আমার প্রিয় পোস্ট

সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল

বুলেট নাকি ব্যালটের ভয়েই সংবিধানে পরিবর্তন আনা হচ্ছে?

২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:১৪

শেয়ারঃ
0 0 0





বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এবং ধর্ম নিরপেক্ষতা এই চারটি স্তম্ভকে মুল ধরেই রচিত হয়েছিল স্বাধীনতা পরবর্তি বাংলাদেশের সংবিধান। এই সংবিধান রচিত হয় ১৯৭২ সালের নভেম্বরে এবং ৭২ এর ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধুর সাক্ষরের মাধ্যমে এটা স্বীকৃতি লাভ করে।

আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ সংবিধানে যুক্ত করাটা খুব যুক্তিসঙ্গত হলেও, পাহাড়ি সহ অন্যান্য নৃতাত্তিক জনগোষ্ঠি একে তাদের অস্তিত্বের প্রতি হুমকি বিবেচনা করাতে দুটি পথ খোলা ছিল। প্রথমটি এই জাতিয়বাদকে পরিহার করা। দ্বিতীয়টি হলো বাঙ্গালিত্বকে আত্মস্থ করার আহবান জানানো। বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় পথটি অনুসরণ করাতে পার্বত্য অঞ্চলে যে ক্ষোভের আগুন জ্বলেছিল, সেটা আজো মাঝে মাঝেই জ্বলে উঠছে। মাঝখানে স্বাধীনতার একমাত্র সোল এজেন্ট দাবিকারি আঃ লিগ বাঙ্গালিদের নিজভুমে পরবাসি করে চুক্তি করাতে হবু স্বাধীন জুম্মল্যান্ড গঠনের আশায় চাকমা সন্ত্রাসিদের একটি অংশ আপাতত চুপ চাপ রয়েছে।




গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র এক সাথে কি করে একটি দেশের সংবিধানে যুক্ত হতে পারে, অথবা দুই নৌকায় পা দেবার মতই মুরগি আর গরুর মাংস এক সাথে রান্না করার মত 'সুবিবেচনাবোধ'টি কার মাথায় এসেছিল সেটা জানতে ইচ্ছে করে। তবে সংবিধান রচয়িতা হিসেবে ডঃ কামাল হোসেনের নামই চলে আসে। বোধ করি সে সময় বঙ্গবন্ধুর আস্থাভাজনদের মধ্যে ঘটে বুদ্ধিধর একজনই ছিল। সেটা কামাল হোসেন। যিনি বাংলাদেশ বংশদ্ভুত তো ননই, এমনকি নিজ বিয়েটাও পাকিস্থানে করেছেন। এবং কন্যাকে বিদেশি এক শ্বেতাঙ্গের সাথে বিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি যার এমনই শ্রদ্ধাবোধ! তো সেই মানুষটা কোন ভালোবাসায় বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু করতে উৎসাহি হবেন, এই প্রশ্নটি করা যায়।

আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না যে, বাংলাদেশের সংবিধান এবং শাসনতন্ত্র সেই বৃটিশদের করাই। খালি কিছু ধারা এই দিক সেই দিক করা হয়েছে। আর বৃটিশদের এই অস্র দিয়েই পুর্ব বাংলার মানুষদের উপর অনেক ঝড় ঝাপ্টা গিয়েছে।




শোষনের হাতিয়ার না বদলানোর ফলে যেই ক্ষমতায় যাচ্ছে, সেইই শোষকে পরিনত হচ্ছে। অতিরঞ্জিত কি না জানি না, তবে মুরুব্বি একজন বলেছিলেন যে, বৃটিশদের করা আইন কানুন পরিবর্তনের যোগ্যতা নাকি বাংলাদেশ তো কোন ছাড় ভারত বা পাকিস্থানেরো কারো নেই।



