আমার প্রিয় পোস্ট

'দ্য সঞ্জীব চৌধুরী আনলিমিটেড...............টোকন ঠাকুর

১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৪

শেয়ারঃ
0 0 0






কিংবদন্তী একদিন বড় হয়ে যাবে । কিংবদন্তী একদিন বুঝতে শিখবে, কিংবদন্তী কাকে বলে? কেন মানুষ কিংবদন্তী হয়ে যায়? কেন মানুষ মুখে মুখে ফেরা জনশ্রুতির তাৎপর্য গ্রহণ করে?... কফিন বাকশের দিকে তাকানো ভাবলেশহীন শিশু,শিশুটি কি জানে কফিনের মধ্যে যে ঘুমিয়ে আছে, সে কে? সে কেন বাসায় না-ফিরে ঐ বাকশের মধ্যে গিয়ে চুপচাপ শুয়ে আছে? শুয়ে থাকা মানুষটি বাবা, না সঞ্জীব চৌধুরী? সঞ্জীব চৌধুরী কে ছিলেন? কি ছিল তার অন্তরের কথা, স্বপ্নের কথা? কী ছিল তার দাহ? কেনো এতো অগ্নিময় জলের বুদবুদ হয়ে ফেটে যাওয়া? কোন ভূবনে ছিল তার স্বপ্নের পাখি?

কিংবদন্তী একদিন জানতে পারবে,এখানে অন্ধকার ছিল,পরম্পরার । তার বাবা সেই অন্ধকারে জোনাকি হইয়ে গেছে । সে একদিন বুঝতে পারবে, এখানে অনেক পাথর ছিল ,তার বাবা যৌবনের সমস্ত শক্তি ঢেলে পাথর সরাতে চেয়েছে, প্রেমতীব্র পথ তৈরী করতে চেয়েছে । কিংবদন্তী একদিন শুনতে পারবে, বাতাসে রঙ্গীন সুর ছড়িয়ে আছে, কারন সঞ্জীব চৌধুরী গান গাইত । ভয়াল নৈঃশব্দে শব্দ ছড়িয়ে সঞ্জীব চৌধুরী চলে গেছে । শাদা শূন্যতায় মধুবনের রঙ ছড়িয়ে গেছে, আলাপের মধ্যে কবিতা পুঁতে রেখে গেছে । এখানে অনেক বিচ্ছিন্নতা ছড়ানো বলে, তার বাবা অনেক গল্প রেখে গেছে ।

রাত্রি গভীর হলেও, যে- রাতে কিংবদন্তীর ঘুম আসবেনা, যখন সে খুলে খুলে দেখবে এলবাম-ভর্তি এক মুখ, হাওড়-প্রদেশের সেই মুখই... সঞ্জীব চৌধুরীর মুখ, কিংবদন্তী নিশ্চয়ই টের পাবে,বহুদিন আগে তার বাবাই কিংবদন্তী হয়ে গেছে । এমনকি তার জন্মের আগেই কিংবদন্তী হয়ে যায় মিছিলের ,কবিতার, গানের দলছুট সঞ্জীব চৌধুরী । এই ঠাঠা- মরার দেশে সঞ্জীব চৌধুরী বড় বেশি অপরাধী, কারন তার ভালোবাসার ক্ষমতা ছিল । কারন, সে ভালোবাসত । কারন এই পোশাকি সিস্টেমের দেশে সঞ্জীব চৌধুরী আপন অস্তিত্বের স্বাধীনতা ঘোষনা করেছে । এই ফাঁকা-ফাঁকা মন্দির-মসজিদ-গির্জার দেশে , সঞ্জীব চৌধুরী ছিন্নমুল মানুষের বাসস্থানের ভাবনা মাথায় রেখেছে । নিরন্নের, অন্ন ও পানীয়ের অধিকারের কথা বলার জন্য, সাহসে, বুক টানটান করে রাজপথে দাঁড়িয়ে থেকেছে । কিংবদন্তী একদিন জানবে, মেডিকেল কলেজের গবেষনায় তার বাবার শরীর কাজে লেগেছিল । এখানে রয়ে গেছে সঞ্জীব চৌধুরীর কংকাল... হয়তো আগন্তুকের সঙ্গে আড্ডা দিতে চায়ও, নতুন একটি কবিতা নিয়ে, গান নিয়ে মেতে উঠতে চায় । মা বকা দিলে, হয়তো একদিন খুব মনখারাপ হলে আমাদের কিংবদন্তী কাউকে না বলে একা একাই চলে যাবে
মেডিকেল কলেজের দিকে । সে কি বাবার কংকালের সঙ্গে কথা বলবে-
'বাবা আমার মন ভালো নেই, তুমি একটা গান গাও তো '

আমরা কিংবদন্তীর পেছনে পেছনে যাব এবং লক্ষ রাখব, দেখব, বাবার কংকাল মেয়ের আবদার রাখে কিনা? কংকাল কি কথা রাখবে, যখন সঞ্জীব চৌধুরীর কংকাল?

আমরা জানি সঞ্জীব চৌধুরী কিংবদন্তী ছিলেন...

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫০
রাজা সরকার বলেছেন: অনন্য কে বুকে নিয়ে এই অনন্যসাধারণ রচনাটি সবার হৃদয়ে থাক।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: লেখাটা পাঠের জন্য ধন্যবাদ

২. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: অসাধারন একটা লেখা অনন্য একজন মানুষকে নিয়ে!
সরাসরি শোকেজে!
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: লেখাটা পাঠের জন্য ধন্যবাদ

৩. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৭
আমার আমি বলেছেন: সঞ্জীব দা কে চিনতাম একজন মিডিয়া কর্মী হিসাবে। যদিও আমি যুগান্তরে কাজ করি তবুও উনার সাথে দেখা হয়েছে গানের আসরে।
তার সেই গানের সুর ..আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ।

তিনি যেনো আকাশের বুকে জ্যোস্না হয়ে বেঁচে থাকেন। সেই আলোয় উদ্ভাসিত হউক তার রেখে যাওয়া কিংবদন্তী
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: লেখাটা পাঠের জন্য ধন্যবাদ

৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
নকীবুল বারী বলেছেন: সন্জীবদা কে ভালোবাসি
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: লেখাটা পাঠের জন্য ধন্যবাদ

৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫১
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন: সঞ্জীব চৌধুরীর সাথে কখনো কথা বলার সৌভাগ্য হয়নি আমার। অনেক শুনেছি তার কথা , সাংবাদিকতা পেশার সাথে সম্পৃক্ত অগ্রজ বড়ভাইদের কাছে। দেখেছিও একবার দৈনিক যায় যায দিন এ। টোকনদা আপনাদের মত করে সঞ্জীব চৌধুরী কে চিনতে কোনদিনই পারব না জানি তবে এই লেখা পড়ে সঞ্জীব চৌধুরী কে নিয়ে নতুন করে ভাবতে বসেছি

"এই ঠাঠা- মরার দেশে সঞ্জীব চৌধুরী বড় বেশি অপরাধী, কারন তার ভালোবাসার ক্ষমতা ছিল । কারন, সে ভালোবাসত । কারন এই পোশাকি সিস্টেমের দেশে সঞ্জীব চৌধুরী আপন অস্তিত্বের স্বাধীনতা ঘোষনা করেছে । এই ফাঁকা-ফাঁকা মন্দির-মসজিদ-গির্জার দেশে , সঞ্জীব চৌধুরী ছিন্নমুল মানুষের বাসস্থানের ভাবনা মাথায় রেখেছে । নিরন্নের, অন্ন ও পানীয়ের অধিকারের কথা বলার জন্য, সাহসে, বুক টানটান করে রাজপথে দাঁড়িয়ে থেকেছে । কিংবদন্তী একদিন জানবে, মেডিকেল কলেজের গবেষনায় তার বাবার শরীর কাজে লেগেছিল । এখানে রয়ে গেছে সঞ্জীব চৌধুরীর কংকাল... হয়তো আগন্তুকের সঙ্গে আড্ডা দিতে চায়ও, নতুন একটি কবিতা নিয়ে, গান নিয়ে মেতে উঠতে চায় ।"

অসাধারণ হইছে লাইনগুলো..প্রিয়তে রাখলাম।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: লেখাটা পাঠের জন্য ধন্যবাদ

৬. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: কিংবদন্তী একটি যুগনিরপেক্ষ শব্দ। তাই সঞ্জীব চৌধুরী কিংবদন্তী ছিলেন...কথাটা বলে তাকে একটি সময়ের ফ্রেমে আবদ্ধ করতে চাইনা। সঞ্জীব চৌধুরী কিংবদন্তী এটিই আমাদের চিরন্তন বিশ্বাস হোক এবং সেই বিশ্বাসটিই প্রজন্মের পর প্রজন্মতে স্হস্তান্ন্তরিত হতে থাকুক উত্তরাধিকার হয়ে।।।

আমার খুবই পছন্দের একজন শিল্পী তিনি। শিল্পী বেঁচে থাকেন বিশ্বাসে , মূল্যবোধে,চেতনায়........এতকিছু জুড়ে যার অবস্থান মৃত্যুর মত এত স্থূল একটি ব্যাপার তার জন্য তো একটি রূপান্তর মাত্র।।।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: কিংবদন্তী সঞ্জীব দার একমাত্র কন্যা সন্তানের নাম, যার বয়স গতবছর ছিল ৪।

৭. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৫
শামস শামীম বলেছেন: কালের খেয়ায় এর আগে এই লেখাটি পড়েছি। অসম্ভব ভালো লেগেছিল। এখন আবার পড়ে ভালো লেগেছে।

সঞ্জীব দাকে চিরদিন চিরঞ্জীব জানি। কিংবদন্তি একদিন কিংবদন্তি হবে এই বিশ্বাস অন্তরে লালন করি।

যায়যায়দিনে কাজ করার সুবাদে সঞ্জীবদাকে সুনামগঞ্জে আসার ইনভাইট করছিলাম। দাদা বলছিলেন তোমরা ডাকলেই যাবো। কিন্তু ডাক দেওয়ার আগেই দাদা চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: লেখাটা পাঠের জন্য ধন্যবাদ

৮. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৯
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
কমেন্ট কইরা গেলাম।
পরে পড়বো।
৯. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৪
টোকন ঠাকুর বলেছেন: লেখািটর চেয়ে কিংবদন্তীর বাবা সঞ্জীব চৌধুরী অারো বেিশ বড় মানুষ, , সাহসী মানুষ, অারো বেিশ কিংবদন্তীময়... অারো বেিশ
প্রাণবন্ত ছিলেন...কিংবদন্তী সঞ্জীবদা-শিল্পীর ৪ বছরের কন্যাশিশু।
গতবছর সঞ্জীব দা মারা যান ১৯ নভেম্বর ২০০৭-এ, তার ৩ দিন পর এটা লেখা। কাগজে ছাপা হয় তখন লেখাটা। হয়তো কাগজ থেকেই ফের অাজ ১৯.১১.২০০৮-এ
বাংলা ব্লগ সচলায়তন-এ িনজ উদ্দোগে লেখাটা প্রকাশ করেছেন হাসান মুরশেদ; তিনি অামার ফেসবুক অাইডিতে গিয়ে লেখা প্রকাশের অাগে অনুমতি না নিয়ে কাজটা করার জন্য নিজে থেকেই অনুতাপ করেছেন।অাসলে অািম এতে খুিশই হইছি। সচলায়তন থেকে কপি করে এনে অািম সামু তে পোষ্ট করছি... কিছু বানান ভুল অাছে অবশ্য।সঞ্জীব দা অমর রহে...
১০. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫
লীনা ফেরদৌস বলেছেন: মন ছুঁয়ে যাবার মতই লেখা।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লীনা।

২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১২. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪
যীশূ বলেছেন: লেখাটা বোধহয় শুনেছিলাম, ছবির হাটে।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: হ্যা। সন্জীব দা স্মরণ সভায় গতবছর লেখাটি যখন ছবির হাটে মাইকে পাঠ করা হয়, শংকর সাওজাল সহ অনেকেরই চোখে তখন অশ্রু ঝরে পড়ছিল... কারণ, আমরা জানি সঞ্জীব চৌধুরী কিংবদন্তী ছিলেন

এবং দ্য সঞ্জীব চৌধুরী আনলিমিটেড...

১৩. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৭
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: খুব ভাল হয়েছে লেখাটা, তার চেয়েও ভাল একজন মানুষ কে নিয়ে লিখেছেন বলে।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, লেখাটা পাঠের জন্য।

১৪. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৬
মনির হাসান বলেছেন: ভুলেও কেউ টের পাইনি ... কয়েকদিন আগে কি তাচ্ছিল্য করেই না নিজের প্রয়ানের বার্তা আমাদের গেয়ে শুনিয়েছিলেন ...

হাতের উপর হাতের পরশ র'বেনা ...... র'বেনা ।
আমার বন্ধু .. আমার বন্ধু .. হবেনা ...... হবেনা ।

গায়ক'রা তো এরকম কত গান'ই গায় ... তাই বলে কি সবাইকে চলে যেতে হয়।

সঞ্জীব'দা
যেখানেই থাকো ... ভালো থেকো ।
পারলে আরেক সিডরের পিছু ধাওয়া করে ফিরে এসো ।

এই আকালে ... তোমাকে খুব দরকার যে ।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৯

লেখক বলেছেন: সঞ্জীব'দা র জন্য এই অনুভূতি বেঁচে থাকুক অাজীবন...

১৫. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬
সুমন সালেহী বলেছেন: আপনার লুজমোশান গল্পটি ব্লগের জন্য দেন আমার খুব ভাল লেগেছিল...

আপনার লেখা সবসময়ই ভাল লাগে...
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: থ্যাং্কস।

১৬. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৯
সাইফ শিশির বলেছেন: হ্যাঁ।

হাতের উপর হাতের পরশ র'বেনা ...... র'বেনা ।
আমার বন্ধু .. আমার বন্ধু .. হবেনা ...... হবেনা ।

আর রইল কই?
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫০

লেখক বলেছেন: হাতের উপর হাতের পরশ থাকত... যদি
আমার বন্ধু .. আমার বন্ধু .. হতো... যদি

১৭. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৪
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
আমি তোমাকে বলে দেবো কী যে একা দীর্ঘ রাত
আমি হেঁটেছি বিরানপথে
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: ছঁুয়ে কান্নার রং, ছঁুয়ে জোসনার ছায়া...

১৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমার প্রিয় একজন শিল্পী।
লেখাটার জন্য আপনাকে সাধুবাদ।
২০. ২৬ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৮
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মামার শ্বশুড় বাড়ি মনে হয় আমাগো এলাকায়, তাই তারে মাঝে মাঝেই দেখতাম, আড্ডা দিতে। বসের গান আর গলা দুইটাই মিস করি!
২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: গান আর গল... আর সেই মানুষটাকেও মিস করি

২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কবিতা গল্প লিখি, ছবি আঁকি-বানাই, একাএকা গান গাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই