আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০০৮ ত্রিভুজ

হায় মুসলিম! আর কতকাল ঘুমিয়ে কাটাবে?

২৭ শে মে, ২০০৭ ভোর ৬:৪১

শেয়ার করুন:                   Facebook


আপনি কি নিজেকে একজন মুসলিম বলে দাবী করেন? যদি সত্যিই নিজেকে মুসলমান মনে করে থাকেন, তাহলে ইসলাম ও মুসলমানরা আক্রান্ত হলে আপনার করনীয় সম্পর্কে কি কোন ধারনা আছে? আজ পুরো বিশ্ব জুড়ে মুসলমানদের কি অবস্থা? বাংলাদেশের মুসলমানদেরই বা খবর কি? আপনার চারদিকে তাকিয়ে দেখুন। কি হচ্ছে সেখানে? দিকে দিকে ইসলামের নিশানা মুছে ফেলার আহবান জানানো হচ্ছে। দেশে দেশে নতুন আইন করা হচ্ছে মুসলমানদের দমনের লক্ষে। বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই সে ব্যপারে। এখানেও মুসলমানদের দমনের লক্ষে আইন করার প্রস্তুতি চলছে। একটি মুসলিম প্রধান দেশে নাকি এমন কোন রাজনৈতিক দল থাকতে পারবে না যারা ইসলামের কথা বলে, ইসলামকে বুকে ধারন করে। ইসলাম পন্থিরা নাকি রাজনীতি করতে পারবে না। করতে হলে তাদেরকে ইসলামের মূল আদর্শ ত্যাগ করে তবেই রাজনীতিতে নামতে হবে। ধর্মীয় কোন সিম্বল নাকি রাজনৈতিক ব্যনারে ব্যবহার করা যাবে না। অথচ ইসলামের বিপরীত মতাবলম্বী কমিউনিষ্টদের প্রতিকের ব্যপারে কোন বিধি নিষেধ নেই।

কারা করছে এসব উদ্ধত আচরন? কারাই বা সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে এসবে? হ্যা, সেই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা! যারা মুখে সকল ধর্মের অধিকার রক্ষার সুদৃশ্য বুলি কপচায় অথচ অন্তরে ইসলামের প্রতি রয়েছে এদের প্রচন্ড ঘৃনা। এদের মুখে বলা 'সকল ধর্মের অধিকার রক্ষার' থিওরীর মাঝে কি এরা ইসলাম কে গনায় ধরেছে? এদের বিভিন্ন কাজকর্ম দেখে আপনার কি তাই ধারনা?

বলুন তো-
- কোথায় লুকিয়ে থাকে তাদের ধর্মনিরপেক্ষতা যখন কুকুরকে টুপি পড়ানো হয়?
- কোথায় লুকিয়ে থাকে তাদের ধর্মনিরপেক্ষতা যখন পবিত্র কোরান শরীফ ডাষ্টবিনে ছুড়ে ফেলা হয়?
- কোথায় থাকে ধর্মনিরপেক্ষতা যখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দাড়ি টুপিওয়ালা ছাত্র দেখলেই নির্যাতন করা হয়?
- কোথায় থাকে ধর্মনিরপেক্ষতা যখন রমনার বটমূলে দিনে দুপুরে ঘোষনা দেয়া হয় 'মুসলমানদের রক্তে গোছল করতে হবে' ?
- কোথায় থাকে ধর্মনিরপেক্ষতা যখন ইসলামকে রাষ্ট্রিয় ভাবেই মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিষয় থেকে?

দেশ ও রাজনীতি ছেড়ে এবার নিউজ মিডিয়া ও অন্নান্য প্রসঙ্গে আসি। আমাদের দেশের ধর্মনিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবিদের কাজকর্মগুলো দেখুন। তাদেরকে কি আপনার ইসলাম বিদ্বেষী মনে হয় না? পেপার পত্রিকায় তাদের মতামত ও বিভিন্ন সভা সমিতিতে দেয়া বক্তব্যগুলো দেখেছেন কখনো? আমি শুধু একজনের উদাহরনই দেব। তিনি হচ্ছেন সা'দ উল্ল্যাহ! তার লেখা বইগুলো পড়লেই দেখতে পাবেন কোরানের আয়াতগুলো অর্ধেক অর্ধেক তুলে দিয়ে কি সুন্দর করে নিজের মত ব্যাখ্যা করে গিয়েছেন। তার লেখা 'ধর্ম রাজনীতি ও ধর্মনিরপেক্ষতা' বইটি সংগ্রহ করে পড়ে দেখবেন। কোরানের আয়াতকে কত নিকৃষ্ট উপায়ে ব্যাখ্যা করেছেন স্বার্থ সিদ্ধির জন্য। এক্ষেত্রে তিনি এই ব্লগের 'যুঞ্চিক্ত' নামের সেই অপব্যখ্যাকারীকেও হার মানিয়েছেন। এভাবে তারা মুসলমানদের ভুল পথে চালিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামিলীগের বিগত শাসনামলের কথাই ধরুন। ইসলাম পন্থীদের উপর কি নির্যাতনগুলোর স্বপক্ষে কি নির্লজ্জ্বভাবেই না তারা কলম ধরেছিলেন। তাদেরই এক স্বজাতি (শামসুর রহমান) মুসলমানদের আযান কে 'বেশ্যার দালালের' আহবানের সাথে তুলনা করেছিলেন।

এই ব্যপারটা তখন অনেকেই অনুভব করেছিলে যে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করলেই তথাকথিত সেই ধর্মনিরপেক্ষবাদী আওয়ামীলীগ সরকারের সুনজরে পড়া যাবে। আমার পরিচিতদের মাঝেই অনেককে দেখেছি লিটল ম্যগাজিনের নামে ইসলামকে কিভাবে এ্যটাক করে নানা রকম প্রচারনা চালাতে। সেসব করে তাদের কেউ কেউ উপর মহলে বেশ ভালো কদর পেয়েছিলো সেসময়। 'শাহরিয়ার কবির' নামক এক দেশপ্রেমিক(!) লোক (যিনি কিছুদিন আগে দেশের বাইরে গিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ এনেছিলেন শুধু এই কারনে যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামীলীগের দূর্নীতিবাজদের ধরে জেলে পুরে দিচ্ছে। এই কারনে নাকি তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাজাকার গোত্রীয়!) -এর কাছে যিনি গিয়েছেন জীবনে কখনো, তিনিই জানেন ইনিয়ে বিনিয়ে কিভাবে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষেদাগার করে থাকেন এই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ভদ্রলোক! এরাই নাকি ক্ষমতায় গিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে সকল ধর্মের অধিকার রক্ষা করবে! অন্তরে ইসলামের প্রতি এত বিদ্বেষ পোষন করে সারাক্ষন ইসলাম বিরোধী প্রচার প্রচারনা চালিয়ে এবং ইসলাম বিরোধীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা দিয়ে চলা এইসব লোক কি করে মুসলমানদের অধিকার রক্ষা করবে?

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা ভাবছেন আমার প্রশ্নগুলো ভ্যালিড না ইনভ্যালিড? প্রশ্ন করুন, কোন পয়েন্টটা ভুল বলেছি! প্রশ্ন করার উপায় আছে? হ্যা, এটা বলতে পারেন যে; 'এসব করে তো কি হয়েছে? এতে ইসলামের কি ক্ষতি বৃদ্ধি হয়েছে?' আমি বলবো, সেটা আপনি বুঝবেন না, যতক্ষন না অন্তরে ইসলামকে ধারন করতে পারবেন। যতক্ষন না আপনি সত্যিকারের একজন মুসলমান হয়ে উঠতে পারবেন। যদি না পারেন, তাহলে এসব যুক্তি মানতে আপনার দ্বিধা থাকবেই। সুতরাং আপনার দ্বিধা নিয়ে আপনি বসে থাকুন! সত্যিকার প্রতিটি মুসলমানরাই বুঝতে পারবে আমি কি বলতে চেয়েছি। সেই মুসলমানরাই বুঝবে তাদের করনীয় কি। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এই জনপদে কেউ টিকে থাকতে পারেনি অতীতে.. ভবিষ্যতেও পারবে না। সুতরাং অপেক্ষা করুন আপনারা...

পরিশেষে আরো কিছু কথা না বললেই নয়... এই ধরনের লেখা দেয়ার পরের প্রতিক্রিয়া হিসেবে একদল দেশপ্রেমিক(?) লোকের নর্তন কুর্দন দেখে এসেছি অতীতে। যুক্তিতে হেরে যাওয়া সেসব কাপুরুষদের প্রধান অস্ত্র হলো স্বাধীনতার যুদ্ধ ও রাজাকার ইস্যু। তাদের মতের বিরুদ্ধে যাওয়া বা ইসলাম নিয়ে কিছু বলা মানেই স্বাধীনতার শত্রু... দেশ বিরোধী.. ইত্যাদি ইত্যাদি! আমাদের কত দুর্ভাগ্য যে একটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিক হয়েও আজ আমরা ইসলাম নিয়ে জোর গলায় কথা বলতে পারি না। আমাদেরকে দমানোর উদ্দেশ্যে আমাদের প্রিয় স্বদেশ ভূমির বিরুদ্ধেই আমাদেরকে দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী প্রায় সকলে মুসলমান হওয়ার সত্বেও মুসলমানদেরকে চিহ্নিত করা হয় স্বাধীনতা বিরোধী বলে। ইসলাম নিয়ে কাউকে কথা বলতে দেখলেই তাকে র রাজাকার ঘোষনা করে দেয়ার একটা অপচেষ্টা চলে। প্রতিপক্ষকে অন্য কোন কিছু দিয়ে আটকাতে না পারলে এই অস্ত্র বেশ ভালই কার্যকর প্রমানীত হয়েছে। কারন দেশকে ভালবাসে এমন যেকোন লোককেই ইমোশনালী ব্লাকমেইল করা যায় মুক্তিযুদ্ধের প্রসংগ টেনে এনে। সুবিধাবাদীরা এই অস্ত্র ব্যবহারে বিশেষ পারদর্শিতা অজর্ন করেছে। আমি আবারো বলছি, এই লেখা ব্লগে ছাপানোর পরে আরেক দফা গালি খেতে যাচ্ছি। সেই সাথে বোনাস হিসেবে 'রাজাকার' খেতাবও পাবো। তবে আমি ভয় পাইনা! একজন মুসলমান শুধু মাত্র তার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকেই ভয় পায়! আর কাউকে নয়...!



রিলেটেড পোষ্ট:
ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ একটি প্রতারনার বীজ
ধর্মনিরপেক্ষতার সূদৃশ্য মোড়কে ইসলামের বিরোধীতা
ধর্মনিরপেক্ষতা: শোষনের নির্লজ্জ হাতিয়ার

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দেশধর্ম ও জীবন  বিভাগে ।

 

  • ৬৫ টি মন্তব্য
  • ১১৬৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪৪ জনের ভাল লেগেছে, ১১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:২০
comment by: ক্ষ্যাপা বলেছেন: ঘুমের বড়ি বেশী খাইয়ালাইছে । কি করা যায়, কন তো দেহি তেরিভুজ ভাই?
২. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:২১
comment by: পথহারা বলেছেন: ত্রিভুজ,
জামাত বা শিবির আমার পারসনালি অপ্রিয়। কিন্তু ব্লগের experience এ আমার মনে হচ্ছে আমরা যারা সামান্য হলেও ইসলামে বিশ্বাস করি, তাদের সাবধান হওয়া উচিত। আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার নাম করে কিছু নাস্তিক bustered তাদের propaganda চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু ব্লগে না, আমাদের রাজনীতিতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রতিটি পদে এরা সক্রিয়। এরা সংখায় খুব একটা বেশি না। কিন্তু আমাদের আবেগকে পুজি করে এরা বিশাল মোহীরুহ। আমরা অনেকেই নিজেদের অগ্যাত সারে এই bustered দের সাফাই গেয়ে যাই। আমরা খেয়াল ই করি না
at the end of the day আমরা ইসলামের অথবা নিজেদের কি ক্ষতি করছি এদেরকে প্রশ্রয় দিয়ে। যাই হোক ত্রিভুজ
তোমার লেখা সময়োপযোগি এবং যথার্ত মনে হয়েছে। এই রকম লেখা চালিয়ে যাও। ৫ দিলাম। পারলে ১০০০ দিতাম।
৩. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:২২
comment by: নুর3ডিইডি বলেছেন: এরা ধর্মনিরপেক্ষতা বাদী নয়, এরা ধর্ম বিরোধীবাদী। এরা বুঝাতে ছায় মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে মুসলমানদের বিরুদ্ধে। আমরা যারা মুসলমান, আল্লাহকে বিশ্বাস করি, সবাই এদের ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করতে হবে। বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম দেশ এরা মনেহয় ভুলেগেছে।

ত্রিভুজ ভাই, খুবই গুরুত্বপুর্ণ পোস্ট।
ধন্যবাদ।
৪. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:২৩
comment by: রেজওয়ান বলেছেন:
৫. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:৫৮
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: নুর ভাই,
এরা যে আসলে ইসলামের বিরোধীতা করার জন্যই মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ করে, অথবা আওয়ামীলীগকে সাপোর্ট করে, তার প্রমাণ পেয়েছিলাম যখন !@@!797166 !@@!797167 !@@!797168 !@@!797169 !@@!797170 !@@!797171 তখন হটাৎ করেই আওয়ামীলীগের মুক্তিযুদ্ধের সকল কৃতিত্ব এদের কাছে অর্থহীন ও অদরকারী হয়ে গিয়েছিলো! আপনাকেও ধন্যবাদ আমার মূল বক্তব্য বুঝার জন্য।


যথার্থ বলেছেন পথহারা। অনেক মুসলমানই ইসলাম বিদ্বেষী এসব ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনে এদের দেশপ্রেমিক ভেবে ভুল করেন। অনেক ধন্যবাদ এত সহজ ভাবে অল্প কথায় বিষয়টি তুলে ধরার জন্য। ভাল থাকুন।
৬. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:২৪
comment by: নুর3ডিইডি বলেছেন: ত্রিভুজ ভাই , ঐ চুক্তির পর বাংলাদেশের মানুষ সত্যটা বুঝতে পেরেছে। বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে আরো সচেতন হওয়া উচিৎ। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে ধর্মেরবিরোধীতা করে তাদেরকে চিনে রাখা প্রয়োজন। আমরা ইসলামকে সামান্য বিশ্বাস করা ঠিক নয়। আমাদেরকে মনেপ্রানে বিশ্বাস করতে হবে ইসলামকে। ধর্মনিরপেক্ষতা বাদীরা যেন আমাদের আবেগকে পুজি করে, আমাদের ধর্মের ক্ষতি করতে না পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আল্লাহর কাছে প্রর্থনা করি , আল্লাহ সকল মুসলমানকে সঠিক পথ দেখান।
৭. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০২
comment by: যীশূ বলেছেন: পুরাটা পড়ার দরকার নেই, শুধু একটা লাইন পড়ে এ লেখাটা পড়ার পুরা আগ্রহ নাই হয়ে গেছে। লাইনটা হলো, 'ধর্মীয় কোন সিম্বল নাকি রাজনৈতিক ব্যনারে ব্যবহার করা যাবে না। অথচ ইসলামের বিপরীত মতাবলম্বী কমিউনিষ্টদের প্রতিকের ব্যপারে কোন বিধি নিষেধ নেই।'
হায়রে রামছাগল, কমিউনিস্ট পার্টির প্রতীক কোন ধর্মীয় প্রতীক না! এই ছাগলটা ধর্ম আর রাজনীতির মধ্যে পার্থক্যও বোঝে না!
৮. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৯
comment by: মিসকল বলেছেন: ত্রিভুজ - সমর্থন করলাম। সাথে পূর্ণ - ৫।
৯. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২৬
comment by: সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিভুজ, সুন্দর পোস্ট। এবং বিষয়টা ও জরুরী। মুসলমানদেরকে এ বিষয়ে অনুধাবন করা উচিত।
তবে একটা বানান ঠিক করে দিয়েন। "শামসুর রহমান" নয় "শামসুর রাহমান" হবে।
১০. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২৭
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তিরভুজ ভাই ধর্মীয় জংগীবাদ সম্পর্কে কিছু বললেন না। কুকুর ( আ.লীগ) তো পায়ে কামড়াবেই। কিন্তু মুসলমান হইয়া আরেক মুসলমানের শরীর থিকা রক্ত বাইর করবো এইটা কেমুন কথা? কমিউনিষ্টরা তো শুধু তারেই মারে যারা ওগো লগে ঘুরে বা যারা ওগো বিরুদ্ধে ঘুরে। কিন্তু ইসলামী জংগীরা তো কারোই পানা দেয়না। ফিলিস্তীনে দেখেন নিজেগো গোস্ত মনে হয় ওগো সোয়াদ লাগেনা তাই লেবাননে গুতাইতেছে। নাস্তিকরা ভাই জানের উপর হামলা করে না। কিন্তু ইসলামী জংগীরা কি করে তার প্রমাণ আপনি না পাইলেও আমরা পাইছি। আর টুপি দেখলেই যে পিটাই এইটা অনেক ভুল। বরং চো পিটানোর ঘটনাগুলোই বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আর যদি পিটানোর ঘটনার সাথে শিবির বা জংগী পিটানোর সাথে গুলিয়ে ফেলেন তাহলে তা দুঃখজনক। আর ভার্সিটিতে আমরাও পড়েছি। আমাদের মধ্যে যারা তাবলীগ করতো তাদেরকে সবসময়ই শ্রদ্ধার আসনে বসাতাম এবং সামাজিক ক্ষেত্রেও এর ব্যাত্যয় দেখিনি। আর পবিত্র কোরানকে ডাষ্টবিনে ফেলে দেয়ার ঘটনা আমাদের এলাকাতেই ঘটেছিলো এবং ব্যাপারটাকে অনেকটা রাজনৈতিকভাবে ঘুরানোর চেষ্টা করা হয়েছিলো কিন্তু পারা যায় নি। অতএব ভুল বুঝার কোনো অবকাশ নেই।
তবে কিছু কুকুর থাকবেই ক্ষমতার পরশ পাবার জন্য আল্লাহকে ভুলে যান এবং তার পরিণাম তারা হাতে নাতে পান- এটাই আল্লাহর নিয়ম। আমরা যে যার দিক থেকে যতটুকু পারি, প্রতিবাদ করবো। এটাই গণতন্ত্র।
১১. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫৮
comment by: দ্রোহী বলেছেন: ত্রিভুজ- লেখাটা বিন্দাস হয়েছে!
---নির্যাতনের বদলা নিতে হবে নির্যাতনের মাধ্যমে। পৃথিবীর যে সকল স্থানে (আফগানিস্তান, ইরাক প্রভৃতি) ইসলামী উম্মাহ নির্যাতনের সম্মুখীন হচ্ছে, সে সব স্থানে অবিলম্বে ইসলামী আন্দোলন শুরু করতে হবে। স্বেচ্ছাসেবক ভাইদের প্রয়োজন হলে কান্দাহারে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনীয় টাকার যোগনা আমরা আপনার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক আর্কাইভ থেকে দিবো।
---যে দুই/একটা প্রশ্ন মনে জেগেছিলো, সেগুলো আর করলাম না। কোন পয়েন্টেই আপনার ভুল ধরা যাবে না।
---নুর৩ডিইডি লোকটা ভালো না। ওর কথায় বেশী লাফাবেন না। ব্যাটা জাত ব্যবসায়ী, সে আর তার স্যার মিলে পুরোনো অস্র ভাড়া দেবার ব্যবসা করে। আপনার সাথে খাতির রেখে আপনাকে ব্যবসায় ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। আগে থেকেই সাবধান থাকবেন।
---আন্দোলনে শরিক হলাম।
১২. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:০৬
comment by: পাশা বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন ,
জঙ্গীবাদ যারা করে তারা কিন্তুু ইসলামকে না বুঝেই করে।
তারা এখন তো সার্ট পেন্ট পরা ধরছে, তাহলে কি আপনারা সার্টপেন্ট পরা মানুষগুলো সন্দেহ করবেন
অথবা পারলে পিটাবেন।

জাহাঙ্গীর নগরে একবার দাড়িওয়ালা স্বপন ব্যানার্জী নামের রাজশাহী মেডিক্যালের এক হিন্দু ছেলেকে পিটিয়ে ছিল শিবির সন্দেহে।
দোষটা কার দাঁড়ির না শিবিরের!
১৩. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৭
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: পাশা ভাই, আমার এক বন্ধু ছিলো যে সার্কিট-১ পরীক্ষার আগের ২ দিন প্রচন্ড জ্বরাক্রান্ত ছিলো, কিন্তু ফরচুনেটলী প্রশ্ন সোজা হয়েছিলো, এবং প্রায় সবাই পাশ করেছিলাম।
(জাহাঙ্গীর নগরে একবার দাড়িওয়ালা স্বপন ব্যানার্জী নামের রাজশাহী মেডিক্যালের এক হিন্দু ছেলেকে পিটিয়ে ছিল শিবির সন্দেহে।
দোষটা কার দাঁড়ির না শিবিরের!)-প্রতিদিন শুক্রবার হয় না।
আমি নিজেও একসময় তাবলীগ করতাম এবং আমি যখনই সুযোগ পাই যাবার চেষ্টা করি। আমাদের ফ্যামিলীতে ৩-৪ জন তাবলীগ আছেন, যাদের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস নেই। মনে করবেন না দাদাগিরি, জাষ্ট রিস্পেক্ট!
১৪. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৭
comment by: জামাল ভাস্কর বলেছেন: কোথায় লুকিয়ে থাকে তাদের ধর্মনিরপেক্ষতা যখন কুকুরকে টুপি পড়ানো হয়?
- কোথায় লুকিয়ে থাকে তাদের ধর্মনিরপেক্ষতা যখন পবিত্র কোরান শরীফ ডাষ্টবিনে ছুড়ে ফেলা হয়?
- কোথায় থাকে ধর্মনিরপেক্ষতা যখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দাড়ি টুপিওয়ালা ছাত্র দেখলেই নির্যাতন করা হয়?
- কোথায় থাকে ধর্মনিরপেক্ষতা যখন রমনার বটমূলে দিনে দুপুরে ঘোষনা দেয়া হয় 'মুসলমানদের রক্তে গোছল করতে হবে' ?
- কোথায় থাকে ধর্মনিরপেক্ষতা যখন ইসলামকে রাষ্ট্রিয় ভাবেই মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিষয় থেকে?

এই প্রশ্নগুলি ত্রিভুজ আগেও কইছেন...কিন্তু এইগুলির সূত্র কি আর কোন পরিপ্রেক্ষিতে বলা সেইটা উল্লেখ না করাটা উস্কানী ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না আমার কাছে...

উস্কানী দেওয়া আর যুক্তির নিরীখে কোন আহ্বান জানানো এক না বিধায় এই বক্তব্য বিষয়ে আমার বিরোধীতা আছে...
১৫. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫১
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: সাদ উল্লাহ কি কথা লিখে ত্রিভুজ? বিকৃতির কয়েকটা উদাহরন দিলে সুবিধা হইতো।

যতটুক জানি ও বুঝি তিনি ইসলাম, ইসলামের ইতিহাস এবং খ্রিষ্টানিটি-জুডাইজম-ইসলাম সম্পর্কে অনেকের চাইতে অনেক বেশ জানেন।

আর যেটারে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষেদাগার বইলা ভ্রম হয় সেইটা আসলে ইসলামের বিরুদ্ধে না, ইসলামের নাম নিয়া বেশিরভাগ স্টুপিডের কর্মের বিরুদ্ধে বিষেদাগার। যেমন সংখালঘুদের উপরে ধর্মের নামে নির্যাতন শাহরিয়ার কবির ও সমমনারা প্রতিবাদ করে। এইটা প্রতিবাদ করার মতোই বিষয়। এর মানে শাহরিয়ার কবির খারাপ হয় গ্যালো, এই ধারনাটা মানতে পারলাম না।
১৬. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৩
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: ত্রিভুজ ভাই
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
কি বলবো অসাধারন লিখেছেন।
আর শাহরিয়ার কবির তো কোন মানুষের জাত না।
সে হলো কুত্তার বাচ্চা অন্যদেশের হয়ে দালালি করে
মানে নব্য রাজাকার। তার চাচা মানে জনকন্ঠের মালিক সে তো বিভিন্ন আ'কামের ওস্তাদ।বর্তমানে জেলের ভাত খাইতেছে।
১৭. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৭
comment by: কৌশিক বলেছেন: একটা পার্ফেক্ট জঙ্গীমদদদায়ী পোস্ট। এ পোস্টটার কন্টেন্ট চরমপন্থী আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য সহায়ক। বাংলা ভাই, শায়খ এমন কথাই বলতো। ত্রিভূজ যদি এই টাইপের কথা বন্ধ না করে তবে অচিরেই জঙ্গী মদদদাতা হিসাবে অভিযুক্ত হবার সুযোগ আছে। অল্প বয়সে বেচারার যাবজ্জীবন হতে পারে।
১৮. ২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৭
comment by: এস্কিমো বলেছেন: "তাদেরই এক স্বজাতি (শামসুর রহমান) মুসলমানদের আযান কে 'বেশ্যার দালালের' আহবানের সাথে তুলনা করেছিলেন।"

- এটা কি শামসুর রাহমান বলেছিলেন? দয়া করে কি এর তথ্য সুত্র দেবেন। মনে হয় এখানে একটু ভুল করেছেন।
১৯. ২৭ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:০৮
comment by: দ্রোহী বলেছেন: আপনারা, মানে যারা কমেন্ট করছেন তারা না বুঝেই চিল্লান। ত্রিভুজতো আগেই বলে রেখেছে বুঝবেন না। তাহলে হুদাই চিল্লান ক্যান?

[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা ভাবছেন আমার প্রশ্নগুলো ভ্যালিড না ইনভ্যালিড? প্রশ্ন করুন, কোন পয়েন্টটা ভুল বলেছি! প্রশ্ন করার উপায় আছে? হ্যা, এটা বলতে পারেন যে 'এসব করে তো কি হয়েছে? এতে ইসলামের কি ক্ষতি বৃদ্ধি হয়েছে?' আমি বলবো, সেটা আপনি বুঝবেন না, যতক্ষন না অন্তরে ইসলামকে ধারন করতে পারবেন।]

---আসুন সবাই মিলে প্রশিক্ষণ নিতে কান্দাহারে যাই।
২০. ২৭ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১০
comment by: দ্রোহী বলেছেন: ত্রিভুজ, এই লেখা যদি একবার ইউ.এস অ্যামব্যাসিতে যায় জি.আর.ই দিয়ে আর লাভ হবে না।
২১. ২৭ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১২
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাংলা হবে তালেবান
আমরা হব আফগান
২২. ২৭ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৬
comment by: দ্রোহী বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন..........বিন্দাস শ্লোগান হয়েছে!!
২৩. ২৭ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৫
comment by: ষড়ভূজ বলেছেন: দূর্দান্ত পোস্ট ত্রিভূজ। আপনি আবার ফর্মে ফিরে এসেছেন।


''ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এই জনপদে কেউ টিকে থাকতে পারেনি অতীতে.. ভবিষ্যতেও পারবে না। সুতরাং অপেক্ষা করুন আপনারা... '' এই অংশটুকু সবচেয়ে ভাল হয়েছে। সবাই আবার গা ঝাড়া দিয়ে সংগ্রামে সামিল হতে চাইবে।

অনেক অনেক ধন্যবাদ এ ধরনের একটা পোস্ট দেওয়ার জন্য।

২৪. ২৭ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৫১
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: এইটা আমি ইউ এস এ্যাম্বাসীতে পাঠামু। জিআরই তোমার হোগা দিয়া ঢুকাবে।
২৫. ২৭ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৭
comment by: ট্র্যাপ বলেছেন: একজন মানুষ যদি নির্দিষ্ট কিছু নিয়মনীতি, আদর্শ, সততা এবং নিষ্ঠার সাথে নিজের জীবন অতিবাহিত করতে পারেন তবে তার জীবনটা হয়ে উঠে খুব কম সংঘাতময়। তাকে সবাই ভালোবাসে। এই নিয়মনীতিটাই ধর্ম। কেউ বলেন ইসলাম, কেউ হিন্দু, কেউ বৌদ্ধ, কেউ খ্রিষ্টান। লক্ষ্য করুন, সব ধর্মই কিন্তু একই কথা বলে। মিথ্যা কথা মহাপাপ, আত্মহত্যা মহাপাপ, ঈশ্বর......। তবে কেন আমরা ধর্ম নিয়ে হানাহানি করি?

ধর্মকে বাঁচানো, অন্য ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠতা প্রমাণ, আমরা ভালো তোমরা পঁচা টাইপ বিশ্লেষণ আর নয়, নিজেকে সংস্কার করুন। সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে কিছু নয়।
২৬. ২৭ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩১
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: অসাধারণ পোষ্ট ত্রিভূজ ভাই।
আরো লেখা আশা করছি এমনতর।
অসাধারণ কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন। নূন্যতম ইসলামী চেতনাবোধ থাকলে এই লেখা প্রতিজন মুসলিম পাঠকের মনকে নাড়া দেবে।
২৭. ২৭ শে মে, ২০০৭ রাত ৮:২৯
comment by: পাশা বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন ,

