেয়ে যেন পুরো ভারতই আনন্দে মেতে উঠেছে। তাদের সেই আনন্দ ধারা এখনও চলছেই। শেখ হাসিনা তাঁর এই সফরে ভারতকে এতটাই দিয়ে এসেছেন যে, ভারত তার বাস্তবতা এখনও যেন বুঝেই উঠতে পারেনি! এখনও যেন তারা এক স্বপ্নের ঘোরে বাস করছে!!
তবে এই সফরটাকে ‘শতভাগ সফল’ বলেছে বাংলাদেশ সরকার। তার কারণও অবশ্য আছে। জেনারেল মঈন এর দুই বৎসরের সামরিক শাসনের পরে যে গোপন সমঝোতার ভিত্তিতে আওয়ামি লীগ আজ সরকারে আসীন, আওয়ামি লীগ দেশী বিদেশী প্রভূদের কাছে, আঞ্চলিক আর আন্তর্জাতিক শক্তির কাছে যে ওয়াদা পালনের প্রতিশ্র“তী দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, সেই ওয়াদা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তারা সত্যিকার অর্থেই শতভাগ সফল। আর এ দাবী তারা সঙ্গত কারণেই করতে পারে। তাতে দেশবাসীর কোন সন্দেহ নেই।
বাংলাদেশ ও ভারত দৃই প্রতিবেশী রাষ্ট্র হলেও তাদের মধ্যে সম্পর্ক বরাবরই প্রশ্নসাপেক্ষ। ক্ষুদ্র দেশ বাংলাদেশের প্রতি ভাÍতের মনোভাব কখনই স্বচ্ছ নয়। সেরকম কোন প্রমান ভারত আজ পর্যন্ত দিতে পারেনি। দুই দেশের মধ্যে আকাশসম বানিজ্য ঘাটতির বিষয়টি যদি বিচার করেন, তবে দেখবেন, সেখানে ভারতের নেতীবাচক ভূমিকাই প্রধান কারন।
বাংলাদেশ এর স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব নিয়ে যত প্রকার নেতীবাচক প্রক্রিয়া চলছে ভারতীয় মাটিতে, শান্তি বাহিনী, বঙ্গভূমী আন্দোলন, এসবের উদ্ভব ও কর্মকান্ড থেকে শুরু করে তাদের আশ্রয়স্থলও এই ভারত। বাংলাদেশের ভেতরে তথাকথিত ‘ইসলামি সন্ত্রাসবাদ’ এর তক্বমা ধারী ‘বাংলাভাই ’ ‘হরকাতুল জ্বেহাদ’ ‘আল্লাহর দল’ আরও এরকম জানা বা না জানা সন্ত্রাসী দল, সব কিন্তু ঐ ভারত থেকেই উদ্ভব! সেখানেই তাদের আস্তানা, আর সেখান থেকেই তারা এদেশে এসে তাদের কর্মকান্ড পরিচলনা করে থাকে!!
আবার মজার ব্যপার হলো, ঐ ভারতই এদের খবরাখবর,দেশী বিদেশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে প্রচারও করে সময় ও সুযোগমত, কুটনৈতিক মাঠে বাংলাদেশকে ব্যকফুটে ফেলে দিয়ে তাদের সুবিধা আদায় করতে চায়। করেও। আধুনিক বৈশ্বিক রাজনীতি আর কুটনীতিতে এটা একটা অতি পরিচিত কিন্তু নোংরা খেলা।
ঢাকার ভারতীয় দূতাবাস পাহারা দিতে, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত এর নামে বাংলাদেশের মাটিতে ভারতীয় কম্যন্ডো মোতায়েন হয়েছে ইতোমধ্যেই। সেবিষয় পত্র পত্রিকায় সচিত্র খবরও বেরিয়েছে। এরপরে এখন আবার বাংলাদেশের মাটিতেই ভারতীয় যান চলবে। ট্রানজিট এর সেই সুযোগ নিয়ে ভারত বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে তার পূর্বাংশে পাঠাবে বিভিন্ন যান বাহন ভর্তি মাল সামান। তাতে হয়ত থাকবে চাল, ডাল, তেল, চিনি তেমনি থাকবে অস্ত্রের চালানও। এইসব অস্ত্র আর রসদ ব্যবহৃত হবে ভারতের পুর্বংাশের প্রদেশ সমুহে চলমান স্বাধীনতা আন্দোলন দমাতে, এটা যেকোন আহম্মকেও বোঝে। কেবল বোঝেন নি আমাদের সরকার বাহাদুর।
অবশ্য তারা বুঝতে চান নি। যেমনটা প্রধানমন্ত্রী নাকি জানেন না টিপাইমুখ বাঁধ কী? সে বিষয়টি! তিনি যদি তা নাই জানবেন, তা হলে ক’মাস আগে ঘটা করে বাংলাদেশ থেকে সংসদীয় কমিটিকে টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প সরেজমিনে দেখতে পাঠানোর দরকারটাইবা কী ছিল?্ আর সেই কমিটি এসে প্রধানমন্ত্রীকেইবা কী রিপোর্ট দিয়েছেন? সংবাদ সম্মেলন করে সেই কমিটি যে সরষ কথাবার্তা জাতিকে শোনালেন, তারই বা মোজেজা কী? কে জবাব দেবে এসব প্রশ্নের?
