আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০১০ ত্রিভুজ

চট্রগ্রাম ভূমিধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্য করতে যাওয়া এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা...

১৫ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৪৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি মানুষটা কেমন যেন! কোন একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর সবাই যখন আবেগের সাগরে ভেসে যায়, তখন আমার মাঝে তেমন আবেগী কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। মনে মনে শুধু ভাবতে থাকি সত্যিকারের কিছু করা সম্ভব কিনা যা করলে এই বিপদে কাজে আসবে। ভেবে চিন্তে আমার যদি কোন উপায় খুঁজে পাই, তাহলে চেষ্টা করি সেটা সার্থক করতে। তেমনি একটি উপায় খুঁজে পেয়েই সম্ভবত ঘোষনা দিয়েছিলাম চট্রগ্রাম যাচ্ছি। যা নিয়ে অনেকের মাঝে অসোন্তষ দেখেছিলাম। তবে এটা হলপ করে বলতে পারি, ঐমূহুর্তে শুধু সাহায্য করা ব্যাতিত অন্য কোন কিছু মাথায় ছিলো না।

যাই হোক, ঢাকা হতে আরো কিছু বন্ধুর সহায়তায় বেশ কিছু টাকা ও দ্রব্য সামগ্রি সংগ্রহ করে ১৪ জুন, ২০০৭ ভোরে সামহোয়্যাইনের পক্ষ থেকে সাহায্যের উদ্দেশ্যে যাওয়া দ্বিতীয় টিমে যোগ দেই। দুপুরের মাঝেই আমরা পৌঁছে যাই চট্রগ্রামে। তারপর কোনরকম বিরতী না দিয়েই কাজে নেমে পড়ি এবং আজকে ফিরে আসার আগে পর্যন্ত চলতে থাকে আমাদের কাজ। কিভাবে কি করেছি তা নিয়ে পরবর্তীতে লেখার ইচ্ছে রয়েছে।

আমরা কেন নিজেরা যাচ্ছি এবং কোন সাহায্য সংস্থাকে কেন আমাদের সংগ্রীত অর্থ দিয়ে দিচ্ছি না, তা নিয়ে অনেকে দেখলাম আলোচনা করছেন। একটি সীমিত গন্ডি থেকে বিচার করলে তাদের পয়েন্টগুলো মোটেও ইনভ্যালিড দেখাবে না। কিন্তু অতীতে বিভিন্ন ত্রান কার্যে অংশগ্রহন করে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছিলো তাতে মনে হয়েছে রেড ক্রস বা অন্যান্ন সাহায্য সংস্থা যেভাবে সাহায্য করে, তা ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় লোকগুলোর জন্য যথেষ্ট নয়। আমার মনে হয়েছিলো একই পরিমান দক্ষতা ও সম্পদ দিয়ে আরো ভালো উপায়ে সাহায্য করা সম্ভব। কোন একটি দুর্যোগ ঘটে যাওয়ার পর সাময়িক ভাবে কিছু সাহায্য এসব অসহায় লোকগুলোর সত্যিকার সমস্যার সমাধান করতে পারে না, পারার কথা নয়। আমার ব্যক্তিগত চিন্তা হচ্ছে একটু একটু করে সবাইকে সাহায্য না করে প্রায়োরিটি অনুযায়ী একজন একজন করে যতজনকে পারা যায় পূর্বের জীবনে ফিরিয়ে আসতে সাহায্য করা। এবং বাকী সম্পদ দিয়ে তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্থদের গনহারে তড়িৎ সাহায্য করা। আমাদের পরিচিত বিভিন্ন সাহায্য সংস্থার খুব কম সংখ্যকই এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকে। সুতরাং তাদের উপর ঠিক ভরসা রাখতে পারিনি।

পত্রিকায় পড়ে বা টিভিতে দেখে যে প্রকৃত ঘটনার সত্যিকার চিত্র অনুধাবন করা যায় না, তা এর আগে বিভিন্ন ত্রান টিমে কাজ করে বেশ ভালই উপলদ্ধ করেছিলাম। আপনি যখন একটি দূর্যগ পীড়িত এলাকা নিজে স্বচক্ষে দেখবেন, তখন আপনি বুঝতে পারবেন তাদের জন্য কতটা সাহায্য করার প্রয়োজন রয়েছে। এখানে আরো দু:খ জনক একটি বিষয় আমি অনেক আগেই লক্ষ করেছি যে, দুর্গতদের সাহায্য করতে এসে বিভিন্ন দেশী বিদেশী সংস্থার ও সরকারী সাহায্য গুলো বেশীর ভাগ সময়ই সাময়িক। ঘটনার কিছুদিন পরে এসব লোকগুলোর কি হলো, তা নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথা থাকে না। ব্যাটারটিতে কেমন যেন একটা আনুষ্ঠানিক ভাব রয়েছে। কোন রকমে টিকে থাকা একদল লোক যখন সহায় সম্বল হারিয়ে প্রায় নিস্ব হয়ে যান, তখন সাময়িক ভাবে দেয়া কিছু টাকাপয়সা, ঔষধ, খাদ্র সামগ্রি কিভাবে তাদের আসল সমস্যার সমাধান করতে পারে? অথচ সবগুলো সংস্থা একত্রে বসে সুন্দরভাবে পরিকল্পনা করে একটি একটি করে সবার জন্যই বাস্তব সম্মত ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারতো, া তাদেরকে আবার সাবলম্বী করে দিতে সহায়ক হতো।

যাই হোক, নিজের সাহায্য নিজের পদ্ধতিতে দেয়ার লক্ষেই আক্রান্ত এলাকায় যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রহন করি। সেই লক্ষেই যোগ দিলাম সামহোয়্যারের দ্বিতীয় টিমের সাথে। সেই টিম নিয়ে গত ১৪ জুন, ২০০৭ ভোরে আমরা চলে যাই চট্রগ্রামে মূল টিমের সাথে যোগ দেয়ার জন্য। সেখানে গিয়ে আমি সবচেয়ে বেশী অবাক হয়েছিলাম যখন দেখলাম সামহোয়্যারের পক্ষ থেকে নেয়া সাহায্যের প্রক্রিয়াটা আমার নিজের চিন্তাভাবনার সাথে মিলে যাচ্ছে। তবে সামহোয়্যারইনের পরিকল্পনাটি আমারটি থেকেও অনেক বেশী কার্যকরী ছিলো।

সামহোয়্যারের আরিল ভাই ও রাহিল ভাইয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা খুঁজে বের করতে চেষ্টা করি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ও একদল নিরুপায় কিছু পরিবারকে। আমরা পরিকল্পনা করলাম বিপদগ্রস্থা নিরুপায় লোকগুলোকে আবার তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা পর্যন্ত সাহায্য করে যাবো। তবে সেটা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী হবে। সেই লক্ষে খুঁজ শুরু করি সঠিক লোকগুলোকে, যারা সত্যিই অসহায় এবং যাদের সত্যিকার অর্থেই সাহায্যের প্রয়োজন। অবশেষে দুইদিন টানা কাজ করে আমরা সেরকম বেশ কিছু পরিবার ও ব্যক্তিকে চিন্হিত করি এবং তাদেরকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করি। সেই লক্ষে আগামী তিন মাস এসব ব্যক্তিদের আমরা সাহায্য করে যাবো। কিভাবে কি করবো, তা নিয়ে বিস্তারিত পরে লেখার ইচ্ছে রইলো।


আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের প্রাথমিক ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ধাপ আমরা খুব সুন্দর ভাবেই শেষ করতে পেরেছি। সবাই একত্রে চেষ্টা না করলে হয়তো এত কঠিন কাজটি এত দ্রুত শেষ করা সম্ভব হতো না। ঢাকায় গত ১৩ জুন, ০৭ সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত টানা দৌড়া দৌড়ি করে যারা অর্থ ও জামা কাপড় সংগ্রহ করেছেন ও অন্যন্ন যারা বিভিন্ন মাধ্যমে সাহায্য পাঠিয়েছেন এবং চট্রগ্রামে গতকাল পুরোটা দিন পায়ে হেটে ও আজকে ভোর থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে ভিজে যারা এই অসাধ্যটি সাধন করলেন, তাদের ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করার চেষ্টা করবো না। তাই আপাতত এখানেই পরিসমাপ্তি টানি। আমারা কি করলাম ও কিভাবে করলাম, তা নিয়ে ডিটেইলসে কিছু পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছে রইল।

ছবি: (বাম দিক থেকে)
হাসান ভাই, মোর্শেদ ভাই, সাফি ভাই, জুয়েল ভাই (ব্লগার: চট্রগ্রাম থেকে), আরিল ভাই, ত্রিভুজ, সামি ভাই (পাঠক: চট্রগ্রাম থেকে), রাহিল ভাই, তালহা ভাই।
(বৃষ্টিতে হেঁটে কাজ করে সবার অবস্থা যখন খুবই খারাপ, তখন তোলা হয়েছে ছবিটি...)
--

বি:দ্র: এই পোষ্টটি সম্ভবত দেয়া লাগতো না, যদিনা ভূমি ধ্বসে আক্রান্তদের সাহায্য করার জন্য আমাদের চট্রগ্রাম যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা/সমালোচনা না হতো। তবে তারা একটি বিষয়ে অবশ্যই ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। তাদের অভিযোগ, আপত্তি বা গঠনমূলক কিছু সমালোচনা না আসলে হয়তো দূর্যগপীড়িত লোকদের সাহায্য করার ব্যাপারে আমাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও পদ্ধতি এবং এর গুরুত্ব নিয়ে লিখতে যেতাম না।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: দিনলিপি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৫

 

  • ৪৪ টি মন্তব্য
  • ২৭৪২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৫১
comment by: রক্তিম বলেছেন: আপনাদের কষ্টের জন্য একটা লোকের মুখে হাসি ফুটলেই সার্থক হবে।
দোয়া থাকবে সমসময়।
২. ১৫ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৫৯
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:
অসহায় লোকগুলোর মধ্য হতে যে অল্প কয়েকটি পরিবার ও ব্যক্তিকে আমরা সাময়িক সাহয্য করেছি এবং আগামী তিন মাসের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছি, তাদের চোখে যে আনন্দটা ও আশার আলোটা দেখেছি, না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না। আমরা সবাই যখন প্রতিটি লোকের প্রতি সহানুভুতি প্রদর্শন করছিলাম এবং 'আরিল ভাই' যখন তাদের মাথায় হাত রেখে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছিলেন, তখন তারা যেন অন্যরকম একটা শক্তি পেয়েছিলো তাদের মনে। এই ব্যাপারটি কি দুর হতে সাহায্য পাঠিয়ে দেয়া যেতো?


ধন্যবাদ আপনাকে 'রক্তিম'।
৩. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:০৮
comment by: মদন বলেছেন: জাজাকাল্লাহ খায়ের
৪. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:০৮
comment by: অনন্তমৈথুন বলেছেন: ত্রিভূজ ভাই, আমি একটা পোস্ট দিয়েছি, দেখুন তো আমাকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারেন কিনা।
৫. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:১৩
comment by: অনন্তমৈথুন বলেছেন: ত্রিভূজ ভাই, আপনি আর কখনো হাফ হাতা শার্ট পড়বেন না। এইটা আমার একটা অনুরোধ ভাই। মনে কিছু নিবেন না।
৬. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:১৮
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: Good job. This experience will be added on coming future. Being a non-professional you have shown your attitude was positive to take over the challenge to do something for the victims. And you have done it sincerely rather than professionally.
৭. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:২৩
comment by: অনন্তমৈথুন বলেছেন: ত্রিভূজ ভাই কি আমার উপর রেগে গেলেন নাকি?
দয়াকরে ফান্ড কালেক্ট করতে এই মেইলে যদি ছবি পাঠাতেন..

