আমার প্রিয় পোস্ট

সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল

ইসলাম কোন ল্যাম্পপোস্ট নয় যে...

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪

শেয়ারঃ
0 0 0



ধর্ম বা ইসলাম নিয়ে, আমি লিখিনা। এ সংক্রান্ত পোস্ট পড়া কিংবা সেখানে সাধারণত মন্তব্যও করি না। কেননা কে জানে, মানুষের সবচেয়ে কোমলমতি অনুভুতিতে যদি ভুল করে আঘাত দিয়ে ফেলি। ব্যাতিক্রম শুধু পালা পার্বনের দিনগুলিতে যেখানে শুভেচ্ছা দেবার জন্যই লেখা হয়। তাছাড়া বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এর চেয়েও অনেক বিষয় আছে, যা অগ্রাধিকার পাবার যোগ্য। আর ধর্মের কথা কানের সামনে বার বার বাজানো বা শোনা আমার ধাতে সয় না।

কিন্তু আজ না লিখে পারলাম না। সিটিজিবিডি নামের সহব্লগার ইসলামের সাথে বেহেস্ত হুর পরী ইত্যাদি পারলৌকিক পুরস্কারের নানাবিধ উপাখ্যান জুড়ে দিয়ে একটা লেখা লিখেছিলেন। নির্দোষ পোস্ট হলেও, সেটা আমার ভালো লাগেনি। কেননা আমি মনে করি স্রস্টার সন্তস্টি অর্জনই মুখ্য। বেহেস্ত হুর পরীর লোভে ইসলাম পালন করাটা আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয় না। ভিন্নমত থাকতেই পারে। সেটাই আমি সুন্দর করে লেখকের কাছে উপস্থাপন করেছিলাম।

কিন্ত সবচেয়ে অবাক কান্ড হলো, দুজন বেশ কুৎসিতভাবে ইসলামকে আক্রমন করে বক্তব্য দিলেন। সেখানে যে ভাষা ব্যাবহার করা হয়েছে, সেটা বিবেকবান এবং শিক্ষিত যে কাউকেই আহত করবে। (নীচে নমুনা দেখুন... )

[ কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
''হযরত আলী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) এরশাদ করিয়াছেন, বেহেশতের ডাগর নয়না হুরগন একটি নির্দিষ্ট স্থানে জমায়েত হইয়া সুমধুর ও সুউচ্চ কণ্ঠে গাহিবে------''

মোহাম্মদ এ যুগে জন্ম নিলে হয়তো টাংকি-ছেদা টাইপের রগরগে সেক্সলামী-সঙ্গীতের ব্যবস্থাও রাখতেন। বাহাত্তরটা হুরির সাথে মাস্টারবেসন-ডগিস্টাইল-ওরাল-সাকিং ইত্যাদি নানাবিদ যৌনসুখানুভূতির কামুক বর্ণনাও হাদিস কোরআনে পাওয়া যেতো। আমার মনে হয় মোহাম্মদের মত কামুক পুরুষ পৃথিবীতে খুব বেশী নেই- এ লোক এগারটা বিয়ে করলো, গনিমতের মাল(যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) হিসেবে প্রাপ্ত নারীদের ভোগ করার পরও তাঁর সহবতের লিপ্সা কমেনি; বেহেশতেও আবার সত্তরটা নারী ও ত্রিশটা গেলমান(চিরকিশোর)-এর ব্যবস্থা রাখছে!
আসেন আমরা সবাই মিলে তাঁর জন্য দোয়া করি- 'হে আল্লাহ তুমি মোহাম্মদের সেক্সপাওয়ার আরো সত্তর গুণ বাড়াইয়া দাও, তিনি যেন অনন্তকাল বেহেশত-বেইশ্যা সঙ্গম করিতে পারেন; বলুন আমিন।']

মাত্র মাসখানেক বয়সি একজন ব্লগার, যে আবার নিজেকে কবি দাবি করে ব্লগে কবিতা লিখে থাকে, তার এই ধরণের অপমানজনক আচরণের স্পর্ধার উৎস কোথায়? ব্যাক্তিগত জীবনে সে কোন শিক্ষায় শিক্ষিত যে, ভিন্নমত, ভিন্নধর্মের প্রতি তার এই কুৎসিত বহিঃপ্রকাশ?

শুধু এই বস্তুটি নয়, ব্লগে এ রকম নমুনা আরো বেশ কয়েকবারই দেখেছি। মঙ্গলের কথা হচ্ছে, এধরণের ঘৃণাবাদি লেখক বা কমেন্টদাতাকে অনেক সময়ই, মডারেটররা সাময়িক ব্যান করে রেখেছিলেন। এর পরেও রাবণের মাথার মত একটার পর একটা গজিয়ে যাচ্ছে।

একজন ব্লগার আছেন ( আমি তার পোস্টের একজন ভক্ত ছিলাম) যিনি ইতিহাসে পাতা খুড়ে অনেক সুন্দর সুন্দর বিষয় তুলে আমাদের সাথে ভাগ করেন। একদিন তাকেও দেখলাম, চিহ্নিত এক ইসলাম বিদ্বেষি/বিকৃতকারির গুণকীর্তন করে পোস্ট দিয়েছেন। ফ্যান হিসেবে তাকে এ ব্যাপারে তার দৃস্টি আকর্ষন করা হলে, তিনি মুক্তচিন্তা আর বাক স্বাধীনতার অজুহাত তুললেন। ফলে তার প্রতি আমার শ্রদ্ধাবোধটা অনেকটাই হ্রাস পেলো। সেই থেকে তার ব্লগে যাওয়া কম হয়।

