আমার প্রিয় পোস্ট

সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল

ভারতীয় আগ্রাসন কোন জুজু নয়, বাস্তব সত্য।

০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২১

শেয়ারঃ
0 9 0

সহ ব্লগার কায়েস মাহমুদের সাথে একটি পোস্টে কমেন্ট আদান প্রদান করবার সময়ে এই বিষয়ে পক্ষ্যে বিপক্ষ্যে লেখার জন্য রাজি হয়েছিলাম। অনেকদিন হলো তিনি সম্ভবত সময় করে উঠতে পারেননি। তাই ভাবলাম আমিই শুরু করি।

তবে একটা জিনিষ বলে রাখা ভালো যে, ভারত বা ভারতীয় নাগরিক এদের প্রতি আমার ব্যাক্তিগত কোন বিরুপতা নেই। বরং উল্টো। ভারতীয় জনগণের দেশপ্রেম আমার কাছে মনে হয় বিশ্বসেরা। দেশে মন্দ যাই ঘটুক না কেন, সেটা তারা কোনদিন বহিঃ বিশ্বে ফলাও করে বলে বেড়ান না। বিদ্যার্জনকে তারা ধর্ম জ্ঞান করে, নিষ্ঠার সাথে চর্চা করেন। ফলে সেখান থেকে উঠে আসছে অগুণিত গবেষক, বিজ্ঞানি, প্রকৌশলি এবং চিকিৎসক। ভারতীয়দের ব্যাক্তিগত ভোগ বিলাসের প্রতি কৃচ্ছতা সাধনের ফলেই আজ জি ২০ এর মত একটি জোটে সদস্য তারা। ব্যাক্তিগত পর্যায়ে আলাপচারিতায় আমাদের প্রতি ভারতের সব নাগরিককেই দেখেছি, বন্ধু বৎসল, যা অন্য কোন দেশের নাগরিকের কাছ থেকে অন্তত আমি পাইনি। এ রকম অনেক গুনাবলিতে প্রশংসা ধন্য হতে পারে ভারত এবং ভারত বাসি। যদি ভারতীয় অন্তত তিনটা গুণ ( দেশপ্রেম, শিক্ষায় নিষ্ঠা, কৃচ্ছতাসাধন) আমাদের থাকতো, তবে বাংলাদেশের চেহারা অন্য রকম হতো।

আমাকে পীড়িত করে সেটা হলো, আমার দেশের প্রতি তাদের রাস্ট্রীয় নীতি। যা প্রকারন্তে আগ্রাসনেরই সামিল। আর আমি নিশ্চিত যে, কোন দেশপ্রেমিকই এ ধরণের মনভাবকে সমর্থন করবেন না।

কিন্ত যে ভারত আমাদের স্বাধীনতার সময় কোটি লোককে আশ্রয় দিলো, মুক্তিযোদ্ধাদের সব রকম সাহায্য দিয়ে আমাদের স্বাধীন হতে সাহায্য করলো, তারা কেন আমাদের উপর আগ্রাসি দৃস্টি দিলো?

ভারতের পররাস্ট্র নীতিতে সাধারণ মানুষের দৃস্টিভঙ্গির প্রকাশ নেই। যেটা আছে সেটা সেই ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের প্রতি তাদের উষ্মা। তৎকালিন ভারতীয় কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ বিশেষ করে জহরলাল নেহেরু, সর্দার বল্লভ ভাই পাতিল, এরা কোনদিনও চাননি যে, ভারত ভাগ হোক। বিবিসি প্রচারিত লাস্ট ডেইস অফ দা রাজ প্রমাণ্য চিত্রে এর সুস্পস্ট প্রমান আছে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তান গঠনকে নেহেরু একটি অবাস্তব ও অদ্ভুত রাস্ট্র বলেও উক্তি করেছিলেন।

"লাস্ট ডেইস অফ দা রাজ" লিঙ্ক

Click This Link

তাছাড়া নেহেরুর "ইন্ডিয়া উইনস ফ্রিডম" বইটাতে অখন্ড ভারতের একটি গোপন ইচ্ছার কথা আছে। ইন্ডিয়া ডকট্রিন কিংবা নেহেরু ডকট্রিন নামে যে বৈদেশিক নীতির কথা সুচনা করা হয়েছিল, অকংগ্রেসীয় সরকারগুলিও সেটি থেকে বিচ্যুত হননি। হতে পারে সেটি জাতিয় নেত্রিবৃন্দের প্রতি শ্রদ্ধা থেকে অথবা ভারতের স্বার্থের কথা ভেবে। আর ভারতের চরম মৌলবাদি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠির মাদারশিপ বলে খ্যাত আর এস এস এর বক্তব্য আরো আতংক সৃস্টিকারি, যারা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন, সমগ্র ভারতবর্ষে অবস্থান এবং শাসন করার একমাত্র অধিকার শুধু মাত্র হিন্দুদের। সেখানে রাম রাজ্য স্থাপন করে তারা চান রামায়ণকে প্রতিষ্ঠিত করতে।

ভারতের শাসন ক্ষমতায় হিন্দিভাষি উত্তর ভারতীয়দেরই প্রভাব। কোন অজ্ঞাত কারণে এদের বাঙ্গালি বিদ্বেষ নতুন কিছু নয়। এ পর্যন্ত কোন বাঙ্গালি ক্ষমতার শীর্ষ পদে আসীন হতে পারেননি, ব্যাতিক্রম শুধু প্রণব বাবু। আর হিন্দিতে দক্ষতার অভাবই যে প্রধানমন্ত্রিত্ব পদে তার আরোহন অসম্ভব, সেটি তিনি গোপন করেননি। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলনে কোলকাতার সবচেয়ে শক্তিশালি ভুমিকা থাকলেও, জাতিয় পর্যায়ে বাঙ্গালিদের মুল্যায়ন করা হয় না বললেই চলে। উল্টো হিন্দির আগ্রাসন চালিয়ে খোদ কোলকাতাকে প্রায় হিন্দি অধ্যুসিত বানানো হয়ে গেছে।

যেহেতু বাঙ্গালি অধ্যুসিত বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাস্ট্র, বোধ করি দুই ধারি ভারতীয় বিরুপতার মুখোমুখি হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। প্রথমত অখন্ড ভারত গঠনের প্রতি অন্তরায়, দ্বিতীয়ত বাঙ্গালিত্ব।

এজন্য দেখা যায় যে, যুদ্ধবিধবস্ত বাংলাদেশ যখন রিলিফবাহি জাহাজ ভেড়ার কাজে মাত্র ছয়দিনের জন্য কোলকাতা বন্দর ব্যাবহারের অনুমতি চায়, তখন অজ্ঞাত্ কারণে সেই অনুরোধ প্রত্যাখান করে ভারত। উপরন্ত মিত্র বাহিনী বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায় মুল্যবান সামরিক এবং শিল্প যন্ত্রাংস। বিদেশি গাড়ি, ব্যাংকে রক্ষিত সোনা, তামার ৫ পয়সা ইত্যাদিও বাদ রাখেনি। সীমান্ত উন্মুক্ত করে দিয়ে রিলিফ প্রাপ্ত চাল গম তেল নুন, মায় কম্বল্টুকুও ওপারে পাচারে উৎসাহ যোগায় ভারত। এই লুট পাটের তীব্র প্রতিবাদ করার ফলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জলিল কারাবন্দি হন। তিনিই একমাত্র সেক্টর কমান্ডার যাকে ভারত বিরোধিতার কারণে কোন খেতাব দেয়া হয়নি। আর এই লুট পাটের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু নিজেও ছিলেন বীতশৃদ্ধ। অনেক খেদেই তিনি বলেছিলেন, "মানুষ পায় সোনার খনি আর আমি পাইছি চোরের খনি।"