৮. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:২৪
comment by: স্বপ্নচারী পথিক বলেছেন: ভাই, ব্যাংক একাউন্ট কি খোলা হয়েছে?
আমি বুঝলাম না, এতো প্ল্যান সাকসেসফুল করার জন্য আপনাদের একটা ফান্ড তো লাগবে। সেই ফান্ড কালেকশনের সোর্সটাই এখনো করতে পারলেন না। আপনারা ৩ মাস ধরে কাজ করেন কিংবা ১ বছর ধরে কাজ করেন। ফান্ড এখনই সবচেয়ে বেশি উঠত।

টাকা দিবে টা কই মানুষ? আমরা কি খালি পায়ে হেটে টাকা কালেকশন করে যাবো বাড়ি বাড়ি গিয়ে? নাকি কেউ সামহ্যোয়ারইন এ টাকা দিয়ে যাবে যেচে এসে। সবাই ব্লগ পড়ে না ভাই। একটা সোর্স ঠিক করেন। টাকা উঠাতে হেল্প করি। প্ল্যান করার বহুত টাইম পাবেন। বাস্তবায়নের জন্যও মানুষ পাবেন। কিন্তু তার আগে ফান্ড দরকার। সেটা বুঝেন তো। আজাইরা।

যাই হোক আপনাদের উদ্যেগের জন্য ও কাজ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। কিন্তু আমাদেরও হেল্প করার সুযোগ দিয়েন ভাই। আমরাও হেণ্প করতে চাই।
৯. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:২৬
comment by: না-মানুষ বলেছেন: ত্রিভুজ,
তোমাকে অন লাইনে দেখে অনেকদিন পর সামহোয়্যারে ঢু মারা লোভ সামলাতে পারলাম না।

অনেকটাই তোমার মত আমার একটা ব্যপার লক্ষ্যনীয়, আমি এমন দুর্ঘটনার কথা শুনে ভেতরে তেমন অনুভূতি খুঁজে পাইনা, যা রসকষ মিশিয়ে, মসৃনভাবে, খুব দরদ মাখিয়ে প্রবন্ধ রচনা করবো আর পাবলিক সেসব পড়ে ঢকঢক করে গিলবে।

তবে, আরিল ভাইয়ের উদ্যেগটা প্রথমে আমার কাছে তোমার সেই আনুষ্ঠানিকতাই মনে হয়েছিল। আমাকে দু:খ প্রকাশ করতে হলো আনন্দের সাথেই যে, আমার ধারনটা আরিল ভাই ভুল প্রমাণ করেছেন। তাকে কিভাবে ধন্যবাদ দিবো তার ভাষা জানা নাই।

অনেকের বাচ্চাসুলভ কথাবার্তা পড়ে হাসবো না কাদবো বুঝতে পারিনা। তুমি নিশ্চই সেসব বেশ ভালো মতন উপভোগ করো

অনেক ভালো থেকো, আর দু:খিত এ কারনে যে আমার নিজের এলাকায় নিজে যেতে পারলাম না মা'কে মেডিকেলে নেবার কারনে। পরের বার তোমাদের সাথে একাত্ব হয়ে কাজ করবো।

ভালো থেকো।

--তেলাপোকা--
১০. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৩৭
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: ছবিটা একটু বিশ্লেষণ করবেন ? কে কোনটা ?
১১. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৪৭
comment by: বইপাগল বলেছেন: বিস্তারিত লেখাটা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
১২. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৫৩
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: চমৎকার ত্রিভুজ, অরিল ও অন্যান্যরা। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।
১৩. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৫৮
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: ছবিতে কে কোনটা মূল পোষ্টে দেয়া আছে @ ধূসর ছায়া


কাজের সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি @ না-মানুষ...
ধন্যবাদ।


@ স্বপ্নচারী পথিক
হ্যা, আমাদের তা লাগবে। বিদেশ হতে সাহায্য পাঠানোর জন্য একাউন্ট করা হয়েছে। দেশে সাহায্যের জন্য একাউন্ট এখনো করা হয়নি। আমরা আসলে সময় পাইনি। একদিনের নোটিশে সবাই চলে গিয়েছিলাম। যাই হোক, জানানো হবে আপনাদের।


@ অনন্তমৈথুন
ছবি আগামীকাল আপলোড করবো। আজকে এত টায়ার্ড লাগছে..... ঘুমাতে যাচ্ছি... ধন্যবাদ।


ধন্যবাদ কালপুরুষ দা।
১৪. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৫৯
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন: ফটু সেশন ভালো হইছে।
আপনার পাশের জন এমনে 'ক্ষেপ' ধইরা রইছে ক্যান? যদিও বাকিরা সবাই মোটামুটি ক্ষেইপা আছে! আপনের ডান হাতের লোকজন দুপুরে খাইছে বেশি, ভুড়ি দেখলেই বুঝা যায়।
আরিল পিছে পইড়া রইছে ক্যান, তারে তো দেখাই যায় না!
১৫. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:০১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: ধন্যবাদ বই পাগল ও জ্বিনের বাদশা কে..... বিস্তারিত নিয়ে পরে আসবো। ভাল থাকুন সবাই।
১৬. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:০৬
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ ও ধন্যবাদ।
বড় বড় কথা না বলে কাজে নেমে যাবার জন্য।
১৭. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:০৮
comment by: স্বপ্নচারী পথিক বলেছেন: ভাইয়া মাইন্ড খাইলেন কেন? মাইন্ড খাইলে সরি। আমার স্টাইলটাই একটু আলাদা।
ভালোমতন একটা ঘুম দেন, আর আমার কথাটা একটু মাথায় রাইখেন। আমি শুধু আপনাকে একটা কাজের জিনিস মনে করায় দিলাম। আপনার উদ্যেগে আমরা সবাই খুব উৎসাহ পাইছি। চালায় জান। আর বুঝেনই তো, আমরা চাইলেই আপনার মতো এদিক ওদিক যাইতে পারি না, পরিচিত সার্কেলটাও বেশি বড় না যে নিজেই কোন ব্যাংক একাউন্ট খুলব বা আর কিছু করতে পারব। এই না পারার ব্যর্থতাটা আরও বেশি জ্বালাময়। তা আপনি কোনদিনই বুঝবেন না। সারাদিন চেষ্টা করলেও আমি অল্প কিছু টাকার বেশি কোথাও থেকে যোগাড় করতে পারব না। আমি গরিব মানুষ। নিজেরও চলতে হয় মেপে মেপে। আমার পরিচিত জনরাও মেপে মেপেই চলে। আমার বাসায় আমার পড়াশুনার জন্য ইন্টারনেট আনা হইছে - এই কথাটা আমাকে প্রায়ই মনে করায় দেওয়া হয়। এই অবস্থা নিশ্চই আপনার কোনদিন হয় নাই। আপনি বুঝবেন না। কিন্তু আমরাও আপনার মতো হেল্প করতে চাই।
১৮. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:১০
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: জাহাপনা,সিপাহসালা ভাল করেই বুঝছে । লাগে রাহো...............
১৯. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:১৯
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: ভাই ফান্ডের জন্য কোন একাউন্ট হয়েছে কি?
দয়া করে বলবেন কি?
তাহলে এই গরীব কিছু টাকা পয়সা দেয়ার চেষ্টা করতাম।
দেশের বাহির(ইউ.এস.এ)থেকে কিভাবে সাহায্য
করবো।
২০. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ৩:২০
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: স্বজনহারা ও সম্পদহারা মানুষগুলোর পাশে দাড়ানোর জন্য হাসান ভাই, মোর্শেদ ভাই, সাফি ভাই, জুয়েল ভাই আরিল ভাই, সামি ভাই, রাহিল ভাই, তালহা ভাইসহ ত্রিভূজ আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
২১. ১৬ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৫:৪৫
comment by: র্দশক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
খুব ভাল একটা দৃষ্টান্ত স্হাপন করলেন। হাকা বকা করে কাজের বেলাই খুব কম পাবলিক পাওয়া যায়। কিপিট আপ!
২২. ১৬ ই জুন, ২০০৭ সকাল ৯:১৩
comment by: jewelosman বলেছেন: ভুড়ির আর দেখছেন কি...এটাতো দুপুরের খাবারের আগের ভুড়ি...খাওয়ার পরেরটা দেখলে বুঝতেন ভুড়ি কাহাকে বলে....আমি ডান পাশের লোক বলছি...@ধুসর গোধূলি
২৩. ১৬ ই জুন, ২০০৭ সকাল ১০:১৬
comment by: না-মানুষ বলেছেন: তার্মানে জুয়েলের ভুড়ির জন্য সুখ্যাতি আছে। ছবিতে দেখে অবশ্য আঁচ পাওয়া যাচ্ছেনা আমি যাইতে পার্লাম না :(
২৪. ১৬ ই জুন, ২০০৭ সকাল ১১:১৮
comment by: মদন বলেছেন: সোনার বাংলা,
সাদিক ভাই পে-প‌্যাল একাউন্ট খুলেছেন। আপনি সেখানে টাকা জমা দিতে পারেন।
২৫. ১৬ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১:৫৭
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: হা হা হা @ জুয়েল ভাই...
ছবিটা খাওয়ার আগে তোলা... এই ছবির আগে সকাল হতে টানা বৃষ্টিতে ভিজে কাদায় ডুবে স্পটগুলোতে গিয়েছিলাম আমরা।


ধন্যবাদ দর্শক। আমাদের আরো সাহায্য দরকার হবে। আশা করি থাকবেন আমাদের সঙ্গে।


আপনাকেও ধন্যবাদ আশরাফ ভাই।


ধন্যবাদ 'স্বপ্নচারী পথিক'। আমরা আর এমন কি করতে পেরেছি। সবাই তাদের সামথ্য অনুযায়ী সাহায্য করলে অনেক বড় কিছু হয়তো করা যেতো। আপনি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যা পারবেন করবেন। কতটুকু করলেন সেটা বড় নয়, করেছেন সেটাই বড়।


দেশ থেকে টাকা পাঠানোর জন্য একাউন্ট করা হবে। জানাবো পরে @ সোনার বাংলা
২৬. ১৬ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ২:৩৭
comment by: আবু সালেহ বলেছেন: ত্রিভুজ...

শুনে খুশি হলাম....আমার নিজেরও খুব ইচ্ছে ছিলো ...কিন্তু সম্ভব হয়নি.....
ব্লগের পক্ষ থেকে যারা এ কাজটি করেছে...তাদের সবাইকে আমার অন্তুর থেকে ধন্যবাদ...

পরবর্তী উদ্যেগ গুলো জানার অপেক্ষায়...

ত্রিভুজ তুমি কি হটমেইলে আসবে....?
২৭. ১৬ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ২:৫৩
comment by: নুর3ডিইডি বলেছেন: দেশ বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর জন্য একাউন্ট করা দরকার। যাদের কার্ড নেই, কিন্তু বিদেশ থেকে টাকা পাঠাতে চান , তারা কিন্তু সাদিক ভাইয়ের পে প্যাল একাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন নি।

ত্রিভুজ ভাই, খুব সুন্দর পরিকল্পনা। আপনাদের সফলতা কামনা করছি। আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২৮. ১৬ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: এখনো অনেক সময় আছে সালেহ। চাইলে সাহায্য করতে পারো। আমরা অনেক দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছি। সুতরাং আমাদের সাথেই থাকো। আর 'ব্লগের পক্ষ থেকে যারা' এর মাঝে তুমি আমি প্রতিটি ব্লগার (যারা অর্থ দিয়ে বা সমর্থন দিয়ে উৎসাহিত করেছে) রয়েছো। ভবিষ্যতেও থাকবে আশা করি।


