আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০০৮ ত্রিভুজ

ত্রিভুজের রাজাকার হয়ে উঠন (সপ্তম পর্ব)

০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১২:০৫

শেয়ার করুন:                   Facebook



এখানে ক্লিক করে আগের পর্ব পড়ুন..

--

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিক্রি করে এক শ্রেণীর মানুষ ক্ষমতায় যাওয়া সহ বিভিন্ন ধান্ধাবাজী করতে দেখে মুক্তিযুদ্ধের সত্যেকার ইতিহাস জানার ব্যপারে আগ্রহী হয়েছিলাম। সেই লক্ষে যখন ইতিহাসের বই পত্র চষে বেড়াচ্ছি, তখনই একদিন আশরাফ রহমান নামের এক ব্লগার এমন কিছু তথ্য প্রকাশ করলেন, যা আমার জানা ইতিহাসের পুরো বিপরীত অবস্থানে দেখতে পেলাম। তথ্যগুলো থেকে কিছু প্যারা কোট করছি-

"শেখ মুজিববের স্বপ্ন ঃ স্বাধীনতা বনাম অখন্ড পাকিস্তান

সত্যি বলতে কী, শেখ মুজিব কখনও বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। আর এজন্যই ২৪শে মার্চে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সভায় তিনি দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, “আমার ম্যান্ডেট স্বায়ত্ত্বশাসনের জন্য, স্বাধীনতার জন্য নয়।” আসলে তিনি পাকিস্তান ভাঙতে চাননি, চেয়েছিলেন অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে। তাইতো ২৫শে মার্চ দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার সময়ও তিনি ডঃ কামাল হোসেনের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন পরদিন ইয়াহিয়া খানের সাথে তার বৈঠকের ব্যাপারে।

শেখ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষণা সম্পর্কে কে, কি বলেন ঃ

ক) আওয়ামীলীগ নেতা এম.এ.মোহাইমেন ঃ স্বাধীনতার দাবী নয়, পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য প্রমাণের জন্যই শেখ মুজিব পাক-বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। এ সম্পর্কে সাবেক আওয়ামী লীগ এম.পি. মরহুম এম.এ. মোহাইমেন তার ঢাকা আগরতলা-মুজিব নগর গ্রন্থে লিখেছেন, “শেখ সাহেবের এভাবে সেদিন রাতে ধরা দেয়াকে আমি কোনদিন মনের সঙ্গে যুক্তি দিয়ে খাপ খাওয়াতে পারিনি। অন্যেরা যে যাই বলুক, আমার নিজের ধারণা আওয়ামী লীগের নেতারা তাজউদ্দীন সাহেবের নেতৃত্বে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের সহায়তায় মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করে এভাবে দেশ স্বাধীন করবে, এটা তিনি ভাবতে পারেননি। তার ধারণা ছিল অল্প কিছুদিনের মধ্যেই পাকবাহিনী অবস্থা আয়ত্ত্বে নিয়ে আসতে পারবে। এছাড়া তার এ ধারণাও ছিল যে, আগরতলা মামলার সময় তাকে যেভাবে দেশের মানুষ আন্দোলন করে জেল থেকে বের করে এনেছিল, সেভাবে দু’তিন বছর পরে তুমুল আন্দোলনের ফলে পাকিস্তান সরকার তাকে মুক্তি দিয়ে মতা তার হাতে অর্পণ করতে বাধ্য হবে।”

খ) মতিউর রহমান রেন্টু ঃ
শেখ মুজিব যে পাকিস্তান ভাঙতে চাননি সে সম্পর্কে মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ুর রহমান রেন্টু তার ‘আমার ফাঁসি চাই’ গ্রন্থে লিখেছেন, “ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের প্রতি শেখ মুজিবুর রহমানের ছিল পুর্ণ আনুগত্য। পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে যাক, পাকিস্তান টুকরো হয়ে যাক, বঙ্গবন্ধু কখনই তা চাননি। আর চাননি বলেই প্রয়োজনীয় সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আলাদা রাষ্ট্র তৈরীর জন্য কোন বাস্তব কার্যকর ভূমিকা নেননি।”

গ) ইন্দিরা গান্ধী ঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্ব জনমত তৈরী ও শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির জন্য ভারতের ততকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী ১৯৭১ সালের ৬ই নভেম্বর নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিকদের এক সমাবেশে ভাষণদান কালে বলেন,The cry for independence arose after Sheikh Mujib was arrested and not before. He himself, so far as I know, has not asked for independence even now.”
অর্থাত শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হবার পর পরই স্বাধীনতার ডাক এসেছিল, তার পূর্বে নয়। আমি যতদুর জানি তিনি কোন সময়ই স্বাধীনতার ডাক দেননি। (বাংলাদেশ ডকুমেন্টস-ভলিউম-২) "

(পুরো লেখাটি পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন।)

এসব তথ্যের জবাবে সেদিন এই ব্লগের স্বাঘোষিত দেশপ্রেমিকরা আশরাফ রহমানকে অনেক গালাগালি করলেন। এসব তথ্যের বিপরীতে কাউকে কোন সঠিক তথ্য প্রদান করতে দেখলাম না, তাই অনেক অজানা তথ্য জানানোর জন্য আশরাফ রহমানকে ধন্যবাদ দিলাম আমি। ফলশ্রুতিতে আশরাফ রহমানের সাথে আমাকেও কিছু গালি হজম করতে হলো এবং 'রাজাকার' হিসেবে সাব্যস্ত হলাম।

আমার পয়েন্ট, যদি এই তথ্যগুলো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে সঠিক তথ্যদিয়ে আমার মত ইতিহাস সম্পর্কে কম জ্ঞান সম্পন্ন মানুষকে সাহায্য করুন। আর যদি কিছু বলার না থাকে, তাহলে ধরে নিতে বাধ্য হবো যে তথ্যগুলো সঠিক (এখন পযর্ন্ত)। আর তথ্যগুলো যদি সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে এগুলো জানার অধিকার এদেশের নতুন প্রযন্মের রয়েছে। আরো রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ভুল ইতিহাস প্রচার করে এক শ্রেণীর মানুষের হীন স্বার্থ উদ্ধারের বাধা দেয়ার।

মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবের ভূমিকা সম্পর্কিত এতদিনের জানা তথ্যগুলো যদি ভুল প্রমাণীত হয়, তাতে কিভাবে কারো দেশপ্রেমে বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আঘাত আসে? তবে এটা ঠিক যে, এসব ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটির ফলে যদি সঠিক ইতিহাস বের হয়ে আসে, তাহলে একশ্রেণীর মানুষের মুক্তিযুদ্ধের মুড়ি খাওয়ানো বন্ধ হয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে করা তাদের নোংরা রাজনীতিও বন্ধ হয়ে যাবে। ফলশ্রুতিতে এরা এসব প্রচার দেখলে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এবং এটা বুঝতেও সম্ভবত কারো বাকী নেই যে, এসব ঐতিহাসিক সত্য প্রচারের কারনে মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কঠিন আঘাত লাগছে। স্বার্থে আঘাত লাগার কারনেই এসব মুক্তিযুদ্ধ ব্যাবসায়ী রাগে ক্ষোভে অন্ধ হয়ে সবাইকে রাজাকার ঘোষনা করতে থাকে এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ঘটনা ও ছবি ব্যবহার করে খুব আবেগঘন বক্তিতা দিয়ে ফেলে যা দেখে এদেশের সাধারন মানুষ তাদের খুবই দেশপ্রেমিক মনে করে এবং তাদের প্রতি নমনীয় হয়। এরকম ইমোশনাল ব্লাক মেইলিং হরহামেশাই হচ্ছে। নীতিগত ভাবেই তাদের এসব ভন্ডামী সমর্থন করতে পারি না, কোন সত্যিকার দেশপ্রেমিকের উচিতও না সমর্থন করা। যার একটি উদাহরন এই ব্লগের একজন সচেতন দেশপ্রেমিক সাদিক ভাই সৃষ্টি করেছিলেন... দু:খজনক ব্যপার হলো তাকেও সম্প্রতি এসব ধান্ধাবাজরা রাজাকার ঘোষনা করেছে। করবে, সেটা জানা কথা!

যে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এত সুন্দর একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি, সেই মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পরও এসব ধান্ধাবাজ কতৃক আমাদেরকে 'রাজাকার' খেতাব দেয়া হয়... ধান্ধাবাজদের কাছ থেকে আমাদের দেশপ্রেমের সাটিফিকেট নিতে হচ্ছে... এই লজ্জ্বা আমার আপনার নয়... এই লজ্জ্বা পুরো জাতির।

(চলবে)

 

 

  • ১৯ টি মন্তব্য
  • ১৪৪৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০২ রা মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৪
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: আমাদের বিরোধিরা প্রায়ই বলে থাকেন আমরা নাকি রাজাকারদের দৃষ্টিতে মুক্তিযুদ্ধকে বিচার করে থাকি। কিন্তু আমি যাদের রেফারেন্স দিয়েছিলাম তাদের পরিচয় সবাই জানেন। আর এজন্যই পাল্টা যুক্তি দেখাতে ব্যর্থ হয়ে চিরাচরিত স্বভাব অনুযায়ী তারা গালিগালাজের পথ বেছে নেন। আসলে ওরা চায় ওদের পছন্দ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধকে বিচার করি।
২. ০২ রা মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৬
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: সেটাই। আপনি তাদের ধান্ধাবাজীর পক্ষে কথা বলুন... সাথে সাথে দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি হয়ে যাবেন তাদের চোখে। যেমনি করে আওয়ামীলীগে যোগ দিয়ে প্রতিষ্ঠিত রাজাকার'রা মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যায়।
৩. ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ৮:০৭
comment by: আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন: ত্রিভূজ, ঠিকাছে, কিন্তু আরেকটু শক্ত হলে ভাল হতো।
কয়েকটি সোর্স দিচ্ছি-
১. বাংলাদেশঃ এ লিগ্যাসি অব ব্লাড - এ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাস
২. ঢাকা ডাইজেস্ট - ১৯৬৯, ১৯৭০, ১৯৭১ এর সংখ্যাগুলো (এগুলোতে আমাদের বুদ্ধিজীবিদের সম্পর্কেও অনেক তথ্য পাবা)।
৪. ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ৮:১২
comment by: ষড়ভূজ বলেছেন: লেখাটা একটানে পড়ে পেললাম। কি আর বলব, যথারীতি দারুন লাগল। এই লেখাগুলো পড়ে নতুন প্রজন্ম যদি কিছু শেখার সুযোগ পাই তাহলে আপনার পরিশ্রম স্বার্থক হবে।
৫. ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ১১:১০
comment by: নুর3ডিইডি বলেছেন: আমার আই.কিউ কম তাই আপনার সাথে এক মত পোষন করতেছি।
আর যারা আপনার মতের সাথে এক না , তাদের আই.কিউ বেশি তাই তারা কোন যুক্তি বা রেফারেন্স দিতে পারেনা ।
৬. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১২:১৮
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: ধন্যবাদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। ইচ্ছে করেই কঠিন করিনি... ওদের ভাবনার বিরোধীতা করতে পারে কেউ, এটাই হজম করতে পারে না... কঠিন করে লিখলে তো বদহজম হয়ে যাবে....! 'এ লিগ্যাসি অব ব্লাড' বইটা যোগার করবো ইনশাল্লাহ... আবারো ধন্যবাদ।


নতুন প্রযন্মকে জানানোর দায়িত্বতো আমাদেরই ষড়ভূজ.. আপনারাও কিছু লিখুন... এখন সময় সত্যিকার ইতিহাস টেনে বের করার.. এখন সময় দেশ গড়ার।


ভাল বলেছেন নুর... আই.কিউ বেশী হয়েগেলে সম্ভবত মানুষ যুক্তির উদ্ধে উঠে যায়... তাই তারা যুক্তিতে না গিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমনের পথ বেছে নেয়.. ভাগ্যিস আমারো আই.কিউ কম! :)
৭. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১২:১৯
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ত্রিভুজ, অন্যরা কে কি করে, আওয়ামী লীগ-বঙ্গবন্ধু-হাসিনা-খালেদা-ইন্ডিয়া কে কি করছে সেগুলি একটু সময়ের জন্যে বাদ দেন, দিয়ে আমার এই প্রশ্নটার জবাব দেন:

১. ১৯৭১-এ রাজাকাররা যা করছে তা আপনি সপোর্ট করেন কিনা?

২. নিজামী, গো আ, সাইদী, মুজাহিদ - এরা আপনার দৃষ্টিতে যুদ্ধাপরাধী কিনা?

৩. যদি ২ নাম্বারের উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে এদের কঠিনতম শাস্তি হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন কিনা?

