আমার প্রিয় পোস্ট
- মাইনুল এবং আওরঙ্গজেব, হ্যারির পোষ্ট প্রিয় থেকে সরিয়ে ফেলেন - ভালো
- জয়ের থিসিস, আইএসআই এর কাজিন এবং বাংলাদেশের আহমেদ সালাবী - আওরঙ্গজেব
- ওয়ার অন টেররের ভারতাগমন এবং মুম্বাই সন্ত্রাসের রাজনৈতিক মাজেজা - ফারুক ওয়াসিফ
- একটি আন্দোলন এবং মালটিপল প্রতিপক্ষ। - তরঙ্গ
- দেওয়ানবাগী পীরের মুরীদদের সংগঠন বায়্যিনাত এর সদস্যরা কি মুসলিম ? - আকাশ সুনীল
- তুরস্কে হেডস্কার্ফ পরিধানের অনুমতি ও কিছু কথা - ত্রিভুজ
- সেনাবাহিনী থেকে ইসলামি ভূত তাড়ানোর ‘সেকুলার প্লান’ -- ফরহাদ মজহার - আহসান মোহাম্মদ ক
- উপমহাদেশে হিংসার হাওয়া : ভারতের ফ্যাসিবাদের উত্থান - ফারুক ওয়াসিফ
- অস্থির কথোপকথন-২ - চিটি (হামিদা আখতার)
- প্রসঙ্গ নাস্তিকতা: নাস্তিকরাও তাহলে ঈমানদার বান্দা? - ত্রিভুজ
- বগালেক কি সত্যি আগ্নেয়গীরি? জানতে চাইলে দেখে আসুন নিজের চোখে? - সৌম্য
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- চৌদ্দগ্রাম শাখা ব্র্যাক অফিসে খুন রিক্সা চালক আব্দুর রশিদের সন্তানদের মুখ - অণৃণ্য
- পড়ুয়ার পোস্ট, সামহোয়ারইন ও ফেসবুক এবং রাজাকার প্রসঙ্গ - মাহবুব মোর্শেদ
- ক্রিকেট ও জাতীয়তাবাদ : বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের তথাকথিত বিশ্বাসঘাকতা ও ক্রিকেট প্রেমিকদের হাহাকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ওবামা কি সত্যি পারবেন পৃথিবাটাকে 'চেঞ্জ' করে ফেলতে? - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - ত্রিভুজ
- মাদ্রাসার ছাত্রদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রসংগে - উম্মু আবদুল্লাহ
- আত্ন উন্নয়ন ও অটোসাজেশন (সংগ্রামে আপনাকে টিকে থাকতে হবে-১) - ইসতিয়াক আহম্মেদ
- বিষাক্ত দুধ ও মেলামাইন...
- শিরোনামহীন
- স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইনঃ মানবযন্ত্রে ভালবাসা স্থাপন প্রক্রিয়া। - লুলুপাগলা
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশে কতটা জরুরী? - নুভান
- আমার এলোমেলোবেলা: আমাদের গ্রাম, আহ! আমাদের গ্রাম!!! - ত্রিভুজ
- শাবাশ নতুন ভারত! - অরুন্ধতি রায় - ত্রিভুজ
- হে ভাস্কর্য, তুমি কি মূর্তি? - ব্রাত্য রাইসু
- ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট - রিফাত হাসান
- ভাস্কর্যঃ ধর্মের অন্তরায় নাকি শিল্পের প্রতীক?! - পারভেজ
- মডারেট মুসলিমের সন্ধান করার আগে আসুন একটু সামাজিক দৃষ্টিকোণ বিচার করি - ত্রিভুজ
- বনসাই - প্রকৃতির বিরুদ্ধে শিল্প - রাজামশাই
- মজার একটা সাইট শেয়ার না করে পারলাম না
- নিঃসঙ্গ
- দিনলিপি ৭: জননী ও মানিক - ফারহান দাউদ
- কোন পথে যাবেন? - বাবু>বাবুয়া>বাবুই
- সামহোয়্যাইন জিন্দাবাদ.. এ-টিম জিন্দাবাদ... - ত্রিভুজ
- হার্ডডিস্ক পার্টিশন - তানিয়া ফারহানা
- তুমি, সম্ভবত একটি পাতা - রিফাত হাসান
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- ফাজলামোর একটা সীমা থাকা দরকার - রিফাত হাসান
- ~শুভ জন্মদিন ত্রিভুজ~ - কণা
- ভালো লাগেনা আর গালিগালাজ- কাদা ছোঁড়াছোড়ি... - শিরোনামহীন
- আজকের আড্ডা স্মরনীয় আড্ডা , কারন আজকের আড্ডায়.... - পথিক!!!!!!!