কিভাবে কি সাহায্য করতে হবে, সেটা আগামী কাল জানতে পারবেন @ নুর ভাই
২৯. ১৬ ই জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২১
comment by: রাজনীতিক বলেছেন: আপনাগো দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাটা জানান। তাইলে আমাগো সুবিধা হয়। কষ্টের জন্য ৫ দিলাম।
৩০. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ৮:১২
comment by: ছটিক মাহমুদ বলেছেন: আপনাদের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
৩১. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ৯:২৭
comment by: নাতাশা হুসাইন বলেছেন: আমি যেতে পারলাম না :(
আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন। আপনার এত ভাল কাজ করছেন। একটা ব্যাংক একাউন্ট হলে আমি চেষ্টা করবো সাহায্য করতে।
৩২. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১০:৩৬
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: পরিকল্পনার কিছু হিন্টস মূল পোষ্টে দেয়া আছে @ রাজনীতিক। তারপরেও আরো বিস্তারিত জানানো হবে...


ধন্যবাদ ছটিক মাহমুদ ও নাতাশা।
৩৩. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১০:৫৮
comment by: হোসেইন বলেছেন: ফ্লেক্সী লোড কিম্বা এস.এম.এসের মাধ্যমে টাকা কালেক্ট করার বুদ্ধিটা একটু চিন্তা কইরেন@ত্রিভুজ।
৩৪. ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:২১
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন: জুয়েল ভাই, গেস করেছিলাম ঐটা আপনে। গেস করেছিলাম এই কারণে কারণ ত্রিভুজের পোস্টের ভেতরের লেখা পড়া হয়নি। ছবিটা দেখেছি কেবল।
খাইশ্যা একটা তরকারী হয় না চট্টগ্রামে! আমি ব্যাপক মজা পাইছিলাম। খাইশ্যা দিয়া রেগুলার খাইলে পেট ঐরম হইবোই, ব্যাপার না!
৩৫. ১৭ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৪:৩৮
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: ফ্লেক্স না করে ব্যাংক একাউন্ট করা বেটার। তাছাড়া টাকা পয়সার ব্যাপার। একটু সাবধান থাকতে হচ্ছে তাই। সুতরাং এমন কিছু করা উচিত, যার সচ্ছতা নিয়ে কারো কোন প্রশ্ন থাকবে না।
৩৬. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:১৪
comment by: ক্রিকেট ফ্যান বলেছেন: আমি যেতে পারলাম না ভাইয়া :(
৩৭. ১৮ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
comment by: আইরিন সুলতানা বলেছেন: ত্রিভূজ, এ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য জানতে চাইছি। আপনারা কি কাপড়, শুকনো খাবার এগুলোও সংগ্রহ করছেন ? আপনাদের উদ্যোগ অসাধারন।
৩৮. ২০ শে জুন, ২০০৭ রাত ৩:২০
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৬ ০১:০১:৪২
ধন্যবাদ বই পাগল ও জ্বিনের বাদশা কে..... বিস্তারিত নিয়ে পরে আসবো। ভাল থাকুন সবাই

ত্রিভুজ বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৬ ১৭:৪৩:৩২
এখনো অনেক সময় আছে সালেহ। চাইলে সাহায্য করতে পারো। আমরা অনেক দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছি। সুতরাং আমাদের সাথেই থাকো। আর 'ব্লগের পক্ষ থেকে যারা' এর মাঝে তুমি আমি প্রতিটি ব্লগার (যারা অর্থ দিয়ে বা সমর্থন দিয়ে উৎসাহিত করেছে) রয়েছো। ভবিষ্যতেও থাকবে আশা করি।

কিভাবে কি সাহায্য করতে হবে, সেটা আগামী কাল জানতে পারবেন @ নুর ভাই


ত্রিভুজ বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৬ ২২:৩৬:৫২
পরিকল্পনার কিছু হিন্টস মূল পোষ্টে দেয়া আছে @ রাজনীতিক। তারপরেও আরো বিস্তারিত জানানো হবে...

