ঢাবিতে আজ সারাদিন আন্দোলন বিক্ষোভ হয়েছে। মাদ্রাসা ছাত্রদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। সারাদিন মিছিল সামবেশ অতপর হলে ফিরে যাওয়া। কিন্তু শেষে কেন যেন ছন্দপতন। আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক সন্ধ্যার দিকে দপ করে সমাবেশ শেষের ঘোষণা দিয়ে দ্রুত হলে চলে যাবার জন্য বললেন। সারাদিন উত্তাল বিক্ষোভের পর হঠাৎ এমন আকস্মিক নির্দেশনা উপস্থিত প্রায় সকলকে আহত করেছে- এ যেন কতকটা পলায়ন। সন্ধ্যাভর মনটি খচ খচ করেছে এ জন্য। অবশেষে বের হল আসল ঘটনা।
ছাত্রলীগের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কলাভবন ও মল চত্তরের আশেপাশে অবস্থান নিয়েছিল তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতির নেতৃত্বে। সময়টা সন্ধ্যার কাছাকাছি। তাদের হাতে ছিল রড, লাঠি ইত্যাদি। না, মাদ্রাসা ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ কমিটির উপর ঝাপিয়ে পড়ার কোন টার্গেট তাদের ছিলনা। টার্গেট ছিল উত্তাল বিক্ষোভ চলাকালীন অকস্মাৎ তারা পেছন থেকে ভাংচুর শুরু করবে, নাম পড়বে আন্দোলনকারীদের। অতীতেও তারা এমন কাজ করেছে। কিন্তু আজ ছাত্রলীগের সে চেষ্টা সফল হয়নি। আন্দোলন কমিটি ছাত্রলীগের মোটিভ জানতে পেরে তাদের মুখে ছাই দিয়ে দ্রুত মিছিল না করেই সামবেশ শেষ করেছে। আর ফলাফল, কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই একটি আন্দোলনের সফলতা। অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে নতুন আরোপিত শর্ত স্থগিত করেছেন।
একটি আন্দোলন করতে হলে অনেক দিকেই নজর রাখতে হয়। আজকে নেতৃবৃন্দের দূরদর্শীতায় স্যাবোটাজ ঘটানোর চেষ্টাকারীদের মুখে ছাই পড়েছে। উক্ত সংগঠনটি দুপুরেও একবার বিক্ষোভ সমাবেশ স্থলে এসেছিল হামলার প্রস্তুতি নিয়ে, তবে বিপুল জনসমাবেশ দেখে নিরবে সরে পড়েছে। নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ দূরদর্শী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য। বুঝলাম, আন্দোলন শুধু বিক্ষুদ্ধ বিক্ষোভের নাম নয়। ধৈর্য ও প্রজ্ঞার সংমিশ্রণ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

