আগে থেকেই বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রচার হয়ে আসছিল যে ৯ নভেম্বর সিসিমপুর মেলা অনুষ্ঠিত হবে শিশু একাডেমীতে। টিভিতে কিংবা সিডিতে দেখে দেখে আমার বাচ্চা আবার সিসিমপুরের বেশ ভক্ত। তাই আগেই স্থির করেছিলাম সিসিমপুর মেলা দেখাতে নিয়ে যাব বাচ্চাকে। ভেবেছিলাম মেলাটা বাচ্চার জন্য বেশ উপভোগ্য হবে। কিন্তু আজ মেলায় গিয়ে যারপরনাই হতাশ হলাম। শুধু হতাশ বললে ভুল হবে, সেই সঙ্গে বিরক্তিও চরমে উঠল।
শিশু একাডেমী প্রাঙ্গনে চার পাঁচটি স্টল আর পাপেট শোর মাধ্যমে মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। এর আগে অবশ্য আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় শিশু একাডেমী মিলনায়তনে। সেট দেখা হয়নি। তো মেলা প্রাঙ্গনে গিয়ে দেখলাম বেশ ভিড়। অনেক মা বাবা বাচ্চাকে নিয়ে এসেছেন প্রিয় সিসিমপুর অনুষ্ঠান দেখাতে। কিন্তু দেখা গেলা চারিদিকে ধুলা উড়ছে। কতৃপক্ষের জানা ছিল এখানে প্রধানত শিশুরাই আসবে। আর তাই ধুলা ময়লা যেন না থাকে সে ব্যবস্থা করাটা বিশেষভাবে প্রয়োজন ছিল। কারণ ধুলাতে নানা ধরনের রোগ জীবানু থাকে যা শিশুদের আক্রান্ত করতে পারে।
অন্যদিকে সামিয়ানা জাতীয় ছোট ঘেরা দিয়ে সিসিমপুরের বিভিন্ন চরিত্রদের নিয়ে পাপেট শোর আয়জন করা হয়। যার ফলে মা বাবারা লাইনে দাড়িয়ে রীতিমত যুদ্ধ করেছে বাচ্চাকে পাপেট শো দেখানোর জন্য। যে পাপেট শোটি আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরে মিলনায়তনেও আয়োজন করা যেত। যেখানে একসঙ্গে অনেকে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারত।
ভবিষ্যতে আশা করব, সিসিমপুরের এজাতীয় অনুষ্ঠান আয়োজনে কতৃপক্ষ সার্বিক সব দিক বিবেচনা করবেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


