মনে করো সেই পার্বত্য কবিতাটি আমি বাংলায় লিখছি...
পাহাড়ি মেয়েটি ঝর্নার পাশে বসে খুব ভয়ে ভয়ে কাঁদছে। উপত্যকার যৌবন আর্তনাদে আর্তনাদে ফুপিয়ে উঠছে। এ সময় মনে হয়, আত্মার অব্যক্ত বিলাপনই মর্মর কবিতা...
কবিতার আগে রচিত হলো ঘটনা। যতদূর মনে পড়ে, ঘটনা সম্ভবত এরকম যে, পাহাড়ি ছেলেটি আলিঙ্গন ছিন্ন করে বলল," যেতে দাও, যাই?" মেয়েটি বলল, "আর একটু উত্তাপ দিয়ে যাও, বুকের, না হয় আজ আর যেও না,,," তবু পাহাড়ি ছেলেটি মেয়েটিকে দীর্ঘ এক চুমু খেয়ে বলল, "আসি?"
.........................
মেয়েটি কাঁদছে: সে আমাকে রেখে যখন চলে গেল, ঝিরিপথে প্রচুর নুড়ি থাকায় কিছুদূর যেতেই আমি তার পা"র গোড়ালি আর দেখতে পেলাম না। আমি তাকে পেছন থেকে এতো করে ডাকলাম, তবু এই ঝর্নার শব্দে শব্দে সে আমার ডাক শুনতে পায়নি। কুয়াশাও চায়নি আমি তাকে বহুদূর পর্যন্ত দেখি, তাই আর কিছুদূর যেতেই সে আমার দৃষ্টিসীমানা ডিঙিয়ে গিয়ে পাহাড়ের ওপারে চলে গেল
কিছুক্ষণ পর, উপত্যকায় গুলির শব্দ হলো। ছেলেটি আর ফিরল না। পাহাড়ি মেয়েটি
তাই ঝর্নার পাশে বসে খুব ভয়ে ভয়ে কাঁদছে_ যদি ঝর্নাজলে ভেসে আসা এই রক্ত তার প্রণয়ের রক্ত না হতো, খুব ভালো হতো, খুব ভালো হতো, খুব ভালো হতো
৩ মার্চ, ২০১০
( একটি পার্বত্য কবিতার ভাবানুবাদ, সৌজন্যে: বিপ্রদাস বড়ুয়া)
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



