তথাকথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচারকার্য চলছে যুদ্ধাপরাধীদের। যুদ্ধাপরাধীদের না মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচার, তা অস্পষ্ট। কারণ, সরকারের কর্তাব্যাক্তিরা কখনও বলেন তারা যুদ্ধাপরাধীদের, কখনও বলেন মানবতাবিরোধি কর্মকান্ডে জড়িতদের, আবার কখনও বলেন রাজাকারদের বিচার করছেন। তা ছাড়া, এটা আন্তর্জাতিক না ডমেস্টিক ট্রাইবুনাল, সেটিও অস্পষ্ট।
এ বিচার নিয়ে এক তোঘলকি কারবার চলছে। বেশ কায়দা করে সরকার ও কোন কোন রাজনৈতিক দল ‘যুদ্ধাপরাধী’ এবং ‘রাজাকার’ কার্ড খেলে, রাজনীতির মাঠ গরম করে, বিরোধি দলগুলোকে দৌড়ের উপরে রেখে কৃতজ্ঞতার দায় শোধে ভারতকে তার প্রত্যাশার চেয়েও বেশী দিয়ে চলেছেন। বিরোধিদল পিঠ বাঁচাতেই ব্যস্ত। সরকারের দেশবিরোধি কর্মকান্ডের প্রতিবাদের ফুরসতই তাদের নেই।
আজ যারা সরকারে আসীন হয়ে প্রকৃত রাজাকার, যুদ্ধপরাধীদের বিচার না করে রাজনীতি করছেন, একটা রাজাকারও বেঁচে থাকা পর্যন্ত ঘরে না ফেরার শপথ নিচ্ছেন, তারা নিজেদের অজান্তেই এমন ফাঁদ পাতছেন যে, একদিন এই ফাঁদই তাদেরকে ওঠাবে কাঠগড়ায়! এত উদ্দীপনা নিয়ে শুরু করা কর্মযজ্ঞ নিশ্চিত বুমেরাং হবে। কি ভাবে? সেটাই বলব ‘বুমেরাং’ সিরিজের পরবর্তি পোষ্ট সমূহে। দয়া করে চোখ রাখুন ব্লগে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