ধন্যবাদ ছটিক মাহমুদ ও নাতাশা।


আপডেট কবে জানাবেন ভাইজান ? আগামীকাল কি আর হবে না ? অপেক্ষায় আছি ....




৩৯. ২০ শে জুন, ২০০৭ ভোর ৫:৪৫
comment by: এস্কিমো বলেছেন: এটা তাহলে অপারেশন চিটাগাংএর ভুমিকা পোস্ট!
মূল পোস্টের আশায় বসে থাকবো...
৪০. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:১৭
comment by: সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: ত্রিভুজ, গুড এটেম্প্ট। কীপ ইট আপ। আমি এখন ঢাকায়। চট্টগ্রামে থাকলে ক্যামপেইন-এ যেতে পারতাম। আপডেট জানায়েন।
৪১. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৬
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: গুড জব। আপনাদের কাজ খুবই ভাল হয়েছে। ভাল অনুপ্রেরণা পেলাম।

ব্লগে বেশ অনিয়মিত আছি। কোথায় কি হচ্ছে, ঠাহর করতে একটু সময় লাগছে।
৪২. ২০ শে জুন, ২০০৭ রাত ১১:০৪
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৬ ০১:০১:৪২
ধন্যবাদ বই পাগল ও জ্বিনের বাদশা কে..... বিস্তারিত নিয়ে পরে আসবো। ভাল থাকুন সবাই

ত্রিভুজ বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৬ ১৭:৪৩:৩২
এখনো অনেক সময় আছে সালেহ। চাইলে সাহায্য করতে পারো। আমরা অনেক দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছি। সুতরাং আমাদের সাথেই থাকো। আর 'ব্লগের পক্ষ থেকে যারা' এর মাঝে তুমি আমি প্রতিটি ব্লগার (যারা অর্থ দিয়ে বা সমর্থন দিয়ে উৎসাহিত করেছে) রয়েছো। ভবিষ্যতেও থাকবে আশা করি।

কিভাবে কি সাহায্য করতে হবে, সেটা আগামী কাল জানতে পারবেন @ নুর ভাই


ত্রিভুজ বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৬ ২২:৩৬:৫২
পরিকল্পনার কিছু হিন্টস মূল পোষ্টে দেয়া আছে @ রাজনীতিক। তারপরেও আরো বিস্তারিত জানানো হবে...

ধন্যবাদ ছটিক মাহমুদ ও নাতাশা।


আপডেট কবে জানাবেন ভাইজান ? আগামীকাল কি আর হবে না ? অপেক্ষায় আছি আপডেটের....
৪৩. ২১ শে জুন, ২০০৭ রাত ১:৫৬
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: স.উ.ত, চট্রগ্রাম না গিয়েও আপনি মুন আর ইলা ও বাকীরা যা করেছেন..... মোর দ্যান ইনাফ! তবে সামনে আরো সাহায্য লাগবে.... প্রস্তুত থাকুন।


ধন্যবাদ মাহমুদ ভাই....


আমাদের সাথে আছো... তাতেই চলবে.. @ ক্রিকেট ফ্যান


দু:খিত আইরিন সুলতানা। আমি কয়েকদিন এত ব্যাস্ত ছিলাম যে কারো সাথে যোগাযোগ রাখতে পারিনি। সুতরাং একাউন্টটা কি করা হয়েছে কিনা বলতে পারছি না এই মূহুর্ত্বে.... কাল জানাতে পারবো আশা করি। আর খাদ্য সামগ্রি আপাতত সংগ্রহন করছি না। জামাকাপর দিতে পারেন। তবে আর্থিক সাহায্যই সবচেয়ে ভাল হয়।
ধন্যবাদ......
৪৪. ২১ শে জুন, ২০০৭ রাত ২:২৮
comment by: এক পশলা বৃষ্টি বলেছেন: আমি কি কিছু করি নি?
কি করতে পারি আমি.... (চিন্তিত)

 

 


trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