এমন কিছৃু নেমকহারামই আজ আঈনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নেমেছে! (সত্যিই নাকি? )। আঈনের যত ’মার’ রয়েছে, সব রয়েছে ইসলামপন্থী, ইসলামপ্রিয় মুসলমানদের জন্য। আর ক্ষমা, অনুকম্পা সহ যতরকম ফাঁক ফোঁকর আছে, সব কিছুই হলো সেকুল্যার ধাঁচে জীবন যাপনকারী, ইসলাম বিদ্বেষী লোক জনের জন্য। প্রমান চাইলে দিতে পারি।
সংক্ষেপে ক’টা উদাহারণ তুলে দিচ্ছি, দেখুন; এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত ৯৭২টি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৮৯৭ জন আসামীর সাজা মওকুফ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। অবশ্য এই সৌভাগ্যবান ৮৯৭ জনের সকলেই আওয়ামি লীগের সোনার ছেলে, সোনার মানুষ! কাজেই তাদের সাজা মওকুফ করে দিয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি তার মহানুভবতার সাক্ষ্য রেখেছেন, সে কথা মানতেই হবে। এমনকি আঈনের বাইরে গিয়েও আওয়ামি লীগের নেত্রী সৈয়দা সাজেদা বিবির ছেলে, শাহাদাব, যে কিনা চারটি দূর্ণীতি মামলায় আঠারো বৎসর জেল, এবং দেড় কোটি টাকা দন্ড প্রাপ্ত, তারও সাজা মওকুফ করে দিয়েছেন তিনি। অথচ এই শাহাদাব কখনই আদালতে হাজির হয়নি, ক্ষমাও চায়নি।
কি অবাক কান্ড দেখুন, মাত্র ক’দিন আগেকার ঘটনা। দু’সপ্তাহও হবেনা, এক নিষ্ঠাবান মুসলিম ছাত্রকে হত্যা করার অপরাধে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ফাঁসি হয়েছে, মহাজোট সরকারের অংশীদার একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের ছাত্র সন্ত্রাসী এমন একজনকেও জামিন দেয়া হয়েছে, সম্বর্ধনা দেয়া হয়েছে! প্রকাশ্যে, সাড়ম্বরে!!
কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় দাওয়া ও ইসলামিক ষ্টাডিজ বিভাগের ছাত্র, ব্যাক্তি জীবনে ইসলামের নিষ্ঠাবান অনুসারী, রফিকুল ইসলামকে গেল ২০০১ সালের ৮ই জুন, তারিখে জাসদ ছাত্র লীগের সন্ত্রাসী সাইদুল ইসলাম পটলা ও তার সহযোগীরা মিলে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ মেধাবী ছাত্রকে হত্যার কারণে উক্ত পটলা ঝিনাইদাহ জেলা ও দায়রা জজের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে ২০০৫ সালের ১৪ই জুন তার ফাঁসির আদেশ হয়।
আর ২০১০ এ এসে সেই আসামীরই হাইকোর্ট থেকে জামিন হয়। জামিন পেয়েই উক্ত ‘পটলা’ বিশ্ববিদ্যালয়ে তার দল বল নিয়ে হাজির হয় প্রায় পঞ্চাাশটি মোটর সাইকেলের শোভাযাত্রাসহ। এটা জানান দিতে যে, সত্যিকার অর্থেই দেশে দিন বদলেছে!
৪ঠা মার্চ এর নয়া দিগন্তের এক খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হলের নামাজি ছাত্রদের রাতের অন্ধকারে ঘুমের ঘোর থেকে ডেকে ডেকে তুলে এনে ঐ হলেরই ২১৪ নম্বর রুমে আটকে রাখে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তাদের কাছ থেকে চাঁদা চাওয়া হয়, আটককৃত ছেলেরা চাঁদা দিতে না চাইলে রাত একটা থেকে রাত চারটা পর্যন্ত তাদের মার ধর ও নির্যাতন করার পরে পরে পুলিশ ডেকে এনে তাদেরকে ‘শিবির’ আখ্যা দিয়ে থানায় পাঠিয়ে দেয়া হয়।
ঐসব হতভাগা নির্দোষ ছাত্রদের জীবনে শুরু হয় এক অনিশ্চিত অবস্থা। আর বলাই বাহুল্য, এইসব ছাত্রদের সকলেই মুসলমান। সেক্যুলার নয়, অন্য কোন ধর্মের তো নয়ই। তারা সকলেই সাধারণ ছাত্র, তবে ইসলামের অনুসরণ করার চেষ্টা করে! নামাজ পড়ে!! ‘অপরাধ’ কেবল এতটুকুই!!!
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রদের জন্য কি নামাজ পড়া নিষিদ্ধ? এ দেশ কি মুসলমানদের আবাস স্থল নয়? এভাবে রাতে অন্ধকারে ঘুমন্ত কেবলমাত্র নামাজি ছাত্রদের ধরে এনে যদি অত্যাচার করা হয়, নাজেহাল করা হয়, তা হলে কি কোন সাধারণ ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার পাশাপাশি ইসলাম ধর্ম পালন করতে সাহস পাবে? কেউকি তার ছাত্রজীবনের উপরে, একাডেমিক ক্যারিয়ারের উপরে এভাবে ঝুঁকি নিতে চাইবে?
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কি তবে অস্ত্রবাজ, চাঁদাবাজ, ধর্ষক, টেন্ডাবাজ, নট-নটী, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্ট্না রাম বাম, সবাই পড়তে পারলেও কেবল ইসলামের অনুসারীরাই সেখানে পড়াশোনা করতে পারবেনা?
রাজশাহীর চারঘাট থানা পুলিশের হাতে ফেনসিডিল সহ ধরা পড়ে স্থানীয় তিন যুবলীগ কর্মী। পুলিশ তাদের মটর সাইকেল দাবড়ে আটক করার পরে দেহ তল্লাশী করে উদ্ধার করে ফেনসিডিল। এর পরে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু থানায় নিয়ে যাবার পরেই শুরু হয় ডিজিটাল খেলা। রাজশাহী ৫ আসনের আওয়ামি লীগের এম পি, আব্দুল ওয়াদুদ দারার তদ্ববীরে শেষ পর্যন্ত পুলিশ আটককৃতদের ছেড়ে দেয়, আরও মজার ব্যাপার হলো, থানা থেকে ঐসব ফেনসিডিল বোতল গায়েব হয়ে গেছে! ( সুত্র দৈনিক সমকাল ১১ই মার্চ সংখ্যা)
মাত্র ক’দিন আগেই কিন্তু এই দেশবাসী পত্র পত্রিকার পাতায় দেখেছে, সারা দেশ জুড়ে দেশের বিভিন্ন শহরে স্কুল কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে, হামলা চালিয়ে পুলিশ নিরীহ ছাত্রেেদর ধরে আনছে। থানায় আটকে রাখছে, পরে মাজায় দড়ি বেঁধে দলে দলে আদালতে চালান দিচ্ছে!
এদের অপরাধ, এদের কাছে পাওয়া গেছে কুরআনসহ বিভিন্ন রকম ইসলামি বই, পুস্তক। যে সব বই পুস্তক পুলিশ উদ্ধার করেছে, তার কোনটিই এই দেশে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ নয়। এ দেশে এখনও তো কুরআন, হাদিস বা এসবের অনুবাদসহ ইসলামি কোন পুস্তক রচনা বা প্রকাশ নিষিদ্ধ করা হয়নি!
তা না হোক, তবে সরকার ও তার দলীয় সমর্থকরা জানে দিন বদলেছে। বদলেছে বলেই না এখানে, এই দেশে ফেনসিডিল সহ নানা রকম মাদক নিয়ে ঘোরা ফেরা করা যায়, সেবন করা যায়, পুলিশের হাতে ধরা পড়লে আবার তাৎক্ষনিকভাবে ছাড়াও পাওয়া যায়! কিন্তু হাতে বা পড়ার টেবিলে, কিংবা ধারে কাছে কুরআন হাদিস থাকলে, ইসলামি সাহিত্য চর্চা করলে তার জন্য মাজায় দড়ি বাঁধাবস্থায় কারাগারের যেতে হয়, এইসব সাহিত্য চর্চা করলে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা পেতে হয়!
দিন বদলেছে বলেই সন্ত্রাসের সংগাও বদলেছে। এখন আর সরকার দলীয় কেউ হলে সন্ত্রাসী হয়না! এমনকি নিজেদের মধ্যে মারামারি, হানাহানী করলেও না। প্রকাশ্যে অস্ত্রবাজী করলেও না। অস্ত্রের মুখে, গা এর জোরে টেন্ডার ছিনিয়ে নিলেও সে সন্ত্রাসী নয়, যদি তার বা তাদের সাথে থাকে সরকার দলীয় সংশ্লিষ্ঠতা। প্রকাশে অস্ত্র উঁচিয়ে খুন করলে, কিংবা সংখ্যালঘুর বাড়ী, ঘর জোর করে দখল করলেও সে সন্ত্রাসী নয়, ঐ একই কারণে।
কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের ধরে ধরে উত্তম মধ্যম দিলে, ভর্তি বানিজ্যের কারণে সন্ত্রাস করে ভর্তি বন্ধ করে দিলেও সে সন্ত্রাসী নয়! ইউএনও, থানার ওসি’র মত মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সরকারী কর্মচারীদের ধরে পাঁদানী দিলেও সে সন্ত্রাসী নয়,্ যদি ঐসব সোনার ছেলেরা সরকার দলীয় হয়!
হ্যাঁ, তবে সন্ত্রাসী হতে হয় তাদের, যারা নামাজ পড়ে, কুরআন হাতে রাখে, কুরআনের কথা, ইসলামের কথা বলে, তারা। এমনকি যদি কোন হিন্দু ছাত্রও মুখে দাঁড়ি রেখে চলা ফেরা করে, তবে সেও সন্ত্রাসী সন্দেহে দু’চার ঘা খেয়ে বসতে পারে! যেমনটি মাত্র গত সপ্তাহেই আমরা দেখলাম, দেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
আর দিন বদলেছে বলেই এখন দেশের আনাচে কানাচে সরকার দলীয় যে কোন ‘সোনার ছেলে’ ইসলামের কথা বলার অপরাধে, ইসলাম অনুযায়ি চলার অপরাধে যে কোন তরুণ-তরূনীকে, যুবক-যুবতীকে ধরে উত্তম মধ্যম দিতে পারে! তাদের আটকে রাখতে পারে, এর পরে আবার তাদের দলীয় ‘পুলিশ লীগ’ এর পুলিশকে ডেকে নির্দেশও দিতে পারে, এইসব ‘সন্ত্রাসী’কে থানায় আটকে রাখতে কিংবা আদালতে চালান দিতে!
ইসলামপন্থী একজন তরুণ, যুবককে এভবে আটকে রাখাটা, তাদের দু’ঘা দেওয়াটা কোন অপরাধ নয়! এর জন্য কোন শাস্তি হবেনা কারো এই দেশে, এটা নিশ্চিত! মাসের পর মাস এদের কারাগারে বিনা জামিনে, বিনা বিচারে আটকে রেখে তাদের শিক্ষা জীবন শেষ করে দিতে কোন আদালতেরই কোন অনুমতির প্রয়োজন হবেনা। এর জন্যও কারো কোন শাস্তিও হবেনা। কাউকে জবাবদীহিও করতে হবেনা।
সত্যিই দিন বদলেছে বটে। বদলেছে ইসলামপন্থীদের জন্য। তাদেরই বিপক্ষে। এমনই বদেলছে যে, এখন সরকারই কেবল নয়, সরকারের সোনার ছেলেরাও দেশের আনাচে কানাচে, যখন যেখানে খূশী, ইসলাম চর্চাও বন্ধ করে দিতে পারে। তেমনটাইতো তারা দিয়েছে,ক’দিন আগেই!
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলা কালিকাপুরে এক মসজিদে তালা লাগিয়ে দিয়েছে আওয়মি লীগের সোনার ছেলেরা। ফলে মুসল্লীরা নামাজও আদায় করতে পারছেনা উক্ত মসজিদে। অথচ এই মসজিদে সেই ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকেই নামাজ আদায় হয়ে আসছে। এবারে এই দিন বদলের দিনে আওয়ামি লীগের শাসনামলে সেখানে নামাজ বন্ধ করে দেয়া হলো, প্রান নাশের হুমকি দিয়ে ইমাম সাহেবকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। অথচ এই ইমাম সাহেব গত দশটি বৎসর ধরে সেখানে ইমামতি করে আসছেন। (সুত্র দৈনিক নয়া দিগন্ত, ৭ই মার্চ)
দেশের ষোল কোটি জনসংখ্যার মধ্যে যেখানে পনেরো কোটি মুসলমানের বাস, পনেরো কোটি মুসলমানের মাতৃভূমী, যাঁরা শাহাদতের তামান্না বুকে ধারণ করেই সাতচলি¬শ, বাহান্ন, পঁয়ষট্টি, উনষত্তর, একাত্তর এ খালি হাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, রক্ত আর প্রানের নজরাণা দিয়ে স্বাধীনতা আদায় করেছে আজ সেই বাংলাদেশেই নাকি এইসব মুসলমানের আদর্শ, তাঁদের ধর্মবিশ্বাস ‘ইসলাম’ এর কথা বলার দিন শেষ! অন্তত আমাদের বর্তমান দিন বদলের সরকার তেমনটাই মনে করেন।
সংসদে তাদেরই একজন সাংসদ প্রকাশ্যে এ কথাটা বললেও কেউ একটাবারের জন্য প্রতিবাদও করেন নি, বরং সাংসদকে ধন্যবাদই দিয়েছেন। হাত তালিও দিয়েছেন, এমন একটা সত্য কথা বলার জন্য!
ইতিহাসের কি নির্মম পরিহাস, আজকের এই সাংসদ সংসদে দাঁড়িয়ে দম্ভ ভরে বললেন, ইসলাম এর কথা বলার দিন নাকি শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশে! অথচ এই দেশ, এই জাতিসত্তাকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচিয়েছে এই ইসলামই। ইসলাম না এলে বাংলা ভাঁষাটও টিকে থাকতনা। থাকত যে না, সেটাতো আজকের পশ্চিমবঙ্গের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। আজকের পশ্চিমবঙ্গকে না দেখেইতো কয়েক দশক আগে এক ঐতিহাসিক, গবেষক বলে গেছেন এই নির্মম সত্যটা এভাবে;
‘যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এ প্রদেশে আর কয়েক শতকের জন্য ব্রাক্ষন্যবাদী শাসন অব্যাহত থাকতো তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত এবং অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো’ (বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস, লেখক; এম এ রহিম। প্রথম খন্ড, ভূমিকা দ্রষ্টব্য)
যে আদর্শ ইসলামের কাছে এই জাতিসত্তা ঋনী, সেই আদর্শের সাথে এমন ন্যক্কার জনক বিশ্বাসঘাতকতাই কী আজকের বাংলাদেশের বাস্তবতা? যারা নিজেদের ঐতিহ্য, নিজেদের আদর্শ আর আক্বীদা-বিশ্বাস, কৃষ্টি, সং®কৃতি ও জাতিসত্তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাদের একটা পরিচিতিই কেবল টিকে থাকে, তারা হলো মুনাফিক। তার নাম ‘আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা হোক’ কিংবা হোক ‘মীরজাফর’ বা অন্য কেউ, তাতে কিছুই আসে যায়না।
পরিচয় তাদের একটাই। তারা মুনাফিক। আর এটা একটা ঐতিহাসিক বাস্তবতা যে, এই বিশ্বে কোনদিনই কোন মুনাফিক চুড়ান্ত বিজয় লাভ করেনি। তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে। শেষ হাঁসি কিন্তু হেঁসেছেন সেই তাঁরাই, যাঁরা আল কুরআনের কথা বলে, যাঁরা ইসলামের কথা বলে, আর সেমতই চলে, চলতে বলে। বিশ্ব ইতিহাস তার সাক্ষী।
অতএব আমাদের কোন ভয় নেই, কোন শংকাও নেই। দিন বদলের দিনে যারা দ্বীন বদল করবে, করাতে চাইবে, বাংলার মাটিতে তাদের পরাজয় নিশ্চিত। তারা নিশ্চিভাবেই নিক্ষিপ্ত হবে অস্তাকুঁড়ে। এটা শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। অতএব, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন। দিন বদল করুন, ভালো, দ্বীন বদল করতে চাইলে তাও করতে পারেন, তবে সেটা নিজের ব্যক্তি সত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। আমাদের দ্বীন বদল করতে বলবেন না। সাবধান!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


