এই সেই আওয়ামি লীগ, যারা খালেদা জিয়াকে মঈনুল রোডের বাড়ীটিি দেবার ব্যাপারে সমর্থন দিয়েছিল। এই সেই আওয়াম লীগ যরারা এর আগের টার্মে ক্ষমতায় এসেও এই বাড়ীটিি নিয়ে কোন রকম 'বেআঈনী' কিছু দেখতে পায়নি, পুরো পাঁচ বৎসর সময়কাল ক্ষমতায় থাকাবস্থায়ও তারা এ নিয়ে কোন উচ্চবাচ্চ করেনি। সংসদে যেদিন খালেদা জিয়াকে বাড়ী দেবার প্রস্তাব আনা হয়েছিল, সেদিন সেই প্রস্তাবে সংসদে উপস্থিত আওয়ামি লীগ দলীয় সংসদরা সমর্থন সূচক ভোট দিয়েছিলেন।
বলা হচ্ছে উচ্ছেদকৃত বাড়ীটির ঐ জায়গায় নাকি পিলখানা হত্যকান্ডে নিহত বিডিআর সদস্যদের জন্য ফ্লাট নির্মান করা হবে। এটা নিছক একটা ভাঁওতাবাজী। কারণ ক্যন্টনমেন্ট এলাকার মধ্যে হাজার হাজার বেসামরিক লোকরে আবাস ও স্থায়ী বসবাস করার ঘটনা কোনমতেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মেনে নেবেনা। যে কর্নেল গুলজারকে তাপস, নানক, মির্যা আজম গং নির্মমভাবে হত্যা করেছে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে, সেই কর্নেল গুলজারের পরিবারকে সেখানে ফ্লাট নির্মান করে দেবে তারা? এতটাই যদি দরদ থাকত ওদের জন্য, তা হলতো তাদের এভএব হত্যাই করা হতোনা।
প্রেসিডেন্ট বাড়ী দিয়েছিলেন একজন নিহত রাষ্ট্রপধানের স্ত্রী ও পরিবারকে, আজ যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সেই স্বিদ্ধান্তকে পাল্টে দেয়া যায়, তা হলে ম,নে রাখতে হবে, গামা হত্যা মামলার মৃত্যূদন্ডপ্রাপ্ত আসামি সহ সেজদা চৌধুরির ছেলে সাদাবকে রাষট্রপতি যে ক্ষমা করে দিয়েছেন, সেটাও একদিন পাল্টে যাবে, ঠিক এ ভাবেই। কজেই ভেবে চিন্তে কাজ করুন।
আদালতের কথা বলবেন? যে এটা আদালতের সিদ্ধান্ত। তা হলে মনে রাখতে হবে, আজকের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েও বাংলাদেশের আদালতের একটা অবজারভেশণ আছে, তা হলে তিনি নাকি 'রং হেডেড' । আদালতই যাকে রঙ হেডেড বলে ঘোষণা করেন, তাকে কি ভাবে দেশের জনগণ প্রধানমন্ত্রী বলে মেনে নিতে পারে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



