ইচ্ছে ছিল জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। মানুষকে হাসাতে হাসাতে হয়েছেন সেলিব্রেটি। শৈশব-কৈশোরে একাকীত্বই ছিল যার নিত্য সঙ্গী, অথচ সেই কিনা এখন সব মানুষের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। পরিবারে কোনো ভাইবোন না থাকায় একসময় তার ভীষণ একাকী জীবন কাটত। পড়াশোনাতেও ছিলেন মাঝারি মানের এবং কখনই কোনো খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতেন না। একাকী এই তরুণের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান ছিলেন পিতামাতাসহ পরিবারের সব সদস্য। কিন্তু সবার চোখে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আজ দুই বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় এক সেলিব্রেটি তিনি। জি বাংলা চ্যানেলের অন্যতম জনপ্রিয় হাস্যরসাত্মক অনুষ্ঠান মিরাক্কেলের সঞ্চালক মির আফসার আলি’কে আজ সবাই এক ডাকে চেনে মির নামে। পার্ক স্ট্রিটের এসেম্বলি অব গড চার্চ স্কুলে পড়াশোনা করা মির স্কুলের চ্যাপেল সার্ভিসের ভীষণ ভক্ত ছিলেন, যা তাকে তার খোলস ভেঙে বেরিয়ে আসতে এবং প্রতিষ্ঠিত একজন সঞ্চালক হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। রক্ষনশীল বাঙালি মুসলিম পরিবারের সন্তান মিরের বাল্যকাল কেটেছে কঠোর অনুশাসনের মধ্য দিয়ে। বাল্যকাল থেকেই ইচ্ছা ছিল একজন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। কিন্তু সবকিছুই বদলে যায় যখন তিনি ৬ দিন পুরনো একটি খবরের কাগজের রেডিও জকি চাওয়ার বিজ্ঞাপন দেখে সেখানে দরখাস্ত করেন। রেডিও জকি হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা মির নিজের আকস্মিক কৌতুক বানিয়ে ফেলার ক্ষমতা এবং ভিন্ন ধারায় উপস্থাপনার দক্ষতার দরুন বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। টেলিভিশনে তার প্রথম উপস্থিতি ডিডি বাংলা চ্যানেলের নিউজ প্রোগ্রাম ‘খাস খবর’র মাধ্যমে। ‘হাউ মাউ খাউ’ এবং ‘বেটা বেটির ব্যাটল’-এর সঞ্চালক থাকলেও জি বাংলার মিরাক্কেলের মাধ্যমেই আজ অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম মির আফসার আলি। মিরাক্কেলের মির নিজে যেমন হাসেন প্রান খুলে তেমনি হাসাতেও পারেন ঢেউ তুলে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