- আজকের ব্লগ আড্ডা



- ইউনুস খান
- সুদ নির্ভর বিশ্ব অর্থনীতির ধ্বস O শরিয়া ভিত্তিক অর্থনীতির প্রসার ।। অর্থপ্রতিষ্ঠানের পরে এবার দেশ দেউলিয়া! - আওরঙ্গজেব
- ব্লগিং এবং ক্রিকেট স্কোরবোর্ড দেখুন.. একই উইন্ডোতে - ত্রিভুজ
- মায়ের জন্য ৮ ব্যাগ বি পজেটিভ রক্ত দরকার - আরিফ জেবতিক
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (৪) - ত্রিভুজ
- নৃশংসতা আর নির্মমতার এই তান্ডবের অবসান চাই! - মানবী
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ভবঘুরে
- বাংলা যুক্তবর্ণের তালিকা (পুন: পোস্ট) - ত্রিভুজ
- আস্তিক ভাইদের জন্য- আসুন জ্ঞানালোচনা করি। - রাসেল ( ........)
- নাস্তিকের ধর্মকথার পোস্টপ্রসঙ্গেঃ সবাইকে সতর্ক করার জন্য এ পোস্ট - মাহমুদ রহমান
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
- জ্ঞানীর দায়িত্ব, ল্যাংটা বাবা, গোয়েবলস ও বর্তমানের আস্তিক নাস্তিক প্রোপাগান্ডা - বিবর্তনবাদী
- দুই যুগও হয়নি পৃথিবীর অর্ধেকটাই শাসন করত নাস্তিক শাসকেরা - মাহিরাহি
- হাদিসের নতুন ভার্সন করতে যাচ্ছে তুরষ্ক - কাউন্টার পোস্ট : ২ - নাহিদ মাহমুদ
- ফটো ব্লগ: দ্য এ-তিম - ত্রিভুজ
- আমার নাস্তিক ভাবনা(৫) : আল্লাহ কে? - কাঙ্গাল মুরশিদ
- আস্তিকরা সবাই বেক্কল কেন? - হ্যারি সেলডন
- কয়েকজন ব্লগারের নিজস্ব স্টাইলের ঈদ শুভেচ্ছা




- কঁাকন
- ঈদের দিনের সম্ভাব্য ব্লগ পোস্ট......... - চোরকাঁটা
- সামহোয়্যারইন ব্লগের কোন অপশনের কাজ কি? (১) - ত্রিভুজ
- যেকোন সাইটে ব্যবহার করার জন্য বাংলা কি-বোর্ড (বেটা ভার্সন) - ত্রিভুজ
- সিঙ্গেল সেক্সের ইর্ষণীয় সাফল্য ও বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট - আহমেদ মাহদী আকেফ
- কোরআনের সংরক্ষণ।-১ - কুম্ভকর্ণ
- শোন, বলছি তোমার কানে কানে - সুলতানা শিরীন সাজি
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- আবারো ভারতে তোলপাড়া তুলেছে, তেহেলকা নিউজ ম্যাগাজিন - আলোতে লিখব
- ঢাকাকে কব্জায় আনো : লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের নিবন্ধ - বিবিধ
- ইহা কী দ্যাক্লাম? ব্যাপক মজা পাইলাম!
- ..
- শামসুর রাহমান কি বাটপার ধরনের মানুষ? - হোঁদল কুঁত কুঁত
- ত্রিভুজ ভাই, তিনলক্ষ হইসে...
অভিনন্দন... - বিবেক সত্যি
- প্রেমিক নজরুলের সাতকাহন ~নার্গিস পর্ব~ - বিবর্তনবাদী
- আপনি জানেন কি? - মুছাব্বির
- দারিদ্র বিমোচনে যাকাতকে কার্যকর করতে কয়েকটি পরামর্শ -- আমিনূল মোহায়মেন - আহসান মোহাম্মদ ক
- বিষয় বাংলা ব্লগিং: অনেকদিন পর একটা আজাইরা পোস্ট দিতে মন চায়..... - ত্রিভুজ
- মাঝিপাড়ার শিশুদের স্কুলের স্বপ্ন বাস্তবায়ন-১ (আপডেটেড) - আজমান আন্দালিব
- মিলগ্রামের পরীক্ষা - কোথায় রয়েছে আদেশ, আনুগত্য, বিবেক, আর নৈতিকতার সীমারেখা? - রাগিব
- এই মাসুদা ভাট্টি কে? - ফজলুল কবিরী
- আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? - সিটিজি৪বিডি
- আমার অপরিপক্ক রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনা - ১ - নাহিদ মাহমুদ
- প্রিয় পোস্ট (১) - ত্রিভুজ
- @ প্রিয় পোস্টের গোরস্থান - ত্রিভুজ
- 'Missing You' -এর সঠিক বাংলা কি হবে? - ত্রিভুজ
- ইনডেক্স: কম্পিউটার বিষয়ক লেখাগুলো .... - ত্রিভুজ
- ইনডেক্স: সেরা বিনোদন~ - ত্রিভুজ
- ইনডেক্স: কবিতা ও গান... - ত্রিভুজ
- ইনডেক্স: আত্মকথন... - ত্রিভুজ
- ইনডেক্স: জটিলস পোস্ট... - ত্রিভুজ
- ইনডেক্স: মজার পোস্ট - ত্রিভুজ
