ক্ষমতার উন্মত্ততায়, সরকারি উদ্যোগ আর ইন্ধনে, সরকারের প্রত্যক্ষ ত্বত্তাবধানে, বাংলাদেশে এখন চলছে রাম রাজত্ব। আঈনের শাসনকে রাতারাতি নির্বাসিত করা হয়েছে। মানবাধিকারকে করা হয়েছে বিতাড়িত। সরকার তার প্রশাসনকে দলীয় পান্ডা বাহিনী বানিয়ে পুরো দেশ জুড়ে চালিয়ে যাচ্ছে তান্ডব। একেবারে নারকীয় তান্ডব!
হ্যাঁ, তান্ডব চলছে।্ ডিজিটাল তান্ডব! পুরো বাংলাদেশে জুড়ে চলছে রক্তের হোলি উৎসব। আওয়ামি সোনার ছেলেরা উন্মত্ততার সাথে ঝাঁপিয়ে পড়েছে প্রতিপক্ষের উপরে। প্রতিপক্ষ বলতে এখানে কেবলমাত্র জামাত এ ইসলামি, আর ইসলামি ছাত্র শিবিরকেই আপতত বুঝতে হবে। কারণ, মাঠে বুক ফুলিয়ে আপাতত এরাই দাঁড়িয়ে আছে। যেমনটা তাÍা এর আগেও সকল স্বৈরাচার আর নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিজেদের জানবাজী রেখে দাঁড়িয়ে থেকেছে। থেকেছে রক্ত আর প্রানের নজরাণা সাঁজিয়ে।
বিগত নয় তারিখে, অর্থাৎ ৯ই ফেব্র“য়ারী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে আধিপাত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রদের মধ্যে মারামারি হয়। আজকাল অবশ্য প্রতিদিনই, দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই মারামারি হচ্ছে, পক্ষ আর প্রতিপক্ষের মধ্যে। যেখানে প্রতিপক্ষ নেই, সেখানে ছাত্রলীগ নিজেদের মধ্যেই গ্র“প বানিয়ে, বিভিন্ন গ্র“প এ বিভক্ত হয়ে মারামারি করছে। যাহোক, সে রাতে ছাত্রশিবিরের সাথে ছাত্রলীগের মারামারি হয়।
সেখানে দু:খজনকভাবে মারা যান এক ছাত্র। ছাত্রলীগ দাবি করে, উক্ত নিহত ছাত্র নাকি তাদের দলীয় কর্মী। আর শিবিরই নাকি তাকে হত্যা করেছে। যদিও শিবির এ অভিযোগ অস্বীকার করেঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবী করেছে।
কিন্তু কোন রকম তদন্ত না করেই বা করতে না দিয়েই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের মন্ত্রী মিনিষ্টার, ছাত্রলীগ, আওয়ামি লীগ আর তাদের সমর্থক মিডিয়া, সবাই তারস্বরে চিৎকার করে চলেছে, ‘উক্ত ছাত্রকে শিবিরই হত্যা করেছে’ বলে। আর শিবিরকে প্রতিহত করতে হবে, এটাই নাকি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।
এর পরেই শুরু হয় তান্ডব। যে তান্ডবের কথা এতক্ষন বলার চেষ্টা করেছি। এই লেখা যখন লিখছি, তখনও সেই তান্ডব চলছেই। সারা দেশের আনাচে কানাচে, শিবিরের বাসা বাড়ীতে, মেসে, হামলা করে চলেছে লীগের ছেলেরা। আঈন নিজের হাতে তুলে নিয়ে লীগের ছেলেরা সারা দেশে এক ভয়ংকর অবস্থা সৃষ্টি করেছে। এদের তান্ডব থেকে ছাত্র, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সাংবাদিকরা, এমনকি শিক্ষকরাও রেহাই পাননি। রাজশাহীতে খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের ধরে উত্তম মধ্যমও দিয়েছে ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা!
মোট কথা, রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে একজন ছাত্রের দুর্ভাগ্যজনক মৃুত্যুকে কেন্দ্র করে স্বয়ং সরকার থেকে শুরু করে, তার সমর্থক ছাত্রলীগ, যুবলীগও জামাত শিবিরের উপরে হামলে পড়েছে। স্বয়ং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পুলিশের আইজি’সহ রাজশাহী উপস্থিত হয়ে একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর মত নয় বরং নিরেট দলীয় কর্মীর মত, একজন দলীয় গডফাদার এর মত করে পুলিশকে নির্দেশ দিলেন, রাজশাহী শহরের আশে পশে যত শিবির ছাত্রদের মেস বা আবাসস্থল আছে, সব ভেংগে গুঁড়িয়ে দিতে! দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিবিরকে উৎখাত করতে!
কি আশ্চর্য। মাত্র ক’দিন আগেই আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা বিবিকে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে লীগের ছেলেদের হাতে খুন হওয়া মেধাবী ছাত্র আবু বকর সিদ্দিক এর মৃত্যু, এবং সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ভর্তিকে কেন্দ্র করে ভর্তিবানিজ্য, বিভিন্ন অফিস আদালতে টেন্ডার বানিজ্যে ছ্রাত্রলীগের নেমে পড়া, আর সেই বানিজ্যের ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যেই প্রতিদিন হানাহানীতে লিপ্ত হওয়া, এসব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের উত্তর দিয়েছিলেন, ‘এটা কোন ব্যাপার না’!
তখন এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেছিলেন ‘এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা, এমনটি ঘটতেই পারে’। আর এর মাত্র এক সপ্তাহ পরে, যখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের এক কর্মী নিহত হলো, তখনই তিনি এই ঘটনাকে ‘বর্বরতা’ বলে অভিহিত করে দেশ থেকে ছাত্রশিবির ‘উৎখাত’এর নির্দেশ দিলেন ‘পুলিশ লীগ’সহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ কে।
মাত্র কিছুদিন আগেকার কথা, সূধী পাঠকের মনে থাকার কথা, গত বৎসরের ২১শে মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাধারণ সম্পাদক নোমানিকে লীগের ছেলেরা খুন করেছে, আজও তার কোন বিচার হয়নি। সেদিনও কিন্তু এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাঁর দল ক্ষমতায় ছিলেন।
প্রসঙ্গত বলে রাখি, এই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েই শিবির এ পর্যন্ত ষোল জন কর্মী হারিয়েছে। সারা দেশে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের হাতে ( এর মধ্যে ছাত্রলীগও অন্যতম ঘাতক বটে!) শিবির এই নিবন্ধ লেখা পর্যন্ত, একশত বত্রিশ জন নেতা কর্মীকে হারিয়েছে। আজ পর্যন্ত,কেউ তার কোন বিচার করলেন না।
করবেন না, সেটা দেশবাসী খুব ভালো করেই জানেন। জানেন, কেননা সেই ঘটনায় মারা গেছেন যাঁরা, তাঁরা কেউই আওয়ামি লীগের সাথে সংশ্লিষ্ঠ কেউ নন। তাঁরা হলেন প্রতিপক্ষের লোক! শিবিরের লোক!! প্রতিপক্ষের কেউ বা নিজেদের পক্ষের কেউ নন, এমন কেউ, বিশেষ করে, শিবিরের কেউ মারা গেলে, সেই মৃত্যু আমাদের সাহারা বিবির কাছে কোন ব্যপারই নয়!
তবে এক্ষেত্রে অর্থাৎ রাজাশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলায় এটা একটা ব্যাপারই বটে। দু:খজনকভাবে নিহত হতভাগা ছাত্রটি আওয়ামি লীগের ছাত্র সংগঠনের একজন কর্মী হবার কারণে এটা এমনই একটা ব্যাপার হয়ে গেল যে, কোন বিচার না করেই, কোন রকম তদন্ত না করেই, প্রকৃত দোষীকে খুঁজে বের করার কোন রকম প্রচেষ্টা না করেই, একেবারে রায় ঘোষনা করে ফেললেন খোদ প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে তাঁর মন্ত্রী, পাইক, পেয়াদা সবাই, এমনকি নির্লজ্জ ত্বাবেদ্বার মিডিয়াও! সবাই এক বাক্যে কোনরকম তদন্ত না করেই তারস্বরে চিৎকার করে চলেছেন ‘এ ঘটনার জন্য দায়ি শিবির’!
অতএব, সারা দেশে এদের প্রতিহত করতে হবে। যেখানে যেখানে শিবির আছে, সেখানেই প্রতিরোধ। আর প্রতিরোধের নামে পুলিশি বর্ববরতা, লীগের সন্ত্রাস! অথচ দেশের কোনখানে শিবির নেই? কোন খানে জামাত নেই? প্রতিহতের নির্দেশ পালনে কর্মী বাহিনী নেমেও পড়ল ত্বরিৎ। অতএব সংঘাতটা সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়ল রাতারাতি!
বাংলাদেশে আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ভোটের রাজনীতিতে তাদের সংসদীয় আসন না থাকতে পারে সেই হারে, কিন্তু এরাই হলো দেশের সবচেয়ে সুসংগঠিত, সবচেয়ে গনতান্ত্রিক দল। দেশের আঈনে বৈধ রাজনৈতিক দল, যার কর্মী বাহিনী ছড়িয়ে আছে দেশ আর সমাজের প্রতিটি স্তরে।
শিবির প্রতিহতের নাম করে প্রথম আঠার ঘন্টার মধ্যেই দুইজন শিবিরের নেতা কর্মীকে হত্যা করা হলো। সারা দেশে এ পর্যন্ত প্রায় হাজার তিনেক এর কাছাকাছি শিবির কর্মীকে কেবল মাত্র ‘শিবির’ করার অপরাধে (!) ধরে ধরে জেলখানায় ভরা হচ্ছে।
অথচ কোন রকম অপরাধই করেনি এইসব নীরিহ ছাত্র যুবকরা। তাদের কেউ এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কিনা, তার তদন্তও করছে না সরকার। তার কোন প্রয়োজনও বোধ করছেনা তারা। তথাপি হাজার হাজার ছাত্র, যুবককে ধরে ধরে জেলখানায় ভরা হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ ছাত্র, যুবককে ঘর-বাড়ী ছাড়া করা হচ্ছে। তাদের শিক্ষা জীবনকে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। অথচ এÍাও এই দেশেরই নাগরিক! এই রাষ্ট্রেরই ভবিষ্যৎ!! এদের নিরাপত্তা ও ন্যায় বিচার, মানবাধিকার নিশ্চিত করাটা এই রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব!
এটাও কি বিশ্বাস করতে হবে? কোন সরকার কি এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করতে পারে? বাংলাদেশের সংবিধানে, এর আঈনের কোন ধারায় জামাত কিংবা শিবির এর সাথে সংশ্লিষ্ঠতা রাখা, বা এর সদস্য, সমর্থক হওয়াটা অপরাধ বলে ঘোষিত হয়েছে?
রাষ্ট্র আঈন শৃংখলা প্রতিষ্ঠিত করবে কি, বরং উল্টো সে সন্ত্রাস, বর্বরতার আশ্রয় নিচ্ছে। রাষ্ট্র ও প্রশাসন সুকৌশলে পেশী শক্তির জোরে সন্ত্রাসকেই আঈনের বিপরিতে দাঁড় করিয়ে নিয়েছে।
নিয়েছে যে, তার বড় প্রমান হলো, কোন বাছ-বিচার, কোন রকম অনুসন্ধান না করেই, কোন রকম তদন্ত না করেই যাকে তাকে, যখন তখন ‘অপরাধি’ বলে ঘোষনা দিয়ে, তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের আঈন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লেলিয়ে দেয়া।
নিয়েছে যে, তার প্রমান হলো, মামলার আসামীকে হাতে পেয়েও তাঁকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর পরিবর্তে, গলায় রাইফেল ঠেকিয়ে গুলি করে মেরে ফেলার ঘটনা! এভাবেই তারা এক এক করে মানুষের মৌলিক মানবাধিকারকে করে চলেছে ভূলুন্ঠিত।
মানবাধিকারকে ভূলুন্ঠিত করে হলেও এই সরকার তার রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেমে পড়েছে। সারা দেশে যে ক্ষিপ্রতা, যে হিংস্রতায় তান্ডব, ধরপাকড় চলছে, তাতে একথা দিবালোকের মত পরিষ্কার যে, সরকার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র হত্যার নাটক সাঁজিয়েছে। নিজেদের রাজনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে নিজেদেরই একজন নীরিহ ছাত্রকে খুন করে, তার দায়ভার শিবিরের উপরে চাপিয়ে এবারে তাদেরই দমনে নেমেছে
তাদের দমনে নামাটা সরকারের জন্য খুবই দরকার। দরকার এই কারণে যে, সরকারের আগামি এজেন্ডায় রয়েছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে জামাত এর কেন্দ্রীয় নেতাদের আটক করে, বিচারের প্রহসনের মাধ্যমে জেলখানায় ভরা। রাজনীতির মাঠ থেকে তাদের দুরে সরিয়ে রাখা। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দূর্বল করে তোলা!
দরকার এই কারণে যে, সরকার খুব শীঘ্রই ’৭২ এর সংবিধান বাস্তবায়নের নামে দেশ থেকে ইসলাম উৎখাত এ নেমে পড়বে। আর এই পথে সবচেয়ে কার্যকর বাধা হলো, বাংলাদেশ জামাত এ ইসলামি। এই দলটিকে আগে ভাগেই দূর্বল, পর্যুদস্থ করতে পারলে, এজেন্ডা বাস্তবায়ন করাটা অনেকাংশেই সহজ হয়ে যায় সরকারের জন্য।
দরকার এই কারণে যে, দেশের মানুষ ফুঁসে উঠছে। নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামি লীগের প্রতিশ্র“তীর ফুলঝুরিতে আশ্বস্থ হয়ে দেশের জনগন তাদের ভোট দিয়েছে। কিন্তু একটা বৎসরের মধ্যেই তারা বুঝতে পেরেছে যে, তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। রাষ্ট্র, প্রশাসন, সমাজ, থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরেই সরকার চরমভাবে ব্যর্থতার ছাপ রেখে চলেছে। আর জনগনও এইসব দেখে দেখে মাত্র একটি বৎসরের মধ্যেই চরমভাবে হতাশ। তারা যে কোন সময় সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে প্রস্তুত। জনগনকে ঐক্যবদ্ধ ও নেতৃত্ব দিতে পারে যে দলটি, সেই দলটিই হলো জামাত এ ইসলামি। তাই তাদেরকেই আগে শায়েস্তা করা দরকার।
দরকার এই কারনে যে, স¤প্রতি ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বকেই এক অর্থে ভারতের হাতে তুলে দিয়ে এসেছেন। সচেতন যে কোন নাগরিকই এ বিষয়টা পরিষ্কার করেই বুঝতে পারছেন। দেশের শিক্ষিত স¤প্রদায়, বিশেষ করে ছাত্র, যুবকরা এটা এখন পরিষ্কার করেই বুঝতে পারছে। দ্রব্যমুল্যের আকাশচুম্বী উর্ধগতিতে জনগনের নাভিশ্বাস উঠছে। আর একটা উনষত্তর, কিংবা নব্বই এর অভুত্থান না আবার হয়ে যায়! অতএব জনগনের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে নেবার প্রয়োজন। এই প্রয়োজন মেটাতেই আজকের এই তান্ডব।
প্রয়োজন আরও আছে। সেটা হলো, বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিশ্বের তৃতিয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ থেকে ইসলাম দুর করে সেখানে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ এসেছে শ্বেতপ্রাসাদ থেকে, এসেছে সাউথ ব্লক থেকে, এসেছে তেলআবিব থেকে। সেই নির্দেশ পালন না করতে পারলে বা না করলে গদী হারাতে হবে! অতএব সেই গদী রক্ষার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবেই এই তান্ডব।
কিন্তু একটা কথা। লাভ হবেনা কোন। যেটা হবে, সেটা হলো ‘বুমেরাং’। জনগন এই চালাকি ঠিকই বুঝতে পারছে। জনগনকে এতটা বোকা ভাবা ঠিক হবেনা। বাংলার জনগন পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে স্বিদ্ধান্ত নিতে কখনও ভূল করেনি। করবেও না। সেটা দেখার জন্য খুব বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে হয়না। তার আলামত সুষ্পষ্ট।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




