somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি হাদিস ও বর্তমান বাংলাদেশ

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



পুরো দেশটা জুড়েই এক দূর্বিষহ অবস্থা বিরাজ করছে। সরকার, সরকারের সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠান, এমনকি আঈন শৃংখলা বাহিনীও সরকারের আজ্ঞাবহ দলীয় কর্মীর মত আচরণ করছে বিরুদ্ধ মত ও পথের লোকজনের সাথে। হত্যা, গুম, আর সন্ত্রাসের শিকার হচ্ছেন তাঁরা অহর্নিশ। সরকার দলীয় মতের লোক না হলে তাঁরা নিজেদের ঘরেও নিরাপদ নন। তাঁদের নিকটাত্বীয়রা, এমনকি শয্যাশায়ী, বৃদ্ধা অশীতিপর মা’ও তাঁর বিছানায় নিরাপদ নন! ঘরের গৃহিনীও এখন আর পুলিশের ডান্ডা থেকে নিরাপদ নন। আর সে ডান্ডা খেতে তাঁকে আর ঘরের বাইরেও যেতে হয়না! পুলিশ ঘরের ভেতরেই অমানবিক ও নির্দয় ভাবে পিটিয়ে অর্ধমৃত করে রেখে যায় গৃহিনীকে! কিন্তু তার পরেও সরকার নীরব!
গার্মেন্টস ফ্যক্টরিতে বেতন আর সুবিধাাদি নিয়ে আন্দোলনরত শ্রমিক, বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের পুলিশ যে ভাবে পিটিয়েছে ঢাকার রাস্তায় ফেলে, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিস বাড়ানো বা এরকম অন্য কোন দাবী দাওয়া নিয়ে ছাত্র ছাত্রীরা এর আগেও সরকারের বিরুদ্ধে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এসব নতুন কিছুই নয়।
কিন্তু যে বিষয়টা নতুন তা হলো, প্রকাশ্যে রাস্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের বেদম প্রহার! পুলিশ যে বিভৎসতা, যে নির্মমতা, যে বর্বরতার সাথে দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে সেয়ানা, সোমত্ত মেয়েদের ধরে পিটিয়েছে, তা দেখে লজ্জা আর ঘৃণায় সারাটা মন রি রি করে উঠে। যে দেশের প্রধানমন্ত্রী, পরারাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিরোধি দলীয় নেত্রী সকলেই মহিলা, সেই দেশেই প্রকাশ্যে রাস্তায় পুলিশ এ ভাবে মেয়েদের পেটাল কিন্তু তার পরেও সরকার নীরব, নিস্পৃহ!
এসব যেন খুব পরিকল্পিতভাবেই করা হচ্ছে। আর তার কোন প্রতিকারও করা হচ্ছেনা বা সরকার করছেনা এই কারণে যে, জনগণ যেন এটা উপলব্ধী করে বা করতে পারে যে, সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলে তার পরিণতি কি হবে বা হতে পারে? সে বার্তাটাই যেন দেয়া হচ্ছে দেশের আপামর জনগণকে!
দেশের আনাচে কানাচে সাইবার ক্রাইম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। বেড়েছে মাদক ব্যবসা, মাদক সেবনের মাত্রা, আর এতে এসেছে বৈচিত্রতাও। ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে আজ দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে, প্রতিটি শ্রেনীর মানুষের হাতেই নানা রকম মোবাইল। এমনকি রিক্সাওয়ালার হাতেও। আর এই বিশেষ যন্ত্রটির সাহায্যেই দেশের আনাচে কানাচে প্রতিদিনই কোন না কোন নারী, কোন না কোন ছাত্রী, তরূণী যুবতী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তাদের মান সম্মান ইজ্জত সব কিছুই্ ধুলিষ্যাৎ হয়ে যাচ্ছে! অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা হচ্ছে সরকার দলীয় ক্যাডারদের হাতে। অথবা অপরাধীরা সরকার দলীয় কোন নেতা-কর্মীর আশ্রয়ে থেকে আঈনের হাত হতে নিজেদের রক্ষা করে চলেছে।
সারা দেশের আনাচে কানাচে নারী নির্যাতনের যেন উৎসব লেগে গেছে। বাংলাদেশ তৃতিয় বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় একটা দেশ। এই দেশটায় নারী নির্যাতন আজ নতুন কিছু নয়। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হবার পর থেকে এর মাত্রা যেন সকল রেকর্ডকেই ছাড়িয়ে গেছে। সরকার দলীয় ক্যাডারদের হাতে নারী নির্যাতন হচ্ছে। নিজেদের দলীয় কর্মীরাই বেমালুম ফাঁস করে দিচ্ছে তাদের নিজ দলীয় ছাত্রীসহ বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়সমুহে সাধারণ ছাত্রীদের বিভিন্নভাবে নির্যাতনের ঘটনা। কিন্তু তার পরেও সরকার অস্বাভাবিকভাবে নীরব, নিস্পৃহ!!
এসবের উপরেও সবচেয়ে আতংকের বিষয় হলো, সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ইন্ধনেই যেন আজ সারা দেশে ইসলাম, আল্লাহ, তাঁর প্রিয় রাসুল (স:) ইসলামি বিধান, রসম রেওয়াজের উপরে এক এক করে আক্রমন পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারের এক দলীয় কুলাঙ্গার বঙ্গবন্ধু মরহুম শেখ মুজিবর রহমানকে ‘খলিফাতুল মুসলিমিন’ আখ্যায়িত করে একটা বই লিখল, আর সরকারের মন্ত্রীরা সেই বই এর মোড়ক উন্মোচন করলেন!
প্রতিটি কাজ, কথা-বার্তা ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করাটা প্রিয় রাসুলুল্লাহ (সা:) এঁর সুন্নত। আর এটা মুসলমানদেও জন্য অনুসরণীয়ও বটে। যুগ যুগ ধরে সারা বিশ্বব্যাপি কোটি কোটি মুসলমান সেটা করেও আসছেন। অথচ সরকারের এক দলীয় ক্যাডার বলে উঠল ‘বিসমিল্লাহ’র চেয়েও নাকি ’জয়বাংলা’ শ্লোগাণেই বেশী বরকত!
সারা দেশের, এমনকি বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানকে সরকারের এক মন্ত্রীতো ‘মাওলানা মওদুদীর উম্মত’ হিসেবে অভিহিত করে আওয়ামি লীগের নেতা কর্মীদেরই রাসুল সা: এর প্রকৃত উম্মত বলে ঘোষণা করলেন! সংসদের ডেপুটি স্পিকার কর্ণেল শওকত আলী’তো হেজাবের উপরে ক্ষোভ ঝেড়ে বলেই ফেললেন, যারা হেজাব, বোরকা ব্যবহার করেন, তাঁরা দেখতে আসলে কুৎসিত! কুৎসিত চেহারা ঢাকতেই নাকি তাঁরা বোরকা, হেজাবে নিজেদের চেহারা ঢাঁকেন!
সরকারের আর এক মন্ত্রী ঢাকা শহরে ঘন ঘন দুরত্বের ব্যবধানে অনেক মসজিদ এর অবস্থান নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। এক মন্ত্রী মাদ্রাসা শিক্ষা সংস্কার এর নামে তা সংকোচনের আব্দার জানালেন। প্রধানমন্ত্রীর অতি প্রিয় এক বুদ্ধিজীবির নেতৃত্বে প্রণীত শিক্ষা সংস্কার মূলক পরিকল্পনাও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আর প্রস্তাবিত উক্ত শিক্ষা সংস্কার কর্মসূচীতে ইসলামি শিক্ষাকে আরও বেশী সংকুচিত করবার উদ্যোগও নেয়া হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ চিহ্নিত বিকৃত আক্বিদার মুসলিম নামধারী আঁতেলকে বসিয়ে এর কার্যক্রমকে মূলত ইসলাম ধংশের লক্ষ্যে পরিচালিত করা হচ্ছে! ইসলামের অন্যতম মৌলিক অনুষংগ, ফতওয়া প্রদানের যে অধিকার এবং দায়িত্ব আল্লাহ পাক দিয়ে রেখেছেন মুসলিম আলেম সমাজকে, তা আঈন করে আদালতের মাধ্যমে কেড়ে নিয়েছে। এর পরে এখন আবার আল কুরআনের বিরুদ্ধে মামলাটা হতে দিয়েছে। কুরআন সংশোধন করতে হবে!
উপরের এসব ঘটনাগুলো আপাতত বিছিন্ন মনে হলেও এগুলো মোটেও কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য মদদ আর ইন্ধনে এ দেশ থেকে ইসলাম উচ্ছেদের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।
চলছে বটে, ইসলাম আর বাতিলের দ্বন্দে এটা কোন নতুন ঘটনা নয়। এরকম পথ আর পদ্ধতিতেই তো নিকট অতিতে ইসলামি খেলাফত এর অন্যতম কেন্দ্র তুরস্ক থেকে ইসলামকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ছদ্মবেশী ইহুদি সন্তান কামাল পাশা কর্তৃক আরবী হরফ, আজান, ত্বালাক হেজাব, খাত্বনা, অবৈধ ঘোষণা, মসজিদ মাদ্রাসা, কুরআন ছাপা বন্ধ করে দেওয়ার সরকারি ফরমান ঘোষণার আগে এই একই পদ্ধতিতে মাঠ তৈরী করা হয়েছে। ইসলামের বিধি বিধান, এর শিক্ষা আদর্শ, রসম রেওয়াজ ঘিরে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে দিনের পর দিন ধরে। এর ফলে মাত্র কয়েকটি বৎসরের মধ্যেই জনগণের একটা উল্লেখযোগ্য অংশের মন মগজে এক ব্যপক পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে। তার একটা প্রকৃষ্ঠ উদাহারণ পাই নিচের ঘটনা থেকে। ঘটনাটি প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব Lord Kinross " Ataturk, The Rebirth of a Nation " নামক গ্রন্থের ৩৬৫ পৃষ্ঠায় বিবৃত করেছেন;

ক্ষমতাসীন অবস্থায় আনাতোলিয়ায় কামাল পাশা এক সামরিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করছেন, সারীবদ্ধ সৈন্যদের সামনে দিয়ে যেতে হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে সামরিক কায়দায় নিশ্চল দাঁড়ানো এক সৈন্যকে প্রশ্ন করলেন,
বলতো ’গড’ কে? এবং তিনি কোথায় থাকেন?
কামাল পাশার সামনে ঘামতে ঘামতে উক্ত সৈন্য উত্তর দিল;
আমার ’গড’ এর নাম ‘মোস্তাফা কামাল পাশা’। তিনি এ্যংগোরা থাকেন।
এ্যংগোরা কোথায়? কামাল পাশার পরবর্তি প্রশ্ন।
এংগোরা ইস্তাম্বুল এর সন্নিকটে, সৈন্যের জবাব।
জবাবটি শুনে কামাল মুচকি হেঁসে এগিয়ে গেলেন। সৈন্যদের পরিদর্শন করতে করতে তিনি আগে বাড়লেন, এবং কিছুদুর গিয়ে আবারও একই কায়দায় আর এক সৈন্যের সামনে দাঁড়ালেন, এবং তাকে প্রশ্ন করলেন;
সৈনিক, বলতো ‘কামাল পাশা’ কে?
‘তিনি আমাদের সুলতান, আমাদের খলিফা’ কম্পিত কন্ঠে সৈন্যের জবাব!

আজ বাংলাদেশের ঘটনাপ্রবাহ দেখে মনে হচ্ছে দেশ আর এই সমাজ সে পথেই যাচ্ছে! মরহুম বঙ্গবন্ধুকে এখনও কেউ ‘গড’ এর সাথে তুলনা না করলেও তাঁকে পুরো মুসলিম জাহানের খলিফা’তো ঘোষণা করা হয়েই গেছে! এর অনেক আগেই রবিন্দ্রচর্চাকে এদেরই একজন ’ঈবাদাত’ এর সাথে তুলনা করে গেছে! আর এরই ধারাবাহিকতায় আজ ইসলামের বিরুদ্ধে, ইসলামি জীবন দর্শন, রসম, রেওয়াজের বিরুদ্ধে কথা-বার্তা, আচার-আচরণ যে পথে চলছে তাতে সুবিধাভোগীরা ইতিমধ্যেই বুঝে গেছে যে সরকার ও প্রশাসন কি চায়? কখন চায়? এবং কিভাবে চায়?

আর বুঝেছে বলেই কেউবা আগ বাড়িয়ে ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীর নজর কাড়ার জন্য তাঁর মরহুম বাবা’কে ’খলীফাতুল মুসলিমিন’ হিসেবে প্রমান ও প্রতিষ্ঠা করতে উঠে পড়ে লাগে। বুঝে গেছে বলেই কেউ কেউ আবার মসজিদের সংখ্যাধিক্য দেখে ক্ষোভ ঝাড়ে, কেউবা হেজাব ব্যবহারের বিরুদ্ধে উষ্মা প্রকাশ করতে গিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের নিয়ে টিটকারী ও অপমানসূচক মন্তব্য করে। ইসলামের অন্যতম ফরজ, পর্দাপ্রথাকেই ব্যঙ্গ করে!
বুঝে গেছে বলেই আল কুরআনের সূচনা আয়াত ’বিসমিল্লাহ’কে অবজ্ঞা করে দেখায়, আর এর বিপরিতে বরকতময় করে দেখায় দলীয় শ্লোগাণ ‘জয়বাংলা’কে! এটা যে আল কুরআনের সাথে সরাসরি সংঘাতে নামা, তার প্রতিদ্বন্দিতায় নামা, সেটা মুসলিম প্রধান বাংলাদেশকে নতুন করে বোঝানোর কোন প্রয়োজন পড়বেনা নিশ্চয়ই! আর এরই ধারাবাহিকতায় মুসলিম প্রধান বাংলাদেশে আল কুরআনকে আদালতে দাঁড় করানো হয়! আদালতের বিচারকরা কুরআনের বিরুদ্ধে মামলা নিতে বিন্দুমাত্রও দ্বিধা করেন না। করেন না কারণ তারা জানেন, তারা বুঝে গেছেন সরকার কি চায়? বুঝে গেছেন বলেই না আজ প্রায় দুট বৎসরেরও অধিক কাল ধরে দেশে কোন প্রখ্যাত আলেম কর্তৃক আল কুরআনের তাফসীর মাহফিল হতে দেয়নি, দিচ্ছেনা।
বুঝে গেছে বলেই ক্ষমতাসীনদের নৈকট্য হাসিলের লক্ষ্যে দলীয় নেতা, কর্মী, আঈন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা, প্রশাসনের কর্মচারী কর্মকর্তারা যে কোন ছল ছুতায় ইসলামের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ নাগরিকদের, আলেম ওলামাদের হেনস্তা করে চলেছে। যেন তেন ভাবে তাদের ধরে কল্পিত ও উদ্ভট মামলা দিয়ে নাজেহাল করে চলেছে। আর এটা করতে যেয়ে কোন আঈন, কোন আদালতের ধার ধারছেনা।
তার অবশ্য কোন প্রয়োজনও পড়ছেনা। কারণ ঐ একটাই, ক্ষমতাসীনদের চাওয়াটাই আসল কথা! তাদের সেই চাওয়া পূরণ করতেই সরকার আর প্রশাসনের দায়িত্বশীল, সরকারের কাছের বুদ্ধিজীবি মহল আল কুরআনের ছাত্র-ছাত্রীদের জঙ্গী আখ্যা দিয়ে যেখানে কুরআন শেখানো হয়, সেইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা কে জঙ্গী তৈরীর ‘কারখানা’ ঘোষণা করেছেন প্রকাশ্যে। উদ্দেশ্য সেই একটাই, আল কুরআনের শিক্ষা বিস্তার ও চর্চা যেন হ্রাস পেতে পেতে বন্ধই হয়ে যায়!

সনদ আর রেওয়াত, এবং হাদিসের হুবহু ভাষা এই মহুর্তে মনে না থাকলেও এটা মনে আছে যে বেশ কিছুদিন পূর্বে প্রিয় রাসুলুল্লাহ স: এর একটা বাণী পড়েছিলাম, যার মর্মার্থ হলো, তিনি বলেছেন, যতদিন উম্মতের মধ্যে দুটি স¤প্রদায় সৎ থাকবে ততদিন এ উম্মতও সঠিক পথে থাকবে, সৎ থাকবে। আর ঐ দুটি স¤প্রদায় বিপথে গেলে এই মুসলিম উম্মাহও বিপথে যাবে। উক্ত হাদিসে তিনি (স:) উম্মতের ঐ স¤প্রদায় দুটির পরিচয়ও প্রকাশ করে গেছেন। এদের একটা হলো শাসক স¤প্রদায়, আর অপরটি হলেন আলেম স¤প্রদায়।
আজ পুরো বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থাটা যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেছে প্রিয় হাবিব (স:) এঁর হাদিসের উপরিল্লোখিত মর্মকথার সাথে। আমাদের শাসকরা এখন বিপথগামী হয়ে পড়েছে। আর আমাদের আলেম স¤প্রদায়? সেটা নিয়ে আর একদিন আলোচনা হবে, আজ না হয় এই পর্যন্তই থাক।









সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৪২
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×