জগিং করলে মেদ কমে না বরং বাড়ে!
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডেস্ক): শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাতসকালে আরামের বিছানা ছেড়ে অথবা সারাদিন অফিসে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খেটে চরম ক্লান্তি নিয়েও যারা জগিং করতে বের হন তাদের জন্য দু:সংবাদ আছে। অতিরিক্ত ওজনজনিত অসস্তিকর স্বাস্থ্য নিয়ে বিপদে পড়া এসব গোবেচারাদের জন্য জগিং কোন সুফল বয়ে আনবে না। শরীরচর্চা বিশেষ করে আপনি যদি অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান তাহলে দৌড়াদৌড়ি করা কখনোই আদর্শ পন্থা হতে পারে না। একজন শরীরচর্চা প্রশিক্ষকের বক্তব্য এটি।
লন্ডন ভিত্তিক একজন শরীরচর্চার প্রশিক্ষক গ্রেগ ব্রুক বলেন, শরীরের ওজন কমাতে প্রায় সবাই জগিং করেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ পদ্ধতি কোন কাজে আসে না। কিন্তু কেন?
তিনি বলেন, শক্তির উৎস হিসেবে চর্বি আমাদের শরীরের সবচেয়ে প্রিয় একটি উপাদান। আপনি যতোই দৌড়াবেন আপনার শরীর পরবর্তী দৌড়ের জন্য ততোই চর্বি উৎপাদন করতে থাকবে। বাস্তবে দৌড়ানো মানে হল চর্বি উৎপাদন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করা। ডেইলি মেইল পত্রিকা ব্রুকের উদ্ধৃতি দিয়ে এমন তথ্য দিয়েছে। ব্রুকের কাছে অনেক নামিদামী সেলিব্রেটি, সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি থেকে শুরু করে সাধারণ গৃহিণীরাও পরামর্শ নিতে আসেন। তিনি তাদেরকে প্রায়ই বলে থাকেন, শরীর হচ্ছে আজব একটি যন্ত্র, এটি সবকিছুর সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। তিনি বলেন, শরীরের এ বিস্ময়কর অভিযোজন ক্ষমতার কারণেই আপনি যতো বেশি দৌড়াবেন আপনার শরীর আরো বেশি দৌড়ের জন্য নিজেকে তৈরি করবে। আর এটা করতে গিয়ে সে আরো কর্মক্ষম হতে অনেক ক্যালরি খরচ করার মতো ক্ষমতা অর্জন করবে। ফলে আপনার ওজন তো কমবেই না বরং আরো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তার মতে, দৌড়ঝাঁপ হাড়ের সংযোগগুলোর জন্য ক্ষতিকর। যখন আপনি দৌড়ান তখন আপনার শরীরের প্রায় আড়াইগুন ওজন হাড়ের জোড়াগুলোর ওপর পড়ে। এ ওজন যদি ক্রমাগত জোড়াগুলোর ওপর পড়তে থাকে তাহলে বেশি দৌড়ানোর ফলে বিশেষ করে গোড়ালি এবং হাঁটুর জোড়া ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি জানান।
ব্রুক বলেন, যে কোন ধরনের শরীরচর্চা মানুষের বিপাকক্রিয়ার গতিবৃদ্ধি করে এতোদিন এ বিশ্বাস প্রচলিত থাকলেও প্রকৃতপক্ষে ঘটনা ঘটে উল্টো।
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল
আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]
আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।
রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।
বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।