দেশজুড়ে আওয়ামী লীগ,যুব লীগ, ছাত্রলীগের তাণ্ডব এবং অতপর আত্মকলহে নিজ দলের লোককে খুন পর্যন্ত করা, এ সবই নাকি ছাত্রদল এবং শিবিরের কাজ। গতকালের সংসদে তিনি জাতিকে এ কথাই জানালেন। আমরা গলাধকরণ করতে গিয়েও গলায় আটকে গেল। ভাবলাম, এ সবই অন্যের কাজ? তবে কার উপর রাগ করে তিনি নিজে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ,শিবির ও ছাত্রলীগের উপর? শুনলে নির্লজ্জও লজ্জা পাবে! জয়নাল হাজারী কি তবে জামায়াতে ইসলামীর রোকন? হাজি সেলিম কি তবে বিএনপির নেতা? শেখ হাসিনার লগি বৈঠার ঘোষণায় নির্মমভাবে রাজপথে খুন হতে হয়েছিল অসংখ্য ব্যাক্তিকে। প্রশ্ন জাগে,সন্ত্রাসী সব যদি হয় ছাত্রদল শিবিরের, শেখ হাসিনা নিজে কি তবে আওয়ামীলীগের লোক? কেননা সাম্প্রতিক ইতিহাস বলে উনিই তো সব সন্ত্রাসের উদ্বোধক।
ভাল, খুবই ভাল কথা, উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর এ কায়দায় আওয়ামী লীগ আগে থেকেই সিদ্ধ হস্ত। আর কাল যখন শেখ হাসিনা পরিষ্কার ঘোষণা দিলেন, তখন আগামীকাল থেকেই হয়তো দেখব তার মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর রেওয়াজ পুরোদস্তুর চালু করেছে,দেশের আনাচে কানাচে সব আওয়ামী, যুব, ছাত্র, সব লীগ ভাই বোনেরা বিপুল উৎসাহে নিজেদের সকল অপকর্ম সরলভাবে অন্যের ঘাড়ে চাপানো শুরু করবে। এককথায় অপকর্মের লাইসেণ্স প্রধানমন্ত্রী তার দলের লোকদেরকে গতকালের বক্তব্যের মাধ্যমে দিয়ে দিলেন। আফসোস, আমরা জাতি হিসেবে বড়ই দূর্ভাগা, এমন এক নেত্রী আমাদের ঘাড়ে সওয়ার হলেন। বলাই বাহুল্য, দেশের জাতীয় নেত্রীবৃন্দের চরিত্র ও ব্যবহার জনগণের মাঝে সংক্রমিত হয়। সে সূত্রে শেখ হাসিনার এমনতর অপচরিত্রে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের জনগণ বিজড়িত হবে- এমনটাই আমাদের আশংকা।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