জীবিকা এবং সামাজিক প্রয়োজনেই এককালের পুর্ব বাংলার মানুষ বরাবরই ধর্মনিরপেক্ষতা অনুসরন করেছে। পুর্ব বঙ্গের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষরা কৃষি, মৎস আহরন, কাপড় বোনা এসব পেশায় নিয়োজিত ছিল বলেই, একে অন্যের উপর কোন না কোনভাবে নির্ভরশীল ছিল। তাছাড়া বৃটিশদের চিরস্থায়ি বন্দোবস্তের মত সামন্ততান্ত্রিক যাতাকলে সমানভাবে পিস্ট হবার কারনে হিন্দু মুসলমানরা একে অপরের প্রতি সহানুভুতিশীল ছিল।

এখানে ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে ভিন্ন ধর্মের মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং ভিন্ন ধর্মচর্চার পুর্ণ স্বাধীনতার কথা বোঝাচ্ছি। যদিও আজকাল পশ্চিম দিকে আছাড় খেলেও প্রায়শ্চিত্তের পন্থা আবিস্কারে মত্ত গুটি কয়েক "শিক্ষিত" মানুষদের কাছে ধর্ম নিরপেক্ষতার সংজ্ঞাটি ধর্মকে নির্বাসনে পাঠানো।

ভারতের হাজার রকম জাতি ধর্মের মানুষের বাস। সেই বিচারে তাদের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার সংযোজন যথাযথ। আবহমান ধর্মনিরপেক্ষতার সংস্কৃতি লালন পালনকারি বাংলাদেশের মানুষদের ধর্মনিরপেক্ষতা শেখানোর এই আয়োজন কিন্তু অপমানেরই নামান্তর।

স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহায্য করেছিল, এই কৃতজ্ঞতায় মাথা বেচে দেবার মত এই ক্ষেত্রে ভারতকে অন্ধ অনুসরণ প্রমান করে যে, স্বাধীনসত্ত্বা নয়, আঃ লিগ আত্মমর্যাদা বিকিয়ে ভারতের করুণায় বেচে থাকাটাই ব্রত হিসেবে নিয়েছে। তিন বার ক্ষমতায় আসীন আঃ লিগের কর্মকান্ডের এই উক্তির প্রমান হিসাবে উপস্থাপন করা যায়।

ক্ষমতায় গেলেই যে আঃ লিগ তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং সব লেজে গোবরে করে ফেলে এটা নতুন কিছু নয়। প্রতিবার তাই ঘটছে। এরই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা এবার দেশকে পেছনে টেনে নেবার জন্য ৭২ এর সংবিধান আবারও চালুর ঘোষনা দিয়েছেন।

৭২ এর সংবিধান যথাযথ ছিল না বলেই, তো সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনি আনার প্রয়োজন হয়েছিল। হাসিনার কি সেই সাহস হবে যে এই কারনে তিনি তার পিতার সমালোচনা করেন? তাছাড়া বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী অবস্থান নিয়েও যাদেরকে তিনি শান্ত রেখেছিলেন, বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদের পুনরাস্থাপন তারা আবারো অশান্ত হবে না এই নিশ্চয়তা কে দেবে?

আর যাদের প্রত্যক্ষ আশির্বাদে তেলসামাতি নির্বাচনে হাসিনা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে শাসনে বসেছেন, এই সমাজতন্ত্রের কারণেই তো তারা স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশের কাছে থেকে মুখ ফিরিয়ে রেখেছিল। তাদের বিরাগে হাসিনার বংশ লোপ পেয়েছিল। এখন তারা এখন যদি হাসিনার প্রতি বিরাগভাজন হয়, তাহলে সেই ঠ্যালা সামাল দেবার শক্তি হাসিনার আছে?