আরেকজন ব্লগার একবার বোখারি হাদিস বলে চিহ্নিত এক ইসলাম বিদ্বেষি ব্যাক্তির রেফারেন্স দিলেন। সেটা তাকে তথ্যপ্রমানসহ দেখিয়ে দেবার পর, আমি তার চক্ষুশুল হলাম। ফলাফল এই হলো যে, তিনি গোপনে আমার পোস্টে আসেন, এবং গোপনে মাইনাস প্রদান করে প্রস্থান করেন। তিনি পারেন তো ছলে বলে কৌশলে আমাকে ঘৃণিত একগোষ্ঠির
একনিস্ট সদস্য বানিয়ে ব্লগে ঢি ঢি ফেলে দেন।

হান্টিংটন সাহেবের "ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশন" নামের তত্ত্বটি, ইসলামকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে তার বিরুদ্ধে সুচতুর প্রচারণার কৌশল বানিয়েছে কিন্তু উগ্রপন্থি জায়নবাদি এবং নিওকনরা। ৯১১ এর নাটক সফলভাবে মঞ্চায়নের পর ইসলামের বিরুদ্ধে প্রচার প্রচারণা চালানোটা অনেকটাই সহজ হয়েছে। "লুজ চেইঞ্জ" ছবিটায় উত্থাপিত প্রশ্নগুলির উপর ভিত্তি করে নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, এটা উগ্র জায়নবাদি আর নিওকনদের যৌথ ষড়যন্ত্র বৈত নয়। একারণে ৯১১ এর ঘটনাকে সাজানো নাটক বলেই মনে হচ্ছে।

আর সেই ৯১১কে উপজিব্য করেই একদল বিকৃত মানসিকতার ঘৃণাবাদিরা পৈশাচিক উল্লাসে অত্যন্ত জঘণ্য এবং কদর্য ভাষায়, ইসলাম, ইসলামের নবী, এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে আক্রমন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, দুটি মুসলমান প্রধান সার্বভৌম দেশে আগ্রাসন চালিয়ে হত্যা করেছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। ওই দেশদুটির বিশেষ করে ইরাকের প্রত্নতাত্মিক নিদর্শনগুলিকে চিরতরে ধবংস করে দিয়েছে। অনাহার আর অনাচারে দেশ দুটিকে সয়লাভ করে দিয়েছে। যেখানে ক্ষুধার জ্বালার অস্তিত্ব ছিল না, সেখানে আজ ক্ষুন্নিবৃত্তির জন্য নারীদের গণিকাবৃত্তির মত পেশায় নিযুক্ত হতে হচ্ছে।

পশ্চিমের এই ঘৃণাবাদিতা আমাদের দেশের কিছু বিকৃত মানুষের মধ্যেও সংক্রমিত হয়েছে। তবে ইসলামের বিরুদ্ধে তাদের এই ঘৃণাবাদিতা কিন্ত আজকের নয়। এই সব ঘৃণাবাদিরা বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই সক্রিয়। তারা প্রগতিশীলতার আড়ালে তাদের ঘৃণাবাদি কার্যক্রম চালিয়ে থাকে। আমার স্কুলের এক সহপাঠির বড় ভাইটি বামপন্থি ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। তো বড় ভাইয়ের আড্ডা খানা থেকে বেশ কিছু কথা সে আমাদের কাছে বলতো। দুটি নমুনা শুনুন।

" আল্লাহ হু আকবর, কানা মুরগি জবা কর।"

" একদিন এক ল্যাংড়া ভিক্ষুক, সুরা ফাতেহা পাঠ করছে। কাছে দাড়ানো ছিল এক অন্ধ ভিক্ষুক। ল্যাংড়া ভিক্ষুকটি যেই মাত্র ইয়া কানা বুদু আয়াতটি বলেছে, সেই মাত্র অন্ধুটি মনে করলো তাকে বিদ্রুপ করা হচ্ছে। সেও পাল্টা বলে উঠলো ইয়া ল্যাংড়া বুদু......"

(ঘৃণাবাদিদের এই ঘৃণ্য বাক্যগুলি ছড়িয়ে দেবার বাসনা আমার ছিল না। শুধু মাত্র তাদের মুখোশ উন্মোচনের জন্য উল্লেখ করতে হলো। সৃস্টিকর্তা আমায় ক্ষমা করুন)

তারা আদর্শিক দিক দিয়ে অবশ্য নিজেদের মানব ধর্মের অনুসারি বলে দাবি করলেও, সব রাগ সব ঘৃণা প্রকাশের জন্য বেছে নিয়েছেন ইসলামকেই। তাদের আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলিতে কিন্তু যে সব আচার অনুসরন করা হয়, তা আমাদের প্রতিইবেশি ধর্মেরই। এসব করে তারা তো সনাতন ধর্মেরও অবমাননা করছেন।

তাই প্রশ্ন জাগে, তাহলে মানবতাবাদি, প্রগতিশীল এসব ভড়ং ধরার দরকারটাই বা কি? সবচেয়ে গোল বাধে এরা কেউ অক্কা পেলে। তখন না পারে পোড়াতে না পারে গোর দিতে। এদের আদর্শে হয়তো সবকিছু আছে, নেই শুধু অন্তস্টিক্রীয়ার আচারটুকু। অনেক জল ঘোলা করে শেষ মেস চুপি চুপি মাটিচাপা দিয়ে এরা হাপ ছেড়ে বাঁচেন।

এতদিন শুনে এসেছিলাম, বামপন্থিদের সাথে নাকি পুজিবাদিদের সম্পর্ক আদায় কাঁচকলায়। কিন্তু ইসলামের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রদর্শনে এরা দেখি একজন আরেকজনের একান্ত সুহ্রদ। অংকটা বুঝতে পারছি না।

৯১১ এর পর যে বিশাল পরিসরে ইসলাম এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণামুলক অপপ্রচার চলেছে, তা বিশ্বের ইতিহাসে নেই। এত মেধা, এত অর্থ, এত লোকবল, এত প্রভাব কাজে লাগালেও, লাভের লাভ, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। দলে দলে মুসলমানরা ইসলাম ত্যাগ করেনি। হ্যা, সাময়িক কিছুদিন অনেক ভোগান্তি হয়েছে, অন্যায় আগ্রাসনে লক্ষ লক্ষ মুসলমানকে নিহত হয়ে হয়েছে। কিন্ত শত নির্যাতন আর অপপ্রচারের মুল লক্ষ্য যেটা, ইসলামকে উৎখাত তার কোনটাই সামান্যতম অর্জিত হয়নি। ফলে ঘৃণাবাদিদের সব অপচেস্টাই মাঠে মারা গেছে।

উগ্র সাম্প্রদায়িক ঘৃণাবাদিদের মনে রাখা উচিত, ইসলাম কোন ল্যাম্পপোস্ট নয়, যে পথ চলা বেওয়ারিশ কুকুরের দল, ইচ্ছে করলেই সেখানে জল বিয়োগ করতে পারবে।




 

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
জাহিদুর রহমান মাসুদ বলেছেন: "ধর্ম বা ইসলাম নিয়ে, আমি লিখিনা। এ সংক্রান্ত পোস্ট পড়া কিংবা সেখানে মন্তব্যও করি না। কেননা কে জানে, মানুষের সবচেয়ে কোমলমতি অনুভুতিতে যদি ভুল করে আঘাত দিয়ে ফেলি।"

আপনার এই প্রথম প্যারাটিই সবচেয়ে বড় মিথ্যা। আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি আমার ধর্মসংক্রান্ত পোস্টগুলোতেই আপনি মন্তব্য করেছেন বা তর্কে জড়িত হয়েছেন। অন্য লেখাগুলো আপনাকে ভুলেও দেখিনি।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার লেখাগুলি কিন্ত ধর্মসংক্রান্ত নয়, বরং ধর্ম /ইসলামকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমন করে লেখা হয়েছিল। সেক্ষেত্রে আমার দাবি সঠিক বলেই মনে করি।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: কালিদাস কবিয়ালের মন্তব্যটি নিয়ে তো কিছু বললেন না। পুরো পোস্টের বিষয়েও কোন মন্তব্য নেই। শালিনতার মাত্রা না ছাড়ানো ভিন্নমতকে আমি শ্রদ্ধা করি। কিছু বলার থাকলে, নির্দ্বিধায় বলতে পারেন। ধন্যবাদ।

২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪২
জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় ধীবর, ধর্ম নিয়ে লেখা আমিও পড়িনা। আপনার লেখা একজন ভক্ত হয়েই ধর্ম প্রসংগ দেখেও পড়েছি এবং যথারীতি মুগ্ধ হয়েছি। চমতকার বিশ্লেষনী লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫২

লেখক বলেছেন: জুলভার্ণ ভাই, আপনার মন্তব্য আমাকে অনেক সম্মানিত করেছে। জানিনা আমি এর কতটুকু যোগ্য। ধর্ম বিষয়ক পোস্টে আমি সাধারণত যাই না, গেলেও মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকি। তবে ইসলামকে অহেতুক আক্রমন করে পোস্টে আমি সাধ্যমত যাই এবং প্রতিবাদ করে থাকি। তবে আমার প্রতিবাদের ভাষাটি যেন কোনমতেই শালিনতার বাইরে না যায়, তার জন্য যথাযত চেস্টা করে থাকি। অশেষ ধন্যবাদ আপনার মন্তব্য এবং উপস্থিতির জন্য।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। কেমন আছেন?

৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
জনৈক আরাফাত বলেছেন: লেখককে চিনিনা। লেখাটাকে বিবেচনা করেই প্রিয়তে নিলাম!
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: আমি অখ্যাত একজন সামান্য লেখক। না চেনাটাই স্বাভাবিক। লেখাটা প্রিয়তে নিয়ে সম্মান দেখানোর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। অনেক ধন্যবাদ।

৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০০
রামন বলেছেন: বাক স্বাধীনতার লেবাসে ভিন্নধর্মে বিস্বাসীদের বিস্বাসে আঘাতকারীকে ধীক্কার জানাই।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: যারা সত্যিকার অর্থেই মুক্তবুদ্ধির ধারক বাহক, যারা বিবেকবান এবং শিক্ষিত তার সবাই আপনার মতই চিন্ত করেন। সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ রামন ভাই। ঘৃণা দিয়ে আর যাই করা যাক, মঙ্গল করা যায় না।

৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
জাহিদুর রহমান মাসুদ বলেছেন: আমি কখনই ধর্মকে আক্রমণ করিনি। ধর্মের যে অংশটুকু মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন করে বা গ্রহণযোগ্য মনে হয়না সেগুলোরই সমালোচনা করি। আমি বিশ্বাস করি প্রত্যেক ব্যক্তিই তার নিজের সীমার মধ্যে অন্যের অধিকার ক্ষুন্ন না করে নিজের বিশ্বাস পালন করতে পারেন। ব্যক্তিবিশেষ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে ধর্মের অনুশাসন মেনে চললে কোন সমস্যা নেই। সমস্যাটা তখনই হয় যখন কেউ এটাকে রাষ্ট্রের উপর চাপিয়ে দিতে চায়।

কালিদাস সাহেবের মন্তব্যের আগাগোড়া কিছু জানিনা। তবে আপনি যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তাতে আপাত দৃষ্টিতে মন্তব্যটা গ্রহণযোগ্য নয়। তবে ওনি অন্যের কোন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ মন্তব্যটা করেছেন কিনা তাও পরিস্কর হওয়া দরকার।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: জাহিদুর রহমান মাসুদ ভাই, যে পোস্টের কথা উল্লেখ করলাম, সেটা সম্ভবত ডিলিট করে ফেলা হয়েছে। তাই লিংকটা দিতে পারছি না। তাও ভালো লাগলো অন্তত ওই ঘৃণামুলক উক্তির প্রতি আপনার বিরোধীতা দেখে।

ইসলামে যা লেখা আছে, সেটাকে ঐশ্বরিক জ্ঞানে অলংঘনীয় বলেই মনে করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। আর কোরান হাদিসে বর্ণিত কোন ব্যাবস্থাকে মানব অধিকারের পরিপন্থি জ্ঞান করে সমালোচনা করার অর্থই হলো, ইসলামকে অস্বীকার করা। তবে হ্যা, কালে কালে হঠাৎ গজানো কিছু মানুষ অনেক ভুয়া হাদিস, কিংবা সামাজিক আচারের জন্ম দিয়েছে, যা ইসলামের মুল শিক্ষার সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। যেমন ইবনে ওয়ারাকের বানানো হাদিস, কিংবা মাজারে সেজদা করা, মানৎ করা ইত্যাদি। এই সবের বিরুদ্ধে অবশ্যই বলা যায়, এবং সেটা করার জন্য কোরানকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যাবহার করাটাই সমীচিন। নতুবা এই ধরণের প্রচেস্টাকে সবাই খোদার উপর খোদকারি জ্ঞান করে প্রত্যাখান করবে।

কোরানে অনেক কিছুই মেটাফোরিক অর্থাৎ রুপক অর্থে বলা হয়েছে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায়, ধর্মের পরাকাষ্ঠা দেখাতে সেটা নিয়ে বেশ বাড়াবাড়ি করা হয়। এই ক্ষেত্রেও সমালোচনা করা যায়। আপনি সেটা করে থাকলে, আমার বিশ্বাস আপনার ব্লগে মন্তব্য আমি করতাম না।

ব্যাক্তি বা রাস্ট্র কারো উপরেই ধর্ম বা ইসলাম জোর করে চাপিয়ে দেবার পক্ষপাতি আমি নেই। এব্যাপারে আপনার সাথে পুর্ণ সহমত। ধন্যবাদ।

৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
আয়েশা তায়েবা বলেছেন: হায়রে জামাতী। লিখে রাখসে "৫২ আর ৭১ এর চেতনায় আছি বাধা"।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: ৪ মাসে মাত্র একটি পোস্ট লেখা একজনের এ ধরণের মন্তব্যকে বিশেষ আমলে আনার কোন দরকার দেখছি না। আসল নিকে আসলে, আপনার কি বিশেষ কোন অসুবিধা ছিল? যুক্তি তর্কের কাছে আপনার এই অসহায়ত্ব দেখে আপনাকে রীতিমত করুণা করতে ইচ্ছা হয়। আর আমাকে এই ধরণের গালি দেয়ায় আপনাকে নিরুৎসাহিত করছি। কেননা আপনি প্রমান করে দিয়েছেন, আপনার জানার পরিধিটি কত সংক্ষিপ্ত।

৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
জনৈক আরাফাত বলেছেন: "তারা আদর্শিক দিক দিয়ে অবশ্য নিজেদের মানব ধর্মের অনুসারি বলে দাবি করলেও, সব রাগ সব ঘৃণা প্রকাশের জন্য বেছে নিয়েছেন ইসলামকেই। তাদের আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলিতে কিন্তু যে সব আচার অনুসরন করা হয়, তা আমাদের প্রতিইবেশি ধর্মেরই। এসব করে তারা তো সনাতন ধর্মেরও অবমাননা করছেন"

এই লাইন গুলো বোল্ড করে দেয়ার প্রয়োজন। ভণ্ডামীর সীমাটা বোঝা প্রয়োজন।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: বোল্ড না করে দিলেও, বোদ্ধা পাঠকদের চোখে এই অংশটুকু ঠিকই চোখে পড়বে। ঠিক আপনার যেমন পড়েছে। ধন্যবাদ আবারো।

৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৯
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: ঘৃণাবাদীদের ধরাইতে গিয়াতো আফনেই মেলা কিসু কইয়া ফালাইলেন।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: প্রসঙ্গক্রমেই চলে এসেছে কথাগুলি। উপায় ছিল না।

১০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: মুখোশধারী নাস্তিকেরা এখনকার জঙ্গীদের চেয়ে আলাদা কিছু নয়।
দু'পক্ষই নিজের মত প্রতিষ্ঠা করতে জোরাজুরি-গালাগালির আশ্রয় নেয়।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: এটাকে তারা নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালি অস্ত্র মনে করলেও, এটা যে তাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা, সেটা বাকিরা বুঝলেও তারা বোঝেন না। ধন্যবাদ তায়েফ ভাই।

১১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১১
সাইলেন্সার বলেছেন:

ইসলাম, মহানবী (সঃ) সম্পর্কে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন পোস্ট দেয়াটাই উচিত নয়, কারণ ঐ পোস্টগুলো নাস্তিক এবং ঘৃণ্য মানসিকতার কিছু ব্লগারের বিনোদনের উৎস হয়ে যায়।
কিছু মাথামোটা ব্লগার আছে যারা নিজেও বোঝে না তার ঐ পোস্টে বিতর্ক হতে পারে। যেমন- সিটিজি৪বিডি ব্লগারকে এর আগেও একটি পোস্টে হিজাব পরিহিত মেয়েদের বিভিন্ন ছবি দেয়ায় প্রতিবাদ করেছিলাম, কিন্তু সেই ব্লগার একবারও স্বীকার করল না সে ভুল করেছে। এদেরকে আর কি বলব বলেন?
সম্প্রতি 'জাহিদুর রহমান মাসুদ' নামে আরেক 'চিড়িয়া' ইচ্ছাকৃতভাবে ফালতু বিষয় নিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে কটু মন্তব্য করছে। এই বেজন্মাগুলোকে বলার কোন ভাষা নেই।
আমার মত হচ্ছে, যারা প্রকৃত ইমানদার এবং ইসলামের আদর্শে বিশ্বাসী, তারা দয়া করে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন পোস্ট দিবেন না।
আর নাস্তিকরা যখন ইসলামকে কটাক্ষ করে পোস্ট দেয় তখন আমাদের উচিত ঐসব পোস্টে কোন মন্তব্য না করা এবং প্রয়োজন হলে রিপোর্ট করা। মনে রাখতে হবে, এক হাতে তালি বাজে না।

আমরা নিজেরা যদি সচেতন হই, তাহলে নাস্তিক বা ঘৃণ্য রুচির ঐসব ব্লগার বিকৃত বিনোদন নিতে পারবে না।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের সাথে খুব বেশি দ্বিমত করার সুযোগ নেই। বিশেষ করে শেষ প্যারাতে সম্পুর্ণ সহমত। অনেক অনেক ধন্যবাদ সাইলেন্সার ভাই।

১২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১২
সরকার সেলিম বলেছেন: কালিদাস কবিয়াল একটা ৩য় শ্রেনীর অসভ্য কবি ছাড়া আর কিছুই না। তার রুচি বোধ ও ভদ্রতা সব সভ্যতাকে হার মানায়।

মনে হয়না সে মুসলিম। আমার ব্লগিং এর ৪ মাস জীবনে এমন ধ্বষ্টিতা আর অসভ্যতা দেখি নাই। কোন মুসলিম কমিনিষ্টকেও দেখি নাই এই রকম নোংরা ভাষায় আমাদের নবীকে আঘাত করতে। সে একটা বেয়াদপ ছাড়া আর কিছুই না।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন: কবিতা লেখার আড়ালে আসলে কিছু লোক ( যাদের মধ্যে নাস্তিক অথবা ভিন্ন ধর্মের কট্টর অনুসারিরাও আছে) ইসলামের বিরুদ্ধে অশ্লিল রচনা লেখাতেই বেশি উৎসাহ পায়। এদের মুখোশ উন্মোচনের বিকল্প নেই। অনেক ধন্যবাদ সেলিম ভাই, আপনার মন্তব্যের জন্য।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যুগান্তকারী ভাই।

১৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: আহা! আহা!! বড়ই কষ্টিত হইলাম......
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনার শ্লেষাত্মক উক্তিই প্রমান করে দেয়, ঘৃণাবাদিদের প্রতি আপনার সমর্থন। এধরণের মানুষের বিবেক বুদ্ধি এবং শিক্ষার প্রতি আমার সন্দেহ হয়।

১৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৬
সরকার সেলিম বলেছেন: নাস্তিক আর জন্গিদের মধ্য কোন তফাত পাইনা। জন্গিরাও মানুষের মতামতের কেয়ার করে না আবার নাস্তিকরা ও ঠিক একই, মেজর জনগোষ্টির বিশ্বাসকে ক্রমাগত আঘাত করে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ব্যাক্তিগত জীবনে বাঘা বাঘা অনেক নাস্তিকের সাথেই আমার চলাফেরা আছে। তারা প্রায় সবাই উচ্চ শিক্ষিত, এবং সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাদের কিন্তু কোনদিনও এ ধরণের আচরণ করতে দেখিনি, যা অন্তর্জালে দেখেছি। বোঝাই যাচ্ছে যারা ঘৃণাবাদি তাদের শিক্ষালাভের পরিধিটি কত সংকোচিত।

১৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৬
জাহিদুর রহমান মাসুদ বলেছেন: @ লেখক, সাইলেন্সার নামক আপনার ধর্মী ভাইয়ের এর ১১নং মন্তব্যটা দেখুন। অনেক সুশীল কমেন্ট!!! আমরা বেজন্মা আর ওনি জন্মা। আপনার আসলে কালিদাসের পিছনে না লেগে এই সমস্ত দ্বীনি ভাইদের আগে ঠিক করা উচিত।

সংশ্লিস্ট পোস্টটা দেখলাম। ওখানে অনেকেই এ জাতীয় মন্তব্য করেছে। আপনার রাগটা বিশেষ ঐ কালিদাসের উপর পড়ল কেন।

এ যুগে কেউ যদি এমন পোস্ট দেয় তাহলেতো মানুষ হাসি তামাশা করবেই। আপনার কি মনে হয় না ইসলাম-কে হাসির পাত্র করার জন্য লেখক ইচ্ছকৃত এ পোস্ট দিয়েছেন?
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: সেই কমেন্টের উওরে আমার মন্তব্যটি পড়লে হয়তো ঢালাওভাবে এই অভিযোগগুলি করতেন না। আর প্লাস মাইনাস দেয়া হয়, পোস্টের উপর কেন্দ্র করে। যাই হোক, আপনার মন্তব্য এবং রেটিং আমি ধন্যবাদের সাথে গ্রহন করলাম।

বিতর্কিত পোস্টটি যিনি দিয়েছেন, আমার ধারণা কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে সেটা দেয়া হয়নি। হয়তো আমার ভুলও হতে পারে। ওই পোস্টেই আমার মন্তব্য দেখেছেন আশা করি। সেখানে কিন্ত আমি লেখকের সাথে সুস্পস্ট দ্বিমত প্রকাশ করেছি।

১৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
এক মুসাফির বলেছেন: হুরপরীর লোভে আপনি ইসলাম পালন করেননা এই উক্তিই প্রমান করে আপনি ইসলাম সম্পর্কে অনেক উচ্চধারনা পোষন করেন।
আসলে আমাদের সমাজে যারা ধর্ম শিক্ষাদেন তারা নিজেরাই ইসলামকে বেহেস্ত দোজখের গন্ডীতে বেধেফেলেছেন।

ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: ইসলামের শিক্ষার সেই গোড়ায় গলদটুকুই শোধরানো দরকার। আপনাকেও সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
জাহিদুর রহমান মাসুদ বলেছেন: পর্যবেক্ষণ করছিলাম। তাই প্লাস মাইনাস কিছুই দেই নাই। কিন্তু সাইলেন্সার সাহেবের সৌজন্যে ৫ নম্বর মাইনাসটা আমার।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: প্লাস মাইনাস দেয়া হয়, পোস্টের উপর কেন্দ্র করে। যাই হোক, আপনার মন্তব্য এবং রেটিং আমি ধন্যবাদের সাথে গ্রহন করলাম।

১৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৯
রোহান বলেছেন: আস্তিকতা কিংবা নাস্তিকতা যার যার ব্যাক্তিগত বিষয়। নাস্তিকতা নিয়া ফাল পাড়তে পারতে আসমানে উইঠা যাওয়া যেমুন খারাপ তেমনি অতি আস্তিকতা প্রমান করতে নিজেরে পানির তলে টাইনা নামানোও সমান খারাপ।

এই ব্লগে দু চার জন আছেন যারা অবিশ্বাসী, ঠিক আছে আপনে বিশ্বাস করেন না তাই বলে আমার বিশ্বাসে আঘাত দেবার কারণ কি? এদের নিয়ে অনেক বলা হয়েছে, আর মনে হয় কিছু বলার নাই, আল্লাহ এদের হেদায়েত করুক... ধর্ম ব্যাবসায়ী কিংবা বলদ ছাগু দের কথার বিপক্ষে সুস্থ বিতর্ক চলতে পারে তাই বলে অসুস্থতা কখনোই কাম্য নয়।

তবে এরা হাতে গোনা আর এদের উস্কায় কিছু অতি আস্তিক ছাগলের পাল। ধরেন এখন যদি আমি বলি আপনি নামাজ পড়েন তাইলে বেহেস্তে হুর পরি পাইবেন -- তাইলে তো হইলো না তাই না, আল্লাহ তো এই জন্য নামাজ কায়েম করতে বলে নাই। এরম একটা কথা বলা মানে কি হইলো আমি নিজেই একটা ক্যাচাল লাগায় দিলাম। এখন আরেকজন যদি বলে আপনি পরকালে কামবোধের উদ্দিপনায় নামাজ পড়বেন না সঠিক কারণে নামাজ পরবেন-- তাইলে আপনি সেই কমেন্টে দোষ দিতে পারবেন না কারন ক্যাঁচাল তো আমি আগেই লাগাইছি...

মাঝে কয়দিন কিছু লোক লাফালাফি করলো কয়টা গাছপালার ফটো নিয়ে, এগুলাতে আরবী আকার আছে তার মানে আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমানিত !!!! কি আজিব, ইসলামের মতো প্রতিষ্ঠিত ধর্মের অস্তিত্ব প্রমানে একটা গাছের সহায়তা নিতে হবে??? এখন পাল্টা কোনো ব্লগার যদি বাজে কোনো আকৃতির গাছের ছবি দিয়ে বলে এটা কি প্রমান করে তাইলে কি বলবেন?

ইসলাম কিংবা অন্য যার যা ধর্ম -- আগে নিজের মাঝে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আপনার নিজের ঈমানের ভিত যদি শক্ত থাকে তবে এসব লোকজন এক সময় নিজেরাই বকবক করতে করতে চুপ করে যাবে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: রোহান ভাই, অত্যন্ত সন্দর কথা বলেছেন। সহমত। এবং অবশ্যই ধন্যবাদ।

২০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: ধীবর,
ধর্ম সংক্রান্ত পোস্টগুলোতে আপনি মহা উৎসাহের সাথে কমেন্ট করে থাকেন। এবং ইতিমধ্যে আপনি চরমপন্থী ধর্মান্ধ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিতও করেছেন। সম্ভবত এখন রিভার্স গেম খেলছেন।
কিছু ছাগল আছে যারা সারাক্ষন ইনিয়ে বিনিয়ে ধর্মটাকে টেনে আনে। গর্দভগুলো বুঝেও না যে সবাই অভিন্ন মতাদর্শী নয়, ফলে বিতর্ক তৈরী হতে পারে। তাদের ধর্মানুভূতি অত্যন্ত প্রখর, ধর্ম সংক্রান্ত বিতর্কে ভিন্নমত পোষনকারীর জন্ম নিয়েও এই পাড় ধার্মিকগুলো গালি দিয়ে থাকে। এবং তা সত্ত্বেও তারা আগ বাড়িয়ে যেয়ে বিতর্ক তৈরী করে।
সবগুলারে মাইনাস।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: দুরন্ত পথচারি, ধর্ম সংক্রান্ত নয়, বরং ধর্মীয় পোস্টে কুৎসিত গালাগাল দেয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য মন্তব্য করার জন্যই সেখানে যাওয়া। ণগেন হরিখটকা নামের ব্লগারের একটি পোস্টে যখন ঘৃণাবাদিরা গালাগালি ক্রছিল, সেখানেও গিয়েও আমি ণগেনকে সমর্থন করেছি। কেননা শালিনভাবে যে কোন লেখা লেখার অধিকার সবার আছে বলেই, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

আমার ১০০ টারও বেশি পোস্টে একটি লেখাও ধর্ম সংক্রান্ত কোন লেখা পাবেন? ( ব্যাতিক্রম শুধু ধর্মীয় উৎসব সংক্রান্ত দুটি পোস্ট)। আর একারণে কারো কারো চোখে ( যারা কোন ধর্মেরই বিশ্বাসি নন) আমি উগ্র ধর্মান্ধ বলে প্রতিগনিত হলেও, এতে আমার বিশ্বাস বা আদর্শের কোন পরিবর্তন হবে না। আর রিভার্স খেলার মত নস্ট করার মত সময় বা নীচু মনবৃত্তি আমার নেই। প্রায় এক বছর ধরে ব্লগে আছি, তাই নতুন করে নিজেকে প্রমানিত করার কিছু নেই।

২২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
শেখ সাজ্জাদুর রহমান বলেছেন: যে যিনিস সম্পর্কে যানেন না তা সম্পর্কে মন্তব্য করা উচিত নয়। আগে ইসলাম সম্পর্কে যানা উচিত। মানুষ আগে খারাপ ছিলোনা কিন্তু এখন খারাপ মানুষে ভরা পৃথীবি। ভালোকেতো মানুষই খারাপ বানায়। এর জন্যই বেহেস্ত এবং দোযখ। যদি স্রষ্টার সন্তুষ্টির মাদ্ধমে ভালো কিছু না আসে তবে মানুষ এই দুনিয়ায় কোন বালো কাজ করতো না। আর স্রষ্টাই যখন দিতে চায় তাহলে এর সম্পর্কে আলোচনায় দোষকি। আমরা জানার চাইতে বেসি বিল তাই আসুন যানার চেষ্টা করি। আর মানুষের কথায় কোন ভারো কজ বন্ধ রাখাটা মোটেই ভালো কোন কাজনা।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: ইসলাম নিয়ে জ্ঞানের দৈন্যতা কাটাতে সচেতনার বিকল্প নেই। সহমত এবং সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২২
মনির হাসান বলেছেন: হজম শক্তি বাড়ান ধীবর সাহেব।

"উগ্র সাম্প্রদায়িক ঘৃণাবাদিদের মনে রাখা উচিত, ইসলাম কোন ল্যাম্পপোস্ট নয়, যে পথ চলা বেওয়ারিশ কুকুরের দল, ইচ্ছে করলেই সেখানে জল বিয়োগ করতে পারবে।"


উত্তেজিত হয়া এরম উপমা ব্যাবহার কইরা আপনি'ও আপনার ধর্ম ইসলামেরি অপমান করলেন।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: মনির হাসান ভাই, আমার ১১০টা পোস্টে এ ধরণের এটাই প্রথম লেখা। এর পরেও যদি হজম শক্তির কথা বলেন, সেটা দুঃখজনক। যে উপমার কথা বললেন, সে তো রুপকার্থেই বলাই। এটাকে আক্ষরিক জ্ঞান করাটা কি ঠিক হলো?

২৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


এইগুলো মস্তিস্ক বিকৃত লোক। নিজে যেই রকম সবাইকে ঐরকমই মনে করে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: সহমত কায়েস ভাই। কোন বিষয় নিয়ে মতদ্বৈততা থাকতেই পারে। কিন্ত জঘণ্য ও কদর্য ভাষায় আক্রমন কোন নীতির মধ্যেই পরে না। ধন্যবাদ।

২৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
হাসান মাহবুব বলেছেন: কিছু অতি ইসলামি জোশঅলা লোক এ্যান্টি ইসলামিকদের আক্রমণ করার সুজোগ করে দেয়।

আপনার পোস্টে +
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: সবচেয়ে দুঃখের কথা কি জানেন মাহবুব ভাই? আমাদের দেশের সিংহভাগ মানুষ সহনশীল হলেও, বাকিরা চরম উগ্রপন্থি। সেটা ধর্মের পক্ষ্যে এবং বিপক্ষ্যে দুদিকেই। অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

২৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
মো: মোফাচ্ছির হোসেন বলেছেন: জনৈক আরাফাত বলেছেন: লেখককে চিনিনা। লেখাটাকে বিবেচনা করেই প্রিয়তে নিলাম!
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: আমি অখ্যাত একজন সামান্য লেখক। না চেনাটাই স্বাভাবিক। লেখাটা প্রিয়তে নিয়ে সম্মান দেখানোর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। অনেক ধন্যবাদ।

২৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯
শ।মসীর বলেছেন: বামপন্থিদের সাথে নাকি পুজিবাদিদের সম্পর্ক আদায় কাঁচকলায়। কিন্তু ইসলামের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রদর্শনে এরা দেখি একজন আরেকজনের একান্ত সুহ্রদ।---ইসলামকে যাদের ভ্য়, তারা তো এক হবেই এর বিরুদ্ধে। না হলে যে ওদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।

কিছু আষ্তিক বেকুবের কাজ দেখেও আমার মাঝে মাঝে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। ডিটেইলস না বিঝে না জেনে ব্লগে দুলাইন লিখা দিয়া ভাবে বিশাল কিছু করে ফেলছেন। পাগল ছাগল নাস্তিক গুলানরে সাকো নাড়াতে কেন সুযোগ দেয় আমি বুঝিনা।

ভাল লাগল লিখাটা ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধর্মের পক্ষ্যে ও বিপক্ষ্যে এধরণের বাড়াবাড়ি করা আমারও পছন্দ না শামসির ভাই। মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

২৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
সবাক বলেছেন: সুকৌশলে ইসলামরে বাঁশ দেয়ার তীব্র নিন্দা জানাই।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: আপনার দু লাইন বেশি বুঝাটাকে আমি আমার লেখনি শক্তির দুর্বলতা বলেই জ্ঞান করছি। ধন্যবাদ।

২৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
লড়াকু বলেছেন: প্রথমেই বলি - আমার নিকের বয়স আর ব্লগ লেখার বয়স এক না। সুতরাং দয়া করে আমার স্ট্যাট তুলে ধরবেন না।

আপনাকে যত দূর দেখছি, ধর্ম সংক্রান্ত এবং ডানপন্থী রাজনীতি সংক্রান্ত পোস্টেই কমেন্ট করেন বেশি। সুতরাং ধর্ম সংক্রান্ত পোস্টে কমেন্ট করেন না কথাটা ভুল।

আপনাদের সমস্যা হল, শুরু থেকেই আপনারা ইসলামকে সর্বশ্রেষ্ঠ জীবন ব্যবস্থা বলে মেনে নিয়েছেন এবং যে কোন ধরনের সমালোচনা করা হলেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন। নিরপেক্ষ বিচার বিশ্লেষণের ক্ষমতা আপনাদের মাঝে অনেক আগেই লুপ্ত।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আমাকে খুব বেশি দুর দেখেননি বলেই আমার বিশ্বাস। সম্ভবত পরে মুখে ঝাল খেয়েছেন, অথবা নিক বদলে এসেছেন। সেটা না করলেও চলতো। কারণ শালিনতার মাত্রা না ছাড়ানো ভিন্নমতের প্রতি আমি পরিপুর্ণ শ্রদ্ধাশীল। একারণে আমার সাথে রাজনৈতিক আর্দশগত ভিন্নতা থাকলেও, অনেকের সাথে আমার মতামত বিনিময়টা নিয়মিতই আছে।

ধর্ম সংক্রান্ত এবং ধর্মের বিরুদ্ধে কুৎসিত আক্রমনের পার্থক্যটি করতে পারেনি বলেই বিশ্বাস করছি। যদি বাংলাদেশের পক্ষ্যে কথা বলাটাকেই আপনি ডানপন্থা বলে বিশ্বাস করেন, তাহলে স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসি প্রতিটি মানুষই ডানপন্থি।

যে কোন ধরণের সমালোচনার মধ্যে যদি আপনি গালাগাল কিংবা অশ্লিল সংলাপকেও অন্তর্ভুক্ত করে থাকেন, তাহলে সেটা আপনার চিন্তাশক্তির দৈন্যতা বলেই জ্ঞান করবো। চিন্তা এবং জ্ঞানের বিচারে মানুষ তার জীবনাদর্শ হিসেবে নিশ্চয় সর্বোত্তমটিই বেছে নেবে, তাই নয় কি? এখন তার চিন্তা বা জ্ঞানের শক্তিটিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবার জন্য যদি গালাগাল, বা কুৎসিত সমালোচনার পথটি বেছে নেয়, তবে আপনিই বলুন, সেটি সফল হবে কি? আর নিরপেক্ষতা যেহেতু আপেক্ষিক, সেহেতু আপনার কাছে তার মাপকাঠিটি কি, সেটা জানাবেন কি?

আপনার সুন্দর করে লেখা মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩০. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১১
সোনার বাংলা বলেছেন:

ভাইরে আপনি মনের কথা গুলা কইয়া দিছেন।
আপনাকে হাজার হাজার সালাম।

প্রিয়তে নিলাম।
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও প্রতি সালাম এবং ধন্যবাদ। কুৎসার বিরুদ্ধে ঘৃণার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া কর্তব্য জ্ঞান করছি।

৩১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
সাদাত হাসান বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। ধন্যবাদ।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫০

লেখক বলেছেন: সাম্প্রদায়িক ঘৃণাবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতেই হবে। নতুবা বিশ্ব চলে যাবে নস্টদের অধিকারে। মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৩২. ২১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৩:০৫
শেলী বলেছেন: বেহেস্ত দোযখ নিয়ে এত এলার্জীর কি আছে। বেহেস্তে সবচেয়ে বড় পুরস্কার আল্লাহর সন্তুষ্টি। তারা আল্লাহর উপর খুশি থাকবে আর আল্লাহ আর কোনোদিন তাদের উপর অসন্তুষ্ট হবেননা। আর হুরপরী নিয়ে বাড়াবাড়ি আমাদের দেশে করতে পারে কারণ দেশের educated লোকেরা ধর্ম নিয়ে পড়াশুনা করেনা। কাজেই তারা ওদের কথাই সত্য বলে ধরে নেয়। আমাদের নিজেদের আরবীটা শিখা উচিত। কোরান বুঝার মত। দেখবেনঅনেক সন্দেহ দূর হয়ে যাবে।
০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। কোরান না বুঝে পড়ার কারনে একে তো আমরা সঠিক জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হচ্ছি, তার উপর আমাদের এই অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে অনেকে আমাদের বিভ্রান্তির পথে ঠেলে দিয়েছে। ফলে ইসলামের নামে অনাচারে আমরা অভ্যস্থ হয়ে পড়ছি। শিক্ষিত মানুষদের অবশ্যই ধর্মজ্ঞান থাকা দরকার। সুন্দর মন্তব্যে সহমত এবং ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২০৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাংবাদিক কলামিস্ট
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই