somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কমিশন খাবেন, খান। দেশের মানুষকে এত কস্ট দিচ্ছেন কোন অধিকারে?

০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চারিদিকে

নেই নেই নেই। পানি নেই বিদ্যুত নেই গ্যাস নেই। এর মাঝে বেঁচে থাকাকেও কি বেঁচে থাকা বলে? মানলাম এ আগের সরকারের কুকর্মের ফসল। তাহলে আগের সরকারের দন্ডমুন্ডের কর্তারা বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন না কেন? সরকারের বিরোধীতা করার জন্য তো মামলা হামলা কম হচ্ছে না! তাহলে জনদুর্ভোগকে এই অসহনীয় পরিস্থিতির মুখোমুখি দার করানোর হোতারা কেন বিচারের বাইরে থাকবে?




এটা যে একদিনের ব্যার্থতার কারণে হয়নি, সেটা বোধবুদ্ধিসম্পন্ন সবাই বোঝে। একদিনেও যে এর প্রতিকার হবে, সেটাও তো কেউ দাবি করছে না। অন্তত উদ্যোগটুকু তো নিতে পারতেন?



তা না করে নামকরণ আর নাম বদলের ঘৃণ্য নির্লজ্জ প্রতিযোগিতা, ঘড়ির কাটা বদল, এটা ওটা ব্যাবহার করা যাবে না বলে আইনি ফতোয়া, ২০১৩ সালের মধ্যে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদনের মুলা ঝুলিয়ে মিছে আশা দেওয়া, এসব শুধু ব্যার্থতা ঢাকার দৃস্টিকটু অপচেস্টাই নয়, বরং এসব করে জনরোষকে আরো উসকে দেবার পায়তাড়া করা হচ্ছে। কেন বাবা ষাড়কে লাল রঙ্গের ঝান্ডা দেখানো? এর নামই কি সুখে থাকলে ভুতে কিলায়?

আপনাদের এতদিনের কাজ কর্ম যা দেখছি, তাতে ভারতের হাতে সর্বস্ব তুলে না দেয়া পর্যন্ত আপনারা ক্ষান্ত হবেন বলে মনে হয় না। ইচ্ছে করে এই জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে এমন অবস্থার সৃস্টি করতে চাচ্ছেন, যাতে ভারত থেকে বিদ্যুত আমদানির বিরুদ্ধে কেউ টু শব্দটি না করতে পারে। ভারত কি এমনি এমনি দেবে? ৫ টাকার রদ্দি মাল ৫০ টাকায় বিক্রি করে ছাড়বে, এমন বেণিয়ার জাত ওরা। এটা আপনারাও জানেন। তবে দাদা বলে কথা ! কলসি কানা করলেও প্রেম না দিয়ে আপনারা থাকতে পারবেন না।

সাথে কমিশনের বখরা তো আছেই। খান। খাবেন না কেন? বাংলাদেশের মসনদে কেউ তো আর সমাজসেবার জন্য বসে না। খেয়ে আগামি ১৪ পুরুষের চর্ব্য চোষ্য লেহ্য পেয়র সুবন্দোবস্ত করার নামই তো ক্ষমতায় আরোহন। গনতন্ত্র ইত্যাদি তো জনগণের চোখে ধুলো দেবার জন্য শ্রেফ কথার কথা !

৯৬ সালে ক্ষমতায় থাকার সময়েও তো একই কান্ড ঘটিয়েছিলেন। মনে নেই মোমবাতিকে লোকজন ব্যাঙ্গ করে হাসিনা বলে ডাকতো? এর পরেও আপনাদের লজ্জা হয় না? নাকি জন্মের সময় থেকেই ওই বস্তুটি চরিত্রে নেই?

বিদ্যুত পানি আর গ্যাস, এই তিনটি জিনিস প্রতিটি নাগরিকের পাবার অধিকার আছে। আর এই তিনটি দেবার ব্যার্থতা আড়াল করার জন্য গৃহপালিত বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, সম্পাদক, পেটোয়া বাহিনী, আর আইন আদালত দিয়ে সেটি ঢাকার চেস্টা করে পার পাওয়া যাবে না। আর নিত্য নতুন নামকরন, নাম বদল, আর ইতিহাস বদল করেও এই দাবি থেকে মানুষের দৃস্টি অন্যদিকে ফেরানো যাবে না।

ভাই/আপা, খান। বেশি করে খান। যেখান থেকে বিদ্যুত আমদানির ইচ্ছা, আমদানি করুন। যাকে খুশি খনিজ সম্পদ ইজারা দেবার, তা দিন। তাতেও যদি হাসপাতালের অসুস্থ রোগিগুলির গতি হয়। গ্রামের মেহনতি কৃষকের রোদে পুড়তে থাকা কস্টের ফসল্গুলি যদি তাতে বেঁচে যায়, বাঁচুক। পানির কস্টে কারবালার পুনরাবৃত্তি রোধ যদি হয়, তাহলেও সমর্থন দেবে মানুষ।

বাংলাদেশকে বাচানোর জন্য আপনাদের মরতেও বলতে পারি না, আবার আর দেশের মানুষকে তিলে তিলে মেরে ফেলার জন্য আপনারা বেঁচে থাকুন, সে আশির্বাদ দেয়াও সম্ভব হচ্ছে না।

সাধারণ মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা করে নিজের ভাগ্য উন্নোয়নে লিপ্ত হয়, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ তাদের কোনদিন ক্ষমা করেনি কোনদিন, করবেও না। এত সম্পদ দিয়ে কি হবে, যদি তা ভোগই না করতে পারলেন?

বিদ্রঃ আর বিরোধী দলেরও বলিহারি যাই ! এইসব ব্যাপারে তাদের মুখে হাল্কা প্রতিবাদ ! কেনই বা না। ক্ষমতায় থাকতে ইনারাও তো ওই একই পথের পথিক ছিলেন। এক চোর আরেক চোরের বদনাম করে কি করে?
২৬টি মন্তব্য ২৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×