পুরা দৌড়ের উপর থাকা বলতে যা বুঝায় তাই আছি মনে হয়। প্রায় ৪০ ঘন্টা টানা ঘুমাইনি, তবুও এক ব্লগার বন্ধুকে (আবু সালেহ) দেয়া কথা রাখতে বসুন্ধরা সিটির উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। আমার আরো কয়েকজন বন্ধুও ছিলো, যারা আট তলায় আমার জন্য ৬টা থেকে অপেক্ষায় আছে। ঢুলতে ঢুলতে ক্যাবে উঠলাম।
ক্যাবে বসে ঢুলতে ঢুলতেই পেলাম রাগ ইমন আপুর কল, "ত্রিভুজ কোথায় তুমি? কখন আসছো?....." দুইদিন আগে রাগ ইমন আপুকে তার ব্লগে বলেছিলাম বসুন্ধরায় যাচ্ছি.. সময় করতে পারলে চলে আসেন। অনেক আগেই উনার সাথে আজিজে আড্ডা দেবার একটা দাওয়াত পেয়ে বসে আছি... রাইসু দা ও মাহবুব মোর্শেদ ভাইয়ের সাথেও দেখা করার একটা সুপ্ত বাসনা কাজ করে যাচ্ছিলো। কিন্তু হয়ে ওঠেনি। ইমন আপুকে বললাম ২০ মিনিটের মাঝেই আসছি.. যদিও জ্যামের কারনে সেটা সম্ভব হবে না মনে হচ্ছিল।
বসুন্ধরাসিটিতে ঢুকেই ইমন আপুকে আরেকটা কল দিলাম, "আপনি কোথায়?".. বললাম আট তলায় 'হ্যালো'র সামনে চলে আসেন। কিন্তু তিনি বললেন আবার বের হতে, কারন তার দুজন বন্ধু আসতে পারে। তখনো ভাবতে পারিনি সব পাগলদের হইবো মেলা, রথে এসে।
রাগ ইমন আপুকে দেখে তো আমি ইমপ্রেসড! (কেন কমুনা
)... সবাই আমাকে সামহোয়্যারইন বাখরা বানায়া বললো, "ঠিক ধরছো.."। আমিতো নিজের বুদ্ধিতে খুবই খুশি... (ক্লোজআপহাসি) ..বাকীদের সাথে পরিচিত হওয়ার পর কথাবার্তা বলছিলাম.. তখনো কেউ বলে দেয়নি ওটা আসলে অরুপ দা নয়।
কথাবার্তার এক পর্যায়ে সবাই বললেন উত্তরা ভাস্কর দা'র বাসায় যাবেন। মাহবুব সুমন সেখানে বসে আছেন। সুমন ভাই অষ্ট্রেলিয়া বসেই আমার সাথে লাইভ মারামারির একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাইছিলেন। আমি অনেকদিন ধরেই পিঠে তেল মাখতাছি... আর সুমন ভাই বন্দুকে তেল দিতেছিলেন। এই সুযোগটা মিস করা ঠিক হবে কিনা ভাবতেছি... এর ভেতর মাশীদ, রাগ ইমন জেবতিক আরিফ মাশা জানতে চাইয়ের কথাবার্তা আচরনে বেশ বন্ধুর্ত্বপূর্ন একটা ভাব দেখছিলাম। ভাষ্করদা'র সাথেও দেখা করার একটা ইচ্ছা ছিলো.. সামহোয়্যারইন এর সেমিনারে কৌশিক দা, ভাষ্কর দা ও পিয়াল ভাই এর সাথে দেখা হওয়ার একটা সুযোগ এর আগে নষ্ট হইছিলো, যেটার জন্য বেশ কয়েকবার ব্লেম দিছিল কৌশিক দা ও ভাস্কর দা..। সুতরাং ঘুম ঘুম ঝিম ঝিম ব্রেইনে যাবো কি যাবো না খুব স্লো প্রসেসিং হচ্ছিলো..... শেষ পর্যন্ত ডিসাইড করলাম যাই.... আজ মিস করা ঠিক হইবো না। আট তলায় বসে থাকা বন্ধুদের ফোন করে ম্যানেজ করলাম... বুঝতেছিলাম ওরা আমার উপর ক্ষেপতাছে (পরে এই ইস্যুতে লাইভ ঝাড়ি খাইছিলাম
)।
দুটো গাড়িতে চড়ে আমরা মোট ছয় জন রওনা দিলাম। হটাৎ মনে পড়লো আবু সালেহ'র কথা। তাড়াতাড়ি তাকে ফোন করে প্রথম আলো অফিসের সামনে আসতে বললাম। তারপর শুরু হলো ভাষ্কর দা'র বাসার উদ্দেশ্যে যাত্রা.....
-#-------বিজ্ঞাপন বিরতি-------#-
(পোষ্ট খুব বেশী বড় হইয়া গ্যাছে..... এর পর কি হৈলো, তা মন্তব্যের ঘরে দিমুনে... বাকীরা সাহায্য করলে আরো ভাল হয়...ছবিগুলোও পরে দিমু....... বিজ্ঞাপন বিরতিতে যাইতাছি
.... আমি অখন ঘুম দিমু...)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

