আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০০৮ ত্রিভুজ

তুরস্কে হেডস্কার্ফ পরিধানের অনুমতি ও কিছু কথা

০৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

খবর: "বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে হেডস্কার্ফ পরিধানের অনুমতি দিয়ে আইনসভাতে পাস হওয়া একটি আইন বাতিল করে দিয়েছে তুরস্কের সাংবিধানিক আদালত। বৃহস্পতিবার প্রদত্ত রায়ে আদালতের পক্ষ থেকে আইনটিকে তুরস্কের সেক্যুলার আদর্শের বিরোধী হিসাবে আখ্যা দেয়া হয়েছে।"

দু:খজনক ঘটনা! কিন্তু এধরনের ব্যপার এখন বিশ্বজুড়ে ঘটছে। আমরা অসংখ্য ঘটনার কথা জানি যেখানে মহিলাদের হেজাব জোরপূর্বক খুলে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। হেজাব খুলতে অপারগতা প্রকাশ করায় স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। নারী অধিকার, মানবধিকার ইত্যাদির নামে চাপানো হচ্ছে এসব বিষয়। কিন্তু একটি বিষয় আমার কাছে পরিষ্কার নয়। সেটা হলো, যদি কাউকে জোর করে স্কার্ফ পড়ানো মানবধিকার লঙ্ঘন হয়ে থাকে তাহলে কেউ স্কার্ফ পড়তে চাইলে বা হেজাব করতে চাইলে তাকে আইন করে বাধা দেয়াটাও কি মানবধিকার লঙ্ঘন নয়?


মানবধিকারের বিষয়টি বাদ দিলেও চিন্তিত হওয়ার মতো আরো অনেক বিষয় রয়েছে। লক্ষ্য করুন বিষয়টি- তুরস্কের (ধর্মনিরপেক্ষ) আদর্শের বিরোধী হওয়াতে মুসলমানরা চাইলেও স্কার্ফ পড়তে পারবে না। মানে সেক্যুলার আদর্শের বিরোধীদের আইন করে দমন করা হচ্ছে। অথচ ইসলামিক মতাদর্শের সমালোচনা করা হয় যে ইসলামী শাসন কায়েম হলে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্ম পালনে বাধা দেয়া হবে যা অন্যায় (যদিও ইসলাম কখনোই তা করবে না.. অতীতেও করেনি)। অথচ সেই তথাকথিত মানবতার ধ্বজ্জ্বাধারীরাই তাদের বিরোধী মতাদর্শের রীতিনীতিকে আইন করে বন্ধ করছে এবং সেই কালো আইনের পক্ষে গীত গাইছে! এটাকেই সম্ভবত বলে ডাবলস্ট্যান্ডার্ড!

ব্যক্তিগত ভাবে কোন মতবাদের লোকের উপরেই আমার কোন বিদ্বেষ নেই। তবে সেক্যুলারদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। আর রাষ্ট্রিয় পর্যায়ে সেক্যুলাররা ক্ষমতায় যাক, এটা কোনদিনও চাই না। কেন চাই না, সেটার ব্যাখ্যা এই ঘটনায় রয়েছে। একই কারণে রাষ্ট্রিয় পর্যায়ে আইন করে ইসলাম পালনে বাধা দেয়া হয় যে ব্যবস্থায়, সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধেই থাকা উচিত প্রতিটি মুসলমানের অবস্থান।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হেজাবমানবাধিকারইসলামসেক্যুলারধর্মনিরপেক্ষ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: চিন্তা ভাবনাপর্যবেক্ষন  বিভাগে ।

 

  • ২৮ টি মন্তব্য
  • ৪৬৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৫ জনের ভাল লেগেছে, ৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
comment by: সক্রেটিস বলেছেন: আপনি এলাবরেশন করেন বেশি, সে জন্য বুঝতে অসুবিধা হয়। আপনার কথা শুনে মনে হল- স্যকুলার রাস্ট্রে মুসলমানরা দৌড়ের উপর আছে, রাস্তা ঘটে মুসলমান নারী দেখলেই হিজাব খুলে নেওয়া হয়!!!
২. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:২১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:
বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কারণ বুঝলাম না। চোখ খুলে তাকালেই দেখতে পাবেন...

উপরের নিউজটা কি প্রমাণ করে? তুরস্কের ইসলাম বিরোধী আইনগুলো আপনাকে কি ম্যাসেজ দেয়? ফ্রান্সেসহ বেশ কয়েকটি দেশে হেজাব বিরোধী অবস্থান এবং স্বেচ্ছায় হেজাব করতে চায় যারা, তাদের বাধা দেয়া থেকে আপনি কি বুঝতে পারেন?
৩. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
comment by: অবকাশ বলেছেন: ত্রিভুজ আপনার সাথে একমত। তবে সেক্যুলার মানে ইসলাম বিরোধী নয়। এটা আপনার ভুল ধারনা। ধন্যবাদ।
০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন: Secularism বা ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ইসলাম (বা ধর্ম) বিরোধী কি বিরোধী নয়, সেই বিতর্কে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সাদা চোখে তাকান... সেক্যুলার আদর্শের বিরোধী হিসাবে আখ্যা দিয়ে ইসলাম পালনে বাধা দেয়া হচ্ছে দেশে দেশে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আইন করা হচ্ছে। এসব থেকে যা বুঝার বুঝে নিচ্ছে সবাই। সেক্যুলার মানে বুঝতে রকেট সায়েন্টিস্ট হতে হয় না।

৪. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩
comment by: সাইফ সামির বলেছেন:

কম্পিউটার থেকে ঐ লেখাটি সরিয়ে ফেলার জন্য ধন্যবাদ... ভুলবশত পোস্ট হয়েছিল।
৫. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬
comment by: সাইফ সামির বলেছেন: পোস্টের সাথে সহমত! +
৬. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

ধন্যবাদ সাইফ সামির। আপনার পোস্টটা যে ভুলে চলে গিয়েছে, সেটা আমিও বুঝতে পেরেছিলাম। মেইল এড্রেস থাকলে মেইল করে আপনাকেই মুছতে বলতাম।

ভাল থাকুন।
৭. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০৯
comment by: বোধিস্বত্ত বলেছেন: আইন করে স্কার্ফ না পরতে দেয়া হাস্যকর। এটা ধর্মীয় কোন ইস্যু না, এটা মানবাধিকারের ইস্যু।

ইসলাম ধর্ম নিজেই মানবাধিকারের প্রশ্নে ধর্ম নিরপেক্ষ। তাই ধর্ম নিয়ে ত্যানা পেচিয়ে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহের পোষ্টে মাইনাস।
৮. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: আপনার কাছে এটা যাই হোক না কেন, মুসলমানদের কাছে এটা ধর্মীয় ইস্যুই বটে। মানবধিকারের পক্ষে ইসলাম উদার, এটা পুরানো কথা। সেটার সাথে তথাকথিত Secularism বা ধর্মনিরপেক্ষতাকে গুলিয়ে ফেলার চেষ্টা না করাই ভাল।
৯. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২০
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: আরেকটা মজার ব্যপার লক্ষ করুন ত্রিভুজ, তুরস্কের আইনে কামাল আতাতুর্কের নিন্দা করা দন্ডনীয় অপরাধ। কিছুদিন আগে এক প্রফেসরকে কামাল আতাতুর্কে গনতন্ত্রমনা ছিলেন না বললে দন্ডিত করা হয়। আবার অন্যদিকে পশ্চিমারা বাকস্বাধীনতার নামে অহরহ নবীজি সা; নিয়ে ব্যংগ বিদ্রুপ করছে। এই পশ্চিমারাই আবার তুরস্কে কিংবা অন্য কোথাও এই ধরনের মানবধিকার লঙ্ঘন হলে মুখ বুজে থাকে।
০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: সেটাই। যারা বিশ্বব্যপি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যায়, সেই তারাই ফিলিস্তিনের মুক্তিসংগ্রামকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বলে। সন্ত্রাস দমনের নামে দেশের পর দেশ জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। সর্বোচ্চ মানবধিকার লঙ্ঘনকারীদের কাছ থেকে মানবতার সার্টিফিকেট নিতে হচ্ছে। এগুলো তো এখন সবাই জানে....

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১০. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪
comment by: সক্রেটিস বলেছেন: ত্রিভূজ এখানে ভাব্বার কোন কারন নেই যে পশ্চিমা সব সময় ইসলাম কে ল্যাং মারার জন্য বসে আছে। আপনি দেখেন ঢাকাতে আইডিয়াল স্কুলে মাথায় টুপি পরা হল এই স্কুলের ইউনিফর্ম। তেম্নি ফ্রান্সের একটা স্কুলে যদি স্কার্ফ পরা ইউনিফর্ম বহির্ভূত হয় তবে প্রথমেই ক্লাস টিচার সেটা ছাত্রি কে পরতে মানা করবে। কিন্তু এই ইস্যু নিয়া প্রথমেই মৌলবাদীরা চিল্লামাল্লা শুরু করে দেয়। দূতাবাসে হামলা, পন্য বর্জন... ইত্যাদি ইত্যাদি... হাস্যকর সব কান্ড ঘটে।
আর তুরষ্কর ব্যাপারটা সম্পূর্ন ভিন্ন। তারা ই ইঊ তে ঢুকার জন্য “মোর ক্রিশ্চিয়ান দ্যন পোপ” মার্কা অনেক কিছুই করে।
০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ফ্রান্সের বিষয়টা আপনি যেভাবে ব্যাখ্যা করেছেন, বিষয়টি আসলে সেরকম নয়। যে স্কুলে বহুবছর ধরে স্কার্ফ পড়া নিষেধ ছিলো না, সেখানে হটাৎ করে তা নিষিদ্ধ করলে প্রতিবাদ হতেই পারে। তাছাড়া এর পেছনে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত জড়িত ছিলো। এটা বিচ্ছিন্ন কোন স্কুলের ঘটনা ছিলো না।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১১. ০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: যদি কাউকে জোর করে স্কার্ফ পড়ানো মানবধিকার লঙ্ঘন হয়ে থাকে তাহলে কেউ স্কার্ফ পড়তে চাইলে বা হেজাব করতে চাইলে তাকে আইন করে বাধা দেয়াটাও কি মানবধিকার লঙ্ঘন নয়?
কামাল পাশা ও তার প্রবর্তিত তুরষ্ক নিপাত যাক।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: কামাল পাশা ও তার প্রবর্তিত তুরষ্ক নিপাত যাক।

১২. ০৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আমি টিকি রাখবো ||
কি মাথা নেড়ে করে গেরুয়া বসন পড়বো ||
নাকি টুপি দাড়ি রাখবো ||
নাকি কোনো ধর্মই পালন করবো না কি করবো না......... সেইটা পুরোপুরি আমার ব্যপার।
রাস্ট্র সেইখানে বলার কে?
রাস্ট্র দেখবে আমার অধিকার রক্ষিত হচ্ছে কি না এবং আমি অন্যের অধিকারে বাধা দিচ্ছি কি না।
১৩. ০৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১
comment by: আরেফিন রাফি বলেছেন: পোস্টে আপনার কথা গুলো ভালো লাগল। প্রিয়তে সেট করলাম।
১৪. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: দুঃখজনক....

নিন্দা জানাই।।

মানুষকে তার স্বাধীনমত চলতে দেয়া উচিত... এই সহজ কথাটিও কি তারা মানতে চায় না?
১৫. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:২৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: যদি কাউকে জোর করে স্কার্ফ পড়ানো মানবধিকার লঙ্ঘন হয়ে থাকে তাহলে কেউ স্কার্ফ পড়তে চাইলে বা হেজাব করতে চাইলে তাকে আইন করে বাধা দেয়াটাও মানবাধিকার লঙ্ঘন। আর তুরস্ক ই ইঊ তে ঢুকার জন্য “মোর ক্রিশ্চিয়ান দ্যন পোপ” মার্কা অনেক কিছুই করে।
১৬. ০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০০
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আইন করে ধর্মকে রুদ্ধ করা যায় না, উচিতও না।
১৭. ০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:১৬
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: ত্রিভুজের সাথে আমার সব বিষয়ে দ্বিমত থাকলেও এ ব্যাপারে একমত। আইন করে কাউকে হিজাব পড়তে বাধ্য করা যেমন মানবাধিকার লংগন তেমনি আইন করে কাউকে হিজাব পড়া থেকে বিরত থাকাও স্পষ্ট মানবাধিকার লংগন। সমস্যা হচ্ছে যদি আইন করে হিজাব পড়তে বাধ্য করা হয় তখন তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থাগুলো অনেক চেঁচামেচী করবে অথচ আইন করে হিজাব পড়া থেকে বিরত থাকার জন্য বাধ্য করলে তাদের সেরকম কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়না। এটা চরম ভন্ডামী বৈ কিছু নয়।


পোস্টের সেক্যুলার অংশের সাথে দ্বিমত।
১৮. ০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪
comment by: মদন বলেছেন: পোস্টের সাথে একমত
১৯. ০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: তুরস্কের বর্তমান সরকা তো কারো উপর জোর করে হিজাব চাপিয়ে দেয় নি। পার্লামেন্টের ৮০ ভাগ সদস্য হিজাবের পক্ষে সমর্থন দিয়ে একটি অন্যায়ের অপসারণ করেছে। কিন্তু সেক্যৃলার সমর্থিত সাংবিধানিক আদালত সে রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গনতন্ত্রের বিপক্ষেই অবস্থান নিলো।
২০. ০৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১
comment by: আবু সালেহ বলেছেন: সহমত....

গুড পোস্ট....

যদি জোর করে স্কার্ফ পড়ানো মানবধিকার লঙ্ঘন হয়ে থাকে তাহলে কেউ স্কার্ফ পড়তে চাইলে বা হেজাব করতে চাইলে তাকে আইন করে বাধা দেয়াটাও মানবাধিকার লঙ্ঘন।

খুবই দঃখজনক ঘটনা....
২১. ১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:০৬
comment by: প‌্রতিবাদ বলেছেন:

ধন্যবাদ ।
২২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২৭
comment by: মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: লেখক বলেছেন: Secularism বা ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ইসলাম (বা ধর্ম) বিরোধী কি বিরোধী নয়, সেই বিতর্কে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

আমরা এখানেই ভুলটা করি।
Securarism মানে ধর্মনিরপেক্ষতা নয়।

secularism = the belief that religion should not be involved in the organization of society, education, etc.
Oxford Advanced Learners Dictionary, 8th Edition.

Secularism = A doctrine that rejects religion and religious considerations
WordNet. Click This Link


Secularism মানে ধর্মবিরোধিতা (ইসলাম, খ্রিশ্চিয়ান, হিন্দু যা-ই হোক)।
ধর্মনিরপেক্ষতার ইংরেজি হতে পারে Rationalism.

ধর্মনিরপেক্ষতা শিক্ষা দেয় একজন মানুষকে (মুসলিম, খ্রিশ্চিয়ান, হিন্দু যা-ই হোক) তার ধর্ম পালন করতে না দেয়া অন্যায়। একজন মানুষ জন্মগত সুত্রেই অধিকার লাভ করে সে তার জীবন কিভাবে যাপন করবে।

আর ধর্মবিরোধিতা শিক্ষা দেয় একজন মানুষ তার ধর্ম পালন করতে পারবেনা। তুরস্কে যেমন স্কার্ফ পড়তে দেয়া হচ্ছে না। আবার আমাদের কতিপয় Secularist ব্লগার সেটা আনন্দের সাথে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন।
২৩. ২০ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন:

হুমম..
আমি একবার রেটিং দিয়েছি..
২৪. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১২
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
কোরআনে নারীর পেষাক বা পর্দা সম্বন্ধে কি বলা আছে? এখন হেজাবের নামে নারীদেরকে যে পোষাক পড়ানোর জন্যে জোর করানো হয়, তা কি কোরআনে এই ভাবে বলা আছে?

 



 


trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩৪৪৬৮৮