আমার প্রিয় পোস্ট

সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল

বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ ( আস্পর্ধা) !

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২২

শেয়ারঃ
0 6 0



পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক যে একটা কমিটি আছে জানতাম না। কারণ এ তো ধারনার বাইরে একটা জিনিস। একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশের একটি অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক কোন মাথা ব্যাথা থাকাটাই তো চুড়ান্ত অসভ্যতা। তাই এর অস্তিত্ব নিয়ে কল্পনা করাটাও কস্টকর। অথচ অকল্পনীয় সেটাই বাস্তব হয়ে দেখা দিলো।

এবং আমার গত লেখাতেই যে ঘাটের মরা লর্ড এভেনেরির কথা লিখেছিলাম, তিনিই এই কমিটির প্রধান। মনে হচ্ছে, বৃটিশরা সশরীরে ভারত ত্যাগ করলেও, আত্মিক দিক দিয়ে এখনও, বিশেষ করে বাংলাদেশকে বাপের তালুক মনে করে থাকে। অন্তত ওই ঘাটের মরার কথা বার্তা শুনে তাই মনে হলো।

তবে আমাদের শাসকদের আশকারা না পেলে, এরা এত স্পর্ধা দেখানোর সাহস করতো না। যদিও পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতির চেয়ে ভারতের উঃ পুর্বাঞ্চলের অবস্থা শতগুণে বেশি নাজুক, এর পরেও সেখানে নাক গলানোর মত দুঃসাহস বাইরের কারো হচ্ছে না। কেননা ঘাটের মরাগুলি ভালো করেই জানে যে, সেখানে নাক গলাতে গেলে ভারতীয়রা তাদের বিষ্ঠাপুর্ণ সেই নাকটি ভালো করে কেটে নেবে।

সেই কমিটি বলেছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালিদের উচ্ছেদ করার জন্য রেশন বন্ধ করে দিতে হবে, সরকারি পর্যায়ে সকল সুযোগ সুবিধা বন্ধ করতে হবে, ওদেরকে সরিয়ে দেশের অন্যান্য স্থানে "পুনর্বাসন" করতে হবে, ইত্যাদি ইত্যাদি।

তর্কের খাতিরে ধরে নিচ্ছি যে, সেখানে না হয় বাঙালিরা জোর করে পাহাড়িদের উচ্ছেদ করে, সেখানে জমি দখল করে বসতি গড়েছে। শুভ বুদ্ধির যুক্তিতে এধরণের বসতি থাকা উচিত নয়। কিন্ত এ ধরণের ঘটনা তো চোখের সামনেই ঘটছে।

তাদের নাকের ডগায়ই তো ফিলিস্তিনের লাখ লাখ মানুষকে বাস্তচ্যুত করে, উদবাস্তু বানিয়ে বিতাড়িত করে কঠোর সাম্প্রদায়িক এক অদ্ভুত রাস্ট্র ইসরাইলের সৃস্টি করা হয়েছে। এই সাম্প্রদায়িক রাস্ট্রের খাই খাই তো দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে, ফলে বসতি গড়ার নামে আশে পাশে ছিটেফোটা সবই গিলে খাচ্ছে। আর এই গিলে খাওয়ায় যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, সেজন্য এই রাস্ট্রটির কোন সুনির্দিস্ট সীমারেখা নেই। জ্বি, ঠিকই শুনেছেন। যারা ইসরাইলকে রাস্ট্র বলে মনে করেন, তারা অনেকে এই কঠিন সত্যটি জানেন না, অনেকে জেনেও চুপটি করে থাকেন। পৃথিবীতে এই একটাই উদাহারন, যাদের রাস্ট্রীয় সীমানা না থাকলেও পশ্চিমারা এদেরকে রাস্ট্রির মর্যাদা দিয়ে থাকে।

আবার ধরুন কাশ্মিরের কথা। ভারত ভাগের সময় দুই পক্ষ্যে সমঝোতা হয়েছিল যে, একটি অঞ্চলের যে ধর্মের জনসংখ্যা সংখ্যাগুরু সে হিসেবে ভারত কিংবা পাকিস্তানের অন্তভুক্ত হবে। নিজামের হায়দারাবাদে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। তাই সেখানকার শাসক মুসলমান হলেও হায়দারাবাদ চলে যায় ভারতের দখলে। পক্ষান্তরে কাশ্মিরে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও, সেখানকার হিন্দু রাজা হরিসিং, ভারতভুক্তির পক্ষ্যে সাক্ষর করলে, সেটাকেই বেদবাক্য ধরে ভারত জোর করে কাশ্মিরকে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করে ফেলে। এই নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠলে, কাশ্মিরিদের ভোটে ব্যাপারটা ফয়সালা করার জন্য জাতিসংঘে একটি প্রস্তাব পাশ হয়। ব্যাস ওই পর্যন্তই। এখনও স্বাধিকারের জন্য কাশ্মিরিরা সংগ্রাম করে যাচ্ছে।

তো লর্ড এভেনেরির মত বুড়ো খাটাশটা এইসব দেখেও দেখছে না। কারণ সে জানে ইসরাইল বা ভারতের ব্যাপারে নাক গলালে, নাক কাটা যাবে। তাই তার অন্তরের খোশ পাচড়ার চুলকালি নিবারনে বেছে নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া এবং অধুনা বাংলাদেশকে।

তার যা বয়স বা শরীর স্বাস্থ্য তাতে তো মনে হয়না, ক্ষুদ্ধ দেশপ্রেমিক বাংলাদেশি কারো লাঠির একটা বাড়ি খেলে, সে আর পৃথিবির আলোর মুখ দেখবে। এর পরেও, সে বাড়ি বয়ে এসে, এধরণের বাংলাদেশ বিরোধী বক্তব্য দেবার সাহস পেয়েছে কি করে?

হ্যা, ঠিকই ধরেছেন। আমাদের বর্তমান সরকারে তার অগণিত ভক্ত এবং গূনগ্রাহি রয়েছে। এ ধরণে দেশদ্রোহি চাটুকারদের শরীরেই সবচেয়ে প্রথমে লাঠির বাড়ি পড়া উচিত।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৯
ধীবর বলেছেন: কিরে প্রক্সিনিক বেহায়া, সবার হাতে লাত্থি খাইয়াও তোর আক্কেল হইলো না। আবার আমার পোস্টে আইসোস? লজ্জা শরম থাকলে আর কুনুদিন আমার পোস্টে আসবি না।
২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
রাহি বলেছেন: জানিনা কোন অন্ধ পোষ্টে মায়নাস দিয়েছে !!! সামান্যতম দেশপ্রেম থাকলেও অন্তত এই পোষ্টে মায়নাস দিত না।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: যে ব্যাটা মাইনাস প্রদান করেছেন, তার নিক হচ্ছে "প্রক্সিনিক"। সে একটা ভারতীয়জাত রাজাকার। কেননা বাংলাদেশের পক্ষ্যে কিন্তু বিদেশ বা ভারতের বিপক্ষ্যে গেলেই সে আজে বাজে কমেন্ট করে। এ জন্য অনেকের ব্লগ থেকে তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এই রাজাকার থেকে নিজ ব্লগকে নিরাপদে রাখুন।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনার পয়েন্ট সঠিক। পার্বত্য চট্টগ্রামেও আমরা সেটলার দিয়ে ইসরায়েলের মতো দখল করে নেবো।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যের এঙ্গেলটা ধরতে পেরেছে অমি ভাই। এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু লেখা পড়েছি আহমেদ সফার একটি লেখায়। তার উপর ভিত্তি করে পরবর্তিতে লিখবো। পড়বেন আশা করি।

৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
রাহি বলেছেন: সেই কমিটি বলেছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালিদের উচ্ছেদ করার জন্য রেশন বন্ধ করে দিতে হবে, সরকারি পর্যায়ে সকল সুযোগ সুবিধা বন্ধ করতে হবে, ওদেরকে সরিয়ে দেশের অন্যান্য স্থানে "পুনর্বাসন" করতে হবে, ইত্যাদি।
ওরা এ-কথা বলার সাহস পেল কোথায় ? বর্তমান স্বৈরশাষক'ই এই অসভ্য'দের মদদ দিচ্ছে। বর্তমান স্বৈরশাষক সীমালঙ্গন করছে। অতিত থেকে এদের শিক্ষা নেয়া উচিত। অন্যতায়, এদের জন্যেও অপেক্ষা করছে এক ভয়াবহ পনের'ই আগস্ট।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার ফল, কোনদিনও ভালো হয়নি। তাই এপথে না চলাউ শ্রেয়। অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য রাহি ভাই।

৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৬
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:

পার্বত্য চট্টগ্রামেও আমরা সেটলার দিয়ে ইসরায়েলের মতো দখল করে নেবো।

===========

আপনি কি মনে করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আমাদের দখলে নাই....??
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রাম আমাদের অখন্ড অংশ। এই বিবেচনার বাইরে কোন আলোচনার প্রয়োজন নেই।

৬. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৩
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: প্রক্সিরতো ধুতি-পৈতা পরিধান করে মাথার চুল কামিয়ে হরে কৃষ্ন হরে রাম জপতে জপতে গয়া-কাশীর পথে থাকার কথা.....!! এই ভারতীয় রাজাকার এইখানে কি করে.....।??
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: এই প্রক্সিনিক ব্যাটাকে চলুন সবাই ব্লক করে রাখি।

৭. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৭
জাতি জানতে চায় বলেছেন: জটিল পোস্ট দিছেন ভাই! মিডিয়াতে এইটা নিয়া কোন কথা হয় না কেন (যদিও পেপার তেমন পড়ি না, কিন্তু খবর প্রচার হলে তা ঠিকই পাওয়া যায়)!!!! কথা হচ্ছে পার্বত্য আদিবাসীদের সাধারন নাগরিকের ন্যাজ্য অধিকার দেয়া হোক, কিন্তু অধিকারের নামে কোন বিশেষ অধিকার দেয়াটা বোকামি হবে!! তাদের কে দ্রুত আপন করে নেয়াটা জরুরী, কিন্তু সেটার জন্য বিশেষ চুক্তি কতটুকু ভাল হয়েছে!!

আর যেই শয়তানি চরিত্রের কথা বললেন তার ব্যাপারে মিডিয়া বা ব্লগের স্বাধীনতার স্বপক্ষের বুদ্ধিজীবি গোষ্ঠিদের তেমন বাৎচিত দেখিনা কেন??? উনারা কি এর সম্পর্কে কোনভাবে নিশ্চিত হয়েছেন যে এভেনেরি বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু???
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা আসলেই এক একটা চিজ। ফারাক্কার বিরুদ্ধে পশ্চিম বাংলার লেখকরা ছয়টার মত লেখা লিখলে, আমাদেরগুলি এ ব্যাপারে একটি লেখাও লেখেননি। তাহলে বুঝুন এই সব আতেলদের আনুগত্যের কেন্দ্রটি কোথায়। আর এদের দিয়ে শুধু রাজনৈতিক বক্ততা আর বিবৃতিবাজিওই শুধু চোখে পড়বে। দেশের বৃহত্তর ইস্যুগুলির ব্যাপারে ইনারা মুখে ফিডার দিয়ে বসে থাকেন।

৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৭
কল্যাণকামী বলেছেন: সেই কমিটি বলেছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালিদের উচ্ছেদ করার জন্য রেশন বন্ধ করে দিতে হবে, সরকারি পর্যায়ে সকল সুযোগ সুবিধা বন্ধ করতে হবে, ওদেরকে সরিয়ে দেশের অন্যান্য স্থানে "পুনর্বাসন" করতে হবে, ইত্যাদি। ওরা এ-কথা বলার সাহস পেল কোথায় ?
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩১

লেখক বলেছেন: এ প্রশ্ন দেশপ্রেমিকদের সবার কাছেই। আমাদের কি উচিত নয় এই সব বিদেশি ষড়যন্ত্রকারি আর এ দেশীয় সহযোগিদের টুটি চেপে ধরা?