'একটি মোহমুক্ত যৌক্তিক বিশ্লেষণ'? নাকি একটি অর্ধশিক্ষিত গোঁজামিল? (প্রথম পর্ব
২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৫৪
কোরান কি স্রষ্টা কতৃক পাঠানো কিতাব না মুহাম্মদ (সাঃ) নিজে লিখেছে, সেটা নিয়ে ব্যপক আলোচনা হচ্ছে। আমাদের সহ ব্লগার 'যুঞ্চিক্ত' অনেক কষ্ট করে একটি গবেষনা(!) পত্র ছাপিয়েছেন উনার নিজের ব্লগে। হ্যা, সেই 'যুঞ্চিক্ত' এর কথাই বলছি, যাকে 'সৃষ্টিকর্তা নাই' প্রমাণ করে দিতে বলায় বলেছিলেন এরকম প্রশ্ন করার অধিকার নাকি আমার নাই। উনারই নাকি 'সৃষ্টিকর্তা আছে' প্রমান করে দাও টাইপ প্রশ্ন করার অধিকার আছে। যাই হোক, অনেক কষ্ট করে টাইপ করেছন (নাকি কপি পেষ্ট করেছেন?), তাই খুব মন দিয়ে পড়লাম পুরো লেখাটা। একবার নয়, দুই দুইবার। দুইবার পড়ার কারন লেখক (যুঞ্চিক্ত) আসলে কতটা মোহমুক্ত, তা বুঝা। পড়লাম এবং বুঝলাম। কি সেটা বলতে যাব এমন সময় খেয়াল করলাম নীচে লেখা আছে, আরো পর্ব আসতে যাচ্ছে। তাই সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করবো ভাবছিলাম। কিন্তু প্রথম পর্বেই এত ছেলে মানুষি কিছু যুক্তি দিয়েছেন এবং সবাই তা নিয়ে এত মেতে উঠেছে, যে চুপ করে থাকতে পারলাম না। তাহলে শুরু করি-
লেখক অনেক খেটে খুটে তৈরি করেছেন লেখাটা কোন সন্দেহ নাই। সেই খাটা খাটনির প্রায় সবটুকুই খরচ করেছেন বিষয়টা 'সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাসী'দের মনে আঘাত দেয়ার মত অশালীন ভাষায় পরিনত করার ব্যপারে। তাই 'মোহমুক্ত যৌক্তিক বিশ্লেষন' করতে গিয়ে যে কখন অবজ্ঞা সূচক ইন্টারপ্রেশন হয়ে গিয়েছে বুঝতেও পারেনি বেচারা। শুধু তাই নয়, কোরান এবং মুহাম্মদ (সাঃ) এর ব্যপারে যে তার চরম খেদ রয়েছে, সেটাও প্রমাণীত হয়েছে। যাই হোক, এসব রেখে মূল পয়েন্টে আসি এবার। তার লেখার মূল পয়েন্টটা কি ছিলো? তিনি তো বার বার একটা অমর বাণীই দিয়ে গিয়েছেন দেখলাম। তা হলো- "আল্লাহর কিতাব যখন, আল্লাহর বাণী, আদেশ নির্দেশই এতে থাকনের কথা। সব কিছুই তাইলে লিখা হওন উচিত্ উত্তম পুরুষ।" পুরো লেখাটাতেই ঘুড়ে ফিরে এই কথাটাই এসেছে এবং এটাকেই তিনি তার আসল যুক্তি হিসেবে নিয়েছেন। এটাও ঘোষনা করেছেন যে পরবর্তী পর্বে এই যুক্তির পক্ষে অনেক রেফারেনস নিয়ে হাজির হবেন।
ভাল কথা... নিয়ে আসুকু তিনি তার রেফারেনস, কোনই সমস্যা নাই। কিন্তু আল্লাহর কিতাব হলে যে তাতে শুধু 'আদেশ নির্দেশই ' থাকবে, এরকম অদ্ভুত যুক্তি তিনি কোথায় পেয়েছেন? যেখানে কোরানেই বলে দেয়া হয়েছে যে, কোরান মুসলমানদের পরিপূর্ন জীবন বিধান হিসেবে অবতীর্ন করা হয়েছে! আবার কোরানে সৃষ্টিকর্তা নিজেই বলেছেন যে, আমাদেরকে কিভাবে দোয়া করতে হবে এবং কিরুপ আচার আচরন করতে হবে তা শিখিয়েছেন মুহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে। মুমিনদের জন্য তিঁনিই উত্তম আদর্শ হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। তাই মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবন অনুসরনের ব্যপারে আমাদেরকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন কোরানের মাধ্যমে। তো সেখানে মুহাম্মদ (সাঃ) কে আল্লাহ কতৃক শিখিয়ে দেয়া প্রার্থনাগুলোকে আল্লাহর বাণী নয় দাবী করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত? দোয়াগুলোকে কি করে তিনি ঐশী বাণী থেকে আলাদা করলেন? এবং নিজের মত করে তৈরি করা ষ্ট্যান্ডার্ড দিয়ে কেন কোরানের ঐশীয়ত্ব খর্ব করতে চান?