যাহোক, বলছিলাম বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে আসাম, হিমাচল, ত্রিপুরায় চলমান আন্দোলন দমাতে অস্ত্র যাবে। সঙ্গত কারনেই এবার সেই স্বাধীনতাকামীরা বাংলাদেশের ভেতর এসেই ভারতীয় রসদবাহী বহরের উপরে যদি হামলা চালায়, তবে সেই হামলা মোকাবেলার জন্য কিংবা ভারতীয় রসদবাহী যান বাহনের নিরাপত্তা বিধানের জন্য এর পরে নামবে ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশে মাটিতেই!
অথবা ভারত নিজেই যদি স্যবোটাজ করে, নিজের রসদবাহী বহরের উপরে হামলা পরিচালনা করে বাংলাদেশের কোন গোষ্ঠির উপরে এর দায়ভার চাপায় (যেমনটা ভÍত ইতিপূর্বে এক ভারতীয় বিমান ছিনতাই এর নাটক মঞ্চস্থ করে সেই দায়ভার পাকিস্থানের উপরে চাপিয়ে পাকিস্থানের জন্য তার আকাশসীমা ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল, সে ঘটনা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রক্তন কম্যান্ডোরা বেশ গর্ব ভরে নিজেদের সফলতা আর বিচক্ষনতা(!) দেখাতে ফাঁসও করে দিয়েছেন!) তা হলে তার দায় ভার কে নেবে?
এর আগের মেয়াদে এই আওয়ামি লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেই গঙ্গার পানি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এই যে, আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ তার প্রাপ্য পানির হিস্যা পায়নি। আজও দেশের পশ্চিমাঞ্চল মরুভূমীর মতই পড়ে আছে! আজও পদ্মায় হার্ডিঞ্জ ব্রীজ এর নীচে, খোদ পদ্মার বুকে, কৃষক লাঙ্গল বয়, সেখানে চাষও হয়! আজও ফারাক্কার অভিশাপ থেকে বাংলাদেশ মুৃক্তি পায়নি।
আজও বাংলাদেশী পন্যের শুল´ুক্তি কোন প্রবেশাধিকার ভারত তার দেশে দেয়ন্।ি আজও তালপট্টি সমস্যার সমাধান হয়নি। আজও সীমান্তে প্রতিদিনই নিরীহ বাংলাদেশী কৃষকে ভারতীয় বি এস এফ পাখির মত গুলি করে করে মারছে, তার কোন প্রতিকারই হয়নি। এমনকি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতিবাদটুকু করে আসেননি। পাছে দাদারা নাখোশ হন, এই ভয়ে! আজও ভারতের মাটিত কয়েক শত বাংলাদেশী সন্ত্রাসী আশ্রয় নিয়ে বিচার এড়িয়ে চলছে, ভারত এ্ ব্যাপাওে কোন ব্যবস্থাই নেয়নি, জানা সত্তেও।
আজও বেরুবাড়ী হস্তান্তর করেনি ভারত বাংলাদেশের কাছে, যদিও এ ব্যপারে তারা বাংলাদেশের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আছে। আজও ভারত পশ্চিমবঙ্গে স্বাধীন বঙ্গভূমী আন্দোলন এর অফিস বন্ধ করেনি, আজও তাদের মদদ দিয়েই চলেছে। ‘পাহাড়ী ছাত্র পরিষয়দ’ ‘উপজাতি পরিষদ’ নাম দিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত সন্ত্র্রাসী গ্র“পকে আজও ভারত সহায়তা দিয়েই চলেছে, প্রধানমন্ত্রী সে ব্যপােের একটা কথাও বলেননি ভারত সফরে!
যে কোন নিরপেক্ষ বিচারে সদ্যকৃত তিনটি চুক্তিই জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি মারাত্বক হুমকি বহন করে। এমন গুরুতর হুমকি বহন করে যে স্বিদ্ধান্ত, সেই স্বিদ্ধান্ত একমাত্র সেই সরকারই নিতে পারে, যে সরকার নিজ দেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বকে জলের দামে বিক্রি করে দিতে তৎপর!
৭১ এর স্বাধীনতার পরে পঁচিশ বৎসর মেয়াদি চুক্তি করে ভারত বাংলাদেশকে সেই চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য করতে পারেনি। পারেনি, তার একমাত্র কারণ হলো, দেশের মানুষ কখনই সেই চুক্তি মেনে নেয়নি। আরও মজার ব্যাপার হলো, সেই কুখ্যাত চুক্তি ভঙ্গের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন স্বয়ং মরহুম শেখ মুজিবর রহমান নিজেই!
শেখ হাসিনা যে সত্যিকার অর্থেই ভারতের কাছে কৃতজ্ঞ, আর সেই কৃতজ্ঞতা প্রমানে যে তিনি কোন কিছুরই পরওয়া করেননা, এমনকি দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বটুকু যে তিনি বিকিয়ে দিতে পারেন, তার প্রমান তিনি দিয়েছেন তার সা¤প্রতিক ভারত সফরে।
শেখ হাসিনার কাজ শেখ হাসিনা করেছেন। তিনি কি পারেন, আর না পারেন, তার প্রমান তিনি দিয়েছেন, এবার পালা হলো এই দেশটার জনগনের। তারা কি পারেন, আর কি পারেন না, সে প্রমান দিতে হবে বাস্তবে এই্ দেশ এর স্বাধীণতা, সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেই।

২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×