প্লীজ কথা প্যাঁচাবেন না, হ্যাঁ-না দিয়ে উত্তর দিবেন ...
৮. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১২:৩৫
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: বের হয়ে গিয়েছিলাম.. আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আবার লগইন করলাম কিংকর্তব্যবিমূঢ়


সব প্রশ্নের উত্তর যে হ্যা, না দিয়ে দেয়া যায় না, সেটা আপনি সম্ভবত জানেন। মুক্তিযুদ্ধের ব্যপারে এরকম হ্যা, না উত্তর দেয়া সম্ভব হতো, যদি আমাদের জানা ইতিহাসটা ১০০% সঠিক হতো.. দেখতেই পাচ্ছেন, ইতিহাস কতটা বায়াসড! আপনি সম্ভবত জানেন যে, স্বাধীনতা পর সময়ে বিভিন্ন সরকার নিজেদের সুবিধামত ইতিহাস বিকৃত করেছে.. সুতরাং এই ইস্যুতে 'হ্যা/না' উত্তর চাইবেন না প্লিজ....

.তবুও আমি আপনাকে অল্প কথায় উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো... আমি জানি আপনার ২নং প্রশ্নের উত্তরটাকে নিয়ে অনেকে অনেক রকম প
৯. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:১১
comment by: কর্ণফুলি বলেছেন: গোলাম আজম আর নিজামীর ব্যপারে আপনার বক্তব্য দেখা খুউবই হতাশ হলাম। চিহ্নিত ও স্বীকৃত রাজাকারদের প্রতি আপনার এই মন্তব্য!!!

আপনার জন্য কোরানের একটি আয়াত বলছি:
তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ো না; আর জেনেশুনে সত্য গোপন কোরো না। - সুরা বাকারা: ৪২ আয়াত।

আল্লাহ্‌র নির্দেশের চেয়ে গোলাম আজম আর নিজামী আপনার কাছে বড় হয়ে গেল।
১০. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:১২
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: বের হয়ে গিয়েছিলাম.. আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আবার লগইন করলাম কিংকর্তব্যবিমূঢ়

সব প্রশ্নের উত্তর যে হ্যা, না দিয়ে দেয়া যায় না, সেটা আপনি সম্ভবত জানেন। মুক্তিযুদ্ধের ব্যপারে এরকম হ্যা, না উত্তর দেয়া সম্ভব হতো, যদি আমাদের জানা ইতিহাসটা ১০০% সঠিক হতো.. আপনি সম্ভবত জানেন যে, স্বাধীনতা পর সময়ে বিভিন্ন সরকার নিজেদের সুবিধামত ইতিহাস বিকৃত করেছে.. দেখতেই পাচ্ছেন, ইতিহাস কতটা বায়াসড এক্ষেত্রে! সুতরাং এই ইস্যুতে 'হ্যা/না' উত্তর চাইবেন না প্লিজ....
তবুও আমি আপনাকে অল্প কথায় উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো... আমি জানি আপনার ২নং প্রশ্নে আমার দেয়া উত্তরটাকে নিয়ে অনেক রকম প্যাঁচ কষবে ধান্ধাবাজরা...... সেজন্য আরো ডিটেইলসে উত্তরটা দিতে পারলে ভাল হতো.... সেটি এখন সম্ভবপর নয়... আপনাকে আপাতত ইতিহাস এর ব্যপারে আমার ষ্টাডির একটা ছোট ঘটনা জানাই..- কিছুদিন আগে বি.সি.এস গাইডে মুক্তিযুদ্ধর কিছু তথ্য পেয়ে পড়লাম মনোযোগ দিয়ে.. সেখানে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত এমন কিছু তথ্য পেলাম, যা নিয়ে আমি সত্যিই ভাবতে বসে গিয়েছিলাম......আর সেগুলো যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের যারা বিরোধীতা করেছিলেন, তাদের পক্ষে দাড়ঁ করানোর মত অনেক যুক্তি চলে আসে.. আমি নিশ্চিত নই তথ্যগুলো সত্যি কিনা.. এসব তথ্য নিয়ে আমি খুবই কনফিউজড...... (এব্যপারে আমার কিছূ বক্তব্য ছিলো.. এই সিরিজের আগের পর্বগুলো পড়ে দেখুন..এবং পরবর্তী পর্বগুলো পড়ার অপেক্ষায় থাকুন এবং আমাকে আরো ষ্টাডি করতে দিন... মামুন ভাইয়ের মত কোন বই রেকমন্ড করলেও সাদরে গ্রহন করবো...)


যাই হোক... মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আমার বর্তমান জ্ঞান ও চিন্তা চেতনা থেকে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছি..

১) ৭১ এ রাজাকার রা যা করেছিলো, তা আমি কেন- কোন মানুষই সাপোর্ট করতে পারে না..সুতরাং বুঝতেই পারছেন, আমিও সমর্থন করি না...। তবে আমাদের দেশে প্রচলিত রাজাকারের ইমেজ নিয়ে আমার দ্বিধা রয়েছে... এখন রাজাকার বলতে যাদের বুঝানো হয়, তা মানতে রাজী নই আমি... বাংলাদেশে রাজাকারদের কাজ কর্ম যেভাবে কোন একটি শ্রেণীর উপর চাপানো হয় (ইসলাম পন্থীদের উপর)..সেটা খুবই অনৈতিক লাগে.. সুতরাং যারা রাজাকার রাজাকার বলে চেঁচামেচি করে, তাদের ভিরে আমাকে কখনোই পাবেন না। তার মানে এই নয় যে, আমি রাজাকারদের (বা বেঈমানদের) কাজকর্ম সমর্থন করি....
আপনি জানেন, কোন দেশে যখন যুদ্ধ হয়, তখন সেখানের খারাপ সুবিধাবাদী লোকগুলোই রাজাকারী(বেঈমানী অর্থে) করে.. তাদের কোন নেতৃত্বের দরকার হয় না.. তাদের কোন চেতনাও থাকে না.. স্রেফ সুবিধাবাদী চরিত্রের জন্য তারা একাজ করে.. বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু ছিলো.. সুতরাং গ্রামে গঞ্জে যেসব রাজাকার বাহিনী তৈরি হয়েছিলো, তারা বাকীদের বিভ্রান্ত করার জন্য ইসলামীক বেশ নেয়ার অর্থ এই নয় যে, ইসলাম পন্থীরা রাজাকার ছিলো..(আমার আগের একটি পর্বে বলেছিলাম এব্যপারে).. তাছাড়া এটাও ভাবার বিষয় যে, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হবার সাথে সাথেই কি করে বাংলাদেশের ৬৮০০০ গ্রামে রাজাকার তৈরি হয়ে গেল... তখন কমিউনিকেশন এতই সমৃদ্ধ ছিলো না যে ঢাকা থেকে তাদের নেটওয়াকর্ তৈরি করতে নির্দেশ দেয়া যেতে পারে... সুতরাং রাজাকার রা যে কারো নির্দেশে রাজাকারী করেনি, এব্যপারে আমি ৬০% নিশ্চিত...


২) যুদ্ধাপরাধী কারা এবং কাদের কতৃক তা নির্ধারন করা হবে তা দেখতে হবে.. একদল ধান্ধাবাজ লোক, যারা তাদের অনৈতিক কাজকর্মের প্রতিবাদ করলেই যাকে তাকে রাজাকার ঘোষনা করে, তাদের কথায় আমি যুদ্ধাপরাধীর তালিকা বানাতে পারি না......৭১এ ঠিক কি হয়েছিলো আমি এখনো নিশ্চিত নই.. আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বেশ ঘোলাটে... কিছুদিন আগে একজন বললেন মুক্তিযুদ্ধ নাকি ধর্ম ভীত্তিক যুদ্ধ ছিলো.. প্রতিবাদ করার পর বলে, তিনি তা বলেননি... আবার দেখুন, শেখ সাহেব কে মুক্তিযুদ্ধে পূর্ন কৃতিত্ব দেয়া হয়... অথচ এখন জানতে পারছি অন্য কথা... সুতরাং এই ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই যে নিজামী বা গো.আজম কেন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিলেন। আপাত দৃষ্টিতে তাদের এই বিরোধীতা অবশ্যই সমর্থন যোগ্য নয়.. কিন্তু দেখুন..আমরা ইতিহাস জেনেছি একদল ধান্ধাবাজদের কাছ থেকে... সুতরাং ইতিহাস পুরোপুরি জেনে সিদ্ধান্ত নেবো এদের ব্যপারে। এর যদি অন্যায় ভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করে থাকে, তাহলে একেজন দেশপ্রেমিক হিসেবে অবশ্যই তাদের ঘৃনা করবো... নিশ্চিত থাকুন..!


৩) অবশ্যই... যারা যুদ্ধাপরাধী (যেকোন যুদ্ধের ক্ষেত্রেই), তাদের কঠিনতম শাস্তি হওয়া উচিত.... এবং সেই শাস্তি তারা একদিন না একদিন অবশ্যই পাবে... তার আগে কে যুদ্ধাপরাধী তা বের করতে হবে.. এবং তা নীরপেক্ষ সূত্র হতে.. কোন ধান্ধাবাজ গোষ্ঠীর তরফ থেকে নয়...

এত অল্প কথায় বলা সম্ভব না হলেও চেষ্টা করলাম... তাই আমার উত্তরে কোন সিদ্ধন্তে পৌছে যাবার পূর্বেই একটা ব্যাপার মনে ঢুকিয়ে রাখুন- 'মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আমার এসব ধারনা/অভিমত পরিবর্তনীয়... আরো ষ্টাডি করার পর সঠিক তথ্যগুলোকে গ্রহন পূবর্ক আমার যেকোন ধারনা ১৮০ ডিগ্রি বাঁক নিতে পারে.. এবং যেকোন ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেবার ও প্রকাশ করার সাহস আমার রয়েছে'.. সুতরাং আমার ব্যপারে এত সহজে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাবেন না...


ভাল থাকুন।
১১. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:১৪
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: কর্নফুলি.. আপনি কি কষ্ট করে আপনার মন্তব্যটা আবার করবেন.. কারন প্রথম মন্তব্যটা আমি একটু এডিট করেছিলাম... এর মাঝেই আপনি মন্তব্য করে দিয়েছেন.... আপনি আবার মন্তব্য করলে আমার শেষ মন্তব্যটার আগের মন্তব্যটা ও আপনার প্রথম মন্তব্যটা মুছে দিতাম.. তারপর আপনার সাথে ডিসকাস করবো আবার...
১২. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:১৮
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: কর্নফুলি.. আপনি কি কষ্ট করে আপনার মন্তব্যটা আবার করবেন.. কারন প্রথম মন্তব্যটা আমি একটু এডিট করেছিলাম... এর মাঝেই আপনি মন্তব্য করে দিয়েছেন.... আপনি আবার মন্তব্য করলে আপনার প্রথম মন্তব্য যেটা আমার মূল মন্তব্যের পরে চলে এসেছে, সেটা মুছে দিতাম... এবং আপনার মন্তব্যের ব্যপারে আমার মন্তব্য দিতাম... (আপাতত অনলাইন থেকে বের হয়ে যাচ্ছি... মন্তব্যটি আবার করে রাখুন..পরে সময় করে জবাব দেব)


ধন্যবাদ।
১৩. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:৫৫
comment by: কর্ণফুলি বলেছেন: আমি মন্তব্য করেছি আপনার ২ নং জবাবে।

স্বীকৃত, প্রমানিত যুদ্ধাপরাধী রাজাকার গোলাম আজম আর নিজামীর ব্যপারে কিংকর্তব্যবিমূঢ়ের ২ নং প্রশ্নের সহজেই ডিজিটাল উত্তর দেয়া যায়। এটার উত্তর দিতে আপনি শেখ মুজিবকে টেনে আনলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কে বললেন ঘোলাটে। আবার বললেন, যুদ্ধাপরাধী নির্ধারন কে করবে, ব্লা ব্লা ব্লা। আরে ভাই, গোলাম আজম আর নিজামীর জন্য সাফাই গাওয়ার প্রয়োজন আছে? কালো কে কালো বলতে আপনার সমস্যা কি?

আপনি বললেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আপনি ভাল জানেন না। যদি এ ব্যপারে আপনার জানার স্বল্পতা থাকে, এই সম্পর্কে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকাই উচিত হতো।

যাই হোক, ব্লগে দেখা যায়, আপনি একজন সাহায্যপরায়ন ও ভাল মনের মানুষ। আপনার প্রতি আমার মন্তব্য হ্য়ত একটু কঠিন হয়েছে। কিন্তু গোলাম আজম আর নিজামীর ব্যপারে আপনার মন্তব্য আমার একেবার পছন্দ হয়নি, সত্যি বলতে হলে - সহ্য হয়নি। তাই প্রতিবাদ করলাম। আপনি একজন স্মার্ট ছেলে। আপনি কিভাবে এতোদিন গোলাম আজম আর নিজামীর ইতিহাস জানেন না? এরা তো বাংলাদেশের জন্মের সময়কার শত্রু। আমি নিশ্চিত আপনি শুধু জামাতী বই পড়েন না। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের উপর বাংলাদেশে শত শত বই আছে। শুধু একপক্ষীয় বইপত্র পড়লে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ঘোলাটে মনে হবে। আপনি মেধাবী মানুষ, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ঘোলাটে হওয়ার মতো কোনো বিষয় আপনার জন্য নয়।

শুভ রাত্রি।
১৪. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:১৪
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কি ভাই, মুক্তিযুদ্ধরে আমাদের নেতা নেতৃরা যেভাবে পচাইছে... তাই এই বিষয়ে পড়ার ইন্টারেষ্ট পাইনাই কোন কালে....


আপনার 'সর্বজন স্বীকৃত' ব্যপারটায় আমার আপত্তি আছে। সর্বজন তো এটাও স্বীকার করে যে, শেখ সাহেবই মুক্তিযুদ্ধের সবকিছু.. তিনিই জাতির জনক.. কিন্তু আমি তো দেখছি কাহিনী ভিন্ন.....


আপনার প্রথম মন্তব্যের জবাবে একটা কথা বলি- আমার এই সিরিজের আগের লেখাগুলো পড়লে জানতে পারতেন আমার পারিবারিক রাজনৈতিক মতাদর্শের কথা... আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে পারিবারিক ভাবে আমারই সবচেয়ে লাভবান হওয়ার কথা ..তাও আ.লী সাপোর্ট করি না একটাই কারন.. তা হলো ইসলাম।


আপনি কি করে ভাবলেন, যদি গো.আজম ও নিজামীকে ইসলাম বিরোধী কোন কাজে কোন কালে সমর্থন করতে দেখি, তারপরেও তাদের ঘৃনা করবো না? কথা হচ্ছে আপনারা যেমন কান চিলেন নিয়ে গেছে শুনে দৌড়ান, আমি তেমন দৌড়াই নাই। আর সৃষ্টিকর্তা আমাকে এতটুকু জ্ঞান ও বুদ্ধি দিয়েছেন, যা দিয়ে আমার ছোট জীবনটা বেশ ভালই পার করে দিতে পারবো.. তার জন্য কোন রাজনৈতিক দলের চামচামী করতে হবে না কোনদিন... সুতরাং ইসলাম প্রশ্নে কোন আপোষের তো প্রশ্নই আসে না... আফটার অল সৃষ্টিকর্তার কাছে একদিন সবকিছুর জন্য জবাবদিহী করতে হবে ....


আমার পরবর্তী পর্বগুলো পড়তে থাকুন... আর আমার দেয়া কোন তথ্য ভুল দেখলে আপনার জানা সঠিক তথ্য রোফারেনস সহ উল্লেখ করুন... এটি আসলে আমার একটি গবেষনা পত্র... সবগুলো পর্ব লেখা শেষ হলে এটি অনলাইনে অনেক ফোরামে সাবমিট করবো.. তারপর সবার মতামত ও তথ্য জবাব নিয়ে একটি বই বের করার ইচ্ছে আছে....

আপনার একটা লাইন কোট করি- "মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের উপর বাংলাদেশে শত শত বই আছে। শুধু একপক্ষীয় বইপত্র পড়লে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ঘোলাটে মনে হবে। " .. এই কাজটা আমি করি না কখনো... দুই পক্ষের যুক্তির জন্য অপেক্ষা করছি বলেই এখনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারি নাই.... তবে অনেকেই এই কাজটা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন.. আমি তাঁদের দলে নই... নিশ্চিত থাকুন।

ধন্যবাদ।
১৫. ০৩ রা মে, ২০০৭ সকাল ৭:৪০
comment by: জারীর বলেছেন: হুমম... ভালই তরক হচছে....দেখি শেষটা কোথায় হয়...।
১৬. ০৩ রা মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫১
comment by: ফজল বলেছেন: ত্রিভুজ@আপনি যদি রাজাকারদের বিরুদ্ধে থাকেন তাহলে এত বিতর্ক কেন আপনাকে নিয়ে - বুঝলাম না। আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনার স্পষ্ট অবস্থানটা বুঝলাম না। আপনি যদি মুজিব বিরোধী হন (রাজনীতির জন্য) - সেটা ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু বাংলাদেশের চিহ্নিত শত্রু রাজাকারদের সাফাই গাওয়াটা আমার যুক্তিতে অপরাধ। রাজাকাররা আজ সমাজে অধিষ্ঠিত। বাংলাদেশী পাসপোর্ট আছে তাদের। একটিবারের জন্যও সেসব জানোয়াররা জাতির কাছে তাদের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন??
শেখ মুজিবের যুদ্ধকালীন অবস্থা নিয়ে আপনার বক্তব্য একটু সাধারণজ্ঞান দিয়ে বিচার করুন। যদি তিনি অখন্ড পাকিস্তানই চাইতেন - তাহলে কি উনার এক ঘোষনায় যুদ্ধ বন্ধ করে দিতে পারতেন না? উনি তো অন্তরীন অবস্থা থেকেই সে নির্দেশ দিতে পারতেন। উনি সেরকম নির্দেশ দিলে উনার জেলের কষ্ট নিশ্চই ভোগ করতে হতো না। কেন যে আপনারা সাধারন বুদ্ধি ব্যবহার করেন না!!! ছাপা অক্ষর মানেই সব সময় সত্য তা তো নয়। আর মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে অখন্ড পাকিস্তানের কথা যদি কেউ বলে থাকেন সেটা তো অন্যায় নয়। পাকিস্তানও সৃষ্টি হয়েছিল অনেক আশা-আকাঙ্খা নিয়ে কিন্তু পাকিস্তানীরা বাঙালীদের শোষণ এবং অবহেলা করেছে যার ফলশ্রুতি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। মনে রাখবেন ৭ই মার্চের ভাষণে কিন্তু শেখ মুজিব পাকিস্তানীদের শেষ সতর্কবাণী পঁৌছে দিয়েছিলেন। আমার মনে হয় আপনি আরও পড়াশোনা করুন - সাথে আপনার মস্তিস্কেরও পরিপূর্ণ ব্যবহার করুন।
১৭. ০৩ রা মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৪২
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: "ছাপা অক্ষর মানেই সব সময় সত্য তা তো নয়" সহমত!.... এই থিউরীতে বিশ্বাসী হবার কারনেই একটু ঘেটে দেখছি.... আপনার জানামতে যদি আলোচ্য রাজাকাররা সত্যিই অন্যায় করে থাকে, তাহলে এত ভয় পাবার কি আছে? সত্যটাকে সামনে আসতে দিন না... সত্য তো সবসময়ই সত্য... মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাস সবার সামনে আসতে পারবে, রাজাকারদেরটা পারবে না কেন? যারা অন্যায় করছে, তারা অবশ্যই অপরাধী... সেই তাদের অন্যায়টা কি রকম ছিলো, তা বের করে আনতে দিতে আপনাদের এত আপত্তি কেন?


আমি পড়াশোনা করছি.. এবং মস্তিস্কের ব্যবহারও করছি.. আর করছি বলেই শুনা কথায় নাচি না... আমি তথ্যগুলো সব বের করে আনার পর যদি দেখি আলোচ্য নেতারা সত্যিই অন্যায় করেছেন, তাহলে আমিও তাদের ঘৃনা করবো.... ...


"ই মার্চের ভাষণে কিন্তু শেখ মুজিব পাকিস্তানীদের শেষ সতর্কবাণী পঁৌছে দিয়েছিলেন" ... এটা যদি সত্য হয়, তাহলে সেই পাকি'দের কাছে তিঁনি আত্মসম্র্পন করলেন কেন? একজন বিদ্রোহী কখনো শুনেছেন সংগ্রাম শুরু হবার আগেই আত্মসম্র্পন করে? এই হিসেবটাই আমার মিলছে না.... আপনাদের মনে এই প্রশ্ন আসে না কেন বুঝতে পারছি না....


এনিওয়ে.. অপেক্ষায় থাকুন, পরবর্তী পর্বগুলোর জন্য...
১৮. ০৩ রা মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৭
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: "ত্রিভুজ@আপনি যদি রাজাকারদের বিরুদ্ধে থাকেন তাহলে এত বিতর্ক কেন আপনাকে নিয়ে - বুঝলাম না।" .... এই সিরিজের প্রথম দু'টো পর্ব পড়ুন.. বুঝতে পারবেন.... @ ফজল
১৯. ০৯ ই মে, ২০০৭ ভোর ৪:৩৭
comment by: সাদিক তাল বলেছেন: শ্যালা তো বড় ভ্যাজাইলা , গাছের টাও খাবে তলারটাও খাবে ! ব্যাটা বুকে আহস নিয়া কইয়া ফ্যালা আমি শিবির করি, ৭১ এ তোর পাট্টি জিতবার পারে নাই বইলা তোগো রাজাকার কয় পাবলিক , কিন্তু তোরা তো রাজাকার হওনের সুযোগ পাসনাই , তাই তোরা এখন রাজাকার নস ।
সোজা লাইনে হাট এত প‌্যাচাস কেন ,আরে মাইন্ড করস ক্যান , রাজাকার মানে তো দেশপ্রমিক , তোরা দেশপ্রমিক নস???
তোরা বাংলাদেশ নয় পাকিস্তান প্রেমিক ।

 



 


trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