টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে ব্লগের সাথে সাথে দেশবাসি ও প্রবাসিরা বিচ্ছিন্নভাবে হলেও প্রতিবাদ করছেন। অনেক স্বপ্ন আর আশা নিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন হলেও, অর্থনৈতিক স্বাধীনতাটি এখনো অর্জন করা সম্ভব হয়নি। সে কারণে আমাদের বিরুদ্ধে বিদেশি সব রকম অন্যায় এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে আমাদের শক্তি শুধু রাজপথে শাণিত শ্লোগান কিংবা লেখনির ক্ষুরধার প্রকাশের মধ্যেই নিহিত।
ফারাক্কা বন্ধে আমরা কিছু করতে পারিনি। যার কুফল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভোগ করতে হচ্ছে সারা দেশবাসিকে। এরকম অনেক উদাহারণ দেয়া যায়, যার পরিণতি আমাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে।
আর এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমে পড়ার এই বোধ করি শেষ সুযোগ। না, আমি ঢাল তলোয়ার কিংবা বন্দুক কামান নিয়ে যুদ্ধে নেমে পড়ার কথা বলছি না। সে সাধ্য বা শক্তি আমাদের কোথায়? এ যুদ্ধ পণ্য বর্জনের যুদ্ধ। যা এক সময় পরাক্রান্ত ব্রিটিশ সামাজ্যকেও নাড়িয়ে দিয়েছিল।
এই যুদ্ধে পুরুষরা যা পারবেন, তার চেয়ে বেশি পারবেন নারীরা। ভারতীয় স্যাটেলাইট চ্যানেলের মুল দর্শকই নারীকুল। ভারতীয় শাড়ি বা প্রসাধনি ব্যাবহারে নারীরাই অগ্রগামি। সংসারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির কেনাকাটার সম্পুর্ণ নিয়ন্ত্রনও কিন্তু নারীদের উপর।
নারীরা কি পারেন না, ভারতীয় চ্যানেলগুলি বর্জন করতে, অন্তত সাময়িকভাবে হলেও? বিলাসদ্রব্যাদি, প্রসাধনী, কিংবা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ কেনার সময় ভারতীয় পণ্যের বিকল্প হিসেবে দেশি পণ্য কিনতে? নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যে কেনার সময় ভারতীয় পণ্যটির পেছনে ব্যায় সংকোচন করতে?
একটা জিনিস মনে রাখতে হবে। সেটা হলো এই বিশ্বায়নের যুগে যেখানে ব্যাণিজ্য বসতে লক্ষ্মি, সেখানে আঘাত করলেই প্রতিপক্ষ্যেকে সবচেয়ে কার্যকরিভাবে আঘাত করা সম্ভব।
তাই লেখার মাধ্যমেই নারী সহব্লগারদের আহবান করছি, যেন তারা এব্যাপারে এগিয়ে আসেন। শিরোনামে সব নারী ব্লগারদের নাম না জানা থাকায় দিতে পারিনি, এজন্য কেউ মনক্ষুন্ন হবেন না প্লিজ।
পুনশ্চঃ আমার নিজ মা বোনদেরও এব্যাপারে সচেতন করা হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




