জনাব ওবায়দুল কাদের বলেছেন কিছু জনপ্রতিনিধি দেশটাকে লুটে পুটে খাচ্ছ্নে। গেল শনিবার সকালে ঢাকার একটি হোটেলে টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রোডিউসারস এ্যসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের তৃতিয় দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেছেন। তিনি আরও বলেছেন, বিচার বিভাগ, শিক্ষা মাধ্যম, সংবাদ মাধ্যম প্রশাসন সবকিছুতেই ভেজাল ঢুকে গেছে।
ওদিকে দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিগত চার দলীয় সরকারের সময় ‘তুরুপের তাস হাতে আছে’ দাবী করে নির্দিষ্ট দিন তারিখ দিয়ে ‘সরকারের পতন হবে’ এমন ভবিষ্যৎবাণী এবং ত্বত্তাবধায়ক সরকারের আমলে ডি জি এফ আই’র জয়েন্ট ইন্টোরেগশন সেলে বসে দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূর্ণীতির অনেক গোপন তথ্য ফাঁস করে দেয়া’সহ চিরদিনের জন্য রাজনীতি ছেড়ে দেবার ঘোষণা প্রদানকারী জনাব আব্দুল জলিল এর আগের দিন শুক্রবার সন্ধায় রাজধানীর মুক্তি ভবনে এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছেন ‘অযোগ্য ব্যক্তি ও গুন্ডা পান্ডাদের মনোয়ন দিয়ে ক্ষমতায় বসানোর কারণে জনগণের ক্ষমতায়ন হচ্ছে না। আর জনগণের ক্ষমতায়ন না হলে প্রশাসনকেও সঠিকভাবে পরিচালনা করা যাবে না।’
উপরের দু’টি বক্তব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বক্তব দু’টিই এসেছে ক্ষমতাসীন সরকারের দলীয় দুই প্রভাবশালী প্রেসিডিয়াম সদস্যের কাছ থেকে। তার মানে এই দাঁড়ালো যে, সরকারের ভেতরে বাইরে যে লুট পাট হচ্ছে, তা তারাা জানেন, যেমনটা জানেন দেশের জনগণ। এই জানাটা কেবল প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেন নি এ পর্যন্ত।
কিন্তু এবার তার দলের নেতৃস্থানীয়রা সেটা স্বীকার করা শুরু করেছেন। অবশ্য এটা হলো, ঐ দুই রাজনীতিকের জন্য নিজেদের অবস্থান বাঁচানোর চেষ্টা। দল ও জাতির কাছে নিজেদের মূখ রক্ষার প্রচেষ্টা। সেই সাথে দলের নেতা কর্মী আর দেশবাসীর কাছে নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে নিষ্কন্টক করে রাখার প্রচেষ্টা।
কিন্তু সে যাই হোক, এটা তো পরিষ্কার যে, দেশে লুট পাট চলছে। লুট পাট করছে দেশের সরকার আর তার দোসর’রা। লুট পাট করছে স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তির নামে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দল, যারা কথায় কথায় দেশপ্রেমের গান গাইতে গাইতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন, চোখে নামান অশ্র“র বন্যা! তারাই আজ দেশটাকে লুটে পুটে খেয়ে ফোকলা করে ফেলেছে। আরও একটা চুয়াত্তর যেন আসি আসি করছে। আল্লাহ যেন সে রকম একটা অবস্থার পূনরাবৃত্তি থেকে দেশটাকে রক্ষা করেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


