somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওয়াআল্লাহু খাইরুল মাক্বীরিণ।

১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




সরকার শেষ পর্যন্ত জামাত এ ইসলামির নেতাদের গ্রেফতার করেই ছাড়ল। দলটির তিন শীর্ষ নেতা, দলটির আমির, সেক্রেটারি জেনারেল সহ নায়েবে আমীর মওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকে গ্রেফতার করেছে। দেশে সর্ববৃহত্তম একমাত্র গণতান্ত্রিক যে দলটি ইসলাম কায়েমের জন্য নিজেদের জীবন, সম্পদ, সবটুকু নিয়ে মাঠে দন্ডায়মান, সেই দলটির আমির’সহ শীর্ষ তিন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইসলাম অবমাননার জন্য! তাঁরা নাকি মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করেছেন, আঘাতটি করেছেন তাঁরা মওলানা নিজামিকে হযরত মুহাম্মদ সা: এঁর সাথে তুলনা করে! এটাই সরকারের অভিযোগ।
প্রথমেই যে প্রশ্নটি আসে সামনে সেটি হলো, সরকার এই বালখিল্য ও হাস্যকর অভিযোগ নিয়ে মাঠে নামল কেন? ক্ষমতায় আসার পরে আজ প্রায় উনিশ মাস পেরিয়ে গেছে, এমতাবস্থায় সরকার কেন হঠাৎ করে এমন মারমূখো হয়ে উঠল?
এর উত্তর হলো বর্তমান গণবিচ্যুত সরকারের সামনে এটা ছাড়া আর কোন উপায়ই ছিলনা। দীর্ঘ উনিশ মাস পার হয়ে গেলেও জামাত এর নেতারা সরকারকে কোন সুযোগই দেননি, শত উস্কানীর মূখেও তারা খুবই বিজ্ঞতার সাথে সরকারের উস্কানিগুলো এড়িয়ে গেছেন। ফলে সরকারও তাঁদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অধৈর্য হয়ে পড়ছিল তলে তলে।
একটা কথা মনে রাখতে হবে যে, বর্তমান সরকার চালায় ভারতের একটি মহল। সাউথ ব্লকের আমলা, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ’র ও ভারতীয় রাজনৈতিক ব্লক। আমাদের গণতান্ত্রিক (!) সরকার কেবল শো’কেস মাত্র!
এর বাইরে আরও আছে। সেই ‘আরও’র সংগাটাও কিন্তু খুবই ‘সেনসিটিভ একটা ইস্যু’। এই ‘আরও’ বলতে যারা তারা আর কেউ নয়, তারা হল জায়নবাদী নিউকন, নিউওয়ার্ল্ড অর্ডার এর স্বপ্নদ্রষ্টারা। যারা পুরো বিশ্বব্যবস্থাটাকেই নিজেদের অনুকুলে বদলে নেবার কাজে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। যারা এরই ধারাবাহিকতায় ইরাক, আফগানিস্থান ও পাকিস্থানকে ইতিমধ্যেই একটা পরিবর্তনের পথে নিয়ে এসেছে তারা।
বাংলাদেশে নিউকন পরিকল্পনা আঞ্চলিক পরাশক্তি হবার স্বপ্নে বিভোর ভারতের সহায়তায় শুরু করা হয়েছে বিগত চারদলীয় জোট সরকারের একবারে শেষ সময়ে এসে। এরই ধারাবাহিকতায় আঠাশে অক্টোবর, হাসিনার লগী-বৈঠার বর্বরতার জের ধরে ফখরুদ্দীন আর মঈনউদ্দিনের অবৈধ শাসনের উৎপত্তি। এরই ধারাবহিকতায় বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর একটা বিশেষ শ্রেনীর কয়েকজন অফিসারকে ভর করে আসে আওয়ামি শাসন, গণতন্ত্রের আবরণে।
কিন্তু আওয়ামি বাকশালীদের এই ক্ষমতারোহনের পেছনের ইতিহাসে আরও একটা বিষয় আছে। তা হলো, আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতর কর্তাবাবুদের কাছে কিছু মুচালেকা দিতে হয়েছে। দিতে হয়েছে কিছু প্রতিশ্র“তী। এই প্রতিশ্র“তীর একটা বিড় অংশ দিয়ে এসেছিলেন বাংলার গাদ্দার মঈনউদ্দীন। তার সাথে আরও কিছু জুড়ে দিয়ে, এবং তা স্বীকার করে নিয়েই আওয়ামি লীগকে সরকার গঠন করতে হয়েছে। গঠন করতে হয়েছে আওয়ামি লীগের মধ্যে বাংলাদেশী স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বকে যারা অন্তত কিছুটা মুল্য দেন তাদেরকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে দুরে রেখেই। এ কারণেই মন্ত্রী সভায় ’চমক’ এর প্রলেপ জুড়তে হয়েছে শেখ হাসিনাকে।
আর এখন সরকার এই আঠারো বা উনিশ মাস পরে এসে ভারতসহ নিউকন’দের দেয়া তাদের প্রতিশ্র“তী রক্ষা করতে মাঠে নেমে পড়েছে। উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশ থেকে ইসলামি রাজনীতিকে বিদেয় করা। দেশটাকে সম্পূর্ণরুপে সেকুলারাইজ করা। এ লক্ষ্যে তারা শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাঁজিয়েছে সেকুল্যার ভাবধারায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমেই অনৈসলামিক পোগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। আলেম ওলামাদের প্রশাসন আর সমাজ থেকে সাইডলাইন করে রাখার পাঁয়তারাও চলছে।
রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে ইসলামের সকল প্রকার সম্পৃক্ততাকে দূর করতে ইতিমধ্যেই তারা পঞ্চম সংশোধনীর বিরুদ্ধে আপিল করেছে। উদ্দেশ্য, বাহাত্তর এর সংবিধানকে পূনরুজ্জীবিত করা। ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যই এই আপিল তারা করতে বাধ্য হয়েছে, এ ছাড়া বাহাত্তর এর সংবিধানে ফিরে যাবার আর কোন পথ তাদের সামনে খোলা নেই। আর ক’দিন পরেই এই মামলার রায় হতে যাচ্ছে। সরকার অন্য অনেক মামলার মত প্রভাব খাটিয়ে এই মামলার রায়ও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবার পাঁয়তারা করছে। এর ফলে সারা দেশ জুড়ে ইসলামি দল আর সংগঠন যে মাঠে নামবে সেটা অবধারিত। আর সেক্ষেত্রে জামাত এর সাংগঠনিক শক্তি সরকারের জন্য বিরাট মাথা ব্যাথার কারণ হবে, তাই সেটাকে আগে থেকেই ট্যাকেল করার প্রচেষ্টা।
আওয়ামি লীগ এখন নিজের ঘরের আগুনেই জ্বলছে ভেতরে ভেতরে। দলটি যে হারে জনপ্রিয়তা হারিয়েছে আর সাধারণ মানুষের কাছে ঘৃণার পাত্র হয়ে উঠছে তাতে এর চিন্তাশিল গোষ্ঠি আতংকিত। চট্টগ্রামের সা¤প্রতিক ইলেকশন পরাজয় দলটিকে ভেতরে ভেতরে একটা বড় রকমের ধাক্কা দিয়েছে। এর পর পরই ২৭ শে জুন এর হরতাল এ জনগণের স্বতস্ফুর্ত হরতাল তাদের একেবারে দিশাহারা করে তুলেছে। সাধারণ জ্ঞানটুকুও তারা হারিয়ে ফেলেছে। এক এক নেতা এক এক সময় এক এক রকম কথা বার্তা বলে চলেছেন। ছাত্রলীগ আর যুবলীগের কারণে পুরো দেশবাসী যেমন, তেমনি দলটি নিজেও এতটা ত্যক্ত বিরক্ত আর বিব্রত যে, জনগণের কাছে মুখ দেখাতেই তারা হাঁপিয়ে উঠছে!
এরই মাঝে আবার শেখ হাসিনার উপদেষ্টা মন্ডলীর আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ এখন তুঙ্গে। সাধারণ সম্পাদকের সাথে এক প্রভাবশালী কেন্দ্রিয় নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতার দ্বন্দ শেখ হাসিনাকে ভাবিয়ে তুলেছে ভীষণভাবে। যেভাবে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ চলছে তাতে আবার না স্বয়ং শেখ হাসিনার নেতৃত্বই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে যায় নিজ দলের ভেতরে! অতএব এ থেকে দলের বিবাদমান নেতা নেত্রীর দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দিতেই এই আয়োজনটা দরকার ছিল।
এক এগারোর পর থেকেই বি এন পি ছিল বিপর্যস্থ। এমনকি ঢাকা শহরে একটা মিছিলও তারা করতে পারেনি, সেরকম কোন সাংগঠনিক শক্তিও তাদের অবশিষ্ঠ ছিলনা। এইতো মাত্র কিছুদিন আগেও এরকম অবস্থাই ছিল। অথচ সেই বি এন পি’ই আজ এমন একটা পর্যায়ে উঠে এসেছে বা আসছে যে, তা সরকারের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠছে।
এর পেছনে প্রত্যক্ষ আর পরোক্ষভাবে জামাত এর ভূমিকা কে কেউই অস্বীকার করতে পারবে না। স্বয়ং বি এন পি’ও জানে বিষয়টা। বিশেষ করে চট্টগ্রামের মেয়র নির্বচানে যে ভাবে জামাত বি এন পি’কে সমর্থন দিয়ে মাঠে অটল পা’এ দাঁড়িয়ে থেকেছে, এবং সেই সাথে শেষ মহুর্তে এসে সরকার কর্তৃক ভোটের রেজাল্ট হাইজ্যাক করার চেষ্টাকে বিজ্ঞতা এবং ক্ষিপ্রতার সাথে রুখে দিয়েছে, তা এক কথায় ছিল সাংগঠনিক শক্তি আর বিজ্ঞতার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত। আওয়ামি লীগ এমনটা চলতে দিতে পারেনা নিজেদের স্বার্থেই। কারণ এতে করে আগামি তিন বৎসরে বি এন পি তার পুরো সাংগঠনিক শক্তিতে ফিরে আসতে পারে, যেটা সরকারের জন্য মরণফাঁদ হবে।
আরও আছে। জামাত এর যে সব সদস্য কর্মী দেশের বাইরে আছেন, তারা অত্যন্ত সফলতার সাথে বিশ্বের বিভিন্ন ফোরামে সরকারের মানবাধিকার বিরোধি কর্মকান্ড তুলে ধরছেন, যে কারণে সরকার বার বার বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছে। বহির্বিশ্বে সরকারের উপরে মানবাধিকার নিয়ে চাপ বাড়ছে।
নির্বাচনের পূর্বে সরকারের কয়েকটা প্রতিশ্র“তির মধ্যে অন্যতম ছিল দশ টাকা সের চাল খাওয়ানো, যার ধারে কাছেও সরকার যেতে পারেনি। সন্ত্রাসের সাথে ছাত্রলীগ আর যুবলীগের নাম একাাকার হয়ে গেছে। দূর্ণীতির বিরুদ্ধে বড় বড় কথা বলা শেখ হাসিনা ও তাঁর নিজের পরিবারের সদস্যরাই জড়িয়ে পড়েছে দূর্ণীতিতে, এমন সব খবর বাতাসে ভেঁসে বেড়াচ্ছে। সরকার না হয় এখন সেগুলো চেপে রাখছে মিডিয়া, পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে। কিন্তু দেশে বিদেশে অনেকের হাতেই এর তথ্য প্রমান চলে গেছে।
প্রশাসনের সর্বস্তরে দূর্ণীতি ছেয়ে গেছে। আঈন শৃংখলা পরিস্থিতির এতটা অবনতি হয়েছে যে, মানুষ এখনকার সময়কালকে সেই চুয়াত্তর’র সাথে তুলনা করছে। আর ভেতরে ভেতরে সবচেয়ে বড় যে বিপদটা সরকারের সামনে সেটা হলো, প্রশাসন স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দলীয় দৃষ্টিতে দেখা ও বিবেচনা করায় প্রশাসনের সকল স্তর ভেংগেই কেবল পড়েনি বরং প্রশাসনে কোন শৃংখলা বলতে আর কিছু অবশিষ্ঠ নেই।
আরও একটা ওয়াদা ছিল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা। কিন্তু সরকার কোন আঈনেই তা করতে পারছেনা। আন্তর্জাতিক মহল স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের ৭৩ সালের ওয়ারক্রাইম ঐ্যক্ট’টি আন্তর্জাতিক মানদন্ডে উতরে যেতে পারবেনা, উক্ত আঈনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে তা আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহনযোগ্য হবেনা। অথচ দেশে রাম-বাম, ঘাদানিকরা সরকারের কাছে এদের বিচাার দাবী করে সরকারকে অস্থির করে তুলছে ভেতর থেকে। তাদের তো সন্তুষ্ট করতে হবে! অতএব মাথামোটা সরকার নেমে পড়েছে।
তবে সরকারের এতসব আয়োজনে সবচেয়ে উপকৃত হবে ইসলামি আন্দোলন। এটা ইনশাআল্লাহ একরকম নিশ্চিত করেই বলা যায়। আন্দোলনের নেতা কর্মী, কারা কেবলমাত্র এক আল্লাহ’র জন্যই আন্দোলনের সাথে আছেন, কে কতটা নিষ্ঠার সাথে ত্যাগ স্বীকার করতে, জীবন, সম্পদের ঝুঁকি নিতে পারেন? সেটা যাচাই হয়ে যাবে। এটা যুগ যুগ ধরে ইসলামি আন্দোলনের পথের পাথেয়। এ পথেই সংগঠন শক্তিশালী হয়।
আরও একটা তাৎক্ষণিক লাভ হবে এতে। ইসলাম অবমাননার দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে জামাত এর নেতাদের। মহানবী সা: এর সাথে নাকি তুলনা করা হয়েছে নিজামি সাহেবকে। আসলেই এটা করা হয়েছে কিনা, এবং সত্যিকার অর্থেই ইসলাম এর অবমাননা হয়েছে কিনা, সেটা আলেম ওলামারা ঠিকই বুঝবেন। যখন তারা এটা বুঝবেন ( ইতিমধ্যেই বুঝে গেছেন তাঁরা ) তখন তাঁরা এটাও বুঝবেন যে, কেবলমাত্র ইসলামপন্থী হবার কারণেই ষড়যন্ত্র করে এই তিন নেতা ও তাঁদের সঙ্গী সাথীদের হেনস্থা করা হচ্ছে।
তারা এটাও বুঝবেন যে, এটা আর কিছুই নয় ইসলামপন্থীদের উপরে সরকারের আসন্ন বড় রকমের ক্রাকডাউনেরই অংশ। এই উপলব্ধিই ইসলামপন্থীদের মধ্য থেকে বড় একটা অংশকে ঐক্যবদ্ধ প্লাটফরম এ এনে দাঁড় করিয়ে দেবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব আর ভারতের আগ্রাসী পরিকল্পনা রোধ করতে ইসলামপন্থীদের মধ্যে এরকম ঐক্যই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনই পূরণের একটা উপায় ইনশাআল্লাহ বেরিয়ে আসবে এখন।
এর জন্য অবশ্য জামাতসহ ইসলামি দল গুলোর কর্মী থেকে শুরু করে যেসব নির্দলীয় মুসলমান ইসলামকে ভালবাসেন, দেশে ইসলাম টিকে থাকুক, এমনটা চান, তাঁদের একটু সচেতন হতে হবে। সরকারসহ বিভিন্ন মহল থেকে ফাঁদ পাতা হবে তাদের জন্য। সেই্সব ফাঁদকে অত্যন্ত কৌশলের সাথে এড়িয়ে যেতে হবে। বিজ্ঞতার পরিচয় দিতে হবে প্রতিটা কাজ-কর্মে, বাদ-প্রতিবাদের বেলায়।
দেশের সাধারণ মানুষ এত জটিল হিসেব নিকেশ বোঝেনা। তাদের কাছে সুন্দর যুক্তি, সঠিক তথ্য দিয়ে বোঝাতে হবে, তুলে ধরতে হবে ষড়যন্ত্রের পুরো চিত্র। সংগঠনের প্রতিটি কর্মীকেই দায়িত্ব নিতে হবে নিজ নিজ অংগণে মিডিয়া সন্ত্রাস রোধ এ। এ ছাড়া মিডিয়া সন্ত্রাস ঠেকানোর আপাতত কোন পথ খোলা নেই। এই তথ্যসন্ত্রাসই সবচেয়ে বড় ক্ষতি করছে আন্দোলনের, সে ব্যাপারে উদাসীন বসে থাকলে, বা অন্য কেউ এই কাজটা করে দিবে, সেটা ভেবে নিশ্চিন্ত থাকলে চলবেনা।
আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, বেশী বেশী করে আল্লাহ পাক এর কাছে ধর্ণা দিতে হবে। ভূললে চলবে না যে, এই আন্দোলনের মূল শক্তি, সমর্থন আর পুঁজি তাঁর কাছে থেকেই আসে। অতএব তাঁর কাছেই সাহায্য চাইতে হবে, এর কোন বিকল্প নেই। আমাদের মনে রাখতে হবে, সকল ষড়যন্ত্রকারীদের সম্মিলিত সকল পরিকল্পনার বিপরিতে আল্লাহর পরিকল্পনাই সবচেয়ে কার্যকর ও ফলপ্রসূ। মহান আল্লাহই উত্তম পরিকল্পনাকারী, ওয়াআল্লাহে খাইরুল মাক্বীরিণ।








সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৪১
১১টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×