ভারত শাসনের সময় বৃটিশদের একটি কুটবুদ্ধিচালিত নীতির নাম ছিল অধীনতামুলক মিত্রতা। মানে নামে মাত্র স্বাধীনতা। বৃটিশরা প্রস্থান করলেও, ওই একই নীতি স্থাপিত হয়েছিল ভারতের পররাস্ট্র নীতিতেও। ফলে স্বাধীনতার পর মুজিব ইন্দিরা চুক্তি নামে খ্যাত ২৫ বছরের অধীনতামুলক মিত্রতা চুক্তি হয়। সেই চুক্তি অনুসারে ভারতের কাছে বেরুবাড়ি হস্তান্তর করলেও, চুক্তি অনুসারে আমরা আঙ্গুরপোতা দহগ্রাম আজ পর্যন্ত পাইনি। এ ছাড়াও মিত্রতার অজুহাতে মাত্র ৪০ দিনের অনুমতি নিয়ে ভারত যে ফারাক্কা বাধ চালু করেছিল, আজ পর্যন্ত তার কুফল ভোগ করছে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধুকে যতটুকু দেখেছি, তাতে তাকে ধর্মানুরাগি বলেই জেনেছি। তাই পরাজিত পাকিস্তানিরা মুসলিম বিশ্বে যখন আমাদের নামে মুসলমান বিদ্বেষি বলে অপপ্রচার চালাচ্ছিল, তখন বঙ্গবন্ধু সেই অপবাদের জবাব দিতেই লাহোরের ও আই সি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। ভারতের নিষেধকে অগ্রাহ্য করে বঙ্গবন্ধুর এই যাত্রাকে ইন্দিরা গান্ধি ভালো ভাবে নেয়নি। মিত্রতার কারণে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা "র" এর সারা বাংলাদেশ ব্যাপি উপস্থিতি থাকলেও অজ্ঞাত কারণে ৭৫এর ঘটনাবলির আগাম সংকেত দেয়া হয়নি বঙ্গবন্ধুকে। ( জে এন দীক্ষতঃ লিবারেশন এন্ড বিয়ন্ড)।

সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত বাংলাদেশের মানুষ, পিন্ডির পরিবর্তে দিল্লির এই খবরদারি ভালো ভাবে গ্রহন করেনি। বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তা ধবসের অনেক কারণের মধ্যে এটিও একটি কারণ ছিল। জিয়া ক্ষমতায় আসার পর, ভারত অনেকটা প্রকাশ্যেই বিরুপ আচরন শুরু করে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল, নৌবাহিনী পাঠিয়ে দঃ তালপট্টি দখল। এছাড়াও ইন্দিরার সরাসরি নির্দেশে জিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করে ভারত। জে এন দীক্ষতঃ লিবারেশন এন্ড বিয়ন্ড)। যা রাস্ট্রিয় সন্ত্রাসবাদের সামিল।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রতি ভারতের একটি আচরণকেও বন্ধুসুলভ বলা যায় না। ফারাক্কার পর, ২৫ টি অভিন্ন নদীর উৎসে এক তরফা বাধ তৈরি, সীমান্তে কাটাতারের বেড়া দিয়ে আমাদেরকে বৈরি বলে ঘোষনা, বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে অনিহা, সীমান্তে গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা, মিডিয়ায় অহরহ বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাস্ট্র বলে অপপ্রচার, বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসিদের রাস্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদি শান্তিবাহিনীকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা, বাংলাদেশি পণ্য ও টি ভি চ্যানেল্গুলিকে ভারতে প্রবেশে বাধা, সিডর পরবর্তিতে চাল নিয়ে চালিয়াতি, সীমান্তে শত শত কারখানা বসিয়ে ফেন্সিডিল উৎপাদন এবং বাংলাদেশে চোরাচালান করে দেয়া, মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসি বাংলাদেশিদের নামে অপপ্রচার চালিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম বাজার থেকে বাংলাদেশকে বিতারণের চেস্টা, ইত্যাদি অনেক উদাহারণ দিয়ে প্রমান করা যায়, কেন বাংলাদেশিরা ভারত বিরোধী।

অখন্ড ভারত গঠনে যা যা করার তাই করবে ভারত সরকার এটি স্পস্ট। অন্তত সাময়িক অধীনতামুলক মিত্রতা করতেও তাদের আপত্তি নেই। এই ধরণের মিত্রতার বাধনে ভূটান ও নেপাল বাধা পড়েছে। শ্রীলংকা এ ধরণের মিত্রতায় অনিহা প্রকাশ করলে, তালিম বিচ্ছিন্নবাদিদের উস্কে দিয়ে শ্রীলংকায় রক্তপাত ও বিশৃঙ্খলার সৃস্টি করে রেখেছে ভারত। আর এই সব কারণেই প্রতিবেশি একটি রাস্ট্রের সাথেও ভারতে সুসম্পর্ক নেই।

স্বাধীনতার সময়েই বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক এবং লেখক এবং রাজনৈতিক সমাজে একদল ভারত প্রেমিক বুদ্ধিজীবি তৈরি করে রেখেছে। যারা শুরু থেকেই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক এবং মিডিয়া জগতে প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে। ফলে বাংলাদেশের ন্যায্য পাওনা নিয়েও ওই স্তরে কথা বার্তা হয় সামান্য। তাদের ক্রমাগর ভারত তোষনকারি প্রচারের ফলে, আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য শক্ত জনভিত্তি গড়ে উঠতে পারেনি। এরা সুকৌশলে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের মনভাবকে সেই স্বাধীনতার সময়েই আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে আগাগোড়া বিদ্বেষি মনভাব থাকলেও, বাংলাদেশের শিক্ষিত এবং প্রভাবশালি মহলের কাছে ভারত একটি মিত্রদেশ হিসেবেই গণ্য হচ্ছে। যা একসময় আমাদেরকে সিকিমের ভাগ্য বরণ করতে বাধ্য করবে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩২
দা এলকেমিস্ট বলেছেন: ভাল লিখেছেন............
লুট পাটের তীব্র প্রতিবাদ করার ফলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জলিল কারাবন্দি হন। তিনিই একমাত্র সেক্টর কমান্ডার যাকে ভারত বিরোধিতার কারণে কোন খেতাব দেয়া হয়নি।

উনাকে আরো অনেক ভাবে বন্চিত করা হয়েছে....যা অনেকে ই জানেননা.......কারন কিন্তু একটাই।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। শেষ জীবনে ইসলামের প্রতি ঝুকে যাবার ফলে, তাকে রাজাকার অপবাদ দিয়ে বুদ্ধিজীবির গোরস্থানে দাফন করার বিরোধিতা করেছিল, এই ভারতপন্থি গোষ্ঠি। মনে করিয়ে দেবার জন্য কৃতজ্ঞতা।

২. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০০
আট আনা বলেছেন: ভাল লিখেছেন। প্লাস দিলাম।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০০
সাজিদ. বলেছেন: দারুন লিখেছেন। একেবারে খাটি সত্যি কথা। আমরা যদি নিজেদের ভেতর সচেতনতা জাগিয়ে তুলতে আরো দেরী করি তাহলে সেইদিন বেশি দূরে নয় যখন এই ভারতীয় দালালরা আট বেধে এদেশেকে নগদ " রুপি"তে ভারতের কাছে বিক্রির প্রস্তাব করবে। I mean it.
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: সহমত। আমার উদ্দেশ্য ছিল সচেতনতা জাগিয়ে তোলা। ধন্যবাদ প্রশংসার জন্য। আপনারাও লিখুন, যাতে আমরা সবাই স্বাধীনতার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হতে পারি।

৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৮
সাজিদ. বলেছেন: পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি ।

অবাক হলাম। এই কথাগুলোও অনেকের ভাল লাগেনি। আমাদের নিজেদের ভেতরেই যে অনেক "ভারত শুভাকাঙ্খি" আছে এটা তারই প্রমাণ। সময় থাকতে সাবধান হওয়া উচিত, নতুবা বঙ্গোপোসাগরে কদিন আগে যা ঘটেছে ( আশা করি সবাই তা যানেন ) সেটা একসময় এদেশের মাটি নিয়েও শুরু হবে।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: হ্যা, ব্যাপারটা আমিও লক্ষ্য করেছি। এই পোস্টে অন্ধভাবে কিংবা অযৌক্তিকভাভে ভারতকে উপস্থাপন করা হয়নিম বরং অনেক ক্ষেত্রেই প্রশংসা করা হয়েছে। কোন বিশেষ রাজনৈতিক দৃস্টিকোন থেকেও লেখা হয়নি। এর পরেও যারা মাইনাস দিয়েছেন, তারা সবাই ওই শক্তিশালি ভারতপন্থি লোকদের অসহায় শিকার। শিক্ষিত হয়েও, অনেকেই দাসত্বমুলক মনভাব নিয়ে বেড়ে উঠেছেন, সেটাই সবচেয়ে লজ্জাজনক এবং স্বাধীনতার প্রতি হুমকি স্বরুপ।

৫. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: আমরা মন্তব্য করেছি মোট চারজন প্লাস পড়েছে ৫ জনের
তাহলে এই রকম পোষ্টে মাইনাস হবার কথাই না ।

কিন্তু মাইনাস হয়েছে ৩ তিনটা !!!

