প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বাংলাদেশে বহু অঘটনের ঘটক, এইচ টি ইমাম বেশ মজার কথা বলেছেন। কথাটা শুনলে অনেকেই হয়ত হেঁসে উঠবেন! তিনি কিছুদিন আগে ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনষ্টিটিউশন মিলনায়তন এ আওয়ামি ওলামা লীগের এক অনুষ্ঠানে ভাঁষন দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘দেশে একমাত্র আওয়ামি লীগই হলো প্রকৃত ইসলামি দল! আর বঙ্গবন্ধুর পরিবারই একমাত্র ইসলামি পরিবার। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ইসলাম টিকিয়ে রেখেছ একমাত্র আওয়মি লীগ, আর এই ইসলাম প্রবর্তন করেছেন বঙ্গবন্ধু!’ তাঁর এ কথাটা শুনে আকাশ পাতালের বাসিন্দারা একটা নির্মম জোক হিসেবেই নিয়েছেন। ইসলাম নিয়ে কতটা ব্যঙ্গ করা সম্ভব, এই উক্তি সেকথারই প্রমান বটে!
আওয়ামি লীগ যে ইসলাম এর কথা বলে, সেই ইসলাম এর চিত্রই ভিন্ন। এর সাথে আল্লাহর রাসুল সা: যে ইসলাম প্রচার করেছেন, তার কোন মিলতো নেই-ই, বরং অনেক ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। এই সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিস্তারিত আলোচনা করার সুযোগ নেই। তাই আওয়ামি লীগ দলীয় ইসলাম এর কি চিত্র, তার রুপই বা কি? সেটা বাদ দিয়ে আমাদের পরিচিত ইসলাম এর সাথে আওয়ামি লীগ এর ইসলাম এর সম্পর্কটা কেমন? সেটা সংক্ষেপে দু একটা নমুনা সহ তুলে ধরলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে মনে করি।
রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে দাঁড়ি কাটা ও পাজামা পাঞ্জাবি পরবেন না আর কোনদিন, এমন একটা শর্তেই শিক্ষক হিসেবে চাকুরি দেয়া হয়েছে একজনকে। আওয়ামি লীগ দলীয় শিক্ষক ও বিভাগিয় চেয়ারম্যান এর এমন একটা শর্তে রাজি হয়েই চাকুরি নিয়েছেন আমিনুল ইসলাম নামের একজন শিক্ষক।
বলা বাহুল্য, দাঁড়ি রাখাটা ইসলামের একটা সুন্নত, কেবল সুন্নতই না, বরং এটা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা বলেন কেউ। আবার কেউবা বলেন এটা ওয়াজেব। সুন্নত হোক বা ফরজ কিংবা ওয়াজেব, এটা সকলেই স্বীকার করবেন যে, দাঁড়ি রাখাটা একজন মুসলমানের কাছে তার পরহেজগারির চিহ্ণ। এটা ইসলামি সং®কৃতির অবিচ্ছেদ্দ উপাদান, অনুষংগ।
অবশ্য শিখ স¤প্রদায়ের লোকজনী দাঁড়ি রাখেন, এটা তাদের ধর্মীয় বিধান। অনেক হিন্দু, খৃষ্টানও দাঁড়ি রাখেন। চার্লস ডারউইন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যথাক্রমে খৃষ্টান ও হিন্দু হয়েও তাঁরা দাঁড়ি রেখেছিলেন। দাঁড়ি রাখা বা না রাখা একজন ব্যক্তির ইচ্ছা, অনিচ্ছা, মর্জির উপরে নির্ভর করে। এটা ব্যক্তি স্বাধীনতার ব্যাপার। আজকের সমাজ বিবেচনায় বিষয়টা অন্তত সবার জানা থাকার কথা।