মোতা চালের কেজি বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা। নির্বাচনী ইস্তেহারে ১০ টাকা দরের চাল খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জ্বালা এখন দেশবাসির সর্বাঙ্গে। এর সাথে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মগের মুল্লুকের মত হওয়ায়, সাথে মন্ত্রি মিনিস্টারদের চাপাবাজির কারনে মানুষ কিন্তু ভেতরে ভেতরে ফুসছে। এই ক্রোধের বিস্ফোরণ ঘটলে কি বিয়োগান্ত ঘটনার সৃস্টি হতে পারে, সেটা হাসিনার চেয়ে ভালো আর কারো জানার কথা না।

বোধ করি এই ভয় থেকে মুক্তি পাবার জন্যই খড়কুটো আকড়ে ধরার চেস্টায় আবারো সেই ৭২ এর সংবিধান পুনরস্থাপনের এত তোড়জোর। ৪র্থ সংশোধনি দিয়েও যখন শেষ রক্ষা হয়নি, তখন এই সংবিধান কি করে হাসিনাকে রক্ষা করতে পারে জানি না। তবে দেশের স্বার্থকে সবার উপরে প্রাধান্য দিয়ে, আগের কাজ আগে আর পরের কাজ পরে করলে, আর পোষা কুকুরগুলিকে ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করলে সেটাই হাসিনার জন্যএকমাত্র রক্ষা কবচ জ্ঞান হতে পারে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:১৭
ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: ডঃ কামাল হোসেন কোন বংশদ্ভুত?
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: ভারতীয়।

২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিডি আইডল ভাই। আরো কথা লেখা যতো। যতটা পেরেছি সংবিধান নিয়েই লিখেছি।

৩. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২০
খাইরুল ইসলাম জয় বলেছেন: কোন শালা/শালী কি সংবিধান মানে নাকি

শুধু শুধু সংবিধান নিয়া চিল্লা চিল্লী
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: আমারো একই কথা। সংবিধান নিয়ে নৃত্য করার চেয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্য সহনীয় পর্যাতে রাখা এবং আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতির দিকেই আগে নজর রাখা উচিত।

৪. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২৭
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: ১) সংবিধানের কিছু লাইন অবৈধ ক্ষমতা দখল ঠেকাতে পারে না।

২)সারা পৃথিবীতেই দেখুন জোর (বৈধ বা অবৈধ) যার মুল্লক তার। (এবং জাতিসংঘ কেমন পুতুলের মতো!!!)

৩) আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ বৈধ উপায়ে জোর করে লুটেরাদের কিন্ত শায়েস্তা করতে জানে। (প্রমান ৫২, ৭১, ৯০)। ইতিহাস মনে রাখা উচিৎ।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিয়াজ ভাই। যথার্থ বলেছেন।

৫. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪০
সুপ্ত সবুজ বলেছেন: আপনি তো মিয়া বড় ধরণের রাজাকার। এই দেশে উচিত কথা কইতে গেলে রাজাকার হইতে হয় জানেন না? তারপরেও কেন উচিত কথা বলেন। এসব বাদ দিয়া সোজা বলেন জয় বাংলা, জয় বাকশাল, জয় শেখের বেটি হাছিনা। তাইলে পিঠ বাচাইতে পারবেন।

তয় আপনার মত এমন লেখক আছে বলে সত্য সন্ধানীরা এখনো মাথা তুলে দাড়ানোর সাহস পায়। আপনার কাছ থেকে এই কাঙ্গাল ডঃ কামাল সম্পর্কে ভাল একটা তথ্য পেল। কিন্তু তিনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেছেন তা জানতে পারলে ভাল হতো।

সর্বোপরী এমন যুক্তিনির্ভর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুপ্ত সবুজ ভাই। আঃ লিগ চেতনার ব্যাবসা করার জন্যই ভিন্নমতালম্বিদের রাজাকার বিশেষন দিয়ে থাকে। নতুন কিছু না। তবে অতিরিক্ত ব্যাবহারে এই কুকর্মটি ছেড়া ত্যানার মতই পরিত্যাজ্য হয়ে গিয়েছে। তাই এই সবে আমার কিচ্ছু যায় আসে না।

তবে আপনি কিন্তু ঠিকই বলেছেন। অনেকে প্রকাশ্যে না বলতে পারলেও মনে মনে ঝাল মেটাচ্ছেন মাইনাস দাগিয়ে। ;)

ডঃ কামালের জন্ম ইতিহাস লিখতে উইকি কেন কৃপনতা করলো জানি না। তবে লিংক দিচ্ছি। গিয়ে দেখে আসতে পারেন।

Click This Link

অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। সম্মানিত বোধ করছি। আপনাদের লেখনিও গর্জে উঠুক এই শুভ কামনা করছি।

৬. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪৫
অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: ++++++...
হাসিনার ও উচিৎ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অসামাজিক ভাই। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা গ্রহন করে না।

৭. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪৫
সরল মানুষ বলেছেন: জানার অনেক কিছু আছে। পিয়তে রেখে দিলাম
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: সম্মাননার জন্য ধন্যবাদ সরল মানুষ ভাই।

৮. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪৭
এক্স বলেছেন: ৭২ এর সংবিধান মানে টোটাল কন্ট্রোল, পুলিশ স্টেট. মুসলমান আপরাইজ ঠেকানোর ওয়ান এন্ড ওনলি সলুশন.
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: মুসলিম ট্রামকার্ডটা খেললে হয়তো কিছুদিন প্রভুদের হাত মাথার উপর থাকবে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকজন খেপলে, প্রভুরাও মানে মানে কেটে পড়বে। এরশাদ প্রথম ইরাক যুদ্ধে সৈন্য পাঠিয়ে কিছুদিন সরকার বিরোধী আন্দোলন ঠেকিয়ে রাখতে পেরেছিল। কিন্ত শেষ রক্ষা হয়েছে কি? তাই এত আঃলিগের নারকিয় উল্লাসের কারণ দেখি না।

২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ওয়ালাইকুম সালাম।

১০. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫১
সোনালী আকাশ বলেছেন: ক্ষমতায় থাকার জন্যই এগুলো করা হচ্ছে।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: এভাবে কেউই ক্ষমতা টেকাতে পারেনি, এই সত্যটা ওদের কে বোঝাবে বলেন? অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১১. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৬
হরিসূধন বলেছেন:

অনেক আগে নাহিদ ভাইয়ের পোষ্টে একটা মন্তব্য করে ছিলাম ৭২রের সংবিধান নিয়ে তা নিচে দিলাম।

বাঙালী জাতীয়তাবাদ একটা অদ্ভুত কারবার তাও আ.লীগের মুখ দিয়ে বাহির হয়!!!

আ.লীগ একবার নাক কেটে আওয়ামী মুসলিমলীগ থেইকা শুধু সেকু আ.লীগ হইলো আবার সেই আ.লীগের লিঙ্গ কেটে বাকশালে গেলো!! উদ্দেশ্যহীন জন্মের ফলে যা হয় আর কি।

তার মানে দাঁড়ায় বাবা শেখ মুজিব কোন কালে নিজামীদের মতো ছিলেন তারপরে নাক কেটে সেকু হইলেন হের পরে কি যেন কাইটা বাকশাল হইলেন... তার মেয়ে মানুষ না হয়ে আ.লীগই থেকে গেলো।

সংখ্যালঘুদের চিন্তায় যাদের ঘুম আসে না দিবা নিশি তারাই বাঙালী জাতীয়তাবাদের মাটিতেই সেই সংখ্যালঘুদের কবর রচনা করতে চায়!! পৃথিবীর কোন দেশ ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদী তা আমার জানা নাই!!

যদি সুযোগ পাইতাম তাইলে আ.লীগ বুদ্ধিজীবিদের জিগাইতাম। অথচ যে ধর্ম নিয়ে তাদের চুলকানি সেই ধর্ম বাদেও অন্যান ধর্ম প্রধান রাষ্ট্রের রাষ্ট্র ধর্ম হিন্দু। খ্রিষ্টান এমন কি সেক্যুলারীরা পুরা ধর্মীয় চেতনায় ইসরাইল নামের বর্বর রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছে...

আ.লীগ কি চায় আ.লীগ জানে না! তাদের প্রভুরা যা বলে তাই পড়ে আর বলে.....






