আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলাদেশে সমকামীদের সামাজিক ও আইনগত স্বীকৃতি দেয়া হোক - সবুজপএ
- সমকামিতা - একটি পূর্নাঙ্গ আলোচনা - দক্ষিনা বাতাস
- ডিসেম্বর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টসমূহের সংকলন - দূর্যোধন
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- ফিরে দেখা ২০১১ : সামহোয়্যারইন ব্লগে সর্বাধিক মন্তব্য পাওয়া ১০২ পোস্ট - ফিউশন ফাইভ
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! (রিপোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
আমার সমকামী অভিজ্ঞতা
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৩ |
আজ আমি যে পোস্টটি লিখতে বসেছি তার আগে অনেকবার আমাকে নিজের সাথে যুদ্ধ করতে হয়েছে। আমি কি লিখব? লিখে কি কোন লাভ আছে? সমকামীতা নিয়ে এই ব্লগে এবং আরো অনেক ব্লগে অনেক পোস্ট আছে। সেগুলোতে সাধারণ মানুষের যে প্রতিক্রিয়া দেখেছি সেটা অনেকটা এরকম -
১। সমকামীরা মানুষ না, অন্য কোন প্রজাতি
২। তাদেরকে সমাজচ্যুত করা উচিত
৩। তাদের মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিত
৪। সমকামীদের বুঝিয়ে শুনিয়ে লাইনে নিয়ে আসা উচিত
প্রথম তিনটা পয়েন্ট নিয়ে আমি কোন আলোচনায় যাবো না, আমার পোস্টের মূল কেন্দ্র হচ্ছে চার নম্বরটি। চার নম্বর ধারনা যারা পোষন করেন তারাই এই সমাজে সমকামীদের ব্যাপারে সবচেয়ে উদার অংশ। তারা মনে করেন মানুষ সমকামী হতেই পারে, এটা আর দশটা মানসিক রোগের মতই চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় কিংবা নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
এবারে আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। আমার বয়স এখন ২৮, জীবনের প্রথম ২২ বছর আমি আমার সমলিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া সত্যেও চেষ্টা করেছি মেয়েদের সাথে সম্পর্কে যাওয়ার। এবং কিছু সম্পর্ক হয়েছেও, যদিও তার একটিও টেকেনি সঙ্গত কারণেই। আমি নিজেকে বলেছি, এর সাথে আমার ভালো মেলে না, তাই হয় নি; কিন্তু সময় গেলে আমি আমার পছন্দের একটি মেয়ে খুঁজে পাবোই। আমার বাইশতম জন্মদিনে আমি সিদ্ধান্ত নেই আমি আর মেয়েদের সাথে সম্পর্কে যাওয়ার চেষ্টা করব না, কারণ এতে শুধু শুধু কিছু মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমার যা দুঃখ সেটা আমার একারই বহন করতে হবে।
সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ আমি সচেতনভাবে এড়িয়ে গিয়েছি। নিজেকে বলেছি, অনুভুতিগুলো চাপা দিতে থাকলে নিশ্চয়ই এক সময় পুরোপুরি চাপা পড়ে যাবে। মাঝে মাঝে খুবই খারাপ লাগত, আত্মহত্যার ইচ্ছেও জাগত। কিন্তু কখনো সাহস করে উঠতে পারি নি। আমি জানতাম নিজেকে সমকামী হিসেবে প্রকাশ করার পরিণতি কি হবে, তাই কাউকেই বলি নি। মাঝে মাঝে ইয়াহু মেসেঞ্জারে চ্যাটরুমে বসে থাকতাম। ওখানে এই শহরেরই অনেকে আমাকে হিট করত, আমি টপ নাকি বটম জিজ্ঞেস করত। শুধু শারীরিক চাহিদা মেটানো এখানে খুব কঠিন কিছু না, কিন্তু আমি এটাও বুঝতে পেরেছিলাম অপরিচিত কারো সাথে সেক্স করা আমার একাকীত্ব দূর করবে না। আমি ধীরে ধীরে একা হতে থাকলাম।
আমার একমাত্র ভরসা ছিল বিদেশীরা। আমি ইয়াহুর অ্যাডাল্ট রুম কিংবা বিভিন্ন ক্যামিং সাইটে গিয়ে অজস্র অপরিচিত মানুষের সাথে কথা বলতাম। তারা আমাকে পছন্দ করত, কিন্তু লোকেশন জানার পরই নিজেকে গুটিয়ে নিত। বলত যদি কখনো তোমার দেশে আসি তাহলে অবশ্যই তোমার সাথে দেখা হবে।
গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে বাইরে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসঙ্গতির কারণে সম্ভব হয় নি। একটা বিদেশী কোম্পানিতে কপালগুণে চাকরি হয় (কোন মামার জোর আমার নেই, রেজাল্টও ভালো না, তারপরেও চাকরিটা হয়েছে)। নিজেকে এর পরে ডুবিয়ে দিলাম কাজে। বিয়ের প্রসঙ্গ উঠেছে অনেকবারই, কায়দা করে এড়িয়ে যেতে যেতে আমি ক্লান্ত।
বাংলাদেশে প্রচুর সমকামী আছে। আমার কথা বিশ্বাস না হলে ইয়াহুর বাংলাদেশ রুমে একটা গে আইডি নিয়ে বসে থাকুন। ১০-১৫ মিনিট পর পরই আপনাকে কেউ না কেউ হিট করবে। তুলনামূলক সামর্থবানদের একটা ক্লাবও আছে ঢাকায়। সেখানে পার্টিও হয় মাঝে মাঝে। আমি এসব অনুষ্ঠানে কখনো যাই নি। খুবই কাছের দুইজন বন্ধুকে শুধু বলেছি, তারাও এই পোস্টের শুরুতে উল্লেখিত চার নম্বর দলে ছিল। অনেক বোঝানোর পরে, অনেক তথ্য উপাত্ত উপস্থাপনের পরে তারা বিশ্বাস করেছে যে আমি আমার এই জীবনধারা ইচ্ছে করে বেছে নেই নি।
বাংলাদেশের বয়স্ক সমকামীদের জীবন দেখে আমার করুণা হয়। তারা বিয়ে করেছে, তাদের বাচ্চাকাচ্চাও আছে। তারা তাদের অফিসের কিংবা বাসার অবসরটুকু কাজে লাগায় পার্টনার হান্টে। কেউ যদি ইন্টারেস্টেড হয় তাহলে তারা কোন হোটেলে এক ঘণ্টার জন্য রুম ভাড়া করে, সেক্স করে, তারপর যে যার পথে চলে যায়। তাদের অসহায়ত্ব দেখে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যদি আমার পুরো জীবনও একা থাকতে হয় তবে তাই সই। কিন্তু এভাবে প্রহসনের মাধ্যমে আমি কিছু মানুষের জীবন ধ্বংস করবো না। আপনারা হয়তো বলবেন, কেন ঐ লোকটি কি তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে সুখে আছে না? উত্তরটা আমি জানি, নেই। মিথ্যের উপরে দাঁড়ানো সম্পর্ক যত ভালোই দেখাক না কেন এক সময় তা তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়বেই।
সবশেষে আপনারা যারা ধৈর্য নিয়ে আমার এই পোস্ট পড়েছে তাদের জন্য একটা ভিডিও।
পুনশ্চ: কারো কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে করতে পারেন। আমি জবাব দেওয়ার চেষ্টা করব
পুনশ্চ ২: ফেসবুকে পাওয়া দুটো কমেন্ট এখানে যোগ করলাম। এই কমেন্টকারী চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধ্যয়ন করেছেন।
একসময় সনাতনী প্রথা অনুযায়ী সমকামিতা কে মানসিক ব্যাধি বলা হতো, এমনকি চিকিৎসা বিজ্ঞানেও পড়ানো হতো সমকামিতা একটি মানসিক রোগ । ফরেনসিক চিকিৎসা বিজ্ঞান এ SEXUAL PERVERTION অধ্যায় এ হস্ত মৈথুন কেও PERVERSION বলা হতো । সে অনুযায়ী পৃথিবীর বলতে গেলে অধিকাংশ পুরুষই মানসিক ব্যাধি তে আক্রান্ত । কিন্তু এখন মডার্ন PSYCHIATRY , MEDICINE , PSYCHOLOGY তে সমকামিতা কোণো মানসিক ব্যাধি না। মানসিক ব্যাধির সংজ্ঞায় আছে " A mental illness is something that disrupts a persons ability to reason and perform everyday activities ." যেমন সিজোফ্রেনিয়া , মুড ডিসঅর্ডার ইত্যাদি । এসব অসুখে আক্রান্ত মানুষ স্বাভাবিক কাজ কর্ম সঠিকভাবে করতেপারে না । আবার সমকামিতা necrophilia ( যারা মৃতদের সাথে sex করে মানসিক শান্তি পায় ) নয়। সমকামী মানুষ কিন্তু সমাজের বাকি ১০ তা মানুষের মতই স্বাভাবিক। একজন স্বাভাবিক ( heterosexual ) মানুষ এর মত সমকামি মানুষও অফিস করছে, গাড়ী চালাচ্ছে, সেনাবাহিনীতে যাচ্ছে, চিকিৎসক -প্রকৌশলী -শিক্ষক -বিজ্ঞানী হচ্ছে , গান শুনছে , সিনেমা দেখছে, কেউ মারা গেলে দুঃখ পাচ্ছে, অর্থাৎ আনন্দ, অনুভুতি, সুখ, দুঃখ, বেদনা সব ব্যাপারগুলোই তার মাঝে আছে। তাই এটা কোন মানসিক ব্যাধি না, এটা বলতে গেলে পৃথিবীতে যেমন ডান হাতি মানুষ আছে তেমনি বাম হাতি মানুষও আছে। আপনি ত বাম হাতি মানুশদের পাপি বা মানসিক রোগ এ আক্রান্ত বলেন না । ধর্মীয় আর সামাজিক বেড়াজাল আর সনাতনী পন্থা তাদের পাপী কিংবা মানসিক ব্যাধি গ্রস্ত বানিয়েছে । বাইবেল, কোরআন এবং তৌরাত এ উল্লেখ আছে সৃষ্টিকর্তা সমকামিতা নামক জঘন্য পাপ এর কারণে সদম এবং গোমরা শহর এবং তাদের অধিবাসীদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছিল । ধর্মগ্রন্থে জঘন্য পাপ উল্লেখ এর কারনে সমাজ এবং মানুষে মাঝে ধিরে ধিরে এই এই বিষময় মতবাদ প্রতিশ্তিত হয়ে গেছে যে সমকামিতা অপ্রাকিতিক, পাপাচার এবং ঘৃণার বস্তু । তাই সমকামিদের স্বাভাবিক মানুষের দৃষ্টিতে থেকে দেখা্ হয় না । অবশ্যই সমকামিতা কোন সুবিধা বা advantage না। কিন্তু এটা কোন ব্যাধি কিংবা পাপ ও নয় এটা একধরনের সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন বা ভেরিএসন যা তাদের মাঝে তৈরি হয়ে যায় । জতদুর জানি মাইকেল অ্যাঞ্জেলো , দা ভিঞ্চি , plato , এলটন জন এরা সমকামি ছিল । এরা সমাজের কি ক্ষতি করেছে? না পৃথিবীকে স্বাভাবিক মানুষদের মতই অনেক কিছু দিয়ে গিয়েছে বা যাচ্ছে ?
সমকামীদের মাঝে AIDS কিম্বা STD (Sexual transmitted disease ) হবার সম্ভাবনা বেশী । কিন্তু অবাধ মেলামেশা কিংবা যৌনাচার করলে সেটা বিষমকামীদের মাঝেও হতে পারে । সমকামীরা যদি তাদের মেলামেশা তার সঙ্গীর সাথে শুধুমাত্র করে , কিম্বা এ বাপার এ সচেতন থাকে তবে কিন্তু তার STD হবার সম্ভাবনা নেই । এ ব্যাপার এ contraceptive method , নেশা গ্রহণকারীদের ইনজেকশন এর অপব্যবহার রোধ , এবং সর্বোপরি সামাজিক সচেতনটা এবং নৈতিকতাবোধ বাপারগুলা থাকলে অনেকখানি সহজ হয়ে যায় । আর এ ব্যাপারগুলো বা সচেতনতা সমকামি বা বিষম কামি উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য । শুধু সমকামীদের দোষ দিচ্ছেন কেন?
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লালুকসাই বলেছেন:
১২ বছরের সংসার জীবনে বউরে পায়ুপথে লিঙ্গ ঢুকাইনাই।নটি আমেরিকার ভিডিও ২জনে মিইল্যা দেকার পরেও ঐদিকে যাওনের চিন্তা মাথায় আনবার পারিনাই...এইটা আমার মনে চায়নাই তাই হয়নাই।এখন লেখক তোমার যা মন চাইতাছে তা করতে কে মানা করছে?ব্লগ কবে থেইক্যা গে সমস্যা সমাধানের জায়গা বইলা বিবেচিত হইল?
তোমার এই এপ্রোচ্রে মানবাধিকার বইলা যারা চিল্লাইতাছে তারাই আবার গে-দোস্তদের ফাকিং দিয়া জ্বর উঠায়া দিছিল আমার ভাইগ্না'র পোষ্টে রিপোর্ট মারছে।
আর ৩ বছর পড়ে মনে হইল তোমার সমকামি অভিজ্ঞতা(!) নিয়া পোষ্ট দেয়া দরকার? যেখানে তুমি কি তাই বর্ননা কৈরা গেলা।সমকামিতার অভিজ্ঞতার কোন বর্ননাই জায়গা পাইলোনা।
লিঙ্গ চোষার সুযোগ সুবিধা এই দেশে হইবেনা মনু,এর লাইগে বৈদেশে যাইতে হইবেক
সুমন আজাদ বলেছেন:
সমকামিতা সমালোচিত এবং আলোচিত একটি বিষয়। বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোতে এর সমালোচনা বেশী হয় এবং আলোচনা থেকে সাধারণ মানুষ দূরে থাকেন সচেতন ভাবে। এক সময় এইডস নিয়েও আমরা আলোচনা করতাম না সেক্সুয়াল বিষয় মনে করে। এখন বাংলাদেশে বিষয়টা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এইডস নিয়ে কথা বললে এখন সঙ্গমের কথা মাথায় আসার আগে এইডস একটা রোগ এই বিষয়টা মাথায় আসে। তেমনি এক সময় যারা সমকামিতা নিয়ে আলোচনা করবেন, তখন তাদেরকে সমকামী ভাবার আগে সমকামী একটা সামাজিক ডিসকোর্স এই বিষয়টাই সবার আগে মাথায় আসবে।কিছুদিন আগেও প্যারিসে একটি সমকামী বিয়ে হল, যার মাঝে সার্কোজি নিজে উপস্থিত ছিলেন। বিদেশে এই বিষয়টা এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। চলতে ফিরতে সমকামী জুটি দেখা যায়।
লেখকের বক্তব্য পড়ে মনে হল তিনি শতচেষ্ঠা করেও স্বাভাবিক হতে পারছেন না। যদি না পারেন তাহলে আপনি সচেতন ভাবে আপনার পার্টনার খুঁজুন, কারণ আমাদের সমাজে এমন অনেক সমকামী আছেন যাদের দ্বারা অনেক সাধারণ মানুষ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরেছেন।
একবিংশ শতব্দির সবচেয়ে বড় দার্শনিক মিশেল ফুকো ছিলেন সমকামী। তার জীবনী পড়তে গিয়ে পড়েছিলাম, সেক্স যদি হয় শরীরের বিষয় তাহলে সেটা মেয়ে না ছেলে মূখ্য নয়।
তবে আমার ব্যক্তিগত মতমত হচ্ছে, শারীরিক কোনো সমস্যা না থাকলে প্রকৃতি প্রদত্ত নিয়মই উকৃস্ট!
সৈয়দ রাহী বলেছেন:
আমার বয়স এখন ২৮, জীবনের প্রথম ২২ বছর আমি আমার সমলিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া সত্যেও চেষ্টা করেছি মেয়েদের সাথে সম্পর্কে যাওয়ারজন্মলগ্ন থেকেই ব্যাটাগো দিকে আফনের লুল দৃষ্টি ফালাইছেন। হে হে
তানভীর হোসাইন বলেছেন:
"সমকামীতা" কী স্বাভাবিক নাকি অস্বাভাবিক সেটা বলার আগে জানা দরকার "অস্বাভাবিকতা" আসলে কী?আমরা যেটা দেখে অভ্যস্ত না, সেটাই আমাদের কাছে অস্বাভাবিক।
প্রাচীনকালে শিক্ষকের সামনে ছাত্ররা উল্টা হয়ে বসত। শিক্ষকের মুখোমুখি বসাটাই ছিল "অস্বাভাবিক"।
আজ কিন্তু উল্টাটাই স্বাভাবিক।
এবার কথা হল, এই যে "অস্বাভাবিকতা", সেটা কী খারাপ নাকি ভাল?
সেই আদিকাল থেকেই কিন্তু সমকামিতা রয়ে গেছে। এখনো আছে।
মনে হতে পারে এখন হয়তো অনেক বেড়ে গেছে। তাও কিন্তু না। বলা যায়, ইন্টারনেটের বদৌলতে প্রকাশ পাচ্ছে বেশী।
কিন্তু মানুষের মাঝে(অন্য প্রাণিদের মাঝেও) এই ব্যাপারটা সবসময়ই রয়ে গেছে।
প্রকৃতি তার প্রাণিকূল নিয়ে অনেক ধরনেরই এক্সপেরিমেন্ট করে। এটাও প্রকৃতির একধরনের এক্সপেরিমেন্ট। কাজেই এটা ভাল না খারাপ, সেটা প্রকৃতিই একসময় ঠিক করে দিবে।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অনেক মানুষই এটাকে মনে প্রানে প্রচন্ড রকম ঘৃণা করে!
এমন একটা ভাব করে যেন একজন স্ট্রেইট(বিসমকামী) হচ্ছে পরিপূর্ন মানুষ, আর একজন সমকামী হচ্ছে কীট পতঙ্গ!
অথচ একটা জিনিষ সবাই ভুলে যাই যে, বিশুদ্ধ মানুষ হওয়া এক কথা আর বিসমকামী/সমকামী হওয়া আরেক কথা।
কাজেই অমুক মানুষ সমকামী নাকি বিসমকামী সেটা দিয়ে তাকে বিচার না করে সে মানুষটা কেমন সেটাই বেশী গুরুত্বপূর্ন।
মোঃ শাকুর উল্যাহ ভূঞা বলেছেন:
খবিশ কুনহানকার।
রিমন শরীফ বলেছেন:
কমেন্ট না করে থাকতে পারলাম না । আমি ভাই আপনাদের মত সমকামী expert না । আপনি যদি বিশ্বাস করেন ইসলাম তাহলে >>কুরআনের আয়াতগুয়ালান পড়েন >>"সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরূষদের সাথে কুকর্ম কর?
এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্যে যে স্ত্রীগনকে সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে বর্জন কর? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়। "26:165-166"
"অবশেষে যখন আমার হুকুম এসে পৌঁছাল, তখন আমি উক্ত জনপদকে উপরকে নীচে করে দিলাম এবং তার উপর স্তরে স্তরে কাঁকর পাথর বর্ষণ করলাম। "11:89
আল্লাহ আপনাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন ,আমীন >>>
মুদ্দাকির বলেছেন:
ভাই, বেশির ভাগ মানষিক রোগের একটা সবচেয়ে বড় লিমিটেসন হচ্ছে যে, রোগী নিজে কে কখন অসুস্থ ভাববে না এবং তারা তাদের রোগের কারনেই হয়ত একটু বেশি এক রোখা হয়। আর মানব সমাজের নিয়ম হচ্ছে , মানুষ অস্বাভাবিক কোন কিছুই হজম করতে পারেনা। তাই আপনার অস্বাভাবিকতা তাদের চোখে প্রকাশ পাবার সাথে সাথেই তারা আপনার পিছে লাগবে, কিন্তু স্বাভাবিক হবার জন্য সাহায্য করবে না। অথচ আপনার রোগের চিকিৎসা হলেই আপনি হতে পারেন সমাজের অন্য সব মানুষের মত স্বাভাবিক।
আবার আপনি যেহেতু এক রোখা ভাবেই বিশ্বাস করছেন যে আপনি সুস্থ , তাই আপনি হয়ত স্বাভাবিক এক রোখা ভাবেই আপনার মানষিক বিকার কে প্রতি পালন করবেন।
কিন্তু ব্যাপারটা হল আপনি যদি আপনার রোগের চিকিৎসা চাইতেন আপনার কৈশরেই তাহলে হয়ত আজ, গরম গরম মেয়ে দের দেইখাই গরম হইতেন। তবে বলতে চাইনা যে ইয়ু আর টু লেট!!!!!!
আমি একটা সদ্য কিশোরি মেয়েকে দেখেছিলাম, ও নিজেকে ছেলে ভাবত, নিজেকে সালমান খান ভাবত, বান্দোবিদের স্তন চাপতো, পাছায় চাটি মারত......ইত্যাদি ইত্যাদি...বান্দোবিরাও নুতন কিশোরি হওয়াতে ব্যাপার গুল খুব মজা পেতে থাকল, কিন্তু এভাবে দুই বছর কেটে যায়, তার পর বান্দোবি রা বুঝতে পারে যে ব্যাপারটা আর স্বাভাবিক দূষ্টামিতে নাই, মা বাবাদের জানায় তারা, অতঃপর তারা ডাঃ এর কাছে আসে, and she was helped, and she recovered....... ও প্রথমে প্রথমে মানতে ই চাইতোনা যে she is doing anything wrong.........
You are not wrong You are not abnormal but some how you don't understand the beauty of women's breasts, I hope someday you will get crazy to have a pair of breast in your hand.
May Almighty bless you.
মুদ্দাকির বলেছেন:
"Since the 1970s, the consensus of the behavioral and social sciences and the health and mental health professions globally is that homosexuality is a normal variation of human sexual orientation, while there remain those who maintain that it is a disorder. In 1973, the American Psychiatric Association declassified homosexuality as a mental disorder. The American Psychological Association Council of Representatives followed in 1975. Thereafter other major mental health organizations followed and it was finally declassified by the World Health Organization in 1990. Consequently, while some still believe homosexuality is a mental disorder, the current research and clinical literature demonstrate that same-sex sexual and romantic attractions, feelings, and behaviors are normal and positive variations of human sexuality, reflecting the official positions of the American Psychiatric Association and the American Psychological Association."মানে আমেরিকানরা ভাবে আপনারা ১৯৭০ সাল থেকে অসুস্থ না। আর WHO ভাবে আপনারা ১৯৯০ থেকে অসুস্থ না?????!!!!!! কি মজার তাই না???????
WHO মাত্র গত ২১ বছর ধইরা বলতেসে যে এটা কোন অসুখ না। কিন্তু এইটা হইসে আমেরিকানদের জন্য। দুনিয়ার শত শত দেশের লক্ষ লক্ষ ডাক্তাররা(আমেরিকান রাও) এখনো এটা কে অসুখই মনে করেন , আর তাদের ছাত্রদের পড়ানোর সময় homo দের অসুস্থই বলেন। আর বললামতো আপনার মনে হবে না যে এটা অসুখ। এটাই মানষিক রোগের একটা মজার বৈশিষ্ট!!!!!!!
Sexual identification therapy বলে একটা কথা আছে যা এখন practice করা হয়। দুনিয়ার লক্ষ লক্ষ ডাক্তাররা তা করেন, আর আপনার মত অনেকেই উপকৃত হন।(অবশ্যই যদি তারা চান তবে) ।
তবে এটা সত্য যে homo দের জনসংখা অনেক বেড়ে গাছে পৃথিবিতে।
দেখেন কবে আবার আমেরিকানদের মতের পরিবর্তন হয় আর আপনি অফিসিয়াললি অসুস্থ হয়ে জান।
কিন্তু সত্য এটাইযে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের হিসাবে, আর লক্ষ লক্ষ ডাঃ এর হিসাবে আপনি আজো অসুস্থ।
আপনাকে আঘাত দেবার জন্য না। আপনাকে বোঝানোর জন্য বলেছিলাম..................কিছু মনে করবেন না।
বাহ কি মজা। তাহলে তো এখন জ্বিন-ভূত-পরী-দৈত্য-দানব-ডাকিনীবিদ্যা-ডার্ক ম্যাজিক-ঠাকুরমার ঝুলি সবই বিশ্বাস করা উচিত! কারণ মানুষ "অল্প কিছু দিন" ধরে এগুলোতে অবিশ্বাস করছে, যে কোন মুহূর্তে বিজ্ঞানীরা ঘোষণা দিতে পারেন এগুলোর অস্তিত্ব আসলেই আছে।
"সব ইহুদী নাসারা আর আমেরিকানদের ষড়যন্ত্র" - এই টাইপের কথা আমি অশিক্ষিত মোল্লাদের কাছ থেকে শুনে অভ্যস্ত; ব্লগারদের কাছে না।
মুদ্দাকির বলেছেন:
ভাই আপনি আমার উপর অযথাই রাগ করছেন।যুক্তি আমি আপনাকে কিছুই দেখাইনি, প্রথম মন্তব্যে আপনাকে বোঝানোর জন্য বলেছিলাম, আর দ্বিতীয়টা আপনি আপনি জানতে চাইলেন তাই বললাম।
আসলে ভাই ধর্ম বিশ্বাস না করলে গুহ্যদ্বারই কি আর গাছের গুরিই বা কি? একটা কথা আছে না,
Men born free, but every where he is in chain.
সামাজিক নিয়ম গুলা আসলে এই রকমই। প্রায় সকল ছেলেই(আপনার মতরা বাদে) চায় শত শত মেয়ের সাথে যৌনতা করতে কিন্তু তা সম্ভব হয়না। তার সামাজিকতার কারনে ধর্মের কারনে। যে ধর্ম বিশ্বাস করেনা তার কাছে এটা কোন বাধাই না। সে সব কিছু করতে পারে। যাই হোক আপনি আপনার রুচিতে যা ভালোলাগে তাই করুন আমার তেমন কিছুই বলার নাই। তবে মুসলমান হলে কুরানের একটা লাইন পড়তে বলতাম। আপনি মুসলমান না তবুয় বলি কুরান পড়ে দেখুন। এই বিকৃতির সমাধান আছে। খুজলে পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ।
আর আপনার যুক্তিদিয়ে যুক্তি খন্ডনের ব্যাপারে একটা কথা,
দেখুন , আজ যদি ১০০ জন মহাকাশ বিজ্ঞানী বিশ্বাস করতেন যে সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে , আর পৃথিবী সমতল, তাহলে আসলেই অনেক কিছুই যেত-আসত। তেমনি যখন লক্ষ লক্ষ ডাক্তার যখন মনে করেন আপনারদের সকামিতা মানষিক রোগ তখন আসলেইতো কিছু যায় আসে। আর আর দেখেছেন তো বিতর্কিত বিজ্ঞান অনেক সময়ই মত পালটায়। কারন এক সময় বিজ্ঞান মনে করত সূর্য পৃথিবীর চার পাশে ঘুরে, এখন আর তা মনে করে না।
আর আপনি কি জানেন, বিজ্ঞানীরা সমকামিতার পক্ষে যারা বলেছেন, তাদের প্রধান যুক্তিই ছিল যে পশু জগতে এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার, তাই এই সমকামিতা মানুষেও স্বাভাবিক। ভাই , অনেক পশুরা তাদের আপন বোনদের সাথে, নিজ মায়ের সাথেও যৌনতায় লিপ্ত হয়, তাই বলে কোন মানুষ যদি নিজ মায়ের বা বোনের সাথে এ কাজ করে, তাহলে কি তা স্বাভাবিক বলবেন নাকি, আপনি?
আর কিছু মনে করবেন না, আমি ব্লগার হইলেও জ্বীনের অস্তিত্তে বিশ্বাস করি। জাদু বিদ্যাযে আছে তা বিশ্বাস করি।(কিন্তু জাদু করা কুফর)
আর, সত্যি বলতে কি আপনার কষ্ট আমার মত নারী প্রেমি দের বোঝা সম্ভব না।
ভালো থাকুন। আল্লাহ আপনার ভালো করুন। আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করুন।
মুদ্দাকির বলেছেন:
আমি কিন্তু আপনাকে একবারও বলিনাই যে, ধর্ম সমকামিতা চায় না তাই আপনি তা পরিত্যাগ করুন!!!!!!!!আমি আপনাকে ইসলাম নিয়ে পড়তে অনুরোধ করেছি, কারন মনে করলাম যে আপনি হয়ত আপনার সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন। এজন্য, আর কিছু না।
আমার কথায় অপবিজ্ঞান কোথায় পাইলেন????
হা আর ধর্মকে(ইসলামকে) অনেক শক্তি শালী অস্ত্র হিসাবে ব্যাবহার করা যায়, তবে তা শুধু নিজের জীবনের জন্য। আমি আমার জীবনে একে অস্ত্র হিসাবে ব্যাবহার করার চেষ্টা করি প্রতিনিয়ত। কিন্তু একজন অন্য জনের জীবনে এটাকে অস্ত্র হিসাবে ব্যাবহার করতে পারেনা। আর যে করতে চায় সেই ধরা খায়।
জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন:
লেখাটা প্রিয়তে নিলাম।আপনাদের গ্রহণকরার ম্যাচুরিটি এদেশের মানুষের এখনও আসেনি।আপনাদের সুস্হ মানসিক জীবনের জন্য চার নম্বর পয়েন্টটিও খুব একটা সুবিধার নয়।যাই হউক,আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
ভালবাসাকারেকয় বলেছেন:
কুরআনের আয়াতগুয়ালান পড়েন >>"সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরূষদের সাথে কুকর্ম কর?
এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্যে যে স্ত্রীগনকে সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে বর্জন কর? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়। "26:165-166"
"অবশেষে যখন আমার হুকুম এসে পৌঁছাল, তখন আমি উক্ত জনপদকে উপরকে নীচে করে দিলাম এবং তার উপর স্তরে স্তরে কাঁকর পাথর বর্ষণ করলাম। "11:89
আল্লাহ আপনাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন ,আমীন >>>
ভালবাসাকারেকয় বলেছেন:
ইসলামে সমকামিতা হারাম। মানব সভ্যতার উন্নয়নে সমকামিতা এক বড় অন্তরায়। পৃথিবীতে মানুষের ফ্যামিলি ট্রি বাঁচিয়ে রেখেছে প্রজনন ধারা। সমকামিতা এমনই এক স্থবির সিস্টেম যেখানে বংশবিস্তারের কোন সুযোগ নাই।
উকিল সাহেব বলেছেন:
আল্লাহর কাছে দোয়া করেন যেন তিনি সবাইকে সুস্থ করে দেন।
If being gay was a choice, then no one would be gay in this society.
If being gay was a disease, there would have been a remedy.
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।