পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচে এসেই ডলার মাহমুদ জিতে নিলেন ম্যান অফ দা ম্যাচের পুরস্কার। মুলত তার ৮ ওভারে মাত্র ২৮ রান দিয়ে জিম্বাবুয়ের প্রথম সারির ৪ ব্যাটসম্যানকে তুলে নেয়াতে, মাত্র ২০৯ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুই।
![]()
আর মেইকশিফট ওপেনার হিসেবে মুশফিকের চমৎকার ৯৮ রানের কল্যানে ২ ওভার এক বল হাতে রেখেই জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশ।

ম্যাচ অফ দা সিরিজ নিয়ে ধারাভাষ্যকারদের মধ্যে বেশ মতদৈততা ছিল কয়েকজনের মতে সাকিবের পারফর্মমেন্সের সাথে বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়কত্বে কারণেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর, জিম্বাবুইয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিরিজ জয় করতে পেরেছে।
অন্যমতের ধারাভাষ্যকারদের মতামত ছিল, ৩য় ম্যাচে কভেন্ট্রির রেকর্ড করা ১৯৪ এর উপর ভর দিয়ে জিম্বাবুই ৩১২ রানের ইনিংসের বিপরীতে, তামিমের অতিমানবিক সাহসি ১৫৪এর কল্যাণেই বাংলাদেশ সিরিজ জয় করতে পেরেছিল। তা না হলে, ওই খেলায় জিম্বাবুই জিতে গেলে, ৫ম ম্যাচে খেলার মোড় ঘুরে যেত, চাই কি জিম্বাবুই এর পক্ষ্যে সিরিজ জেতাও অসম্ভব কিছু ছিল না। তাছাড়া এ সিরিজে তামিমের দুটি ফিফটির কারণে সর্বাধিক রান সংগ্রহের মালিকও তিনি। ( সিরিজে সর্বমোট ৩০০ রান)

শেষ পর্যন্ত তামিমকেই ম্যান অফ দা সিরিজ নির্বাচিত করা হয়েছে। অভিনন্দন এই বঙ্গশার্দুল কে। সেই সাথে শাকিবকে, যার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশের খেলার বেশ উন্নতি চোখে পড়েছে। সেই সাথে এসেছে সাফল্য।

শাকিবের প্রসংগ যখন আসলো, তখন ক্রিকেট বোদ্ধারা আরেকটি অংক কষসেন। সেটা হলো, মাশরাফি আহত হবার কারণেই শাকিব এখন অধিনায়ক। সফল অস্রপ্রচারের পর, সুস্থতার পথে মাশরাফি। অচিরেই তাকে আবার খেলায় ফিরতে দেখা যাবে। তখন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ত্ব কি শাকিবের হাত থেকে কেড়ে নেয়া ঠিক হবে? আর যদি শাকিবকেই অধিনায়ক রাখা হয়, তাহলে মনস্তাত্তিকভাবে মাশরাফি সেটা কতটুকু মেনে নেবেন? আপনাদের কি মত?

পুনশ্চ> আশারাফুলের হাত না দেখেই অন্তত তার ভবিষ্যত বাণি করে ফেলা যায়, যেটা ৯৯ ভাগই সত্য বলে প্রমানিত। চাপবিহিন প্রথম খেলায় সেঞ্চুরির পর সবাই বলেছিলেন, দ্বিতীয় সেঞ্চুরি বা অর্ধশতক আসতে তিনি আরো বছর খানেক সময় নেবেন। তারা যে শতভাগ সঠিক, তার প্রমান আজকেও আশরাফুলের ৪ রানে আউট হওয়া।

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