০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২১



হরিসূধন বলেছেন:

আমি ব্যক্তিগত ভাবে ৭২রের সংবিধানের বিরুধী। তার মানে এই নয় যে আমি বর্তমান সংবিধানের পক্ষে.....,

১৯৭২ সালে রচিত সংবিধানের উপরে কোন গনভোট অনুষ্ঠিত হয় নি। যা অগনতান্ত্রিক।
মাত্র কয়েক জন লোকের চিন্তা চেতনা ৭ কোটি(১৯৭২ সালের জনসংখ্যা) মানুষের উপর ভর করতে পারে না। আর এখন তো সে জনসংখ্যা ১৬/১৭ কোটিতে! ডা. কামালেরা নিজেরাই পবিত্র নয়! অথচ তাদের রচিত সংবিধান কে পবিত্র বলতে হবে! পবিত্র জিনিষ কিভাবে সকাল বিকাল পরিবর্তিত হয়? বর্তমান সংবিধানে অনেক গোজা মিল আছে।

বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে সেক্যুলার নামের ভূততন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করে নাই। যারা বলে সেক্যুলারের জন্য তারা পুরা ভন্ড মিথ্যেবাদী এবং দালাল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষ শোষন এবং বন্চনার জন্য যুদ্ধ করেছে। এটা যে মিথ্যে নয় তার প্রমান কিন্তু ২৪/২৫ পুর্বের ১৯৪৭ এর দিকে তাকালেই পাওয়া যায়। অথচ আমাদের নেতারা ভারত কে খুশি করার জন্য ১৯৭১ সালে সেক্যুলার ভিত্তিক চেতনা ধার করে।
এই কিছু দিন আগে পিনাক বাংলাদেশে সেক্যুলারি চেতনার উন্নতিতে আনন্দিত হয়েছেন। মুলত ১৯৭২ সালের সংবিধানই এই দেশের মানুষের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা কে কলংকিত করেছে। শোষন এবং বন্চনা কে পদ্ম পাতার রঙে রঙ লাগানো হয়েছে। ১৯৪৭ কেন আমাদের জাতীয় নেতারা পাকিস্তানের বিরুধীতা করে নি? তখন বঙ্গবন্ধু কি পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন না? তার মানে তিনি তখন ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্রের পক্ষে ছিলেন?
কিন্তু ২৪ বছর পর তিনি ক্ষমতা কেন্দ্রিক দন্ধে সেক্যুলারিজমে কনভার্ট হয়েছেন? আগরতলা যে ষড়যন্ত্র ছিলো না! তা কিন্তু সত্য।

আমার এই সব কথা কিন্তু বানানো না! পুরা সত্য ইতিহাস।

যাই হোক ১৯৭২ সালে শেখ হাসিনা এবং সাজেদা বয়স কত ছিলো? তারা কিছু দিন পরে পরপারে চলে যাইবেন। যেভাবে অন্যরা গিয়েছে। কিন্তু আমাদের কে ১৯৭২ সালের বিধান নিয়ে পড়ে থাকতে হবে!! দেশের মানুষের চিন্তা চেতনার পরিবর্তন ঘটেছে তাই গনতান্ত্রিক নিয়মে কোন বিধানই চিরস্হায়ী নয়। আ.লীগ যেহেতু ১৯৭২ সালের সংবিধানে ফিরে যেতে চায় তাহলে সেটা নিয়ে রাজনীতি করার কি দরকার? সোজা গনভোট দিয়ে দাও.. মাত্র ১ বছর আগে আপনারা বিপুল ভোট বিজয়ী হয়েছেন! গনতন্ত্র এত ভালোবাসো অথচ সংবিধানের উপর ভোট দিতে ভয় কেন? কারন হাসিনা নিজেই জানে যে দেশের মানুষ( অন্ধ আ.লীগার বাদে) ১৯৭২ সালের সংবিধানের বিরুধী।

প্রতি ১৫/২০ বছর পর পর সংবিধান পরিবর্তন করে গনভোটের ব্যবস্হা করা হোক। কারন আমার ছেলে মেয়ে আমার চিন্তা চেতনার উপর ভর করে চলতে পারে না অথবা তারা চলবে ও না। রাষ্ট্র কোন ভাবেই তার কোন নাগরিক কে শেকল পরিয়ে কিছু মানতে বাধ্য করতে পারে না। যদি গনতন্ত্র বিশ্বাসী হইতে হয়......
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৩
লেখক বলেছেন:
২৩ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ++++++++++++