সুতরাং এখানে অথার্ত এই ব্লগে ভারতীয় ব্যবহারকারী আছে ,যাদের এই পোষ্ট পছন্দ হয় নি ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেন: এই পোস্টে নিশ্চিতভাবে মাইনাস প্রদানকারি দুজন হলো

১। হোলসেল
২। সময়ের সাথে সবসময়

এছাড়া ভোলে ও ভোলে নিকধারি সন্দেহের তালিকায় আছেন।

প্রথমজনকে দেখি, স্বাধীনতার চেতনা বলে গলাবাজি করতে। এই নিকধারি স্বাধীনতার মানে টুকু যে আদৌ বোঝেন না, এই পোস্টে মাইনাস দিয়েই সেটা প্রমান করেছেন।

যদিও বাংলাদেশের ব্লগে বাংলাভাষি ভারতীয়রা অংশ নেন, কিন্ত যতই যৌক্তিক হোক না কেন, ভারতের বিরুদ্ধে গেলেই, সেখানে বাংলাদেশিদের অন্তত মৌখিক সমর্থন তারা করেন না।

আপনার পর্যবেক্ষণের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৬. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২১
মোহাইমেন বলেছেন: আমরা বড়ই লোভী জাতি। আর ২০০ বছরের গোলামী আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। এই নেশার মায়া কাটাবো কিভাবে?

মাইনাস তো মোটে ৩টা, এটা যে ৩০ হয় নাই, এটাই আশ্চর্য্য লাগতেছে। একটু ওয়েট করেন, পড়ে যাবে ৩০+ মাইনাস।

পাকি-রাজাকারের সাথে নব্য ভারত-দালালদের কেও দেখতে পারি না, কারন ওরা ঘৃনিত!

ইতিহাস সাক্ষ্য, ওরা এই যুগের মীরজাফর, ওরা ঘোসেটি বেগম। ওরা লুকিয়ে থাকে গোপনে, ছোবল মারে অন্ধকারে। ওরা সাপ, শীতল কিন্তু হননকারী। আমাদের এই দেশকে হানাদার থেকে মুক্ত রাখার জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের দৃষ্টিভংগি ভিন্ন, লক্ষ্য কিন্তু একই।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: সম্পুর্ণ সহমত মোহাইমেন ভাই। মজার ব্যাপার হলো বাংলাদেশের একটি প্রজন্ম যে বাংলাদেশ পন্থি, এই বাস্তবতাকে না পাকি না ভারত পন্থিরা মেনে নিতে পারছে। এজন্য দেখবেন, ভারতের বিরুদ্ধে বললে রাজাকার এবং পাকিস্থানিদের বিরুদ্ধে বল্লে, ভাদাকার উপাধি দেয়া হয়।

অনেক ধন্যবাদ একটি গঠনমুলক মন্তব্যের জন্য।

আর দুই বিদেশি দেশের প্রেমিকদের উদ্দেশ্যে দ্ব্যার্থ কন্ঠে বলে দিতে চাই, তোমাদের সময় শেষ হয়ে আসছে। বাংলাদেশ কারো গোলামিতে ফিরে যেতে কিংবা কারো গোলাম হবার জন্য স্বাধীন হয়নি। তোমাদের চেহারা চিনে রাখা হলো। তোমাদের ষড়যন্ত্রের কারণে যদি বাংলাদেশের গায়ে আচরটিও আসে, তবে জেনে রেখো, তোমরাও সে আচর থেকে মুক্ত থাকতে পারবে না।

৭. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২৪
রিফাত হোসেন বলেছেন: আমার মন বলে দেশে আর রাজাকার নাই । তবে ক্ষমতালোভী আছে, ক্ষমতারলোভেই তারা অনেক দেশকে ক্ষতি করছে ।

৮. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২৫
রিফাত হোসেন বলেছেন: আর যেসব রাজাকার এখনও জীবিত তারাও মৃত্যুর পথে ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: রাজাকার নেই, এটা মানতে পারছি না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার যে বিরোধি সে যেই হোক না কেন, সে রাজাকার।

৯. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: আমাদেরকে প্রথমে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাধীন হতে হবে। না হলে এই ভারত/পাকিস্থান চক্রান্ত চলতেই থাকবে।

লেখা ভাল লেগেছে । +
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার পর্যবেক্ষনের জন্য। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে রাখার পেছনে আমরা জাতিগত ভাবে যত দায়ি, ঠিক ততটুকু দায়ি আমাদের প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা বিদেশের দালালরা।

ঠিকই বলেছেন যে, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করলে, দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রের অনেকটাই ব্যার্থ হবে।

১০. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪১
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: রিফাত হোসেন বলেছেন: আমার মন বলে দেশে আর রাজাকার নাই
--------------------------------------------------------------------

আপনার কথার সাথে মুজাহিদীর বক্তব্য সম্পূর্ন মিলে যাচ্ছে। এই লেখায় সামান্য ভারত বিরোধী কিছু যৌতিক কখা শুনেই মগবাজারী কথা শুরু করেছেন ।
১১. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫১
রিফাত হোসেন বলেছেন: স্বাধীনতার বিরোধী এখন আর কেউ নাই । আমার ধারণা আর যারা আছে তারা চিহ্নিত । সুতরাং তাদের সহেজই ধরা যাবে । যেমন .নিজামী আরও অনেকে আলবদর আলশামস এর মত সুন্দর নামকে যারা কলংকিত করেছে ।

এখন যারা রাজকার নিয়ে একে অন্যকে দোষারাপ করছে, তারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করে না । বরং তারা একে অন্যকে রাজাকার বলে, মুক্তিযোদ্ধার ক্রেডিট নিয়ে টানা হেচরা করে, ক্ষমতার জ্ন্য আরেকজনকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে ।

স্বাধীন বাংলাদেশকে যে শালা (দু:খিত-মডারেট করা হয়েছে) বলবে পরাধীন তার কল্লা আর আমার দাউ ।(দু:খিত-মডারেট করা হয়েছে)

বহুত মা-বোনের ইজ্জত নিয়েছে, শা..ারপুেতর..া , শেখ মুজিব যে কিল্লায় হেগরে মাফ করল বুঝি নাই, নিজের বাপ মারা যেত(কারণ আমার পিতা তখন পাকিস্তানী বাঙ্গালি অফিসার হিসেবে বন্দীছিল, পরবর্তীতে বন্দী বিনিময়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন) তবুও ৯৪ হাজার পাকি শয়তা....ন ইসলামের কলংকদেরকে জিন্দা কবর দেওয়া উচিত ছিল ।


(দু:খিত-মডারেট করা হয়েছে) নিজের আকুলতা আটকিয়ে রাখতে পারি নাই, মন থেকে কথাগুলো উঠে এসেছে ।
১২. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
রিফাত হোসেন বলেছেন: সাদাকালোরঙিন সাহেব আমি দল করি না, ঝামেলায় জড়াই না ।

আমার বিশ্বাস কেউ চাইবে নিজের দেশকে অন্যদেশের হাতে বিক্রি করে ফেলতে । দলীয় কোন্দল থাকতে পারে ।

আমি তো আজ পর্যন্ত দেশে, দেশ বিরোধী কোন প্রকার আর্টিকের পাই নাই, তবে সরকার বিরোধী আর্টিকেল আছে ।
১৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১৭
ধীবর বলেছেন: এই পোস্টে যে চারজন এপর্যন্ত মাইনাস প্রদান করেছেন

১। হোলসেল
২। সময়ের সাথে সবসময়
৩। ভোলে ও ভোলে
৪। কেল্টুদা

মাইনাস গোণার জন্য নয়, এদের আসল পরিচয় চিনে রাখবার জন্য হিসেব রাখা হচ্ছে।
১৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:২২
কেল্টূ দা বলেছেন: কি পণ্যে,
কি সংস্কৃতিতে,
কি দ্বিপাক্ষিক যেকোন শর্ত,
কি বহির্বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি,
সব কিছুইতেই চষমখোর ভারতের আগ্রাসন চরম আকারে বিদ্যমান ।
কোন সন্দেহ নাই ।

কিন্তু ভাতিজা, তুমি স্বীকার কর আর নাই কর পাকি দালালের ঘরে জন্ম Neo দালালদের এখন Safe Sideএ থাকার or রাষ্ট্রকে Distract করার একটাই Option হাতে আছে।
আর সেটা হইলো আবালচোদা ভারতরে সবসময় স্ক্রীনে নিয়া আসা । সেই পুরান কাসুন্দি ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: যুক্তি দিয়ে পারলে বিরোধিতা করুন। পুরান কাসুন্দি যাকে বলছেন, সেটা কি সত্যি পুরানো?

১৫. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:২৬
রাফা বলেছেন: কুটনিতীর জবাব দিতে হয় কুটনৈতীক ভাষায়।কাপুরুষরা নিজেদের দোষ অন্যের কাধে চাপিয়ে সস্তীর নিঃশ্বাস ফেলতে চায়।আমাদের দেশপ্রেমই আমাদেরকে সকল বিপদ থেকে মুক্ত রাখতে পারে।আর আমাদের কতিপয় বুদ্ধিজীবি ভারত বিরোধীতার নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টায় লিপ্ত।অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ হয় না।বর্তমান বিশ্বে প্রতিটি দেশই একে অন্যের প্রতিদ্বন্দি।প্রতিযোগিতা করেই প্রতিষ্ঠিত হতে হবে ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: রাফা, অনেকদিন পর দেখালাম আপনাকে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। যেখানে স্বাধীনতার প্রশ্ন সেখানে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার মত ভুল আর হয় না। আমরা তো সব কিছু নিয়েই ব্যাবসায় লিপ্ত। কিন্তু এর বাইরে না গেলে সমস্যাটা যে আমাদেরই হবে, এটাই হয়তো আপনি বলতে চাইছেন। সেটা আমিও বলছি। ব্যার্থতা আমাদেরই, নইলে আমাদেরকে কিনে আমাদের দিয়েই দেশঘাতি পদক্ষেপ নেয়াতে পারতো না কোন বিদেশি রাস্ট্র। এর বিরুদ্ধে সচেতনা সৃস্টির বিকল্প নেই।

১৬. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:২৮
কেল্টূ দা বলেছেন: চান্দু বেশি স্মার্টনেস দেখায়োনা "এদের আসল পরিচয়" লয়া টেনশিত হয়োনা আগে নিজের ল্যানজা সামলাও ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: আমি বিবর্তনবাদে বিশ্বাসি নই যে লেজ নিয়ে চিন্তিত হতে হবে। যাদের সেই সমস্যা আছে, তাদের গিয়ে বলুন। চাপাবাজি আর মস্তানি অনেক হইছে। এলায় থামলে ভালো লাগে।

১৯. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০২
কেল্টূ দা বলেছেন: পিছলায়া তুমি প্রমান করলা তুমি কি জিনিষ
যুক্তি দিয়া তুমার বিরোধিতা করার কি আছে ? আমিতো ১৪.তেই স্বীকার গেছি ভারতের আগ্রাসনের কথা । চোউক্ষে পড়েনাই ?

আবালচোদা ভারতরে সবাই অলটাইম দেহে , হুদাই সিনে নিয়া আইসা Distract কইরোনা । ওক্কে ! ! !
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: মামা, আমার ব্লগ পুরা পড় নাই মনে হয়। পড়লে ঐ মতলবাজ গো সাথে আমারে মিলাইতা না, যারা নিজের কাপড় ঢাকতে ভারত বিরোধীতা করে। আর মাইনাস ও দিতা না। ভারতের সব কিছুই খারাপ এইটা কইলাম কুন সোম?

যে সব ইস্যু নিয়া সতর্ক থাকা দরকার, সেগুলি তুইলা ধরছি মাত্র। তুমি না হয় জান ইস্যু গুলি নিয়া, কিন্তু অনেকে তো এই সব ইস্যু নিয়া জানেও না জান্তেও চায় না, আবার কইলে কয় এই সব নাকি অপপ্রচার। আশা করি তুমারে বুঝাতে পারলাম।

২০. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:০০
দিগন্ত বলেছেন: দক্ষিণ এশিয়ায় সব দেশই একে অপরের সাথে একইভাবে যুযুধান, তাই এই লেখা নতুন কিছু না। সমস্যা সব দিকেই আছে, আর মূল সমস্যা হল অশিক্ষা আর গরিবি। এই দুটোকে ঢাকতে সবাই নিজের নিজের মত একেকটা জুজু তৈরী করে রাখে।

ছোটো থেকে ভারতে আমি আমেরিকা নামক এক জুজুর কথা শুনে বড় হয়েছি - যা ভারতের সার্বভৌমত্বের ওপর সবথেকে বড় খাঁড়া বলে মনে করত লোকজনে। আর তার সাথে ছিল পাকিস্তান। কিন্তু এদের কেউই যে ভারতের গরিবি আর অশিক্ষার কারণ নয় সেটা সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য ছিল না। অথচ, এখন ভারতের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। আর, তাতে আমাদের দেশের লাভ বেশী ছাড়া কম কিছু হয় নি। সার্বভৌমত্ব কি চলে গেছে তাহলে?

ভারতীয় আগ্রাসন বলে যে ব্যাপারটা বলছেন, সেটা আছেই, থাকবেও। আর কিছু না হোক, ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের অবস্থান এই জুজু ও আগ্রাসন দুইই চালিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু তার ফলে বাংলাদেশের খুব একটা লাভ-ক্ষতি হবে না। বাংলাদেশের উন্নতির চাবিকাঠি বাংলাদেশের হাতেই থাকবে ও আছেও।

একটা প্রশ্ন আছে, মায়ানমার সম্পর্কে আপনার মতামত কি? মানে মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় নীতি ... আপনাদের দেশের লেখাগুলোয় কখনই দেখে মনে হয়না দেশটাকে আপনারা পাত্তা দেন খুব একটা। অথচ তারাও আপনাদের প্রতিবেশী দেশ। কারণটা কি?
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: দিগন্ত, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। এবং স্বীকার করে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ যে, ভারতের এই আগ্রাসন ছিল এবং থাকবে। কিন্তু সেটা কি সাধারণ ভারতবাসির মনে কথা? আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে, বাংলাদেশের প্রতি ভারতীদের আচরণের সাথে তার পররাস্ট্রনীতির ঠিক উল্টোটা। খুব ভালো হয়, যদি ভারতবাসি এই আগ্রাসি নীতির বিরুদ্ধে তাদের নেতার কাছে প্রতিবাদ করে। কারণ প্রতিবেশি যত ক্ষুদ্র কিংবা দরিদ্র হোক না কেন, তাদের প্রতি বৈরি কিংবা আগ্রাসি মনভাব, সৎ প্রতিবেশি মুলক আচরণ নয়।

ভারতের আমেরিকার বিরুদ্ধে ভয় এই জন্য কাজ করেছিল, তার কারণে সোভিয়েত ব্লকে অবস্থান।

মায়ানমায়ের আচরণও দিন দিন আগ্রাসি হয়ে উঠছে। সেটাও নিয়ে লেখা দরকার কথাটা মনে করিয়ে দিইয়ে উপকার করলেন। ভারত যেহেতু বাংলাদেশের প্রায় চতুর্দিক ঘিরে রেখেছে, তাই ওদের প্রতি এটেশনটাও বেশি বলে মনে হয়।

২১. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:০১
অারমান বলেছেন: বিডিআর বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে ভারতের তরফ থেকে রক্তচক্ষু দেখানো হয়েছে যে, বর্তমান সরকারকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনে সরাসরি হস্তক্ষেপ চালাতেও ভারত কসুর করবে না।
ভারতের এই কথা বলার সাহস হয় কেমন করে?
ওদের কি জানা নাই যে বাংলাদেশ ওদের কোন অঙ্গরাজ্যের নাম নয়,
আসলে ভারত এই সাহস পায় যখন দেখে ক্ষমতায় বসা তাদের তল্পীবাহক সরকার আর এই দেশে আছে তাদের ভাড়াটে কিছু দালাল যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিয়ে হলেও ভারতকে খুশী দেখতে চায়,

০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: নতুন সরকার আসার পর, এ ধরণের উক্তি বেড়ে গেছে ভারতের।

২২. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:২২
দিগন্ত বলেছেন: বিডিআর বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে ভারতের তরফ থেকে রক্তচক্ষু দেখানো হয়েছে যে, বর্তমান সরকারকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনে সরাসরি হস্তক্ষেপ চালাতেও ভারত কসুর করবে না।

- বক্তব্যের সূত্র কি নয়াদিগন্ত?
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: যেহেতু সারা বিশ্বেই মিডিয়া একটি ব্যাবসা, তাই স্বাধীন বা নীরপেক্ষ সংবাদ মাধ্যম বলে কিছু অবশিস্ট নেই। সেক্ষেত্রে কোন ঘরণার পত্রিকায় ছাপা হয়েছে, সেটা বড় কথা নয়। দেখতে হবে সংবাদটির বস্তু নিষ্ঠতা রয়েছে কিনা?

২৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:২০
পথের সন্ধানে ... বলেছেন: দিগন্ত ভাই! ভারতভীতিকে জুজু বলেই কাটিয়ে দিলেন? ভারত কাশ্মীর, সিকিমকে যেভাবে দাবিয়ে রেখেছে, যেভাবে পাশ্ববর্তী আরো দেশগুলোর উপর ছড়ি ঘুরানো মনোভাব নিয়ে চলে তার প্রতি ভিন্ন মনোভাবকে কেবল জুজু বলেই ছেড়ে দেব্? মায়ানমার পার্শ্ববর্তী দেশের উপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে বলে জানা নেই। যদিও নিজ দেশে সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর তান্ডব চালাচ্ছে বহুদিন থেকে।
২৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১১
রোবোট বলেছেন: মেজর জলিল গ্রেফতার হয়েছিলেন শৃংখলাজনিত কারণে। ওনাকে জে কোর্টমারশাল দেয়া হয় তার প্রধান ছিলেন কর্নেল তাহের।

০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রোবট ভাই। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানাবার অনুরোধ রইলো।

০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই ওয়াহিদ।

২৬. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯
হরিসূধন বলেছেন:
খুব ভালো লিখেছেন ধন্যবাদ।

অনেকে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। তবে দিগন্ত সাহেবের কাছে আমার প্রশ্ন

১. ভারত আমাদের কে স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহায্যো করে ছিলো যা কেউ অস্বীকার করে না। যদি ও ভারতের নিজস্ব স্বার্থ ছিলো। কি স্বার্থ ছিলো তা আমাদের ভাবনার বিষয় না। কিন্ত যখনই সে সাহায্যের বিনিময়ে কোন কিছু চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয় তখনই সাহায্যের আসল কারন নিয়ে সন্দেহ জাগে। যাই হোক...

২. ৭১রের সে সাহায্যো ছাড়া ভারত আমাদের আর কি কি উপকার করেছে? যদি তালিকাটা দেন তাহলে অনেক খুশি হবো।

*** লেখক অনেক কারন দেখিছেন তার কিছু....

১.যুদ্ধবিধবস্ত বাংলাদেশ যখন রিলিফবাহি জাহাজ ভেড়ার কাজে মাত্র ছয়দিনের জন্য কোলকাতা বন্দর ব্যাবহারের অনুমতি চায়, তখন অজ্ঞাত্ কারণে সেই অনুরোধ প্রত্যাখান করে ভারত।

> তখনকার সরকার প্রধান ছিলো বঙ্গবন্ধু। ভারতের পরম এবং ইন্ধিরা গান্ধীর বন্ধু
অথচ সে সরকার কে অনুমতি দেয়া হয়নি! কেন? জুজু? সে জুজুটা কার ছিলো?
অথচ এখন আমাদের কাছে ট্রানজিট চাওয়া হয়! আপনাদের রাষ্টদূত দম্ভ করে
বলে যত ক্ষন পর্যন্ত ভারত ট্রানজিট না পাবে তত ক্ষন পর্যন্ত চাপ(চেষ্টা) চালিয়ে
যাবে।

২.ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা "র" এর সারা বাংলাদেশ ব্যাপি উপস্থিতি থাকলেও অজ্ঞাত কারণে ৭৫এর ঘটনাবলির আগাম সংকেত দেয়া হয়নি বঙ্গবন্ধুকে। ( জে এন দীক্ষতঃ লিবারেশন এন্ড বিয়ন্ড)।

> জে এন দীক্ষত কি মিথ্যা লিখেছে?

*** নিচের এ গুলো কি জুজু ?

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রতি ভারতের একটি আচরণকেও বন্ধুসুলভ বলা যায় না। ফারাক্কার পর, ২৫ টি অভিন্ন নদীর উৎসে এক তরফা বাধ তৈরি, সীমান্তে কাটাতারের বেড়া দিয়ে আমাদেরকে বৈরি বলে ঘোষনা, বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে অনিহা, সীমান্তে গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা, মিডিয়ায় অহরহ বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাস্ট্র বলে অপপ্রচার, বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসিদের রাস্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদি শান্তিবাহিনীকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা, বাংলাদেশি পণ্য ও টি ভি চ্যানেল্গুলিকে ভারতে প্রবেশে বাধা, সিডর পরবর্তিতে চাল নিয়ে চালিয়াতি, সীমান্তে শত শত কারখানা বসিয়ে ফেন্সিডিল উৎপাদন এবং বাংলাদেশে চোরাচালান করে দেয়া, মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসি বাংলাদেশিদের নামে অপপ্রচার চালিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম বাজার থেকে বাংলাদেশকে বিতারণের চেস্টা, ইত্যাদি।
২৭. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
হরিসূধন বলেছেন:
এ গুলো কি জুজু?

স্বাধীনতার পর মুজিব ইন্দিরা চুক্তি নামে খ্যাত ২৫ বছরের অধীনতামুলক মিত্রতা চুক্তি হয়। সেই চুক্তি অনুসারে ভারতের কাছে বেরুবাড়ি হস্তান্তর করলেও, চুক্তি অনুসারে আমরা আঙ্গুরপোতা দহগ্রাম আজ পর্যন্ত পাইনি

জিয়া ক্ষমতায় আসার পর, ভারত অনেকটা প্রকাশ্যেই বিরুপ আচরন শুরু করে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল, নৌবাহিনী পাঠিয়ে দঃ তালপট্টি দখল।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় থাকলাম দিগন্ত বা সমমনাদের উত্তরের জন্য। নতুন করে প্রশ্নগুলি তোলার জন্য হরিপদ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ। নিছক বিরোধি নয়, যুদ্ধাংদেহি মনভাবও নয়, পারস্পরিক আলোচনায় সমস্যার সাথে সাথে সমাধানের উপায় খুজে বের করা হোক, এই কামনা করি। তবে দু পক্ষ্যের মধ্যেই আন্তরিকতা থাকতে হবে।

২৮. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: যৌক্তিক আলোচনা!
ভালো লাগলো।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তায়েফ ভাই।

২৯. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
ব্লগেশ্বর বলেছেন: পুরো পোস্ট পড়লাম। কমেন্টগুলোও দেখলাম। ভারতের রাষ্ট্রীয় নীতিতে বাঙালি বিদ্বেষ তীব্রভাবেই আছে। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্যের সাথে একমত। আমাদের আলোচকদের সমস্যা হল তাঁরা যে কোন একটি দিক বেছে নেন। হয় ভারত অথবা পাকিস্তানের সমালোচনা। খুব কম মানুষকেই দেখেছি একসাথে দুটো দেশের রাষ্ট্রীয় নীতি নিয়ে সমালোচনা করতে। জামায়াত বিরোধী, পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া কিংবা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রসঙ্গে কোন পোস্ট এলে ভারতের সমালোচনাকারীদের খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণটা কি? পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কথা বললেই কি তাদের ভারত বিরোধীতা (মানে তাদের রাষ্ট্রীয় নীতির সমালোচনা) করা নিষিদ্ধ হয়ে যাবে?

পোস্ট ভালো লেগেছে, কিন্তু আপনার একপাক্ষিক অবস্থানের কারণে কোন রেটিং দিলাম না।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: ভালো লিখেছেন। আপনার মতামত মাথায় থাকলো, এবং যে দুর্বলতা গুলি চিহ্নিত করেছেন, চেস্টা করবো সে দুর্বলতা গুলিকে এড়ানোর জন্য।

৩০. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ৭১ এ যে ভুল হয়ে গছে এবার আর তার পুনরাবৃত্তি করা যাবে না।
৭১ এ আমাদের উচিত ছিল সায়ত্বশাষিত প্রদেশ হিসেবে ভারতের সাথে মিশে যাওয়া।
কারণ ও'রকম বড় একটি দেশের পাশে এ'রকম অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল, জনসংখ্যায় ভারাক্রন্ত ছোট্ট দেশ কখনই নিরাপদ হবে না।
এখনও সময় আছে ভারতের সাথে মিলে গিয়ে বৃহত দেশের সুবিধা গ্রহন করার।
সিকিমের ভারতভুক্তি হয়েছিল সে দেশের পার্লামেন্টে বিল পাশের মাধ্যমে। আমাদের পার্লামেন্টেও এখন সেই এক দলের দুই তৃতিয়াংশের বেশী সমর্থন আছে। এখন আমরা সংবিধান সংশোধন করে বাংলাদেশকে ভারতের ২৪তম প্রদেশ হিসেবে ঘোষনা করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। এই সুযোগ একবার ৭২ এ এসেছিল আবার এসেছে ২০০৯ এ। এরকম সুযোগ কি বার বার আসবে? সুতরাং আসুন আমরা এ'লক্ষে আন্দোলন শুরু করি - সুযোগ হেলায় হারান উচিত নয়।

-- আমার এক বন্ধুর মন্তব্য আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। তবে আপনার বিশ্লেষন ভাল হয়েছে।+
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: দা লাস্ট ডেইজ অফ দা রাজ তথ্যচিত্র দেখা যায়, তাহলে লক্ষ করবেন যে, বিভক্তির এই সুচনা কিন্ত বর্তমান বাংলাদেশের কেউ করেনি। বরং তৎকালিন বাঙ্গালি নেতারা চেয়েছিলেন, যদি ভারতকে ভাগই করা হয়, তাহলে যেন বঙ্গ একটা আলাদা রাস্ট্র হিসেবে ভাগ হয়। এ কারণে সোহরার্দি এবং শরৎ বসু প্রচন্ড পরিশ্রম করলেও, কংগ্রেস এবং হিন্দু মহাসভার প্রচন্ড বিরোধীতার মুখে সে চেস্টা ব্যার্থ হয়। তখন আর কোন উপায় না দেখে পুর্ববঙ্গের মানুষ পাকিস্থানের পক্ষ্যে রায় দিতে বাধ্য হয়।

যেহেতু ৩০ লক্ষ প্রাণ আর কয়েক লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের দামে কেনা আমাদের এই স্বাধীনতা, কেউ বিকিয়ে দিয়ে চাইবেন বলে মনে হয় না। যদিও জানি আপনার বন্ধু ঠাট্টা করে এই কথা বলেছেন, তবে এধরণের মনবৃত্তির মানুষ আমাদের দেশের অনেকেই আছে। তাদের আমরা স্বাধীনতা পদক দিয়েছি, জাতিয় অধ্যাপকের সম্মান দিয়েছি, তাদেরকে স্বাধীনতার চেতনার উজ্জল শিখা বলে সম্মান করি। কত ভ্রান্তির মধ্যে আমাদের বসবাস, চিন্তা করতে পারেন?

৩১. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০২
অলস ছেলে বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো লেগেছে।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ নিয়মিত আমার ব্লগে আসবার জন্য।

৩২. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
দিগন্ত বলেছেন: @হরিসূধন
লেখকের লিস্টের মত ভারতের দিক থেকেও লিস্ট বানানো যায়। আপনি আর দুটো ঘটনার সূত্র দিন। আমি তো ফারাক্কা/নদীবাঁধ ছাড়া বাকিগুলোতে কোনো সমস্যাই দেখি না। নদীবাঁধ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ উভয়ের স্বার্থই আছে। নদীর জল ভারতের শাসকশ্রেণীর কাজে আসে না, মানুষের কাজেই আসে। তাই এ নিয়ে সংঘাত হবেই। আন্তর্জাতিকভাবে এই সমস্যার মীমাংসা করতে হবে।

@পথের সন্ধানে
আমি কিন্তু লেখায় বলেইছি জুজুও থাকবে আগ্রাসনও থাকবে। কিন্তু বাংলাদেশের উন্নতিতে এরকম মৌখিক আগ্রাসন কোনো প্রভাব ফেলবেনা।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: নিছক বিরোধি নয়, যুদ্ধাংদেহি মনভাবও নয়, পারস্পরিক আলোচনায় সমস্যার সাথে সাথে সমাধানের উপায় খুজে বের করা হোক, এই কামনা করি। তাই অনুরোধ সেই রকম একটি লিস্টি দিন আপনি। আলোচনা চলুক।

৩৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
রিউ বলেছেন: লেখকে ধন্যবাদ সুন্দর লেখা উপহার দেয়ার জন্য।

দিগন্ত-এর কাছে আমার প্রশ্ন- আপনি বলেছেন ফারাক্কা/নদীবাঁধ ছাড়া অন্য কারণগুলোকে আপনি কোন সমস্যা বলেই মনে করেন না। কিন্তু কেন, একটু ব্যাখ্যা করবেন একটি একটি করে? না কি আপরনি এগুলো অসত্য বলে মনে করেন।

যেমন-

১. সীমান্তে কাটাতারের বেড়া দিয়ে আমাদেরকে বৈরি বলে ঘোষনা

২. বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে অনিহা

৩. সীমান্তে গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা

৪. মিডিয়ায় অহরহ বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাস্ট্র বলে অপপ্রচার

৫. বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসিদের রাস্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান

৬. পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদি শান্তিবাহিনীকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা

৭. বাংলাদেশি পণ্য ও টি ভি চ্যানেল্গুলিকে ভারতে প্রবেশে বাধা

৮. সিডর পরবর্তিতে চাল নিয়ে চালিয়াতি

৯. সীমান্তে শত শত কারখানা বসিয়ে ফেন্সিডিল উৎপাদন এবং বাংলাদেশে চোরাচালান করে দেয়া

১০. মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসি বাংলাদেশিদের নামে অপপ্রচার চালিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম বাজার থেকে বাংলাদেশকে বিতারণের চেস্টা।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: রিউ, সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ভাই।

৩৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: আপনার বিশ্লেষণ ভাল লেগেছে। কিন্তু আমি ঠিক অতটা ভীত হতে চাই না। স্বীকার করি ভারতের আধিপত্যবাদী আচরণ আছে। সুপ্রতিবেশিসূলভ মনোভাব নেই। কিন্তু এটিও সত্যি যে, ভারত ইস্যুটা এখানে নির্বাচন এলে জমে। বিক্রি হয়। কিন্তু কেউ যেভাবে কুটনৈতিক উদ্যোগ নেয়া দরকার সেটা নেয় না। উদাহরণ হিসেবে বলি, বিএনপি নিজকে ভারত বিরুধী হিসেবে পরিচয় দেয়। নির্বাচন এলে বিক্রি করে। কিন্তু বিএনপি কতখানি সে বিরুধীতা তার রাষ্ট্রীয় রণ ও কুননীতিক কৌশলে প্রতিফলন ঘটিয়েছে.......................????
বলা হয় আ'লী বন্ধু ভাবাপন্ন। এটারও সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সে বন্ধুভাবাপন্ন পরিস্থিতিকে কতখানি কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছে??
ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম আপনাকে শামিম ভাই। এটা যথার্থ বলেছেন যে, আমাদের দেশে এই ইস্যুগুলি নিয়ে শ্রেফ রাজনীতি চলে। অথচ এগুলি ভীতিকর না হলেও, আমাদের অর্থনৈতিক স্বার্থের সাথে জড়িত। এটার সাথে রাজনীতি যোগ করে বরং আমাদের ক্ষতিই করা হচ্ছে। বি এন পি মুখে ভারতের ১৪ গুস্টি উদ্ধার করলেও, বাংলাদেশকে ভারতীয় পণ্যের উন্মুক্ত বাজার করে দিয়ে গেছে। এছাড়া উন্মুক্ত আকাশের কথা বলে, অবাধে ভারতীয় চ্যানেলগুলি সম্প্রচারের অনুমতি দিয়ে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির অনেক ক্ষতি করে গেছে।

আর আঃ লিগও পারেনি সেই পরিস্থিতিকে কাজে লাগাতে, ঠিকই বলেছেন। সেক্ষেত্রে আমাদের নিজস্ব ব্যার্থতার সাথে সাথে ভারতেরো সদিচ্ছারও অভাব আছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার।

আশা করবো এই ইস্যুগুলি যেন সস্তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যাবহ্রত না হয়। শামিম ভাইকে আবারো অনেক ধন্যবাদ।

৩৫. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
মামুন (শ।কিল) বলেছেন: ধন্যবাদ এত সুন্দর লেখার জন্য।Facebook এ add করলাম।
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ মামুন ভাই। আশা করি ফেসবুক থেকেও অনেকে পড়বেন, এবং সচেতন হবেন।

৩৬. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। ভাই র্দূভাগ্য আর কাকে বলে, যে দেশের পানি সম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বলে ভারত পানি কম দিলেও কোন প্রতিবাদ করা যাবে না এবং সাধারণ ভারতীয় সাংবাদিক দীপু মণি কে বলে বাংলাদেশ কি পাকিস্তানের বাফার ষ্টেট যার কোন জবাব পররাষ্ট্র মন্ত্রী দিতে পারেন না। তো তাদের সমর্থক কেল্টু, হোলসেল থেকে ভাল কি আশা করতে পারি? সুন্দর লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। সরাসরি প্রিয়তে।
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: এটা রমেশ বাবুর ব্যাক্তিগত মত কিনা জানি না। তবে দল হিসেবে আঃ লিগ এ ধরণের তোষনমুলক নীতি মেনে চলে। আর দিপুমনির কথার না বলাই শ্রেয়। আপনি নিজেও এ বিষয়ে বিশদ জ্ঞান রাখেন। তাই অনুরোধ আপনিও লিখুন। অনেক ধন্যবাদ।

০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মজিদ ভাই আপনার প্রশংসার জন্য। আপনারা নিজেরাও এব্যাপারে সচেতনামুলক লেখা লিখুন। কারণ লেখালেখির জগতে নতজানু মানসিকতা আর দুর্বল মেরুদন্ডের মানুষেরা প্রভাব বিস্তার করে রেখেছেন।

৩৮. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
দিগন্ত বলেছেন: ১. সীমান্তে কাটাতারের বেড়া দিয়ে আমাদেরকে বৈরি বলে ঘোষন

- ভারতের সীমান্তে বেড়া দেবার অধিকার ভারতের আছে যেমন বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেবার অধিকার বাংলাদেশের আছে। এটা ভারতের আভ্যন্তরীণ ইস্যু।

২. বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে অনিহা

- বাণিজ্য ঘাটতি চিনের সাথেও আছে। ভারত আন্তর্জাতিক বাজার থেকে যা যা কেনে তার কোনোটিও বাংলাদেশে উৎপন্ন হয় না, তাই ঘাটতি স্বাভাবিক। একই ভাবে বাংলাদেশ আমেরিকার সাথে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত, আপনি বলুন তো, আমেরিকা বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চাইলে বাংলাদেশ কি কি করতে পারে?

৩. সীমান্তে গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা

- নিন্দা জানাই। আমি আশা করি বাংলাদেশ এর জন্য ক্ষতিপূরণ দাবী করে আন্তর্জাতিক কোর্টে এপিল করবে। আমি (ফারাক্কা/বাঁধ সহ) বাংলাদেশকে সমর্থন করব এই ক্ষেত্রে।

৪. মিডিয়ায় অহরহ বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাস্ট্র বলে অপপ্রচার

- মিডিয়া স্বাধীন, ভারত সরকার মিডিয়া চালায় না। বাজে ও ভাল মিডিয়া রিপোর্ট দুইই আসে। বাংলাদেশের মিডিয়াতেও একই ভাবে ভারত নিয়ে অনেক অপপ্রচার চলে।

৫. বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসিদের রাস্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান

- কতজন আছে? রেফারেন্স দিন - বিশেষত "রাস্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা"-র। বাংলাদেশের সাথে ভারতের কোনো বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। একই ভাবে বাংলাদেশেও অনেক ভারতীয় সন্ত্রাসী আছে।

৬. পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদি শান্তিবাহিনীকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা

- একই অভিযোগ ভারতেরও আছে - উলফা সম্পর্কে। চট্টগ্রামের দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা এটাই প্রমাণ করে যে সরকারীভাবে তাদের সাহায্য দেওয়া হত।

৭. বাংলাদেশি পণ্য ও টি ভি চ্যানেল্গুলিকে ভারতে প্রবেশে বাধা

- পণ্যের ক্ষেত্রে ভারতের আর বাংলাদেশের বাণিজ্য মুক্ত নয়, শুল্ক লাগে। টিভি চ্যানেল নিয়ে সরকারি কোনো বাধানিষধ নেই। বর্তমান ডিটিএইচ ব্যবস্থায় সবাই ইচ্ছা করলেই বাংলাদেশী চ্যানেল দেখতে পারে। কেবল অপারেটরদের কোনো সরকারী নির্দেশ দেওয়া নেই চ্যানেল প্রচারের বিরুদ্ধে যেমনটা আছে পাকিস্তানী চ্যানেল প্রচারের বিরুদ্ধে।

৮. সিডর পরবর্তিতে চাল নিয়ে চালিয়াতি

- সরকারের কাছে চাল ছিল না, তাই চাল দিতে পারে নি। প্রতিশ্রুতিভঙ্গ নিশ্চয় অন্যায় কিন্তু ভেবে দেখুন মালয়েশিয়া কদিন আগে প্রতিশ্রুতিভঙ্গ করে শ্রমিকদের ফেরত পাঠাল। সে নিয়ে আপনি তো মালয়েশিয়ান আগ্রাসনের কথা লিখলেন না। বাংলাদেশের ভারতীয় চালের দরকার কেন? বলেই তো দিচ্ছেন ভারত বৈরী রাষ্ট্র।

৯. সীমান্তে শত শত কারখানা বসিয়ে ফেন্সিডিল উৎপাদন এবং বাংলাদেশে চোরাচালান করে দেয়া

- ফেন্সিডিল যতটা বাংলাদেশে সমস্যা ততটাই ভারতেও।

১০. মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসি বাংলাদেশিদের নামে অপপ্রচার চালিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম বাজার থেকে বাংলাদেশকে বিতারণের চেস্টা।

- রেফারেন্স?
৩৯. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০৩
দিগন্ত বলেছেন: কারণ প্রতিবেশি যত ক্ষুদ্র কিংবা দরিদ্র হোক না কেন, তাদের প্রতি বৈরি কিংবা আগ্রাসি মনভাব, সৎ প্রতিবেশি মুলক আচরণ নয়।

- আমি কোনোভাবেই আপনার সাথে দ্বিমত করি না, যে ভারতের আচরণ প্রতিবেশীসুলভ নয়। আবার এটাও ঠিক বাংলাদেশের দক্ষিণপন্থীরা অনেক সময়েই যে কোনো ইস্যুতেই ভারতের ঘাড়ে দোষ চাপান। একই কাজ ভারতেও হয় (বিজেপি আমলে), সুতরাং এটা অজানা কিছু না।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ভাল করতে গেলে ভারতের আগ বাড়িয়ে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত যেগুলো ভারত সরকার নেয় না। যে যে বিষয়ে ভারতের উচিত বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতা করা -

১) ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপায়ণ সহ আই-টি শিল্প স্থাপনের উদ্যোগ। এক্ষেত্রে ভারতীয় অনেক কোম্পানীর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে পারে বাংলাদেশ।
২) নেপাল, ভুটান, উত্তর-পূর্ব ভারত সহ বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে বৃষ্টির জলের জলাধার তৈরী করে উদ্বৃত্ত জল গরমকালে যোগান দেওয়া। বাঁধ ও গঙ্গোত্রী হিমবাহের দৈর্ঘ্য হ্রাসের কারণে সমগ্র গাঙ্গেয় অববাহিকা এখন গরমকালে জলাভাবে ভোগে।
৩) মহাকাশ-গবেষণার তথ্য সরবরাহ করা। ভারতের স্যাটেলাইট তথ্য বাংলাদেশের পরিকল্পনার কাজে আসে। পরবর্তী চন্দ্রাভিযানে বাংলাদেশ থেকে একটা পে-লোড নেওয়া।

অথচ ভারত-বাংলাদেশ আলোচনা অধিকাংশ সময়ে শুধু জঙ্গী বিষয়ে আলোচনা করতেই চলে যায়। জঙ্গী সমস্যা আছে মানি কিন্তু সেটার কারণে উন্নয়ন যদি পেছনের বেঞ্চে চলে যায় তাহলে সহাবস্থানের কিছু থাকে না। গত দশ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয় নি। বরং সত্তরের দশকে অনেক এ ধরণের উদ্যোগ হয়েছিল। বাংলাদেশের ট্রেন সার্ভিস-সংক্রান্ত সাহায্য এর মধ্যে উল্লেখ্য। এই সব বিষয়গুলো প্রায় সব প্রতিবেশী দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জবাব পোস্ট আকারে দেয়া হচ্ছে। দয়া করে চোখ রাখুন।

৪০. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০৫
ব্যতিক্রমী বলেছেন: দারুন লেখা। চমৎকার বিশ্লেষণ।

আমাদের মনের দুয়ার তো বন্ধ
তাই চোখ থাকা সত্ত্বেও দৃষ্টি হয় না এসবে নিবদ্ধ।
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: যদি ৩০ লাখ শহিদের রক্তের দামে কেনা আমাদের স্বাধিনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করতে হয়, তাহলে বন্ধ মনের দুয়ারটা খুলে দিতেই হবে। রাজনীতিবিদঅদের দিয়ে ভরসা নেই। এরা নিজ স্বার্থে দেশকেও বেচে দিতে পারে। তাও আমাদের নিজেদের ভেরতেই সভেতনা আসতে হবে। অনেক ধন্যবাদ।

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: ?

৪২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৯
জনৈক আরাফাত বলেছেন: সুনির্দিষ্ট প্লাস।

সময়ের অভাবে কমেন্টগুলো পড়তে পারলাম না। প্রিয়তে।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরাফাত ভাই। অনেকের মন্তব্য পড়লে বুঝতে পারবেন, কি ধরণের নতজানু মনবৃত্তির শিকার আমরা। আর এধরণের মানুষের উপস্থিতিতে আগ্রসনের শিকার হলে, ঘরের ভেতর থেকেই প্রথম আক্রমনের শিকার হবো আমরা।

৪৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: কিছু ব্যাপার অকাট্য সত্য।কিন্তু তার সাথে ভুল ব্যাখ্যা ও ভুল তথ্যও আছে।আশা করি সময় নইয়ে তার জবাব দিব।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: অবশ্যই দেবেন, তার অপেক্ষায় থাকলাম।

৪৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১
সুধাসদন বলেছেন: প্লাসের বিনিময়ে সরাসরি শো-কেসে ।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: কোন বিনিময় ছাড়াই নিতে পারতেন, সমস্যা ছিল না। দুটোর জন্যই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

৪৫. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
সংগ্রামী অলস বলেছেন: মারাত্বক বিশ্লেষণের জন্য ধন্যবাদ।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সংগ্রামি ভাই। আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আপনাকেও পাশে চাই।

৪৬. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: ধন্যবাদ। সরাসরি প্রিয়তে।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ব্রাইট ভাই। সাথে অশেষ কৃতজ্ঞতা।

৪৭. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
রাজিয়েল বলেছেন: ভাল লিখসেন। বেশির ভাগ কথাই খুবই সত্যি। খালি জিয়াকে হত্যা করার ভারতীয় ষড়যন্ত্রের কথা এই প্রথম শুনলাম। আর আমার ধারনা ছিল "র" বঙ্গবন্ধুকে জানাইসিল তাকে হত্যার পরিকল্পনার কথা। যাইহোক, ভাল লাগলো। প্লাস দিলাম।
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: জে এন দীক্ষিত এর লিবারেশন এন্ড বিয়ন্ড বইটিতে ইন্দিরা কর্তৃক জিয়াকে হত্যা করার নীল নকশায় সই করার কথা বলা হয়েছে। জনতা দলের কাছে কংগ্রেসের পরাজয়ের পর তখন মোরাজি দেশাই সেই হুকুম প্রাত্যাহার করে নেন। এর পর ক্ষমতায় এসে ইন্দিরা ঠিকই সেটা করে ফেলেন। ধন্যবাদ রাজিয়েল ভাই।

৪৮. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪
রাজিয়েল বলেছেন: ব্লগেশ্বর বলেছেন: পুরো পোস্ট পড়লাম। কমেন্টগুলোও দেখলাম। ভারতের রাষ্ট্রীয় নীতিতে বাঙালি বিদ্বেষ তীব্রভাবেই আছে। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্যের সাথে একমত। আমাদের আলোচকদের সমস্যা হল তাঁরা যে কোন একটি দিক বেছে নেন। হয় ভারত অথবা পাকিস্তানের সমালোচনা। খুব কম মানুষকেই দেখেছি একসাথে দুটো দেশের রাষ্ট্রীয় নীতি নিয়ে সমালোচনা করতে। জামায়াত বিরোধী, পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া কিংবা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রসঙ্গে কোন পোস্ট এলে ভারতের সমালোচনাকারীদের খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণটা কি? পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কথা বললেই কি তাদের ভারত বিরোধীতা (মানে তাদের রাষ্ট্রীয় নীতির সমালোচনা) করা নিষিদ্ধ হয়ে যাবে?


ব্লগেশ্বরের কমেন্টেও প্লাস। সহমত!
৪৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৭
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: ভারতীয় আগ্রাসন কোন জুজু নয়, বাস্তব সত্য।
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ভারত তৎকালিন পুর্ব পাকিস্থানের প্রতি বন্ধুবাৎসল ছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর আমাদের প্রতি তাদের কোন আচরনই বন্ধুসুলভ ছিল না। তাই ভারতকে যারা বন্ধু মনে করে, তারা ভারতের দালাল বৈত নয়। ধন্যবাদ ব্রাইটসেন্ট্রাল ভাই।

১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাদের ভাই।

১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অবাঞ্চিত ভাই।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কলম ভাই।

৫৩. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০৩
নরসিংদীর পোলা। বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ভাই।

৫৪. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৪৯
েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: We are actually unfortunate. Some of the bastard talk like paki, Some of the bastard talk like indian, very few left for Bangladesh.
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:০০

লেখক বলেছেন: জাতিগতভবে আমরা দুর্ভাগা কেননা আমাদের সবকিছু সহ্য করে নেবার একটা আলসেমিতে পেয়ে বসেছে। আর ইন্ডীয়া আর পাকিপ্রেমিদের সংখ্যা খুব অল্প হলেও মিডিয়া সাংস্কৃতিক জগত আর লেখালেখির অঙ্গনে এরাই সংখ্যাগুরু বলে মনে হয় সারা দেশ যেন দুই ভাগে বিভক্ত। ধন্যবাদ আশরাফ ভাই।

৫৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:০৮
ছালেক আজাদ বলেছেন: কথাগুলো জানি, তারপরেও এই কথাগুলো গুছিয়ে বলার লোক খুব কম।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: অগোছালো হোক ক্ষতি নেই। কিন্তু এর পরেও এই কথাগুলি চারিদিকে ছড়িয়ে দেবার প্রয়োজন আজাদ ভাই। অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৪৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাংবাদিক কলামিস্ট
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই