আমার প্রিয় পোস্ট

সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল

বাংলাদেশের চলচিত্র নিয়ে সাতকাহন [কিছু দুর্লভ ছবিসহ] (প্রথম পর্ব)

০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১:৩০

শেয়ারঃ
0 3 0

[কিছুদিন আগে ভারতীয় চলচিত্র আমদানি নিয়ে ব্লগ কাপানো এক ঝাক লেখা এসেছিল। যেহেতু আমি ভারতীয় চলচিত্র দেখি না, তাই দৃঢ়ভাবে পক্ষ বিপক্ষে অবস্থান নেয়াটা কঠিন ছিল। তবে এই লেখাটাটাকে শক্ত অবস্থানে দাড়া করানোর জন্য গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটা ভারতীয় ছবি দেখলাম। যার মধ্যে পুরানো নতুন মিলে, হিন্দি বাংলা এবং তামিল ছবি অন্তর্ভুক্ত ছিল। সাথে আলাদা করে বাংলাদেশের চলচিত্রের সাথে সংযুক্ত আছেন বা ছিলেন এমন গুটি কয়েক মানুষের সাথেও আলাপ করলাম। আর তার উপর ভিত্তি করেই এ লেখার অবতারণা।]

বাংলাদেশে সবাক/নির্বাক/স্বল্প/পুর্ণ দৈর্ঘ্যের চলচিত্রের মধ্যে সর্বপ্রথম নির্মিত হয় সেই ১৯২৭-২৮ সালেই। ঢাকার নবাব পরিবারের তরুণদের প্রযোজনায় "সুকুমারি" হচ্ছে বাংলাদেশের মাটিতে স্বল্প দৈর্ঘ্যের প্রথম নির্বাক চলচিত্র। পরিচালনা করেছিলেন, জগন্নাথ কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক অম্বুজ প্রসন্ন গুপ্ত। যিনি সে সময় নাট্টকার হিসেবেও বেশ পরিচিত ছিলেন। নায়কের ভুমিকায় ছিলেন নবাব নাসিরুল্লাহ। এবং যেহেতু সেসময়কার সমাজ ছিল বেশ রক্ষণশীল, তাই নায়িকার ভুমিকায় একজন পুরুষকে নেয়া হয়েছিল। এই নায়িকার ভুমিকায় অভিনয় করেছিলেন সৈয়দ আব্দুস সোবহান। ক্যামেরার দ্বায়িত্বে ছিলেন খাজা আজমল। এবং পুরো সুটিংটা করা হয়েছিল দিলখুশা গার্ডেনে। তবে এটি দর্শকদের জন্য প্রদর্শিত হয়নি। এবং কালের আবর্তে সেই প্রিন্টটিও হারিয়ে গিয়েছে। ছবি দেখুন।



পুর্ণ দৈর্ঘ্যের প্রথম নির্বাক চলচিত্রটির নাম "দা লাস্ট কিস"। এই ছবিটিও প্রযোজনায় ছিলেন ঢাকার নবাব বাড়ির সেই উৎসাহি তরুণদল, আর পরিচালকও একই। তবে এই ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন টোনা বাবু (শৈলেন রায়)। আর নায়কের ভুমিকায় বেশ কয়েকজন অভিনয় করেছিলেন। যেমন খাজা নাসিরুল্লাহ, আর খাজা জালালুদ্দিন।



তবে এইবার আর পুরুষ দিয়ে নায়িকার ভুমিকায় অভিনয় করানো হয়নি। ঢাকার পতিতালয় থেকে ললিতা ওরফে বুড়ি, চারুবালা, দেবিবালা এবং হরিমতি বাঈজি নারী ভুমিকায় অভিনয় করেছিলেন।



দিলখুশা, মতিঝিল আজিমপুর ইত্যাদি অঞ্চলে সুটিং করা হয়েছিল। পরিচালক অম্বুজ প্রসন্ন গুপ্ত পরিচালনার পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজি সাবটাইটেল করেছিলেন। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দালিব সাদানি উর্দু সাবটাইটেল তৈরির দ্বায়িত্বে ছিলেন। কোলকাতা থেকে প্রিন্ট করিয়ে আনা হয়। তৎকালিন ১২,০০০ টাকা ব্যায়ে, ১৯২৯ সালে শুরু হওয়া ছবিটি শেষ হয় ১৯৩১ সালে। মুক্তি দেয়া হয় ঢাকার মুকুল সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে। যা আমরা আজাদ সিনেমা হল নামে চিনি। এবং বেশ কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে বেশ কয়েক সপ্তাহ চলেও ছবিটি। এই সফলতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে, আরো বৃহত্তর পরিসরে পরিবেশনার জন্য ছবিটি কোলকাতায় পাঠানো হয়। সেখানে ছবিটি "অরোরা ফিল্ম কোম্পানির" তত্ত্বাবধানে থাকার সময় ছবিটির প্রিন্ট হারিয়ে যায়। আর এভাবেই একটি ইতিহাস, কালের আবর্তে হারিয়ে গিয়েছে চিরদিনের জন্য।


১৯৩১ থেকে ২০১০। ৭৯ বছর। আর এত বছর পর আমাদের ভাবতে হচ্ছে আমাদের চলচিত্র উন্নয়নের। কিন্তু কেন? এ নিয়েই সম্পুর্ন আমার নিজস্ব ভাবনাগুলি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

সুবেদার ইসলাম খাঁ এর হাতে গড়া ঢাকা শহরের জন্মই হয়েছিল সেনানিবাস হিসেবে। এর পর কালের আবর্তে ক্ষনিকের জন্য রাজধানি হিসেবে এর জনসংখ্যা বাড়লেও এখানে মুলত আগমন ঘটেছিল ভাগ্যের অন্বেষনে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা মানুষদের। জাতিতে যারা ছিলেন অবাঙ্গালি। ফলে এ দেশের শেকর যে গ্রাম বাংলা, তার সাথে এদের নাড়ির সম্পর্ক বলে কিছু ছিল না। বিত্তের পরিমানে এরা উচ্চবিত্ত এবং মধ্যবিত্তের কাতারে অবস্থান করলেও, বাংলার সংস্কৃতি ভাষা ও ঐতিহ্যের জন্য যে দায়বদ্ধতা, তার ছিটেফোটাও এদের মধ্যে ছিল না।

তাই শিক্ষা, বাংলা ভাষা, সাহিত্য সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের উৎকর্ষতার জন্য যে উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন ছিল, সেটি কখনো হয়ে ওঠেনি।

আর বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষই ছিলেন কৃষিজীবি। সারাদিন হাড়খাটা খাটুনির পর বিনোদন বলতে ছিল জারি সারি গান, কবির লড়াই এবং সর্বোচ্চ বিলাসিতায় যাত্রা কিংবা পালা গানের আসর। আর শিক্ষা দীক্ষার ক্ষেত্রগুলি একদিকে যেমন খুবই সীমিত ছিল, তেমনি শিক্ষার চেয়ে কৃষিকাজে পারদর্শিতার প্রতিই আমাদের আকর্ষন ছিল বেশি। তাই নাটক থিয়েটার ইত্যাদি "শিক্ষিত বড়লোকি বাবুয়ানার" প্রতি কোন আকর্ষনই ছিল না তাদের।

বৃটিশদের রাজত্বে খোদ ঢাকা শহর চরম অবহেলায় রুগ্ন থেক রুগ্নতর অবস্থায় পতিত হয়েছিল। বেশ ক বছর আগে সাপ্তাহিক ২০০০ এ, বৃটিশ বাংলার বিভিন্ন জেলায় ভ্রমন করা একজন ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটের ডায়রির সংকলন প্রকাশিত হয়েছিল। যা থেকে তৎকালিন ঢাকার সমাজের একটি স্বচ্ছ চিত্র ফুটে উঠেছিল। রেস খেলা, জুয়া খেলা, গ্রাম থেকে আসা মানুষদের প্রতারণা করে সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়া, মদ খাওয়া, বাইজি বাড়িতে পড়ে থাকা, এসবই ছিল তৎকালিন মধ্যবিত্তের দৈনন্দিন চালচিত্র।

এক দিকে গ্রামের মানুষদের মধ্যে শিক্ষায় চরম পিছিয়ে থাকা, অন্যদিকে শহুরে অবাঙ্গালিদের মধ্যে অনৈতিক কর্মকান্ডের মাৎসন্যায়, এই দুইয়ে মিলিয়ে আমাদের সাংস্কৃতিক পরিধি হয়ে পড়েছিল খুবই সংক্ষিপ্ত।

আগেই উল্লেখ করেছি যে বৃটিশদের পতনের আগে আগে বাংলাদেশে চলচিত্র নিমার্নের ইতিহাস থাকলেও, তার ধারাবাহিকতা আর থাকেনি। এ জন্য এক দিকে যেমন কোলকাতাকে অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়ে ঢাকাকে রুগ্ন করে রাখা যেমন দায়ি, তেমনি তৎকালিন চরম রক্ষণশীল সমাজকেও দোষি করা যায়। যাদের চোখে সংস্কৃতি চর্চা ছিল ধর্ম ও নৈতিকতা পরিপন্থি কাজ।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতার আগে আগে জহির রায়হান, এহতেশাম প্রমুখ যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তাতে বাংলা ছবির উজ্জল ভবিষ্যত ছিল। জহির রায়হানের রহস্যজনক অন্তর্ধ্যান এবং এহতেশামের ধীরে চল নীতির কারনে বাংলাদেশের চলচিত্র দুই দিকপালের সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। পাশাপাশি রাজাকার আল বদরদের হাতে আমাদের সাংস্কৃতিক জগতের মাথারা খুন হবার কারণেও বুদ্ধিবৃত্তিক শুন্যতা সৃস্টি হয়েছিল। যা কোনদিনও পুর্ণ হবার নয়।

যুদ্ধবিধবস্ত একটি দেশে যেখানে মানবিক সংকট মোকাবেলাটাই জরুরি ছিল, সেখানে সিনেমার মত বিনোদন খাতে সরকারের পক্ষ্য থেকে শক্ত বিনিয়োগ ছিল অবাস্তব। কিন্তু অনেক সীমাবদ্ধতার পরেও বঙ্গবন্ধু এফ ডি সি নির্মান করে দিয়েছিলেন। আদ্যিকালে ক্যামেরা লাইট আর ল্যাব দিয়েও তাই মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সফল বেশ কিছু চলচিত্র নির্মান সম্ভব হয়েছিল।

৭২ থেকে ৮১ পর্যন্ত রাজনৈতিক অস্থিরতার কারনে বাংলাদেশের চলচিত্রাঙ্গনেও এসেছিল স্থবিরতা। যার দরুণ সাংস্কৃতিক বোদ্ধা প্রযোজক এবং পরিচালকেরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। আর সেই শুন্যস্থান পুরণ করে মেধাহীন পরিচালক আর আলু পেয়াজের ব্যাবসায়ি প্রযোজকরা। ফলে ফোক ফ্যান্টাসি কিংবা মারদাঙ্গা ছবির নামে মানহীন একের পর এক অদ্ভুতুড়ে চলচিত্র নির্মানের হিড়িক পড়ে গেলো। এর মধ্যেও নারায়ন ঘোষ মিতা কিংবা কামাল আহমেদরা বছরে একটা দুটো করে সামাজিক ছবি দর্শকদের উপহার দিতেন। কিন্ত মধ্যবিত্তের বিনোদনের খোরাক হিসেবে সে সবই ছিল অপ্রতুল।

এর মধ্যে মরার উপর খাড়ার ঘা এর মত কুখ্যাত মোনায়েম খানের কুখ্যাত মেয়ে জামাই জাহাঙ্গির মোঃ আদেলের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ভিসি আরে হিন্দি ছবিতে ঢাকা শহর সয়লাভ হয়ে যাওয়াতে, মধ্যবিত্ত শ্রেণি ঘরে বসেই বিনোদনের সহজ মাধ্যম হাতে পেয়ে যায়। ফলে বাংলা চলচিত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার কাজটা সম্পন্ন হয়।

(আগামি পর্বে সমাপ্য)

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১:৪৮
নীল গোলাপ ১ বলেছেন: হিন্দি ছবির দোষ কি? বাংলাদেশে সেরকম ছবি তৈরী হলে মানুষ অবশ্যই দেখবে। জনগন যেখানে আনন্দ খুজে পায় সেখানে যাবেই।
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: এখানে হিন্দির বিপক্ষ্যে কিছু আসছে না। এখানে আমাদের নিজস্ব চলচিত্রের অধঃপতন কেন, সেটাই বিশ্লেষন করার ক্ষুদ্র চেস্টা করছি। আশা করি সাথে থাকবেন।

২. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১:৪৯
মতিউর রহমান সাগর বলেছেন: পোষ্ট প্রিয়তে...
সুন্দর লেখা++
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাগর ভাই।

৩. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১:৫১
রাহা বলেছেন: ১৯৫৬ সালে এফডিসি কাজ শুরুর পর থেকে স্বাধীনতা পূর্ব সময়টা বাংলা চলচ্চিতের সুবর্ণ সময় । এই উজ্জ্বল সময়টা আশা করি আপনার লেখায় আসবে ।
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: আমি যথাযত চেস্টা করবো। যদি পারেন, ওই সময়কার কিছু তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারেন। কৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদ রাহা ভাই।

০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামিম ভাই।

০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১১:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পলাশ ভাই।

৬. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ২:৩১
শয়তান বলেছেন: সিরিজটা ফলো করবো ।

৫০ আর ৬০ এর দশককে উপেক্ষা কইরেন না । ঐটাই বাংলা চলচিত্রের স্বর্নযুগ ।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শয়তান ভাই। চেস্টা করবো ৫০ আর ৬০ এর দশকের স্বর্ণযুগ নিয়ে আলোকপাত করতে। তবে আপনার কাছে তথ্য থাকলে, জানাতে পারেন।

৭. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ২:৪২
নাঈম_নাজিউর বলেছেন: ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য.।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ নাজিউর ভাই।

৮. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১০:৩৭
ভাবসাধক বলেছেন: ৫০ আর ৬০ এর দশককে উপেক্ষা কইরেন না । ঐটাই বাংলা চলচিত্রের স্বর্নযুগ ।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: চেস্টা করবো ৫০ আর ৬০ এর দশকের স্বর্ণযুগ নিয়ে আলোকপাত করতে।

৯. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৩
ঘাসফুল বলেছেন: চমৎকার কাজ... অধীর আগ্রহে পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: আপনাদের গুণমুগ্ধতার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আশা করি আপনাদের প্রত্যাশা পুরণ করতে পারবো। মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ঘাসফুল।

১০. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১১:০৩
সুবিদ্ বলেছেন: লেখাটার জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু "আমি ভারতীয় চলচিত্র দেখি না"---এটা কেমন খেলো মানসিকতার পরিচায়ক হয়ে গেলনা???
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ সুবিদ ভাই। বর্তমান বাস্তবতায় আমার ওই উক্তিটা অনেকের কাছেই খেলো মনে হতে পারে। তবে হিন্দি ছবি বর্জনের গোয়ার্তুমিটার জন্য অবশ্য দোষি করতে পারেন। সেটা খেলো কি নাখেলো সেদিকটা ভেবে দেখা হয়নি, প্রয়োজনও মনে করিনি।

১১. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১১:৩১
রেজোওয়ানা বলেছেন: ভাল লাগলো পোষ্টটা।
""দা লাস্ট কিস" এর কথা জানতামই না।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রেজোয়ানা আপনাকে। আমাদের দেশেই কত ইতিহাস আনাচে কানাচে লুকিয়ে আছে, আমরা তার অনেক কিছুই জানি না। সেটা আপনাদের সাথে ভাগ করে নেবার মানসেই আপনাদের জন্য এই সামান্য লেখা।

১২. ০৪ ঠা মে, ২০১০ দুপুর ১:০৮
অসমাপ্ত-মহাকাব্য বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে।
আপনার পোস্টটা যদি আপনার নামে আমার ফেসবুক নোটস এ লিখি,আপনার কি আপত্তি আছে?লেখাটা কি আপনার নিজের লেখা?
০৪ ঠা মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: আমার আপত্তি নেই ভাই, তবে সামুর রেফারেন্সও দেবেন। আর আমার প্রতিটি লেখা একান্তই নিজস্ব। আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ০৪ ঠা মে, ২০১০ দুপুর ১:১৭
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
এত তথ্য পেলেন কেমনে ভাই। +
০৪ ঠা মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: অনেকদিন ধরে লেখালেখি করার স্বভাব। তা লিখতে গেলে পড়তে হয়। আর সেখান থেকেই যা সামান্য জ্ঞান অর্জন, সেটাই লিখি ভাই। অনেক ধন্যবাদ লোমান ভাই।

১৪. ০৪ ঠা মে, ২০১০ বিকাল ৪:২২
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: ভালো একটা লেখা। অনেক ভালো কাজ।
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামিম ভাই।

১৫. ০৫ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:৪১
জুল ভার্ন বলেছেন: সিনেমা নিয়ে আমার বিন্দু মাত্র আসক্তি নেই। কিন্তু আপনার লেখা পোস্ট পড়ার এক দুরন্ত "নেশা" আছে! আজও অসম্ভব সুন্দর লিখেছেন। +
০৫ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন না জুলভার্ন ভাই! তবে আপনাদের মত গুনমুগ্ধ আছেন বলেই তো, হাজার ব্যাস্ততার মাঝেও দু কলম লিখি। আপনার সদা অনুপ্রেরনার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা। ধন্যবাদ, তা আপনি না চাইলেও সবসময় আছে। সাথে শুভ কামনা।

২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বুলবুল ভাই। আসলে আপনাদের কাছে আমারই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।

১৭. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৫৯
শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: ভাইয়া, আমরা কয়েক জন মিলে চলচ্চিত্র নিয়ে একটা ই-বুক করতে চাচ্ছি। আপনার অনুমতি পেলে, এই সিরিজের লেখাগুলো নিতে চাই। আপনার এই অমূল্য প্রবন্ধ আমাদের ই-বুককে সমৃদ্ধ করবে, সেই সাথে আমাদের সবাইকে।

ভাইয়া, আরেকটা অনুরোধ, একটু কষ্ট করে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে প্রবন্ধটিকে ফিনিশিং টাচ দিতেন, খুব কৃতজ্ঞ থাকবো। ভাইয়া আশা করছি, আপনার অনুমতি পাবো :)
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ভাই বলে যখন সম্বোধন করলেন, তাহলে আপনার আবদার আমি সসম্মানের সাথে রক্ষা করলাম। এবং চেস্টা করবো ফিনিংশটা দিতে। দেশের জন্য ভাষার জন্য সংস্কৃতির জন্য এই অধমের পক্ষ্যে যা কিছু সম্ভব সবই করবো। অনুগ্রহ করে চোখ রাখবেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৫৩
রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন: je kono gobeshona suswagotom, amader desher problem i ei, amra otit ke vule jai, apni chaliye jaan, shuvo kamona

Click This Link
০১ লা মার্চ, ২০১১ সকাল ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনার কথার সাথে পুর্ণ সহমত। তবে আমি কোন স্কলার নই, বিশেষজ্ঞও নই। আমাদের হারিয়ে যাওয়া অনেক অতীতের একটি নিয়ে সামান্য কিছু লেখার চেস্টা করেছি মাত্র। সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১০:১৯
িনদাল বলেছেন: আরিফ-বুলবুল বলেছেন:

লেখককে কৃতজ্ঞতা জানাই।
২৯ শে আগস্ট, ২০১১ সকাল ৯:০৮

লেখক বলেছেন: আপনি নিজে দুটি লাইন লিখলে আরো খুশি হতাম জিন্দাল ভাই। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫৭১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাংবাদিক কলামিস্ট
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই