(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এই লক্ষ্যেই রাজশাহীর বিশ্ববিদ্যালয়ে স¤প্রতি পরিকল্পিতভাবে ছাত্র হত্যার মত ঘটনা ঘটানো হয়েছে, কেবলমাত্র একটা উসিলা পেতে। হত্যাকান্ড ঘটানোর পর থেকে আর দেরি করা হয়নি। একেবারে আট ঘাট বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়া হয়েছে ইসলামি ছাত্র শিবির এর উপরে। এর অবশ্য কারণও আছে। সরকারের এজেন্ডায় পরবর্তি যেসব কার্যক্রম রয়েছে, তা বাস্তবায়নের পথে এরাই সবচেয়ে বড় বাধা!
কেবল রাজনৈতিক দলগুলোই নয়, বরং জনগনও ক্ষেপে গিয়ে রাস্তায় নেমে পড়বে, এমন সম্ভবনা খুবই প্রকট। কিন্তু জনগনকে এ কাজে উদ্বুদ্ধ করতে, তাদের সংগঠিত করতে, তাদের সামনে সরকারের অনৈতিক, অন্যায় কাজগুলোকে যথাযথভাবে তুলে ধরতে যে গোষ্ঠিটি সবচেয়ে বেশী পারঙ্গম, সেটা হলো, ইসলামি ছাত্রশিবির, ইসলামপন্থী অন্যান্য ছাত্র সংগঠন এবং জাতিয়তাবাদী ঘরাণার ছাত্রদের উপরে ঝাঁিিপয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সুসংগঠিত ছাত্র সংগঠন, ছাত্রশিবিরকেই আগে ধরা হয়েছে।
এই ধরার জন্যই খুবই পরিকল্পিতভাবে একটা হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে সেটা হলো, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রকে হত্যার পর ম্যাানহোলের ভেতরে লাশ ফেলে রেখে সারা দেশের প্রিন্ট আর ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় তা প্রচার করে জনগনকে ক্ষেপিয়ে তোলার মত ন্যাক্কার জনক একটা হত্যাকান্ড।
এটা যে কেবল সরকারের আকাশসম ব্যর্থতা থেকে জনগনের দৃষ্টিকে সরিয়ে নিতেই করা হয়েছে তা নয়, বরং সরকারের আগ্রাসী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে বাধা দুর করার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবেই এটা করা হয়েছে। বরং এটা বলে চলে যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা, বন্ধুপ্রতিম ভারতীয়দের কুটনৈতিক আগ্রাসন থেকে শুরু করে বন্ধুত্বের ছদ্মাবরণে রাজনৈতিক, বানিজ্যিক, আদর্শিক ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর যে শক্তি, সেই ইসলামি শক্তির সাথে বর্তমান সরকারের মুখোমুখি সংঘাতের শুরুটাও এটাই। এখান থেকেই।
সরকারই এ ধারা শুরু করেছে। আর এ ধারা আগামাতি যে আরও বেগবান হবে, সরকার যে ইসলমি শক্তি, ইসলামি আদর্শকে উৎখাত করতে, দেশকে সেকুল্যার দেশ বানাতে তার সমস্ত শক্তি, এমনকি বাইরের শক্তিকেও মাঠে নামাবে, সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।
এর শুরুটা অবশ্য করে দিয়ে গেছেন আমাদের মীর জাফর সেনাপতি, মঈন আহমেদ। তাঁর দুই বৎসরের শাসনেই তিনি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভূদের নির্দেশ বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে ইসলামী ভাবধারা থেকে দুরে রাখতে সবরকম প্রচেষ্টা করে গেছেন। ইসলামি আদর্শকে উৎখাত করে তদস্থলে ধর্মনিরপেক্ষতার আবরণে নিরেট ইসলাম বিদ্বেষী ধারা চালু করতে প্রাথমিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেই কেবল যান নি বরং তিনি এর সুচনাটাও করে গেছেন খুব ভালো করেই।
যে আঞ্চলিক শক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব সবচেয়ে বেশী হুমকিগ্রস্থ হতে পারে, তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়নের নামে সেই ভারতের কাছেই আত্বসমর্পন করিয়েছেন বাংলাদেশকে! ট্রানজিট দিয়ে। মৈত্রী ট্রেন চালুর নামে বর্ডার উন্মুক্ত করে দেয়ার নামে। বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদী ঘরাণার রাজনৈতিক দলকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে রাম, বাম আর আওয়ামি লীগের মত ভারতপন্থী দলের রাজনীতির পথকে কন্টকমুক্ত করে যাওয়া থেকে হেন কোন কাজ নেই, যেগুলো এই দেশটার স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজে লাগতে পারত, তা দূর্বল করে রেখে গেছেন।
তার সবচেয়ে বড় অবদান ভারতের জন্য এই যে, তিনি আওয়ামি লীগের সাথে মিলে বাংলাদেশের গর্বের বস্তু, এর জাতীয় সেনাবাহিনীকে মেরুদন্ডহীন করে গেছেন, এই বাহিনীর বাছাই করা চৌকষ অফিসারদের হত্যা করতে দিয়ে। এই ক্ষতি দেশটাকে পুষিয়ে নিতে বেগ পেতে হবে, তাতে কোনই সন্দেহ নেই।
দেশের প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এ ভাবে ভেংগে দিয়ে, দুর্বল করে দিয়ে, এর বিভিন্ন অংগ সংগঠনসমুহের মধ্যে পারষ্পরিক অনাস্থা আর অবিশ্বাসের বীজ বপন করে, তা দিনে দিনে আরও বেশী বিকশিত হতে দিয়ে সরকার, রাষ্ট্রের মৌলিক নিরাপত্তার ভীতকে নাড়িয়ে দিয়েছে।
এই পথেই, এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স¤প্রতি ভারত সফরে যেয়ে তাঁর পূর্বসূরী মীরজাফর মঈনউদ্দিন ট্রানজিট দেবার যে ধারা শুরু করে এসেছিলেন, তা সম্পূর্ণ করে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী এবারে ভারতকে বন্দর সুবিধা থেকে শুরু করে ট্রানজিটটাও দিয়ে এসেছেন আরও বহত্তর পরীসরে।
কেবল তাইনা, এই সরকার ইতিমধ্যেই ভারতীয় দূতাবাস এ ভারতীয় কম্যান্ডো বসানোর অনুমতি দিয়েছেন। ভারত এই সব কম্যন্ডোদের ব্যবহার করে বাংলাদেশের রাজধানীতে খোদ সরকারের নাকের ডগায় বসে, বাংলদেশের বিভিন্ন সেক্টরে অন্তার্ঘাত মূলক কাজ পরিচালনা করছে।
দু’একটা উদাহারণ দিলে বোধ হয় বিষয়টা পরিস্কার হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র হানাহানীতে বহিরাগতদের দিয়ে হামলা পরিচালনা, হত্যাকান্ড ঘটিয়ে তা একটি বিশেষ ছাত্র গোষ্ঠির উপরে চাপিয়ে দেয়া, গার্মেন্টস খাত এ হামলা, অগ্নিকান্ড, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের প্রতি বোমা হামলা পরিচালনা করা এবং এইসব হামালার দায়ভার বিরোধি গোষ্ঠির উপরে চাপিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক অস্থিশীলতা বৃদ্ধি, পারষ্পরিক হানাহানীতে আরও বেশী ইন্ধন যোগানো, ইত্যাদিতে এইসব মহলের হাত রয়েছে, এটা এখন এক রকম পরিষ্কার হতে চলেছে।
এটাও খোলা আকশের মত পরিস্কার যে, বাংলাদেশের মধ্যে তারা গোয়েন্দা কার্যক্রম চালাচ্ছে। পার্বত্যাঞ্চলে পাহাড়ী বিচ্ছিন্নবাদীদের নিয়ে, তাদেরকে আর্থিক, লজিষ্টিক, সামরিক, নৈতিক ও বৈষয়িক সহায়তা দিয়ে বাংলাদেশকে কেবল অস্থিতিশীলই করে তুলছেনা বরং এরাই বাংলাদেশের ভেতরে পাহাড়ীদের দিয়ে বিভিন্ন রকম স্যবোটাজ মুলক কার্যক্রমও পরিচালনা করছে।
এইতো মাত্র দিন কয়েক আেেগ, পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঘাইছড়িতে যে বাঙ্গালী পাহাড়ী সংঘাত হলো, তা বাংলাদেশের মিডিয়ায় আসার আগেই ভারতের বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার পেল। এমনকি ভারতীয় মহল কর্তৃক আন্তর্জাতিক পরিসরেও তুলে ধরা হলো অত্যন্ত সফলভাবে, তার পেছনেও রয়েছে এই স্যাবোটাজ মুলক কর্মকান্ড। এর পেছনে রয়েছে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের অন্তরালে পরিচালিত গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের হাত!
কিন্তু এত কিছু করেও সরকার আর তার প্রভূদের মনে যেন স্বস্তি ফিরে আসছেনা। তারা যেন কিছুতেই নিরাপদ বোধ করতে, নিশ্চিন্ত হতে পারছেনা। তারা ভাবছে, বাংলাদেশীরা হয়ত আবার রুখে দাঁড়াবে। আবার হয়ত তাদের ক্ষমতার মসনদ থেকে টেনে নামাবে। আবারও হয়ত গর্জে উঠবে এরা উনসত্তর, একাত্তর, পঁচাত্তর এবং নব্বই এর মত করে!
অতএব একটা কাজ করতেই হবে। প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দূর্বল করার কাজটি সূচারুরুপে সমাধার করার পর এবারে অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও ভেংগে দিতে হবে। অথবা নিদেন পক্ষে সেটাকেও দূর্বল করে তুলতে হবে।
এই অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই হলো আধুনিক বিশ্বে বাংলাদেশের মত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের মূল প্রতিরক্ষা শক্তি। সেটা হলো, ইসলাম। ইসলামি আদর্শ। আর এই আদর্শে অনুপ্রানিত, পরিচালিত ব্যক্তি, গোষ্ঠি, আর দল, উপদল, সবাই। বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্বের অন্যতম এজেন্ডা, মুসিলম বিশ্বকে ইসলাম থেকে দুরে সরিয়ে নেবার কার্যক্রমটা বাংলাদেশেও শুরু করতে হবে। একে সেকুল্যার বানােেতই হবে, এখান থেকে ইসলাম দুর করতেই হবে। এমনটা করতে পারলেই কেবল এটা নিশ্চিত করা যায় যে, বাংলাদেশকে নিজেদের আয়ত্বে ধরে রাখা যাবে! আর তেমনটা করা না গেলে, খুব শীঘ্রই ক্ষমতার মসনদে টান পড়তে বাধ্য!
কিন্তু কারা সেই তারা ? যারা সরকারের ক্ষমতার মসনদ ধরে টান দেবার সাহস আর ক্ষমতা রাখে? এরা আর কেউ নয়, বরং এরা হলো দেশের ইসলাম প্রিয়, ইসলামপন্থী জনতা। বাংলাদেশ জামাত এ ইসলামি, ছাত্র শিবির তাদের মধ্যে অন্যতম বটে। অতএব তাদেরকেই আগে শায়েস্তা করতে হবে।
সেটাই তারা করছেন। আর এটা করতে গিয়ে সরকার দেশের সংবিধানের কোন তোয়াক্কাই করেননি। অবশ্য তেমনটা আশাও আমরা কেউ করিনি। করিনি কারণ, আওয়ামি লীগের মত একটা ফ্যাসিবাদী দলের কাছে আঈন আর সংবিধানের প্রতি কোনরকম শ্রদ্ধা আশা করা একটা প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়। তেমন করাটা কেবল সময়ের অপচয় মাত্র। সংবিধানকে উপেক্ষা করে, সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩৭, ও ৩৮ নম্বর ধারার সুষ্পষ্ট লংঘন করেই দিন বদলের সরকার আঈন শৃংখলা রক্ষার এক হাস্যকর প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন।
সরকার দেশবাসীকে একেবারে অজ্ঞ, বোকা, গন্ড মুর্খ না ভাবলে, দেশবাসীর বিবেক আর বুদ্ধির প্রতি বিন্দুমাত্র সম্মান বোধ থাকলে, আঈন আর সংবিধানের প্রতি বিন্দু পরিমানও শ্রদ্ধা থাকলে এরকম হীন আচরণ কক্ষনই করতে সাহস পেতেন না। কিন্তু সরকার সেই কাজটিই করেছেন, করে চলেছেন।
যা হোক, আসল বাস্তবতা হলো, যেকোন স্বৈরাচারই এমনতর পদক্ষেপ অবলম্বন করে থাকে। তারা নিজেরাই আঈন ভংগ করে নিজেদের স্বার্থে। তারা আইন রচনাও করে নিজেদের মতই, নিজেরাই আবার সেই আঈন ব্যাখাও করে। নিজেদের স্বার্থ যে ভাবে আদায় করা যাবে, সেভাবেই তারা তা কাজেও লাগায়।
এটা সকলেই জানেন। সকলে এটাও খুব ভালো করেই জানেন যে, স্বৈরাচার নিজের পতন নিজেই ডেকে আনে। তার উগ্র ফ্যাসীবাদি আচরণ আর কিছুই নয়, বরং তার পতনকেই ত্বরান্বিত করে। আমরা তারই লক্ষন দেখছি বর্তমান সরকারের আচার আচরণে।
এ কারণেই কিনা জানিনা, বর্তমান সরকার একেবারে শুরু থেকেই এমনসব লোকদের মন্ত্রনালয় থেকে শুরু করে প্রশাসন এর সর্বস্তরে বসিয়েছেন, যারা না সরকার পরিচালনায় অভিজ্ঞ, আর না তারা আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কুটনীতি, দেশের আইন কানুন, সংবিধান সন্মন্ধ্যে কোন জ্ঞান রাখেন। আর না তাদের রয়েছে কোন উন্নত নৈতিক আদর্শ।
রাষ্ট্র পরিচালনায় অজ্ঞ এইসব লোকদের ক্ষমতায় বসিয়ে রাষ্ট্র, প্রশাসন, আর সমাজকেই যেন অচল করে দেয়া হয়েছে! সমাজ আর দেশের সর্বস্তরে যে অস্থিরতা, আর নৈরাজ্য দৃশ্যমান, তার মর্মমূলেও রয়েছে এই কারণ। এরা দেশের স্বাধীনতার কোন দাম জানেনা, আর না তারা দেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসও করে!
এরকম আদর্শহীন, জ্ঞান, আর প্রজ্ঞাহীন এক দলের হাতে রাষ্ট্র ক্ষমতা পড়ার কারণে কি দেখছি? এই লেখার শুরুতে Edmund Burke এর বই’ The Evils of Revolution. এর প্রচ্ছদে উল্লেখিত What is Liberty without wisdom, and without Virtue? প্রশ্নটার উত্তরে তিনি যে জবাবটা দিয়েছেন It is the Greatest of all possible evils. বলে, আমরা আজ সেটাই দেখছি এই দেশটায়।
এই all possible evils এর মধ্যে সবচেয়ে বড় evils হলো আমাদের আদর্শিক স্বাধীনতা, আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত কে হরণ প্রচেষ্টা। এটা আমরা হতে দিতে পারিনা। এর জন্য আমাদের জীবনকেও বাজী রাখতে পারি। এর প্রমান আমরা দিয়েছি ’৬৫ তে যেমনি, তেমনি ’৭১ এ। আবার ’৭৫ এও। সে কথা আশা করি কাউকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবেনা।
আর তা ছাড়া বেশী নয়, মাত্র সতোরো জন ঘোড় সওয়ার দিয়েই তো ভারত জয়ের উদাহারণ আমাদের সামনে রয়েছে। অতএব আমরা হতাশ নই। ভীতও নই। আমরা বরং আরও সতর্ক, আরও বেশী উদ্দিপ্ত। আরও বেশী দৃড়প্রতিজ্ঞ।
কাজেই সরকারের উদ্দেশ্যে বলি, আমাদের ধৈর্য পরীক্ষা করবেন না। আমরা আপনাদের এই অত্যাচার আর নিপীড়নের প্রতিবাদে আল্লাহর কাছে আপনাদের ধ্বংস নয় বরং সূমতি চাই, আপনাদের হেদায়েত চাই। ধৈর্যের বাঁধ ভাংলে জনগনের একটা হেঁচকা টান, একটা গগনভেদী তাক্ববীর’ই যথেষ্ঠ গদী উল্টে দিতে!
প্রয়োজনে লাখো প্রানের বিনিময়ে, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আবারও সেভাবেই গর্জে উঠবে এই দেশবাসী, তৌহিদী জনতা! যে ভাবে গর্জে উঠলে ‘আবু জেহেল’ ‘আবু লাহাব’রা পালায়! অতএব আর নয়, এবার ক্ষান্ত দিন, ধীরে চলুন বন্ধু, ধীরে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