৯. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: স্যরি টু সে, আহমদ ছফারে আমারে মনিষী, চিন্তাবিদ, জ্যোতিষী, রাজনৈতিক বিশ্লেষক- এইসব কিছুই মনে হয় না একজন বকাবাজ লোক ছাড়া। বিষয়টা নিয়া আমরা আলোচনা করতে পারি তথ্য উপাত্তের আলোকে। চলেন হয়ে যাক, আপনার পোস্টের অপেক্ষায়। আমারে খালি একটা গুতা দিয়া মনে করাইয়া দিয়েন।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: যে লেখাটার কথা বললাম, তার বক্তব্য আমিও যে শতভাগ সমর্থন করি, সেটা কিন্ত না। তার ইতিহাস বৃত্তান্তরই অনেক কিছুই আমি অনেক বর্ষিয়ান মানুষের কাছেই শুনেছি। তাই তাকে অবিশ্বাস করছি না। বাংলাদেশের অখন্ডতাকে এবং অন্যান্য অঞ্চলকে বিচ্ছিন্নতাবাদ মুক্ত রেখেও কি করে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব, সেটা তার লেখনিতে ফুটে উঠেছে বলেই, রেফারেন্স হিসেবে সেই লেখাটিকে সঙ্গি করছি।

ঠিক আছে, লেখা হলে, গুতা দিয়ে দেব।

১০. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬
চিরসবুজ-মানব বলেছেন: এই মহাজোট তথা আলীগ সরকারের বদন্যতায় এই বিদেশীরা বাংলাদেশের অখন্ডতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ষড়যন্ত্র করার সাহস পায়। এরপর এই ব্যাটা বাংলাদেশে আসলে তাকে জুতা দেখিয়ে তার প্রাপ্য সম্মান বুঝিয়ে দিতে হবে। ধীবর ভাইকে অনুরোধ পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সাথে সাথে ভারতের দাবীকৃত সুমুদ্র সীমার ব্যাপারে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের জাতিসংঘে আপত্তি জানানোর সম্ভাবানা কতটুকু? কারণ এই আপত্তি কিন্তু ২০১১ সালের মধ্যেই জাতিসংঘ কে জানাতে হবে। ধন্যবাদ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৫০

লেখক বলেছেন: বিবিসি বাংলার একটা অনুষ্ঠানে এই সমুদ্র সীমা বিষয়ক একজন প্রবাসি বিশেষজ্ঞের মতামত শুনেছিলাম। ( দুঃখিত, দিন তারিখ মনে নেই)। তার মতে এ ধরণের আপত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপনের জন্য যে বিশাল দক্ষযজ্ঞের প্রয়োজন, বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে তার তেমন কিছু নজরে পড়ছে না।

আর দুর্বল উপস্থাপনার কারণে যদি এই বিশাল সমুদ্র অঞ্চল আমাদের হাতছাড়া হয়ে যায়, তাহইলে আঃ লিগের পা থেকে মাথা পর্যন্ত সবাইকে শাস্তি দিলেও, সেটা আর পুনরদ্ধার করা যাবে না। তাই সরকারকে এই ব্যাপারে কাজ শুরু করার জন্য প্রচন্ড চাপ দেয়া ছাড়া গতি নেই।

আমাদের সব রাজনৈতিক দলেরই বিদেশপ্রীতি আছে। অনেক সময় বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে, এধরনে প্রীতি না থাকলেও চলে না। কিন্তু আঃ লিগ যেটা করে, সেটা শুধু দৃস্টিকটুই নয়, ক্ষেত্র বিশেষে সেটা বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থিও বটে। এধরণের মনোভাব ত্যাগ না করলে, আরেকটি চরম মুল্য তাদের দিতে হতে পারে।

১১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯
নুভান বলেছেন: আমরা দেশপ্রেম নিয়া চিল্লাই, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়া চিল্লাই, কিন্তু যেখানে দেশের স্বার্থ জড়িত সেখানে "পার্বত্য চট্টগ্রামেও আমরা সেটলার দিয়ে ইসরায়েলের মতো দখল করে নেবো" এই ধরনের মন্তব্য করি, আশ্চর্য ! চীনের এক ছেলের কাছে যদি আমি বলি তিব্বত, সিনজিয়াং বা তাইওয়ানের স্বাধীনতার কথা, তারা একবাক্যে বলে ওঠে ওগুলো চীনের অংশ, ভারতীয়দের কাশ্মীরের ব্যাপারে প্রশ্ন করলেও একই দ্বিরুক্তি আসবে, আর আমরা শালার বাঙ্গালগুলা তথাকথিত 'ভালো-মানুষ' ও 'সুশীল' সাজতে গিয়ে দেশের স্বার্থের কথা ভুলে যাই, ধিক তাদের।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ নুভান ভাই। দেশে দেশে স্বদেশের পক্ষ্যে কথা বলার, বিশ্ব জনমত তুলে ধরা ব্যাক্তিরাই সুশিল ভালো মানুষ বলে পরিচিত। আমাদের দেশে কেন এই বৈপরিত্য সেটা গবেষনার বিষয় বটে । বক্তব্যে সহমত।

১২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৫৮
জুল ভার্ন বলেছেন: সরকারের নতজানু পররাস্ট্র নীতি(দূর্ণীতি) আর বিদেশী শুকরদের পদলেহনের কারনেই বিদেশীরা বাংলাদেশের অখন্ডতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ষড়যন্ত্র করার সাহস পায়। আমাদের দেশীয় কিছু শিক্ষিত কিন্তু অর্বাচীন প্রফেসর মেজবা কামালের মত ব্যক্তিত্ব বিদেশীদের সাথে সুর মিলিয়ে দেশীয় স্বার্থ জলাঞ্জলী দিতে উঠে পরে লেগেছে। ধিক্কার জানাই সেই সব পরজীবি নরাধমদের।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: মেজবাহ কামালের মত অনেকেই বিদেশি সেবাদাস, এবং বিদেশের স্বার্থের কথা, অর্ধসত্য আর মিথ্যার মিশেলে জাতির কাছে বিক্রি করে থাকে। অসাধু মানুষ বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ্য । অথচ আমরা শিক্ষক হলেই সাধু জ্ঞানে তাদের যে শ্রদ্ধা ও সম্মান দান করে তাদের প্রতিটি কথাকেই বিশ্বাস করি, তার যোগ্য এরা নন। যত বড় পন্ডিতই হোক, দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যে অবস্থান গ্রহন করে, সে কোন অবস্থাতেই কোন রকম সম্মানের যোগ্য হতে পারে না। কেননা পুথিগত বিদ্যা তার থাকলেও, তার বিবেক পশুতুল্য।

আপনার করা প্রতিটি লাইনের সাথে সহমত জুলভার্ণ ভাই। অশেষ ধন্যবাদ।

১৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
বিপ্লব রহমান বলেছেন: পাহাড়ের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি:

১। নেদারল্যান্ড ভিত্তিক সিএইচটি (পার্বত্য চট্কটগ্রাম) কমিশন পার্বত্য শান্তিচুক্তির স্বাক্ষরের (২ ডিসেম্বর ১৯৯৭) অনেক আগে থেকেই পাহাড়ে সেনা শাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে 'লাইফ ইজ নট আওয়ার্স' নামে একাধিক সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। মানবাধিকার বিষয়ক এসব প্রতিবেদনে পাহাড়ি-বাঙালি সব ধরণের মানুষের মানবাধীকারের কথা তুলে ধরে। আমি নিজেও একমসময় এ কমিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম।

২। আপাত দৃষ্টে মনে হতে পারে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সিএইচটি কমিশন নাক গলাচ্ছে। কিন্তু একটু তলিয়ে দেখলে আসলে তা নয়। অ্যামোনেস্ট ইন্টারন্যাশনাল সারা বিশ্বে যে কাজ করে চলেছে, এই কমিশন পাহাড়ে সেই কাজটিই করছে।

৩। কমিশনই প্রথম আন্তর্জাতিক বিশ্বকে জানায়, পাহাড়ে বহু বছরের শোষনের কারণে জন্ম হয়েছে পাহাড়ি বিদ্রোহী গ্রুপ শান্তিবাহিনী; আর সেখানে শান্তিবাহিনী-সেনা বাহিনী রক্তক্ষয়ী বন্দুক যুদ্ধ চলছে। আবার শান্তিবাহিনী দমন ও পাহাড়ে আদিবাসী পাহাড়িদের জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট করার জন্য সেখানে রেশন নির্ভর বাঙালি সেটেলার গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। তারাও সেখানে কাটাচ্ছেন মানবেতর জীবন।

৪। বাঙালি সেটেলারদের কারণে পাহাড়ে চুক্তির আগে ও পরে জমির বিরোধ বাড়ছে। জটিলতর হচ্ছে। এখন সেটেলাররাও চান সেখানে রেশন নির্ভর মানবেতর জীবনের অবসান। পড়ুন, আরেক সহকর্মীর সরেজমিন লেখা Click This Link

বাঙালি সেটেলার সমস্যা সম্পর্কে আরো জানতে পড়ুন আমারব্লগ ডটকম-এ আমার ই-বুক 'রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে'। এছাড়া চটকরে এই লেখাটিতে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন। http://www.amarblog.com/BiplobRahman/73059

৫। বিতর্ক আশা করছি।
-
অমি রহমান পিয়ালকে এই লেখাটির লিংক দেয়ায় সাধুবাদ জানাই। অনেক ধন্যবাদ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে এই প্রথম আমার ব্লগে দেখলাম। সুস্বাগতম। আপনার ব্লগ ঘুরে আসলাম। গত দু বছরের উপরে, আপনি যতগুলি লেখা লিখেছেন, তার বেশির ভাগই দেখলাম শান্তিবাহিনীর প্রতি পক্ষপাতমুলক লেখা। আপনার লেখনির স্বাধীনতাকে সম্মান করেই বলতে চাই, বিতর্কের সময় যেন এ ধরণের পক্ষপাত, তথ্য আদান প্রদানে অন্তরায় না হয়ে দাড়ায়।

পার্ব্ব্য অঞ্চলে শান্তিবাহিনী সম্পুর্ণ অস্র ত্যাগ করেছে বলে যে কথাটি চালু আছে, তা বিতর্কের উর্ধে নয়। তাছাড়া মানবেন্দ্র লারমা হত্যায় সরাসরি যুক্ত থাকায় সন্ত লারমার প্রচলিত আইনে বিচার হোয়া বাঞ্চনিয়। বাকি বহু হত্যাকান্ড আমলে আনলে, শান্তিবাহিনীর সব সদস্যই বিচারের আওতায় পড়তে বাধ্য। আর সেখানে ইউ পি ডি এফ এর তৎপরতার কথা বিবেচনা করলে, এককভাবে সন্তু লারমারা যে, সেখানকার পাহাড়ি জনগোষ্ঠির একক নেতৃত্বের দাবিদার, সেকথা জোর দিয়ে বলা যায় কি?

আমাদের পার্বত্য অঞ্চলে একমাত্র ধর্মীয়করণ ছাড়া আর অন্য কোন কারণে নেদারল্যান্ড বা পশ্চিমের অন্যান্য ফিরিঙ্গিদের উদারতা প্রদর্শনের যুক্তি নেই। খৃষ্টিয়করণকে নিসকন্টক করার জন্য মুখে মানবাধিকারের বুলি আওরানো হচ্ছে। তাছাড়া নেদারল্যান্ডের নিজভুমিতেই তো অনেক মানবাধিকার লংঘিত হয়। আর সেখানকার সরকারি অবস্থান এমন একটি রাস্ট্রকে সমর্থন করে, যে রাস্ট্রটির মানবাধিকার লংঘনের কাহিনী, দু দুটি মহাযুদ্ধের ইতিহাসকেও ছাপিয়ে যায়। যাদের নিজেদেরই এত ক্ষুত, তারা কোন আস্পর্ধায় বাংলাদেশের ব্যাপারে নাক গলায়?

কিছু মনে করবেন না। ফিরিঙ্গিদের স্বাধীন বাংলাদেশের ভুমিতে যথেচ্ছাচার করার প্রতি আপনার সমর্থনকে, স্বাধীনচেতা এবং আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন কোন মানুষই মেনে নিতে পারবেন না। আর এমেনেস্টি নিয়ে সারা বিশ্বে যে একটা ধবল ইমেজ রয়েছে, সেটা মিডিয়ার একপেশে প্রচারনার ফসল বৈত নয়। আইরিন খানের ইসরাইলে গিয়ে সমমর্মিতা প্রদর্শন কিংবা বাংলাদেশের সন্ত্রাসিদের মৃত্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ, পক্ষান্তরে এমেনেস্টির আসল চেহারায় প্রকাশ করে দিয়েছে। তাই মানবাধিকার ধোয়া তোলা কোন ব্যাক্তি বা সংগঠনের প্রতি আস্থাহীন আমি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৯৪০০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাংবাদিক কলামিস্ট
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই