somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রক্ষনশীল বাঙালি মুসলিম পরিবারের সন্তান মিরাক্কেলের মির

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইচ্ছে ছিল জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। মানুষকে হাসাতে হাসাতে হয়েছেন সেলিব্রেটি। শৈশব-কৈশোরে একাকীত্বই ছিল যার নিত্য সঙ্গী, অথচ সেই কিনা এখন সব মানুষের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। পরিবারে কোনো ভাইবোন না থাকায় একসময় তার ভীষণ একাকী জীবন কাটত। পড়াশোনাতেও ছিলেন মাঝারি মানের এবং কখনই কোনো খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতেন না। একাকী এই তরুণের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান ছিলেন পিতামাতাসহ পরিবারের সব সদস্য। কিন্তু সবার চোখে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আজ দুই বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় এক সেলিব্রেটি তিনি। জি বাংলা চ্যানেলের অন্যতম জনপ্রিয় হাস্যরসাত্মক অনুষ্ঠান মিরাক্কেলের সঞ্চালক মির আফসার আলি’কে আজ সবাই এক ডাকে চেনে মির নামে। পার্ক স্ট্রিটের এসেম্বলি অব গড চার্চ স্কুলে পড়াশোনা করা মির স্কুলের চ্যাপেল সার্ভিসের ভীষণ ভক্ত ছিলেন, যা তাকে তার খোলস ভেঙে বেরিয়ে আসতে এবং প্রতিষ্ঠিত একজন সঞ্চালক হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। রক্ষনশীল বাঙালি মুসলিম পরিবারের সন্তান মিরের বাল্যকাল কেটেছে কঠোর অনুশাসনের মধ্য দিয়ে। বাল্যকাল থেকেই ইচ্ছা ছিল একজন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। কিন্তু সবকিছুই বদলে যায় যখন তিনি ৬ দিন পুরনো একটি খবরের কাগজের রেডিও জকি চাওয়ার বিজ্ঞাপন দেখে সেখানে দরখাস্ত করেন। রেডিও জকি হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা মির নিজের আকস্মিক কৌতুক বানিয়ে ফেলার ক্ষমতা এবং ভিন্ন ধারায় উপস্থাপনার দক্ষতার দরুন বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। টেলিভিশনে তার প্রথম উপস্থিতি ডিডি বাংলা চ্যানেলের নিউজ প্রোগ্রাম ‘খাস খবর’র মাধ্যমে। ‘হাউ মাউ খাউ’ এবং ‘বেটা বেটির ব্যাটল’-এর সঞ্চালক থাকলেও জি বাংলার মিরাক্কেলের মাধ্যমেই আজ অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম মির আফসার আলি। মিরাক্কেলের মির নিজে যেমন হাসেন প্রান খুলে তেমনি হাসাতেও পারেন ঢেউ তুলে।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৮
১৭টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×