তিনি সূরা আল্ আন-আম (6:104) উদৃত করেছেন।
-[ "তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে নিদর্শনাবলী এসে গেছে| অতএব, যে প্রত্যক্ষ করবে, সে নিজেরই উপকার করবে এবং যে অন্ধ হবে, সে নিজেরই ক্ষতি করবে| আমি তোমাদের পর্যবেক্ষক নই|']-
তারপর নিজের মত করে ব্যখ্যা করেছেন যে ওটা নাকি মুহাম্মদ (সা
এর নিজের বানানো বাণী ছিলো। অথচ এর সাথে রিলেটেড আয়াতগুলো এবং এটির মূল অনুবাদটা (উহ্য অংশ সহকারে) তিনি দেননি যা দেখলে তার দাবীর অসাড়ত্ব প্রমাণ হয়ে যায়। পুরো আয়াতটি আমি কোরান থেকে কোট করলাম-
“তোমাদের কাছে তোমাদের মালিকের পক্ষ থেকে এই সূক্ষ দৃষ্টিসম্পন্ন জ্ঞানের (নিদর্শন) এসেছে। অতপর যদি কোন ব্যক্তি (এসব নিদর্শন) দেখতে পায়, তাহলে সে তা দেখতো তার নিজের (কল্যানের) জন্যই। আবার যদি কেউ (তা না দেখে) অন্ধ হয়ে থাকে, তাহলে তার দায়িত্ব তার উপর (বর্তাবে)। (তুমি বলো,) আমিই তোমাদের ওপর তত্ত্বাবধায়ক নই। আমি এভাবেই আমার আয়াতগুলোকে (তোমাদের কাছে) বিধৃত করি। যাতে করে কাফেররা একথা বলতে না পারে যে, তুমি (এসব কথা অন্য কোথাও থেকে) পড়ে এসেছো এবং যারা জ্ঞানী তাদের জন্যে যেন আমি আমার আয়াতসমূহকে সুস্পষ্ট করে দিতে পারি।“
- সূরা আল্ আন-আম (৬:১০৪-১০৫)
পুরোটা পড়ে কি মনে হয়? উনার দাবী কতটুকু ভ্যালিড ছিলো? বিচারের ভার পাঠকের হাতেই ছেড়ে দিলাম...
আরো মজার ব্যপার হচ্ছে তিনি তার তথাকথিত মোহমুক্ত বিশ্লেষনে ব্যখ্যার স্বপক্ষে যুক্তি হিসেবে দেখিয়েছেন-
-[ "মহামতি দাউদ তার ইংরেজী অনুবাদে একটা ফুটনোট অ্যাড কৈরা দিছেন এই বৈলা যে এইখানে 'আমি' বলতে মুহাম্মদরে বুঝানো হৈছে। গবেষক রিচার্ড বেল তার 'আ কমেন্ট্রি অন দ্য কুরান' (1991)এ পরিস্কার কৈরাই বলছেন, 'এই আয়াতের শেষে পরিস্কার বুঝা যাইতেছে যে, মুহম্মদ নিজেই নিজের কথা কৈতেছেন'।" ]-
কোরানের আয়াতের অর্ধেকটা তুলে নিয়ে তার রেফারকৃত গবেষকদের বক্তব্য মেনিপুলট করে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন (‘'এই আয়াতের শেষে পরিস্কার বুঝা যাইতেছে যে, মুহম্মদ নিজেই নিজের কথা কৈতেছেন'’), তা কতটুকু গ্রহনযোগ্য? শুধু তাই নয়, উনি আরো অনেক গবেষকের বাণী উদৃত করেছেন উনার বিশ্লেষনে। তার এইসব কথাবার্তা শুনে পরিষ্কার ভাবেই বুঝা যায় কোরান নিয়ে গবেষনা করতে গিয়ে তিনি কোরান পড়ার চাইতে জনৈক ব্যক্তিদের কথাকে বেশী গুরত্ব দিয়েছেন এবং নিজের সুবিধামত সেগুলোকে মেনিপুলেট করেছেন। এটা যেন অনেকটা এরকম একটি ব্যাপার যে, তিনি হাতি নিয়ে গবেষনা করার জন্য নিজে হাতি দেখতে না গিয়ে ঐ আটজন অন্ধের কাছে গিয়েছেন যাদের কেউ মনে করে হাতি পিলারের মত বস্তু, কেউ মনে করে হাতি দড়ির মত। তারপর সেখান হতে পসন্দসই একটা বক্তব্য নিজের নিজের মত করে বানিয়ে গবেষনায় রেফারেনস হিসেবে দেখিয়ে দিয়ে হাতি বিষয়ক গবেষক হয়ে গিয়েছেন। ব্যপারটা হাস্যকর নয়কি?
তিনি সূরা আন-আম এর ১১৪ নাম্বার আয়াত দেখিয়েছেন-
-[ আরেকখান আয়াত দেখি। সূরা আল্ আন-আম (6:114):
"তবে কি আমি আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন বিচারক অনুসন্ধান করব, অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি বিস্তারিত গ্রন্থ অবতীর্ন করেছেন?" ]-
তারপর এটা নিজের মত ব্যখ্যা করেছেন-
-[ যে কোন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ উপরের আয়াতটা পড়লেই বুজবার পারব যে, "তবে কি আমি আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন বিচারক অনুসন্ধান করব" -এইডা পিওরলি নবী মুহম্মদের কথা, আল্লাহর না। আল্লাহর ত আর ঘটা কৈরা জানা দিয়া নিজের বিচারক খুঁজনের দরকার নাই, কি কন্ ?"]-
মজার ব্যপার হচ্ছে পুরো আয়াতটা তিনি দেননি এখানে। দিলে উনার দাবীটা ধোপে টিকতো না। তাই নিজের সুবিধার্থেই অর্ধেক আয়াত দিয়েছেন। পুরো আয়াতটা আমি দিচ্ছি নিচে দেখুন-
"(আপনি বলুন
তবে কি আমি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ফয়সালাকালী অনুসন্ধান করব? অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি সুবিস্তারিত কিতাব নাযিল করেছেন। আর আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছি তারা জানে যে, তা আপনার রবের তরফ থেকে সত্যসহ অবর্তীর্ণ হয়েছে। সুতরাং আপনি সন্দেহকারীদের অন্তভুর্ক্ত হবেন না।"
সূরা আল্ আন-আম (৬:১১৪)
পুরো আয়াতটা পড়ার পর উনার দাবীর অসাড়তাই খুব পরিষ্কার ভাবে ফুটে উঠেছে। কথা হচ্ছে একটি আয়াতের অর্ধেক দিয়ে নিজের মত করে এরকম ব্যখ্যা করাটা কতটা যুক্তিসঙ্গত ও ন্যায়সঙ্গত ব্যপার? শধু এই আয়াতই নয়, উনি উনার পুরো পোষ্ট জুড়ে আরো অনেক বাণী দিয়েছেন কোরান হতে উদৃত করে, যার প্রায় সবগুলোই এরকম ফেব্রিকেটেড। কোন বাণী অর্ধেক তুলে এনে নিজের মত করে ব্যখা করেছেন। কোনটা ভুল ভাবে উপস্থাপন করেছেন। তাই সেগুলো নিয়ে আলোচনার করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি না। (তবে কেউ চাইলে করতে পারি পরবর্তী কোন পর্বে)।
সত্যিকথা বলতে কি, উনার পোষ্টটা হাস্যকর যে এটা নিয়ে প্রতিবাদমূলক একটা পোষ্ট দেয়ার চিন্তাই প্রথমে মাথায় আসেনি। পরে দেখলাম এই ব্লগের নাস্তিকের দল খুব লাফাচ্ছে এসব অর্ধশিক্ষিত যুক্তি পেয়ে। তাই ভাবলাম কিছু বলা দরকার।
সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর।
প্রকাশ করা হয়েছে: পর্যবেক্ষন বিভাগে ।
দ্রোহী বলেছেন:
পুরো আয়াতটির জন্য ধন্যবাদ। তবে আরেকটু পড়ে লিখলে মনে হচ্ছে ভালোই লেখা হবে। শুধু একটা আয়াত দিয়ে যুঞ্চিক্তর পোষ্টের দুর্বল যুক্তিকে খন্ডানো উচিৎ হবে না। ***
প্রায় পোষ্টেই দেখি লেখ, "অমুকের লেখাটা পড়ে আমার এত হাসি পেল! "
--এত হাসি পায় কেন? তোমার লেখা পড়েও অনেকের হাসি পেতে পারে, তাইনা?
******
তুমি আমার প্রিয় মানুষ, তাই তুমি করেই লিখলাম। তাছাড়া বয়সেও অনেক ছোট!
******
আনব্যান করে দাও। যাও, আর গালি দিবো না।
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
ভাল লিখছেন ... এইরকম একটা লেখার দরকার ছিলো ...খামাখা খোঁচাখুচি না কইরা একটু যত্ন কইরা ভাইবা-চিন্তা লিখলে আপনি কিন্তু ভালই লেখেন ... খামাখা আলতু-ফালতু বিষয় নিয়া হাস্যকর কথাবার্তা বইলা সময় নষ্ট করেন দেইখা দুঃখ লাগে ...
ত্রিভুজ বলেছেন:
তিনি তার বেশীর ভাগ আয়াত তার যে কথাটা প্রমাণ করার জন্য বলেছেন সেটি হচ্ছে-"আল্লাহর কিতাব যখন, আল্লাহর বাণী, আদেশ নির্দেশই এতে থাকনের কথা। সব কিছুই তাইলে লিখা হওন উচিত্ উত্তম পুরুষ।"
এবং এটা যে একটা অর্ধশিক্ষিতের মত দাবী এবং পুরোই ইনভ্যালিড, তা তো পোষ্টেই বুঝিয়ে দিয়েছি। সুতরাং সবগুলো আয়াতের ব্যপারে বলার প্রয়োজন রয়েছে কি? তবুও পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকুন। সেখানে উনার প্রতিটি যুক্তির (তা অর্ধশিক্ষিতই হোক আর যাই হোক) জবাব দেয়া হবে।
লেখাটা ছোট রাখাও একটা উদ্দশ্য... উপর পরবর্তী লেখাগুলোর জন্যও অপেক্ষা করছি। প্রতিটি কথারই জবাব দেব ইনশাল্লাহ।
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
পুরা আয়াতটা দিলে মুহম্মদের বাণী কি আল্লাহর বাণীতে রূপ নিয়ে নিবে? সুরা ফাতিহা ত পুরাটাই দিলাম। ওটা কি আল্লাহর কাছে মুহাম্মদের প্রার্থনা নয়? অন্য আয়াতগুলোও ভালমত পড়ুন যেখানে গ্রহ নক্ষত্রের নামে শপথ করা হ'য়েছে। ওগুলো আপনার কাছে আল্লাহর বাণী মনে হচ্ছে?
হনুমানজী বলেছেন:
ভাল হইসে। অ্যান্ড ভেরি ওয়েল থট! তবে আরো গবেষনা করতে হবে! দ্রোহীর সাতে একমত আরো কিচু আয়াতের ব্যাপরে!
দ্রোহী বলেছেন:
ধন্যবাদ ত্রিভুজ
কর্ণফুলি বলেছেন:
প্রায় সব ধর্মে ঐশী-ধর্মগ্রন্থে কিছু প্রার্থনা থাকে, মানুষ কিভাবে খোদাকে ডাকবে, তার নমুনাস্বরূপ। সুরা ফাতিহা ছাড়া আরো অনেক এরকম আয়াত আছে কোরানে। সুরা ফাতিহা খোদা থেকে আসা প্রথম সুরা বা আয়াতগুচ্ছ নয়। খালিফা ওসমানের সময় কোরানের পর্যায়ক্রমবিন্যাস করা হয়েছিল। যুঞ্চিক্ত পোস্টটি পড়েছি। খারাপ হয়নি, কিন্তু আরেকটু বেশি হোমওয়ার্কের দরকার ছিল, লেখকের নিজের বিশ্লেষন কম ছিল।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ত্রিভুজ,আপনাকে ধন্যবাদ।যুক্তি বা কুযুক্তি যা ই হোক না কেন,তা আসলে যুক্তি দিয়েই মোকাবেলা করা উচিত।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
ও তিরিভুজ। আমারে আনব্যান করছ তাইলে। আহারে বাছা, কতোদিন তোমার লগে দুইটা সুখ-দু:খের আলাপ করি না। কেমুন আছ? তোমারে ছাইড়া থাকতে আমার অনেক খারাপ লাগছে। তাই ঠিক করছি তোমার লগে আর চিক্কুর পারুম না। ভালো ভালো কতা কমু। কিন্তু তোমার ওয়াদা করন লাগব, তুমি আমারে ছাইড়া যাইবা না।
এস্কিমো বলেছেন:
@জেবতিক - আপনি ভাই একজন চরম ভদ্রলোক। একটু ভাল ভাবে লক্ষ্য করলে দেখবেন - ত্রিভুজ বিশ্বাস করে কুরআন হলো ঐশী গ্রস্থ আর যুক্তিভাই বিশ্বাস করে এটা মানুষের লেখা। আমার লেখাটা নিশ্চয়ই পড়েছেন। উনি ৫/৭ বছর ধরেই এটা প্রচার করে আসছেন। কুরান পড়ে যে উনি এটা জেনেছেন - সেটা ভুল।
বরঞ্চ -উনার বিশ্বাসকে প্রতিষ্টিত করার জ্যে কোরানের বিভিন্ন আয়াতের নিজস্ব স্টাইলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। দেখুন উপরের লেখাটা:
যুঞ্চিক্ত বলেছেন :
২০০৭-০৫-২০ ২৩:১৬:৪২
পুরা আয়াতটা দিলে মুহম্মদের বাণী কি আল্লাহর বাণীতে রূপ নিয়ে নিবে?
- মানে আপনি যুক্তিই দেন না কেন, কথাটা একই।
আসলে এটা হচ্ছে দুইদল চরম বিশ্বাসীর খেলা - একদিকে হ্যাঁ আর অন্যদিকে না। ফলাফল - একটা সমাপ্তিহীন বিতর্ক।
এস্কিমো বলেছেন:
@ত্রিভুজ ভাইজান, কোন লেখা পড়লে আপনার হাসি আসে কেন? ডাক্তার দেখান, লক্ষন ভাল না।
শমশেরআলম বলেছেন:
আমিও দেখি আনব্যান। কিছু ল্যাদা ছাড়ুম নি এই সুযোগে
এস্কিমো বলেছেন:
@অলৌকিক, আমিও আনব্যান, তুফানে সব দরজা খুইলা গেল নাকি?
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ইউনিকোড হবার পরে সবাই অটোমেটিক্যালি আনব্যান ।পরে কেউ ব্যান হলে,তাকে আনব্যান করার কৃতিত্ব ব্লগলীজগ্রহিতার।-----------
এস্কিমো,সমস্যা নেই তো।
যুঞ্চিক্ত মনে করেন কোরআন মানব রচিত,ত্রিভুজ মনে করেন আল্লাহ রচিত।
এখন যদি যুঞ্চিক্ত কোন শক্ত যুক্তি দেখাতে পারেন,তাহলে আমরা তার কথাটি বুঝতে পারলাম।
কিন্তু যদি তার দুর্বল যুক্তির বিপক্ষে একটা যুক্তি সঙ্গত পোস্ট আসে অন্য কারো কাছ থেকে,তাহলে ভবিষ্যতে আমরা এই পোস্টটির রেফারেনস্ থেকে অন্য যুঞ্চিক্তকেও মোকাবেলা করতে পারলাম।
অনন্তমৈথুন বলেছেন:
সহমত@ আরিফ ভাই
আবু সালেহ বলেছেন:
ত্রিভুজভালো বলেছো....ঐ পোস্টটি পড়েছিলাম কিন্তু মন্তব্য করতে ইচ্ছা করেনি...
পরের পর্ব দেখলোও তা খুলে দেখারও ইচ্ছে করেনি...
তোমার পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করছি...
আশরাফ রহমান বলেছেন:
ত্রিভূজ,আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। যুক্তি দিয়ে,তথ্য দিয়ে যুঞ্চিক্ত'র বক্তব্যকে যুক্তিহীন ও অসার প্রমাণের জন্য। বিশ্বের বড় বড় দার্শনিক,চিন্তাবিদ এমনকি নাস্তিক যখন স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে, কুরআন মুহাম্মদ (সা
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন:
ত্রিভুজ, আপনার পোষ্টটা পড়লাম। সম্পূর্ণ আয়াত তুলে আনার জন্য ধন্যবাদ। এখন, অনেকের নিকট যুঞ্চিক্তের যুক্তির খেলা পরিষ্কার হবে।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে। তাড়াহুড়া করে দেয়ার কারনে পোষ্টের কিছু বানান ও শব্দগঠনে ভুল ছিলো। সেগুলো ঠিক করে দিলাম।
ফরিদ বলেছেন:
ফুল ভার্সনের জন্য অপেক্ষায় রইলাম। যদি হাসিব ভাইয়ের টুলটার চেয়ে বেটার আউটপুট হয়ে তাহলে তো ফার্স্টক্লাশ, নাহলেও ইন্টারেস্টিং ফাইন্ড
জগমোহন বলেছেন:
তিরিভূজ, কুযুক্তি দাও ক্যান? আরিভ ভাইয়ের কথা শোনো। যুক্তি দাও, যুক্তি?
দ্রোহী বলেছেন:
হিজিবিজি হিজিবিজি বলেছেন:
আপনার 'আরিভ' (আরিফ) ভাই কি বলছে আর আপনি কি বলেন @ জগমোহন?
দ্রোহী বলেছেন:
দ্রোহী বলেছেন:
ভালো কথা বলতে চাইলে আসে না। গালি দিলে সামহোয়্যার ঠিকই নিয়ে নেয়।
দ্রোহী বলেছেন:
তিনি সূরা আল্ আন-আম (6:104) উদৃত করেছেন।-[ "তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে নিদর্শনাবলী এসে গেছে। অতএব, যে প্রত্যক্ষ করবে, সে নিজেরই উপকার করবে এবং যে অন্ধ হবে, সে নিজেরই ক্ষতি করবে। আমি তোমাদের পর্যবেক্ষক নই।' ]-
******
আল্লাহ সর্বজ্ঞাতা, মানুষের প্রত্যেকটি কাজের হিসাব রাখা হচ্ছে- কোরআনে বলা আছে না এটা?
****
স্ববিরোধী হয়ে গেল না? পর্যবেক্ষক নই বলে আবার সব কাজের হিসাব রাখার ব্যবস্থা করা।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ধন্যবাদ দ্রোহী। আমার উপস্থাপনগত ভুল এবং টাইপ মিসটেকের জন্য যে অংশটাকে আপনি ভুল বুঝেছিলেন, সেগুলো শুদ্ধ করে দিলাম। 'যুঞ্চিক্ত'র লেখা থেকে কপি করে বাকী অংশটা টাইপ করে দেয়ার কারনে এই বিভ্রাটটা হয়েছিলো।ভুলটা ধরতে সাহায্য করার জন্য আপনাকে আবারো ধন্যবাদ.. বাকী যারা মন্তব্য করেছেন এবং বুঝতে পেরেছেন, তাদেরকেও ধন্যবাদ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ধন্যবাদ দ্রোহী। আমার উপস্থাপনগত ভুল এবং টাইপ মিসটেকের জন্য যে অংশটাকে আপনি ভুল বুঝেছিলেন, সেগুলো শুদ্ধ করে দিল্#249;
কেমিকেল আলী বলেছেন:
ত্রিভুজ, তোমার এই লেখাটা ভাল হয়েছে। তুমি বললাম বয়সে ছোট তাই, মাইন্ড করলে এরপর থেকে আপনিই বলব।
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
দ্রোহী বলেছেন :[ 6:104 :"তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে নিদর্শনাবলী এসে গেছে। অতএব, যে প্রত্যক্ষ করবে, সে নিজেরই উপকার করবে এবং যে অন্ধ হবে, সে নিজেরই ক্ষতি করবে। আমি তোমাদের পর্যবেক্ষক নই।' ]-******
আল্লাহ সর্বজ্ঞাতা, মানুষের প্রত্যেকটি কাজের হিসাব রাখা হচ্ছে- কোরআনে বলা আছে না এটা?
****
স্ববিরোধী হয়ে গেল না? পর্যবেক্ষক নই বলে আবার সব কাজের হিসাব রাখার ব্যবস্থা করা।]
একজ্যাক্টলি। এখানে যিনি বলছেন "আমি তোমাদের পর্যবেক্ষক নই" তিনি মুহম্মদ, আল্লাঃ নন।
দেখুন:
Click This Link
Verily, proofs have come to you from your Lord, so whosoever sees, will do so for (the good of) his ownself, and whosoever blinds himself, will do so to his own harm, and I (Muhammad SAW) am not a watcher over you.
আই এর পরে ব্র্যাকেটে মুহমমদ লিখা।
আমি কোন আয়াত বিকৃত করি নাই। ত্রিভুজ অযথা আমার ঘারে দোষ চাপাইতেছে।
দ্রোহী বলেছেন:
ত্রিভুজ, আবার পড়লাম। এবার লেখাটা ঠিক আছে-- অন্তত লেখার ভুল ধরতে পারিনি।---দেখা যাক আবার কি প্রশ্ন উপস্থাপন করতে পারি।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
ত্রিভূজ ভাই, মাপ করে দেয়া যায় না?

















-----------------
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন :
২০০৭-০৫-২০ ১২:১৯:০০
চন্দ্রদেবীর প্রসঙ্গটা যে জোড়াতালি সেইটা এই বিষয়ে যারা অল্প পড়াশুনা করছে তারা সবাই জানে। মূলত আল্লাহ শব্দটারে ব্যবচ্ছেদ কইরা মুনগড ব্যাখ্যা দেওয়া হয় যেইটার অসারত্ব স্পষ্ট।
ইসলামে চাঁদ তারা (ক্রিসেন্ট) সিম্বল নবীর সময়ে ব্যবহৃত হতো না। যুদ্ধ বা রাজনৈতিক সিম্বলের সময়ে তিনি কালো রঙের একটা পতাকা ব্যবহার করতেন, যেটাকে আলা উকাব বলা হতো এবং তাতে কোন সিম্বল থাকতো না।
মুন গড তাই চাদ প্রতীক, এইটার মতো হাস্যকর যুক্তি আর হয় না।
আমেরিকানরা স্লোগান দেয়, ইন হড উই ট্রান্স আর তাদের ন্যাশনাল প্রতীক সোনালী ঈগল। এখন এই দুইটারে জোড়া দিয়া কেউ যদি কয় আমেরিকানরা সোনালী ঈগলরে খোদা মনে করে, তাইলে যে অবস্থা দাড়াইবো, আপনার এবং ইবনে ওয়ারেকের যুক্তি হইছে তাই।
মুন গড যুক্তি টানাটা বেশি হাস্যকর। বহুত আগেই এর ফ্যালাসি প্রকাশিত।
যুক্তিঞ্চ সাহেবের আগে পিছে পড়াশুনার দৈন্যতা হালকার উপরে ঝাপশা প্রকাশিত।
-------------