১২. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
এক্স বলেছেন: @ধীবর - খুবই খাঁটি সত্য বলেছেন. কিন্তু প্রভুরা এখন চাচ্ছে ৩য় বৃহত্তম মুসলমানদের আবাস বাংলার মাটি ব্যবহার করতে. পুট ইউর ফ্রেন্ড ক্লোজ বাট এনিমি ক্লোজার. সেই সাথে ভারত মহাসাগরের দখল ও কনটেইন চায়না সহ বিবিধ এজেন্ডা বাস্তবায়ন.

হাসিনা ৭২ এর সংবিধান চাচ্ছে কারন ইন্টেলেকচুয়ালি ব্যাংকরাপ্টেড পলিটিক্স দিয়ে ক্ষমতা দখল করা গেলেও প্রশাসন চালানো যায় না. বিদেশী সমর্থন ড্র করার জন্যই তারা জঙ্গী ধুয়া তুলছে. বিদেশীরা হয়ত ৭২ এর সংবিধানকে বৈধতা দিবে. কিন্তু হাসিনার জানা উচিত মার্কিন ইন্টেলিজেন্স ভালোই জানে এদেশে কি আছে, শুধু শুধু তাদের কথায় নেচে তাদের ফাঁদে পা দেবার দরকারটা কি. পাকিস্তানের মত মার্কিন বোমা যখন বাংলাদেশে পড়বে তখন বোমা তো আর লীগ-দল-জামাত-হিন্দু কিছু বুঝবে না. থাকবে খালি লাশ আর আগুন.
২৩ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: ছোট পরিসরে অনেক গুরুত্বপুর্ণ কথা বলেছেন। আশা করি এই পোস্টে আগত পাঠকরা এই কথাগুলি আমলে নেবেন। কারণ এই বিপদ আসলে কেউকে ছেড়ে কথা কথা বলবে না।

১৩. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
চক্কর বলেছেন: @ব্লগার : যে ৪ জন বেজন্মা মাইনাস মারছে তারাও নিশ্চই ডাঃ কামালের মত জন্মগত ভাবে বাঙ্গালী না।তাদের োগায় আঙ্গুল ঢুকাইবার মুনচায়...........................

@লেখক: +++++++++++++ ও প্রিয়তে।আর গালি মারার জন্য দুঃখিত আমি।



জয় মা কালি.......দুর্গা...........দুর্গা
২৭ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৪২

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সাথে দুটি অনুরোধ। প্রথম অংশে উচ্চারিত শব্দগুলি বাদ দিয়ে আবার মন্তব্য দিন।আর যদি আপনি হিন্দু ধর্মানুলম্বি না হন, তাহলে দেব দেবিদের নাম উচ্চারন করাটা আপনার মোটেও উচিত হয়নি। মনে রাখতে হবে, আমরা যারা দেশের কথা বলবো, সেখানে এমন কোন ফাক রাখা উচিত হবে না, যা গলে দালালরা আমাদের সমালোচনা করতে পারে। আশা করি অনুরোধ দুটি রক্ষা করবেন।

১৪. ২৬ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬
সারথী মন বলেছেন: যুক্তিনির্ভর লেখার জন্য ধন্যবাদ।+
২৭ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদের সাথে আপনার মন্তব্য গ্রহন করলাম সারথি মন।

১৫. ২৮ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৫৪
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। হাসিনা হল চরম মোনাফেক! বিসমিল্লাহ, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এর সাথে উনি নাকি ধর্মনিরপেক্ষতাও রাখবেন।
২৯ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: হাসিনা যে কি জিনিস, যারা জানেন তারা জীবনেও ওই মুখি হবেন না। যারা জানেন না, বা আবেগে অন্ধ তারাও টের পাবে। শুধু দুইদিন আগে আর পরে। ধন্যবাদ বা জি ভাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৩৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাংবাদিক কলামিস্ট
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই