পিলখানায় হত্যযজ্ঞ। সেনাতদন্তের আংশিক ফল প্রকাশ। এবার সরকার কি বলবে?
গোয়েন্দা ব্যার্থতাঃ এপর্যন্ত বিডি আর কর্তৃক হত্যাকান্ডের পেছনে অনেক ধরণের তত্ত্বের কথা বলা হলেও, সরকারের দ্বায়িত্বশীল মহল কিন্তু একটিবারের জন্যও গোয়েন্দাদের ব্যার্থতা সম্বন্ধের কিছু বলেনি। অথচ খোদ রাজধানির বুকে, অথচ এত বড় একটা হত্যকান্ড ঘটে গেল, আর তার বিন্দুমাত্র আভাস আমাদের গোয়েন্দারা দিতে পারলো না? আর তারাই কিনা রয়ে গেল সব সমালোচনার বাইরে?
জঙ্গি কানেকশনঃ সরকার এবং সরকার সমর্থন মহল, এই ঘটনার জন্য জঙ্গি জঙ্গি করে মুখে ফেনা তুলে ফেললেও, সেখানে তদন্তকারিরা জঙ্গিদের টিকিটি খুজে পাননি। বোঝা যাচ্ছে, তদন্তকারি দলগুলির প্রধান সমন্বয়কারি বাণিজ্যমন্ত্রি ফারুক খানের জঙ্গি সংক্রান্ত মন্তব্যগুলি, তার নিজেকেই গিলে খেতে হবে।
রাজনৈতিক সংক্লিস্টতাঃ ঃ এই হত্যাযজ্ঞে আঃ লিগ নেতা তোরাব আলি এবং তার ছেলে সন্ত্রাসি লেদার লিটনের সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। অথচ আঃলিগের উচু থেকে নিচু স্তরের নেতাকর্মিরা এর জন্য বিরোধি দলের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করেছিল। তোরাব আলিকে আটক করা হলেও, পত্রিকার খবর অনুযায়ি লিটনের কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে তোরাব আলি বিষয়ে সরকারি দলের কোন ভাষ্যও পাওয়া যাচ্ছে না। আর তদন্তে স্পস্ট করে বলা হয়েছে, আঃ লিগ নেতারা এব্যাপারে আগে থেকে জানলেও, সেটা বিডি আর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন কিনা সেটা অজ্ঞাত রয়ে গেছে। অর্থাৎ চরম দ্বায়িতশীলতা প্রদর্শিত হয়েছে।
চরম মুহুর্তে সিদ্ধান্ত গ্রহনে অনিহা/অনিচ্ছাঃ
ঘটনার দিন সকাল ১০১০টার মধ্যেই র্যাবের ৩৫০ জন সদস্য বিডিয়ারের তিনটি গেটে পৌছালেও, তাদেরকে অভিযান চালানোর অনুমতি দেয়া হয়নি। ৫ নং গেটে বিদ্রোহি বিডিয়াররা অসংগঠিত থাকলেও, একই কারণে সেখান দিয়েও অভিযান চালাতে পারেনি র্যাব। তপদন্তে বলা হয়েছে, এই কারণে এতগুলি হত্যাকান্ড ঘটেছে। যার দায়ভার স্বরাস্ট্রমন্ত্রি থেকে শুরু করে খোদ প্রধানমন্ত্রি এড়াতে পারেন না। তাছাড়া সাহারা খাতুন কিংবা সন্ত্রাসি নানককে দিয়ে বিদ্রোহিদের সাথে আলোচনার যথার্থতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া সেদিন কার সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে সাংসদ ফজলে নুর তাপস, এলাকা থেকে লোকজনে দুরে চলে যাবার নির্দেশ দিয়েছিল, সেটা তদন্তে অনুপস্থিত। আর সন্ধ্যার পর কার আদেশে পিলখানার বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছিল, সে ব্যাপারে তদন্তকারিরা নিশ্চুপ।
সেনাবাহিনীর নিজস্ব দুর্বলতাঃ
রেকি করার মত পর্যাপ্ত সময়, এবং প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জামের অভাবে সেনা মোতায়ন সম্ভব হয়নি। আর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফলে বিডিয়ারের আশ পাশ থেকে সেনা সদস্য প্রত্যাহারের ফলে বিদ্রোহিরা আরো সংগঠিত হবার সুযোগ পায়। এর পরেও ২৬শে জানুয়ারি বিকেলে সব বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমনের সিদ্ধান্ত হলেও সরকারের সিদ্ধান্তে সেটা বাতিল করা হয়। আর টিভিতে সেনা কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের হত্যকান্ডের খবরে সেনাবাহিনী ভীত ও হতবিহবল হয়ে পড়ে।
এসব ঘটনা প্রমান করে যে, আমাদের সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ, ভারত থেকে ঘোড়া আনায়, বা গোড়া মুখো রাস্ট্রদুতদের সব কথায় মাথা নাড়ানোয় যতটা পারদর্শি, সেনাবাহিনির মনবল বা মান উন্নয়নে ততটাই উদাসীন। বাংলাদেশের মানুষদের কস্টার্জিত অর্থ ব্যায়ে এই সব ভীরুদের পোষা, সমর্থনযোগ্য নয়। কিছু হত্যকান্ডে একটা দেশের সেনাবাহিনী কি করে কাপুরুষদের মত ভীত হয়ে পড়ে? যারা এর দ্বায়িত্বে আছে, এটা তাদের ব্যার্থতা বৈত নয়। এবং এই হত্যাকান্ডের দায় দায়িত্ব তাদের ঘাড়েও বর্তায়। যদিও জেঃ মইন এখনও তার দ্বায়িত্বে ভাল্ভাবেই বহাল।
এছাড়াও যে সব কারণ উঠে এসেছে, তার মধ্যে অপারেশন ডাল ভাল, উপরি আয় থেকে বিডি আর সদস্যদের অক্ষমতা ইত্যাদি।
মনে রাখতে হবে, সরকার গঠিত তিনটি তদন্ত দলের একটির আংশিক প্রকাশ করে হয়েছে। এতদিন নিজেদের ব্যার্থতা ঢাকতে বর্তমান সরকার যেভাবে প্রলাপ বকছিল, তার অনেক্টাই এই তদন্তের কারণে সেটামিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। দেখা দরকার বাকি দুটি তদন্ত প্রতিবেদনে কি কোন ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে সরকারের ব্যার্থতাকে ঢাকা দেবার চেস্টা চলে।
যত যাই কিছু হোক না কেন, এই অনর্থক হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার এবং দোষিদের ফাসিতে লটকানো ছাড়া, ন্যায় বিচার সম্ভব না।
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।