আমাদের দেশের আঁতেলরা সেটা জানেন না, তা বিশ্বাস করাটা কঠিন। এরাইতো দিন রাত বলে থাকেন, পর্দা করা বা না করা একজন নারীর ব্যক্তিগত স্বাধীণতার বিষয় (কথাটা অবশ্য সত্যিই, যদিও সেটা ধর্মের বিধান। আর এই ধর্মকে মানা বা না মানাটা একজন ব্যক্তির নিজস্ব ইচ্ছা অনিচ্ছার উপরে নির্ভর করে)। সেই তারাই একজন ব্যক্তির দাঁড়ি রাখা বা না রাখা, কিংবা পায়জামা পাঞ্জাবি পরা, বা না পরাটা যে তাঁর ব্যক্তি স্বাধীনতার বিষয়, সেটা জানবেন না, সেটা বিশ্বাস করার কোন সঙ্গত কারণই থাকতে পারেনা।
একজন ছাত্রী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী, যিনি সাবালিকা, প্রাপ্তবয়ষ্কা, নিজের ভালো মন্দ বোঝার ক্ষমতা তার আছে। নিজের শিক্ষা, আদর্শ, নিজের জীবন দর্শন ঠিক করে নেবার ক্ষমতা তার আছে। আছে বলেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মত উচ্চতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে গেছেন। কোন আদর্শ কতটা তিনি কখন এবং কিভাবে পালন করবেন বা আদৌ করবেন না, সেটা তার একান্তই নিজের ব্যাপার। সেই ছাত্রীকেই যখন একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, বিভাগীয় প্রধান শর্ত দেন, তার ক্লাশে বোরকা পরে আসা চলবেনা, তখন সেটা হয়ে যায় মানবাধিকারের চরমতম লংঘন। সেটা হয়ে যায় নারী নির্যাতন এবং ইসলাম বিদ্বেষী আচরণ। সেটা আওয়ামি ইসলাম!
ঐ একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নাজমুল হক তার ক্লাশে কোন ছাত্রীকে বোরকা পরে না আসার জন্য নির্দেশ দেন। কেবল তাই নয়, বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য সাংবাদিকরা উক্ত শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি তা সদম্ভে স্বীকার করেন এবং এটা নিয়ে পত্র পত্রিকায় কোন সংবাদ পরিবেশন করলে সাংবাদিকদের দেখে নেবার হুমকিও দেন!
বোঝাই যায়, উক্ত শিক্ষকের পা’র নিচে মাটি আছে বটে! খুঁটির জোর না থাকলে তিনি একাডেমিক কোন স্বিদ্ধান্ত না থাকা সত্তেও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে ইসলাম বিরোধি এমন স্বিদ্ধান্ত নিতে এবং তা বাস্তবায়ন করতে পারতেন না, এই নিয়ে দম্ভ করে সাংবাদিকদের হুমকিও দিতে পারতেন না।
বিভাগীয় প্রধান একজন শিক্ষকের এই ধরণের অমানবিক আচরণের কারণে অনেক মুসলিম এবং পর্দানশীন ছাত্রী ক্লাশ করা থেকে বিরত থেকেছে। নি:সন্দেহে এই সব ছাত্রী, তারা সংখায় যতই নগন্য হউন না কেন, তাদের একাডেমিক জীবন বাধাগ্রস্থ হয়েছে, হয়েছে তাদের লেখাপড়ার বিঘœ। এর পাশাপাশি তাদের মানসিক, আর্থিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক যে বিড়ম্বনা হল, তার দায় ভার কে নেবে?
একজন মুসলিম ছাত্রী ইসলাম এর পাবন্দী করার কারণে বাংলাদেশের মত পঁচাশি ভাগ মুসলিম জনসংখা অধ্যূষিত দেশে, তাঁর নিজ জন্মভূমীতেই ঈমান আদর্শ রক্ষা করে লেখা পড়া করতে পারবেনা, সরকার আর সমাজও তার মানবিক ও ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় কোন পদক্ষেপ নেবেনা, এটা ভাবাই যায়না। কিন্তু সেই অভাবনীয় কিছুই হচ্ছে বর্তমান আওয়ামি লীগের নেতৃত্বে মহাজোট দলীয় সরকার এর সময়! এটাই আওয়ামি লীগ এর ইসলাম, বাংলাদেশে!
নেত্রকোনা চন্দ্রনাথ স্কুলের গেট, যেখানে আল কুরআনের আয়াত ‘ইক্বরা বিসমি রাব্বিকাল্লাজি খালাক্ব’ লেখা ছিল, সেটা ভেংগে ফেলা হয়েছে রাতের আঁধারে। যেহেতু সরকার এর দলীয় লোক, তাই তারা কেন্দ্রের কোন নেতা নেত্রীর নির্দেশ এর অপেক্ষা করেনা। তারা জানে দল কি চায়? নেতা কি চান? নেত্রী কিসে খূশী হবেন, আরও কাছে টেনে নেবেন। জানে বলেই তারা সেইসব কাজে সোৎসাহে নেমে পড়ে।
এই জন্যই নোয়াখালীর এক পল্লীতে যখন সরকার দলীয় ক্যাডার’রা অর্ধশতাব্দী ধরে চলে আসা মসজিদ বন্ধ করে দেয়, জনগন রাগে ক্ষোভে ফুঁসে উঠে! তখনও তারা নিশ্চিন্ত থাকে এটা ভেবে যে, সরকার তাদের কিছুই করবেনা। আসলে করেওনি। সেইসব সোনার ছেলেরা বহাল ত্ববিয়তেই আছে! মাদ্রাসা জ্বালিয়ে দিলেও তাদের কিছ্ইু হয়না।
‘হয়না’ বলে বোধ হয় ভূল বললাম। হয়, তাদের কদর বাড়ে, সরকারের কাছে তাদের চাহিদা বাড়ে। এদের বিভিন্ন টেন্ডার এর ভাগ দিয়ে পুর®কৃত করা হয়। পকেট ভারী করা হয়। ভবিষ্যতে আরও বড় কোন এ্যসাইনমেন্ট এর জন্য, আরও বড় কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সযতেœ লালন করা হয়। এদের নামে মামলা হলে সে মামলা ‘রাজনৈতিক মামলা’ বলে তুলে নেয়া হয়। অথবা কোন কারণে আদালতে শাস্তি হয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত তাদের ‘বিশেষ ক্ষমা’ দিয়ে দেয়া হয়। কাজেই হয় অনেক কিছুই!
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বঙ্গবন্ধু’ শেখ মুজিবর রহমান হলে নামাজ পড়ে আসার সময় শিবির সন্দেহে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ। কিছুদিন আগে সমাজ কর্ম বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র সবুজ প্রতিদিনের ন্যায় হল মসজিদে নামাজ পড়তে যায়। নামাজ শেষে বের হয়ে রুমে যাওয়ার পথে রাবি শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী তাকে নামাজ পড়ার কারণে শিবির সন্দেহে বেধড়ক মারপিঠ করে এবং বলে ‘ছাত্রলীগ না করলে হলে থাকা যাবে না’। কিন্তু প্রহৃত ছাত্র সবুজ কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নয়, সে একজন সাধারণ ছাত্র।
এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ সভাপতি আওয়াল কবির জয় বিষয়টিকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসাবে উল্লেখ করেন। অর্থাৎ উক্ত সোনার ছেলে ঘটনাটাকে মিথ্যা বলেন নি। তিনি প্রকারান্তরে ঘটনাটিকে সত্য বলেই স্বীকার করে নিলেন এর মাধ্যমে।
বিচ্ছিন্ন ঘটনা যদি একটা স্বল্পতম সময়ে বিশেষ একটা গোষ্ঠির হাতে ক্রমাগতভাবে, বিশেষ একটা গোষ্ঠির বিরুদ্ধে ঘটতেই থাকে, তা হলে কি সেটা আর কোন ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে? বিচ্ছিন্ন ঘটনার এই নিরবিচ্ছিন্নতা কিসের ইংগিত দেয়? কোন বার্তা আমাদের সামনে তুলে ধরে? সেটা বুঝতে কি খুব একটা বেশী গবেষনার দরকার পড়ে?
আর একটা বিষয় লক্ষনীয়, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সারা দেশে ওয়াজ মাহফিল সহ ধর্মীয় আলোচনার মাহফিলগুলোতে পুলিশি বাধা যেমন বেড়েছে, তেমনি সরকারের নিজ দলীয় পান্ডা’রাও বলা নেই, কওয়া নেই, যে কোন অজুহাত খাড়া করে সেইসব মাহফিল বন্ধ করে দিচ্ছে, বা পণ্ড করে দিচ্ছে। যে কোন একটা অজুহাত খাড়া করে সেখানে ১৪৪ ধারা জারী করছে অথবা ‘উপরের নির্দেশ আছে’ এমন একটা খোঁড়া যুক্তি দেখিয়ে পুলিশ মাহফিল এর উদ্যোক্তাদের মাহফিল বন্ধ করতে বলছে।
অতি স¤প্রতি সারা দেশে অন্তত গোটা বিশেক জায়গায় এমনটা ঘটেছে। এইসব মাহফিল গুলো কোন কোনটা প্রায় দুই যুগেরও বেশী সময়কাল ধরে নিয়মিত চলে আসছে। সরকার এইসব মাহফিল এর টাকা বরাদ্দ করেনা। দেশের ইসলামপ্রিয় গরীব জনগন তাদের শত অভাব সত্তেও এক মুঠো ধান চাল, দু’এক টাকা চাঁদায় এইসব মাহফিল এর খরচ নির্বাহ করে। অথচ সেই তাদের উপরেই সরকারের আক্রোশ! এটা আর কিছুই নয়, একমাত্র ইসলাম এর উপরেই সরকারের খড়গ হস্ত হওয়া!
সরকার যে ইসলামকে কোনমতেই সহ্য করতে পারেনা, এটা তারই প্রমান। অথচ প্রতিদিনই দেশের কোন না কোন স্থানে যাত্রা, মেলা, কনসার্ট, সংগীতানুষ্ঠান এর নামে শত শত আয়োজন চলছে। সে সবের উপরে কোন রকম বিধিনিষেধ তো নেই-ই, বরং সরকারের, প্রশাসনের সর্বপ্রকার সহায়তার অবারিত দ্বার!
এমনকি এইসব কনসার্ট এ সোনার ছেলেরা ডজন ডজন যুবতী, মহিলা, ছাত্রীকে তাদের অভিবাবকদের সামনেই বেইজ্জতি করলেও, দ্রৌপদী’র বস্ত্র হরণ ষ্টাইলে উলংগ করলেও তাতে সরকার আর প্রশাসনের তেমন কিছুই আসে যায় না। এইসব ঘটনাকে জাতির সামনে প্রশাসন এর কর্তারা সদম্ভে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে চালিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন।
এই তো, মাত্র ক’দিন আগে বাংলা নববর্ষের সন্ধায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত কনসার্ট এর ঘটনাটি পুরো জাতিকে হতভম্ব করে দিলেও প্রশাসন সেটাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ই বলল। কারো কোন শাস্তি হয়নি, হবেও না, সেটা জাতি খুব ভালো করেই জানে।
ইসলাম এর মৌলিক ইতিহাস ও আক্বিদায় আঘাত হানা হচ্ছে বার বার। এটা যেন একটা রেওয়াজ হতে বসেছে দেশে! বঙ্গবন্ধুকে ইসলামের পঞ্চম খলীফা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁকে ‘খলীফাতুল মুসলিমিন’ বলে সরকারের ছত্রছায়ায়ই প্রচার চলছে। আল্লাহর সুষ্পষ্ট বিধান বরকতের বানী ‘ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ এর বিপরিতে ‘জয়বাংলা’ শব্দটিতেই নাকি বেশী বরকত, এমন ধৃষ্ঠতাপূর্ণ কথাও বলানো হচ্ছে আওয়ামি ওলামা লীগ এর তথাকথিত আলেমদের দ্বারা!
মন্ত্রীরা সরাসরি আল্লাহর সাথেই টেক্কা দিতে উঠে পড়ে লেগেছেন। এক মন্ত্রীতো বলেই দিয়েছেন, কোটি কোটি বৎসর পর আল্লাহ আমাদের বিচার করতে পারলে আমরা এখন কেন বিচার করতে পারব না? সরাসরি আল্লাহর সাথেই চ্যালেঞ্জ! আর সিইসি সেদিন বিবিসি’র সাথে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ভোলায় নির্বাচনী সন্ত্রাস বন্ধ করা প্রসংগে বলেছেন ‘স্বয়ং আল্লাহ নেমে এলেও তা বন্ধ করতে পারবেন না!’
এরকম হাজার হাজার উদাহরাণ দেয়া যাবে। আসলে আওয়ামি লীগ এর কাছে শয়তানের ওহী আসছে, আর সেটাকেই তারা ‘ইসলাম’ বলে চালিয়ে দিতে চায়! এই ইসলামই বর্তমান সরকার বাংলাদেশে প্রচার ও প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস চালাচ্ছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