"আমি নিজেও একসময় তাবলীগ করতাম এবং আমি যখনই সুযোগ পাই যাবার চেষ্টা করি। আমাদের ফ্যামিলীতে ৩-৪ জন তাবলীগ আছেন, যাদের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস নেই।"
একথা গুলো আমার ক্ষেত্রেও সত্য।
তাই বলে তাবলীগের একটা ছেলেকে না মেরে মারল কেন হিন্দু ছেলেটাকে।

হিন্দু ছেলেটি বুঝতে পারেনি। সব জায়গায় শিবির থাকলেও এখানে শিবির নাই। শিবির নিয়ে তাকে প্রশ্ন করাতে সে বলেছিল- "আমার বন্ধু শিবির করে।"
রাজশাহী মেডিক্যাল আর জাহাঙ্গীর নগর আলাদা জিনিস সে বুঝেনি। একটু বেশি খাতির পেতে চাচ্ছিল।
তারপর সোজা তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া বঙ্গবন্ধু হলে ।সারারাত চলে অমানসিক নির্যাতন।রড দিয়ে তার উপর আক্রমন চালানো হয়। শুধু তার কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়- "জাবিতে শিবিরের কাউকে চিনে কিনা।"
মারতে মারতে তাকে আধা মরা করার পর প্রক্টর এসে তাকে থানায় দিয়ে দেয়। এমনকি তাকে এমনভাবে মেরেছিল যে, সে উঠে দাঁড়াতে পারছিল না।
চোরকেও মানুষ এভাবে মারে না!

আমার প্রশ্ন হল-"আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির তারা যদি রাজশাহী, চট্টগ্রাম কিংবা রাজশাহীতে যাই, তাহলে আমরাও তাদের এ ধরনের আক্রমনের শিকার হতে পারি।"
আপনি কি মনে করেন?

২৮. ২৭ শে মে, ২০০৭ রাত ৮:৩৪
comment by: দ্রোহী বলেছেন: অসাধারণ পোষ্ট ত্রিভূজ ভাই।
আরো লেখা আশা করছি এমনতর।
অসাধারণ কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন। নূন্যতম ইসলামী চেতনাবোধ থাকলে এই লেখা প্রতিজন মুসলিম পাঠকের মনকে নাড়া দেবে।
২৯. ২৭ শে মে, ২০০৭ রাত ৮:৩৪
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: যীশূ,
আপনি অনেক বুদ্ধিমান। এজন্যই আমার বক্তব্যই আপনার মুখে আবার প্রতিধ্বনিত হলো। আমার বক্তব্যও ছিলো যে ধর্মের সিম্বল নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হচ্ছে(কারো অনুভুতিতে আঘাত লাগার অযুহাত তুলে) কিন্তু অন্যদের সিম্বলের ব্যপারে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে না। ব্যপারটায় ধর্মের ব্যপারেই তাদের এলার্জি প্রমাণ করে।

ওগুলো সবাই জানে জামাল ভাস্কর। ঐতিহাসিক সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তি দেয়া লাগে না। যুক্তি দিয়ে সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতেও হয় না। এনিওয়ে, যাদের উদ্দেশ্যে এই বক্তব্য দিয়েছি,তারা বুঝলেই হবে।


সাদিক মো: আলম,
সা'দ উল্ল্যাহর লেখা নিয়ে একটা সিরিজ করার চিন্তা ভাবনা করছি। তখন বুঝতে পারবেন। আর আমি শাহরিয়ার কবিরের সংখ্যালঘু নির্যাতনের ব্যপারে বলি নাই। আর আমি কোন ব্যপারে বলেছি সেটা না বুঝেই নিজের মত করে মন্তব্যটা করা আপনার ঠিক হয়নি। এই ভদ্রলোকেকে যারা চিনে এবং উনার সাথে ঘন্টা খানেক কথা বলেছে তারাই জানে আমি কতটা ঠিক বলেছি। উনার কিছু কাজ অবশ্যই প্রশংসার যোগ্যতা রাখে। কিন্তু কিছু কাজ ভালো করলেই যে কারো বাকী সব কাজের জন্য সেটাকে লাইসেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে হবে, এমনটা ভাবা ভুল। আপনি উনার ব্যপারে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন।

কৌশিক,
ইসলামকে আ