আর মাস দুয়েকের মধ্যেই বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হচ্ছে। আয়োজক দেশ হিসেবে সরকারের সংক্লিষ্ট মন্ত্রানালয় যেমন ব্যাস্ত, তেমনি ব্যাস্ত নির্বাচকরা। ব্লগেও এ ব্যাপারে উৎসাহের কমতি নেই। একজন একনিস্ট সমর্থক হিসাবে, তাই আমার পছন্দের একাদশ নিয়েই এই লেখা।
১। তামিম ইকবাল
২। ইমরুল কায়েস
৩। শাহরিয়ার নাফিস
৪। জহিরুল ইসলাম (অতিরিক্ত উইকেট কিপার)
৫। শাকিব আল হাসান (অধিনায়ক)
৬। মুশফিকুর রহিম (উইকেট কিপার)
৭। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
৮। মাশরাফি বিন মুর্তজা
৯। আব্দুর রাজ্জাক রাজ।
১০। রুবেল হোসেন
১১। শফিউল ইসলাম।
অতিরিক্ত
১। জুনায়েদ সিদ্দিকি
২। নাইম ইসলাম
৩। সোহরার্দি শুভ
(আশরাফুলকে দলে রাখার প্রয়োজন মনে করছি না, সেটা সংগত কারনেই। )
গত কয়েকটি খেলায় তামিম-কায়েস জুটি মোটামুটি সেট হয়ে গিয়েছে। আর তামিম মেরে খেললে, অন্যপ্রান্ত আকড়ে ধরার যোগ্যতা কায়েসের আছে। নাফিস আসছে এই কারনে যে, অপেনার দুজনের একজন হঠাৎ আউট হলে, ধস ঠেকাতে নাফিস তার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারবে। ৪ নং এ জহিরুলকে দেখে অবাক হবেন না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যে দু তিনটি খেলার সুযোগ সে পেয়েছে, তাতে তাকে টেকনিকে পরিণত বলেই মনে হয়েছে। অন্তত ২০-৩০ রান তার কাছ থেকে আশা করা যেতেই পারে। এর প্রমানও সে দিয়েছে। তাছাড়া উইকেটের পেছনে শুধু এক মুশফিকের উপর ভরসা করা ঠিক নয়। ইদানিং তার কিপিং এবং ব্যাটিং কোনটাই প্রশংসা কুড়াতে পারছে না।
শাকিবকে নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। আমার মতে বাংলাদেশ দিলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় সে। রিয়াদ একই সাথে স্ট্রোট এবং স্লো ব্যাটসম্যান। সাথে অফ স্পিনার।
জিম্বাবুয়ে সিরিজে আমাদের চিরচেনা পাগলাকে (মাশ্রাফি) দেখে খুবই আশার সঞ্চার হলো। বাংলাদেশের এই এক পেসারকেই অন্য দেশগুলি সমঝে চলতো। আশা করি আবারও আগুন ঝড়ানো মাশরাফিকে আমরা ফিরে পেতে যাচ্ছে।
রাজ্জাক আমাদের পরিক্ষিত স্পিনার। আর উপমহাদেশের এই উইকেটে স্পেশিয়ালিস্ট স্পিনাররাই ম্যাচে ভাগ্য গড়ে দিতে পারেন।
বাকি দুই পেসারের মধ্যে শফিউল ইতিমধ্যেই নিজের দক্ষতা প্রমান করে দিয়েছে। আর স্লো উইকেটে রুবেলের সুইংযের যাদুতে অনেক কিছুই ঘটতে পারে।
সারাংশ
চার জন স্পেশিয়ালিস্ট ব্যাটসমান, সাথে শাকিবের মত পৃথিবি সেরা অলরাউন্ডার, একজন স্পেশিয়ালিস্ট স্পিনার তিন জন পেসার। নির্বাচনটা কি খুব খারাপ হয়েছে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

