আমার প্রিয় পোস্ট

সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল

বিনা যুদ্ধে নাহি দেবো সুচাগ্র মেদেনি।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৫

শেয়ারঃ
0 28 0




দিন দিন কি হচ্ছে আমাদের? দেশপ্রেম আবার উগ্র হয় কি করে? এই দেশপ্রেম ছিল বলেই না বিনা বাক্য ব্যায়ে সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালি প্রাণ তুচ্ছ করে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। ৩০ লাখ তাজা প্রাণের বিনিময়ে পেয়েছি স্বাধীনতা। শত শত বছরের উপনিবেশবাদ আর নির্যাতনের শৃংখল ভেঙ্গে আমাদের মত করে ওই দেশপ্রেমের শক্তিতেই আপন দেশ পেয়েছি আমরা।

আজকাল স্কুল কলেজে কি পড়ানো হচ্ছে? কি শিখছে নতুন প্রজন্ম? সার্বভৌমত্বের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ ছিল যে এই জাতি, তারা কি করে, বিদেশিদের শিখিয়ে দেয়া বুলি কপচিয়ে সার্বভৌমত্বের ব্যাপারে আপোষকামি হয়ে পড়লো?

এই তো সেদিনও ফুল দেবার মহোৎসবে ২১শে পালিত হলো। মুখে লম্বা চওড়া কথা যারা বললেন, তারা আজ কোন ভুমিকায়?




পাকিস্থানি দুঃশাসনের বলি যে শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠি হয়েছিল এমন তো নয়। আমরা কি দিনের পর দিন, বছরের পর বছর কম শোষিত হয়েছিলাম?

কাপ্তাই লেক বানানোয় শত শত একর চাষযোগ্য জমি আর বাসস্থান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল হাজার হাজার পাহাড়ি ভাই। ইতিহাসে সেরকমই লেখা আছে। সে দায় আমরা বাঙ্গালিরা কেন নেব? আমরা কি সেই দুঃশাসনের সহযোগি ছিলাম। অথচ মুক্তিযুদ্ধে সেই জনগোষ্ঠির রাজাবাবু সাঙ্গ পাঙ্গ নিয়ে ঠিকই রাজাকারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। সে প্রশ্নের উত্তর কে দেবে?

যুদ্ধবিধস্ত বাংলাদেশে যখন চারিদিকে স্বজন হারানোদের আহাজারি, লাঞ্ছিত মা বোনরা ভবিষ্যতের চিন্তায় দিশেহারা, বেচে থাকার জন্য সবাই যখন অন্ন সংস্থানের জন্য উদ্বিগ্ন, তখন ওই জনগোষ্ঠির প্রতিনিধি হয়ে সন্ত লারমা, বঙ্গবন্ধুর কাছে নানা আবদার নিয়ে হাজির। আরে? সারা দেশের কোটি কোটি মানুষ জীবন সংগ্রামে লিপ্ত। সেখানে দেশকে বড় করে না দেখে ক্ষুদ্র জারিসত্ত্বার স্বার্থপর দাবি উপস্থাপন, বঙ্গবন্ধুকে খানিকটা বিরক্ত করবে না? ওদের বাঙ্গালি হয়ে যাবার পরামর্শ এজন্যই দেয়া হয়েছিল, যেন তারা বৃহত্তর জনগোষ্ঠির দুঃখ দুর্দশা খানিকটা বুঝতে পারে।

কিসের কি? বাবুরা মহা অভিমান করলেন। সারা দেশ জাহান্নামে যাক, কোন ক্ষতি নেই । তারা ভালো থাকলেই ভালো। অস্র হাতে নিয়ে খোদ বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই যুদ্ধে নেমে গেলো তারা।

৩০ লাখ শহিদের রক্তের মর্যাদা দিতেই তাই বিচ্ছিন্নতাবাদিদের দমনের নির্দেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। এবং দেশপ্রেম উদ্ভুত রাস্ট্রনায়কোচিত যথাযথ পদক্ষেপই ছিল সেটা।

পরবর্তিতে শাসককুল ওই একই ধারা অব্যাহত রেখেছিল। যদি এই বিচ্ছিন্নতাবাদকে লালন ধারণ না করা হতো, তাহলে নিশ্চই শান্তিপুর্ণ সমাধানে অনেক আগেই পৌছানো যেত। কিন্ত ঐ যে? ভারতের উস্কানিতে সন্ত্রাসবাদ মাথায় ঢুকে তাদের মন মানসিকতার কোন পরিবর্তন হয়নি। উল্টো ৯৬ এ ভারতের প্রভাবকে সঙ্গি করে, হাসিনার মাথায় হাত বুলিয়ে ঠিকই এমন সব চুক্তি করে তথাকথিত শান্তি আনলো যা বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। (বিস্তারিত যাচ্ছি না, ফিউশন ফাইভের সাম্প্রতিক লেখাতেই একজন সহব্লগার তার বিস্তারিত লিখেছেন)।

৯৬ এ হাসিনা চুক্তি করেছিলেন বটে, বাস্তবায়নের সাহস করেননি। কি করে করবেন? স্বাধীনতা বিরোধী কোন কিছু বাস্তবায়ন করলে না থাকতো চামড়া না থাকতো গদি। এমনি ২০০৭ সালে নিরংকুশ ক্ষমতায় থাকলেও, সেই ঝুঁকি হাসিনা নেননি।

কিন্তু অপর পক্ষ এতোদিনে বেশ চালাক হয়ে গিয়েছে। বহু আগে থেকেই সেখানে এন জি ও নামের বিদেশি প্রভুভক্তদের জামাই আদরে পালন করে আসছে বিচ্ছিন্নতাবাদি সন্ত্রাসিরা। একদা সারা বিশ্বকে জলদস্যুতা আর উপনিবেশবাদ দিয়ে জ্বালিয়ে ছারখার করে দেয়া নব্য সুসভ্যরা এখন কোন প্রটোকলের ধার না ধেরেই দলে দলে বিচ্ছিন্নবাদিদের আতিথ্য গ্রহনের সুযোগ নিচ্ছে।

নইলে আমাদের দেশের সাধারণ গ্রাম বাংলার শিশু কিশোররা যখন দু মুঠো পান্তা ভাত খেয়ে বড় হয়েছে, সেখানে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িরা বিদেশি রুটি মাখন পনির খাচ্ছে কি করে? ( এ কথা প্রাক্তন এক শান্তিবাহিনীর সদস্যের মুখে শোনা)। দেশি সস্তা সাবান মেখে শরীরের ক্লেদ দুর করা সাধারণ মানুষদের বিপরীতে বিদেশি গন্ধ সাবানের মৌ মৌ করে কেন পাহাড়ীদের শরীর?

কি চায় আসলে পাহাড়ীরা? সমমর্যাদা? নিরাপত্তা? বাসস্থান?

এর কোনটায় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সুখের সাগরে ভাসছে? সমমর্যাদা আছে সাধারণ মানুষের জন্য? নিরাপত্তাহীনতায় কে ভুগছে না? ভুমিখেকোদের চোখ পড়লে, কোন সাধারণ মানুষের উপায় আছে তাকে প্রতিরোধের? কটা সাধারণ মানুষ এই নিপীড়িনের বিপরীতে অস্র হাতে তুলে নিয়েছে? প্রতি বছর বন্যায় খরায় মঙ্গায় পীড়িত কোন সাধারণ মানুষ বলেছে, যে বাংলাদেশে থাকবো না, স্বাধীন আরেকটা দেশ চাই? তবে তোমাদের এত খাই এর বাই কিসের? এত লাটসাহেবীও বা কেন? নাকি সভ্যতার মুখোশ ঢাকা ঔপনিবেশকরা কোন বিশেষ আশ্বাস দিয়ে রেখেছে? নাকি মনে করো বাঙ্গালিরা বাত্য আর তোমরা রাজার জাত?

স্বার্থপরের মত তোমরাই ভালো থাকবে, বাকিরা জাহান্নামে যাক, এই মনবৃত্তি উদ্ভুত বিচ্ছিন্নবাদিদের সুরে সুর মেলাচ্ছে কারা? সুলতানা কামাল চক্রবর্তিরা? যারা শশুড়বাড়ির আচারকে একমাত্র বাঙ্গালি আচার বলে জাতিকে গেলাতে চাচ্ছে? সিমিন হোসেনের মত উঠতি বয়সের নাদান উকিল? যারা দাদা বাড়ি ভারতে আর নানা বাড়ি পাকিস্থানে।

মুখে মানবতা, মানবাধিকার নিয়ে ফেনা তোলাদের তো যথেষ্ট দেখা আছে। এদের সবগুলির গোড়াই একটি নির্দিস্ট চরম উগ্রবাদি সাম্প্রদায়িক আদর্শে বাধা। এক নায়কতান্ত্রিক বিশ্বায়নকে নিঃস্কন্টক করতে দেশে দেশে ওই সস্তা বুলি আওড়ানো একদল দালাল তারা তৈরি করেই রেখেছে। যথাসময়ে এদের মাঠে নামিয়ে নিজেদের স্বার্থোদ্ধার করানো হয়ে থাকে।

এই সব পুতু পুতু রবারের মেরুদন্ডিরা, কবিতা লেখে, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড করে অবসর কাটায়। আর সুতোয় টান পড়লেই শিয়ালের মত মানবাধিকার গেলো সভ্যতা গেলো বলে এক সাথে চিৎকার করে উঠে। তা খুনি, ধর্ষক, চাদাবাজ সন্ত্রাসিদের পক্ষ্যে গেলে যাক। অদৃশ্য সুতার টান বলে কথা!

এই সব পুতু পুতুরা মুক্তিযুদ্ধের সময়েও চাচা আপন প্রাণ বাচা বলে গা ঢাকা দিয়েছিল। তাই এই সব পুতু পুতুদের সুশিলিয় শুদ্ধু শুদ্ধু চোয়ালবাজিতে কান দেবার প্রয়োজন নেই।

যে সব পাহাড়িরা বিভ্রান্ত, তাদেরকে সুপথে আসতে হবে। তাদের কু মতলবদের লাইন ছেড়ে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অনুগত থাকতেই হবে। কেউ এখানে জমি কিনতে পারবে না, খনিজ সম্পদ উত্তোলনে তাদের অনুমতি লাগবে, সেই সুত্রে প্রাপ্ত আয় সব ওখানেই ব্যায় করতে হবে, সেনাবাহিনি থাকতে পারবে না, বাঙ্গালিদের সেটেলার বলে সেখান থেকে সরিয়ে দিতে হবে, এই সব চুদুর বুদুর দেশদ্রোহি কথায়, শান্তি আসবে না।

বিনা যুদ্ধে যখন ২৫ শে মার্চের গণহত্যার পরেও বাঙ্গালিদের দমানো যায়নি, সেখানে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুদ্ধ হবেই। ১৫ কোটির মধ্যে যদি এক কোটিও দেশ রক্ষায় নামে, তখন পুতু পুতুর দল, এন জি ও আর ওই সব গোড়ামুখোরা পালিয়েও কুল পাবে না।

সময় আছে, তাই বিদেশি ষড়যন্ত্রকারিদের হাতের পুতুল হয়ে থেকো না। চলো পাহাড়ি বাঙ্গালি মিলে সবাই প্রিয় স্বদেশ বাংলাদেশকে জাতি ধর্ম ভাষা নির্বিশেষে সত্যিকারের সোনার দেশে পরিণত করি।



 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৮
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: বিনা যুদ্ধে নাহি দেবো সুচাগ্র মেদেনি।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেনারেশন ৭৫ ভাই। সব দেশপ্রেমিক একই কথা বলেছে এবং চিরকাল বলবে।

২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩১
লড়াকু বলেছেন: অতএব আমাদের উচিত পাহাড়িদের ব্রাশ ফায়ার করে মারা, ওদের বাড়িতে আগুন দেওয়া। তোরা শালা বাংলায় কথা কস না, আর বাংলাদেশে থাকতে চাস? র এর টাকা খেয়ে অনেক মোটাতাজা হয়েছিস, আর না।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: এর বিপরীতে আসল মনের কথা বলুন। কোটি কোটি মানুষের কোন অধিকার থাকবে না। তারা কয়েক হাজার সন্ত্রাসির ভয়ে আপন ভুমিতেই পরবাসি হয়ে থাকবে। এই যদি আপনার মনবৃত্তি, তবে আপনিও রবার মেরুদন্ডি পুতু পুতুদের দলভক্ত হলেন।

৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৭
পারভেজ আলম বলেছেন: ড়াকু বলেছেন: অতএব আমাদের উচিত পাহাড়িদের ব্রাশ ফায়ার করে মারা, ওদের বাড়িতে আগুন দেওয়া। তোরা শালা বাংলায় কথা কস না, আর বাংলাদেশে থাকতে চাস? র এর টাকা খেয়ে অনেক মোটাতাজা হয়েছিস, আর না।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: চুশিলিয় মিয়াভাই, এই লেখা থেকে পারলে কিছু শিখেন। হারা জীবনই অন্য মাইনষ্যের কথা নকল কইরা লিখলেন, অহন নিজে কিছু লেহেন। নইলে ভাতা বন হইয়া যাইবো।

৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪২
মঈনউদ্দিন বলেছেন: হাজার হাজার বাংগালী হত্যাকারী পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের ভালো মানুষ সাজানোর চেষ্টায় উঠে পড়ে লেগেছে একশ্রেনীর ভারতীয় পেইড সাংবাদিক ও পেইড ব্লগার। ছি!!!!!!!!


এই পুতু পুতুদের
রাষ্ট্রদ্রোহী আইনে বিচার করা হোক
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: আমাদের সার্বভৌমত্বে উপর প্রথম আঘাত এই দালালদের মধ্যে দিয়েই আসবে। তাই বিচারের ব্যাপারে আপনার সাথে পুর্ণ সহমত। অনেক ধন্যবাদ।

৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৬
তীরান্দাজ বলেছেন:
বিনা যুদ্ধে নাহি দেবো সুচাগ্র মেদেনি

এমন সাহসী মন্তব্যই আসা উচিৎ ছিল আমাদের প্রত্যেকের মুখ থেকে।
ব্লগ করে শান্তি আনা যাবে না। আমাদের তর্ক-বিতর্কে কর্তৃপক্ষ এতটুকু টলবেনা। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে এতটুকু পরিবর্তন আসবে না। তবে এই তর্ক-বিতর্ক থেকে আমাদের চিন্তাচেতনার বহি:প্রকাশ ঘটছে। হতাশার সাথে দেখছি যে- একটি নতজানু প্রজন্ম তৈরী হচ্ছে। আশংকা করছি- এ দেশ আমাদের থাকবে তো?
@ লড়াকু: এমন মন্তব্য উচিত নয়। ধর্ম বর্ণের বৈচিত্র না থাকলে হয় না। পাহাড়ী বাঙ্গালী মিলেই আমাদের সমাজ সংস্কৃতি। এখানে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করছে দেশী-বিদেশী এনজিও এবং আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। আমি সরজমিনে দেখেছি পার্বত্য চট্টগ্রামে আমাদের সেনাবাহিনীর গাড়ীর চেয়ে এনজিও এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গাড়ীর সংখ্যা অনেক বেশী।

আমাদের শপথ করতে হবে-
"বিনা যুদ্ধে নাহি দেবো সুচাগ্র মেদেনি"
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তীরান্দাজ ভাই। আমাদের দেশ আমাদেরই রক্ষা করতে হবে। আমাদের সাহসের ভিত্তি আমাদের পুর্বসুরিরা তো তৈরি করেই গিয়েছেন। তাই ভয় করবো কাদের? কিসের ভয়? সমগ্র জনতার রুদ্ররোষকে ভয় পায় না, এমন কোন মহাশক্তি নেই পৃথিবিতে। তাই রবার মেরুদন্ডি পুতুপুতুদের আস্কারা দিয়ে মাথায় তোলার অবকাশ নেই।

আপনি যা দেখেছেন, জেনেছেন, এটা আমার জানা আছে অনেক বছর আগে থেকেই। যতই জেনেছি, ততই আশংকা জেগেছে। এই তাহলে "নির্যাতনের" আসল কাহিনী?

আর ওই লড়াকু নামের ডরাকুরা কি বলবো? ইচ্ছে করে বলি, কাপুরুষতা ঢাকতে আর কত মানবাধিকারের বুলি কপচাবেন?

আপনার সাথে কন্ঠ মিলিয়ে আবার বলতে চাই, বিনা যুদ্ধে নাহি দেব সুচাগ্র মেদেনি।

৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৬
ভন্ডপি২ বলেছেন: যুদ্ধ যুদ্ধ কইরা মুখে ফেনা তুলতাছেন কেলা। আফনেগো মত ইহুদি ইজরায়েলে আছে দেইখাই ফিলিস্তিনি শিশুরা আজও মরে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: এক কাম করেন। নতুন কইরা কেলস ফাইবে ভর্তি হন। যে জ্ঞানের কথা কইলেন, ওইটা শুনলে প্রাইমারির ছাত্ররাও হাসবো। কই ফিলিস্তিন আর কই বাংলাদেশ? যান ভালো কইরা আগে ইতিহাস শিক্ষা কইরা আসেন।

৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০১
জুল ভার্ন বলেছেন: ধীবর ভাই, অসম্ভব সুন্দর লিখেছেন! আপনি মুল সমস্যাটা তুলে ধরেছেন!!ইউ হ্যাভ ডান এ গুড জব!!! অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার লেখার বক্তব্যের সাথে সম্পুর্ণ একমত।
আপনি লিখেছেন-"কি চায় আসলে পাহাড়ীরা? সমমর্যাদা? নিরাপত্তা? বাসস্থান?"
এই প্রশ্নের উত্তর আমি আমার মতো করে ব্লতে চাইঃ-

ওরা(পাহাড়ীরা) চায় প্রতিবেশী দেশের উস্কানীতে স্বাধীনতা। প্রতিবেশী দেশ চায়-প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর সমগ্র বাংলাদেশের এক দশমাংশ বাংলাদেশ থেকে আলাদা করে বাংলাদেশের রাস্ট্রীয় অবকাঠামো ধংশ করে এদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করে সিকিমের মত একটা অংগ রাজ্য করতে। ওদের দোশর আমাদের দেশীয় নব্য শুশীল রাজাকার এডভোকেট সুলতানা কামাল চক্রবর্তী, বালেস্টার সারা হোসেন, অধ্যাপক মেঝবা কামাল গংরা ভারতের কাছ থেকে প্রগতিশীল শুশীল সার্টিফিকেট যোগার করতে। ইউ এন ডি পি, ডাব্লু এফ পি'র সব বড় কর্তারাই ভারতীয় নাগরিক। তারা জাতিসংঘের নাম ব্যবহার করে -ভারতের কায়েমী স্বার্থ চরিতার্থ করতে চায়।

(আমার প্রথম মন্তব্যটা মুছে দেবার জন্য অনুরোধ করছি)
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: নতুন কিছু তথ্য যোগ করে দেয়াতে আমার লেখাটি পুর্ণতা পেলো। এই সব দো আশলারাই আমাদের দেশের আসল শত্রু।

কার ভয়ে পুতু পুতু করে মিন মিন করবো বলুন? তাই যথারীতি কাঠামো বাদ দিয়ে, স্পস্ট করেই কিছু সত্য কথা লিখতেই হলো। কারণ মুস্টিমেয় হলেও, এই সব মিসেস চকোত্তিরা দেশের মুখপাত্র সেজে বসেছে। আর তাই কাচা মাথার অনেকেই বিভ্রান্ত হতে পারে। শক্ত সোজা সাপটা কথা ছাড়া এই বিভ্রান্তি দুর করা যাবে না।

জায়নবাদিদের সাথে হিন্দুত্ববাদিদের মধুচন্দ্রিমা চলছে। তাই জায়নবাদিদের নিয়ন্ত্রনাধিন অনেক প্রতিষ্ঠানেই হিন্দুত্ববাদিরা আদিপত্য করবে, এতে অবাক হবার কিছু নেই। ক্রোধ তখনই সৃস্টি হয়, যখন মানবাধিকার আর ধর্মনিরপেক্ষতার আড়ালে এই সব উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠি, নিজেদের ধোয়া তুলসি পাতা বলে পরিচইয় দেয়। আর মিসেস চকোত্তিরা ওদেরই শেখানো বুলি কপচিয়ে, দেশের সার্বভৌমত্বের বিরোধিতা করে।

অনেক হয়েছে। কালোকে কালো সাদাকে সাদা বলতেই হবে।

অনেক কৃতজ্ঞতা আপনার মন্তব্য এবং নতুন তথ্যের জন্য। ধন্যবাদ।

৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১১
অন্তীম বলেছেন: পাহাড়ের মোট জনসংখ্যার ৫৪% বাঙালীর কোন অধিকার নাই অধিকার আছে শুধু মাত্র ২৪% চাকমা সন্ত্রাসীর , যেই সব খানকির পুলারা এই আবাল থিয়রীতে বিশ্বাস করে ওরা আসলেই বেজন্মা।

সেই সব চুচিলকে পাহাড়ী শুয়োর দিয়ে লাগানো উচিত।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: অন্তীম ভাই, আপনার আবেগ অমুলক নয়। গালি নয় শাস্তি নিশ্চিত করাটাই প্রধান দাবি। ধন্যবাদ।

৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২২
লড়াকু বলেছেন: @ তীরান্দাজ: ধর্ম বর্ণের বৈচিত্র্য আবার কি? এই দেশে মালাউন, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, নাস্তিক, পাহাড়ি ইত্যাদির কোন জায়গা নাই। হিন্দুস্তানের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হবে যে কোন মূল্যে।
১০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৩
জুল ভার্ন বলেছেন: ধীবর ভাই, বিডি নিউজে দেখলাম- এই সমস্যাকে আন্তর্জাতিকী করার জন্য ইতোমধ্যেই 'এশিয়ান হিউম্যান সেন্টার ফর রাইটস(দিল্লী)' , এবং তাদের এদেশীয় দোশর 'পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশন'(সি এইচ টি)'র সভাপতি এডভোকেট সুলতানা কামাল, সাধারন সম্পাদক ব্যারিস্টার সারা হোসেন, 'বাংলাদেশ আদিবাসী সংগঠনের' প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক মেজবা কামাল জাতিসংঘের কাছে "আদিবাসী রক্ষা"র নামে "আকুল আবেদন" জানিয়ে বিষয়টাকে জটিল করে তুলেছে।যারাই উস্কে দিয়ে পাহাড়ে অশান্তি সৃস্টি করিয়েছে এবং সুদুর প্রশারী পরিকল্পনা মতো আদিবাসী রক্ষার মাতম তুলে তারাই জাতিসংঘের দারস্থ হয়েছে।

আমি মনে করি-এই সমস্যাটা সম্পুর্ণ বাংলাদেশেরে আভ্যন্তরীণ সমস্যা।এখানে পাহাড়ী-বাংগালী বিভক্তির সৃস্টি করছে কিছু মিডিয়া, এন জি ও, দুটি ইউ এন সংস্থা।

পাহাড়ী/ বাংগালী সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলাদেশের সকল নাগরিক সংবিধান স্বীকৃত সুবিধা সর্বত্র সমান ভাবে ভোগ করবে-এটাই হতে হবে পার্বত্য চট্টগ্রামেও।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: এগুলো যে নব্য রাজাকারদের নতুন রঙ্গ, সেটা বুঝতে আর বাকি নেই। ভারতকে নানান সুবিধা লোক চক্ষুর অন্তরালে সেরে ফেলার জন্য একের পর এক নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে। নইলে হঠাৎ করে এত আগুন জ্বলে উঠলো কেন? বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে, যারা আভ্যন্তরিন ব্যাপারে বিদেশের হস্তক্ষেপ দাবি করে, ওরা জারজ দালাল নব্য রাজাকার। ওদের সমুচিত শাস্তি হওয়া দরকার।

৫৬ হাজার বর্গমাইলের স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি প্রতিটা নাগরিকের অধিকার। সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদের কথা আনলে, শান্তি বিঘ্নিত হবেই। অনেক ধন্যবাদ আরো কিছু গুরুত্বপুর্ণ তথ্য সংযুক্তির জন্য।

১১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: জটিল বলছেনরে ভাই! তেনারা কখন মানবিক হন আর কখন অমানবিক হন তা বোধ হয় উনাদের হাই কমান্ড থেকে নির্ধারিত হয়! যখন কেউ মারা যায় তখন পরিচয়টাই উনাদের মূল টার্গেট! যদি সংখ্যালঘু বা আদিবাসী হয় তাহলে তো কথাই নাই! তখন উনাদের লেখায় ফুটে উঠে চরম মানবিক বিপর্যয়ের কাহিনী! আর যদি পরিচয় হয় রাজনৈতিক তখন সেটা হয় মারাত্মক নয়ত বিচ্ছিন্ন! একই বিষয়ে এরা যে কত ধরনের রং লাগাইতে পারে তার কোন ইয়ত্তা নাই! মাঝে মাইধ্যে সন্দেহ হয় এনাদেরকে আল্লাহ মাটি ছাড়া অন্য কিছু দিয়া বানাইছে নাকি!

আর সব কিছুতেই সেনাবাহিনীর দোষ দেখে (ব্যতিক্রম শুধু ক্ষমতায় যাওয়া ছাড়া, তখন সেনাবাহিনী তাদের ভাষায় প্রকৃত দেশ প্রেমিক)! অথচ সেনাবাহিনী সরকারের নির্দেশের আওতায়! তার উপর ভারতীয় পাহাড়ী জঙ্গী ধরা পড়ায় সন্দেহ হচ্ছে ভারত তাদের আন্ঞ্চলিক ইস্যুর সাথে বাংলাদেশকে জড়ানোর চেষ্টা হিসেবে এই সহিংস ঘটনার পেছনে কাজ করছে! অথচ সরকার শান্তি চুক্তির মতো অযৌক্তিক চুক্তি করে সেখানে অস্বাভাবিক পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে! তারা নাম-বদলে শত-হাজার কোটি টাকা অপচয় না করে পাহাড়ী অন্ঞ্চলের উন্নয়ন ও ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরনের ব্যবস্থা নিতে পারত! এভাবে অস্বাভাবিক পরিবেশ দীর্ঘদিন বজায় থাকলে একসময় সেখানে বেনিয়াদের অনুপ্রবেশ ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে!
০১ লা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: যে দেশে এধরণের দালাল বিদ্যমান, সে দেশে মাথা খাটিয়ে দালাল সৃস্টি করার প্রয়োজনই হয় না বিদেশি ষড়যন্ত্রকারিদের।

চমৎকার নাতিদীর্ঘ আলোচনায় অনেকদিন এক সাথে উন্মোচিত হয়েছে। দুঃখের কথা হলো, আমরা সাধারণ মানুষরা এই দু একটা কথা বুঝলেও, কেন মসনদে আসীন উনারা বোঝেন না সেটা বিরাট প্রশ্ন।

অবশেষে সুন্দর এবং চিন্তা জাগানিয়া মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আর অশেষ কৃতজ্ঞতা।

১২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪
ওরাকল বলেছেন: আমিও হতে চাই সেই ১ কোটির ১জন।

যুদ্ধ শুধু অস্ত্র হাতেই হয় না, যেখানেই বাংলাদেশের স্বাধিনতা আক্রান্ত হবে সেখানেই জাপাব আমরা। যদি প্রয়োজন হয় তবে অস্ত্র হাতেও তৈরী যেমন তৈরী ছিল আমার বাবা-চাচা।

ভিন্ন মত-পথ আমাদের থাকতেই পারে তবে স্বাধিনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোন বিরোধ নাই, এটা আমার-আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন।

অসম্ভব সুন্দর উপস্থাপনার জন্য ধন্যবাদ।
০১ লা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ওরাকল ভাই। বস্তুত আপনার চাওয়াটাই সাধারণ দেশপ্রেমিক মানুষের মনের চাওয়া। অস্র দিয়ে স্বাধীনতা এনেছি, স্বাধীনতা রাখতেও অস্র হাতে তুলে নেবোই। এটাই আসল দেশপ্রেম।

আপনাকেও সংগ্রামি স্বাধীন বাংলাদেশের চেতনার জন্য অনেক ধন্যবাদ ওরাকল ভাই।

১৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯
বিডি আইডল বলেছেন: এই পোষ্টের কোন বক্তব্যে বাইনচোত সুশীলদের পছন্দ হয় নাই সেটা ঠিক বোধগম্য নয়....এই বাইনচোত সুশীলরা কি চায় যে সেখান থেকে ৫৪% বাঙ্গালীরে পোটলা-পুটলি নিয়া এইসব বাইনচোত সুশীলদের বাসায় আইনা রাখা হোক? তাতেও যদি পাহাড়ীদের নিজ ভূমিতে স্বকীয়তা থাকে?
০১ লা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: যে সুশিলরা তাদের গ্রামের আপন স্বজনদের শহরে নিজেদের বাড়িতে রাখতে নাক সিটকায়, তারা রাখবে পাহাড়ি বাঙ্গালিদের? আর এই সুশিলদের পাইলেস এর বেদনার একটাই কারণ। সেটা হলো, সত্য প্রকাশিত হলে, ওদের ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে।

দেরিতে প্রতি মন্তব্যের জন্য দুঃখিত। ভালো থাকবেন।

অটঃ ঐ ছবিগুলির কোন স্ট্রিমিং লিংক পেয়েছেন?

১৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫১
লুৎফুল কাদের বলেছেন: সুশিলদের গদাম সহকারে ভারতে পাঠানো হোক.
০১ লা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: ঐ ভুল অটুকু করা যাবে না। তাহলে শত্রু ভারতের হাতে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের আরেকটা হাতিয়ার তুলে দেয়া হবে। তার চেয়ে দেশদ্রোহিতার জন্য সরাসরি লটকে দিলেই ল্যাঠা চুকে যাবে।

১৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২২
অলস ছেলে বলেছেন: সুশীল আর বাঘের ভেকধারী শিয়াল মানবতার জয়জয়কার তথাকথিত শিক্ষিত দের মধ্যে। তাহলে সাধারণ কৃষক শ্রমিক মুর্খরাই তো ভালো। এই সুশীলগুলাকে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেটেল করে দেয়া হোক, ওখান থেকে আমজনতাকে এনে ঢাকায় এদের জায়গায় বসানো হোক।
০১ লা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: এই রকম এক ভেকধারির হাড়ির খবর হলো, ব্যাটা উচ্চশিক্ষিতের পাট নেয়, আসলে মাত্র ম্যাট্রিক পাশ। সে নাকি আবার সাংবাদিক/সম্পাদক। কে এই ব্যাটা? যে কিনা কথায় কথায় কলিকাতায় গিয়া মানবতার লেকচার মারায়।

ধন্যবাদ অলস ছেলে ভাই। মন্তব্যের সাথে পুর্ণ সহমত।

১৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৯
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। ধীবর ভাই সামনে কঠিন সময় আসছে। তাই জনগণের আন্দোলন ছাড়া অন্যকোন পথ নাই। ৫২, ৬৯, ৭১, ৭৫, ৯০ জনগণ ভুল করে নাই। আল্লাহ আমাদের সহায় হৌন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৩০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাংবাদিক কলামিস্ট
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই