আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০০৮ ত্রিভুজ

কোরআন-এর বিশুদ্ধতা কতটুকু? - (১)

০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

সম্প্রতি ব্লগে কোরআন বিষয়ক বেশ কিছু আলোচনা চোখে পড়েছে। বেশ মনোযোগ দিয়ে পড়া হয়েছে প্রতিটি। নাস্তিকদের খুব প্রচলিত ও অনেক পুরানো ভাঙা রেকর্ড দেখে আশাহত হয়েছি। আশা করেছিলাম নতুন কোন যুক্তি নিয়ে আসতে পারবে কেউ। সেই শত ব্যবহৃত অচল সব তথ্য-যুক্তি নিয়ে আসতে দেখে হতাশই হয়েছি বলা যায়। কারণ এসব যুক্তির জবাব বহুবার বহু জায়গায় দেয়া হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। নতুন করে আমার দেয়ার মত কিছুই রইলো না।

যাই হোক, মূল আলোচনায় চলে আসি। গত কয়েকদিনের এতশত প্রশ্ন ও আলোচনাগুলোর জবাব মাত্র তিন লাইনেই দেয়া সম্ভব। তবুও চেষ্টা করবো এই বিষয়ক আলোচনাটা যতদুর সম্ভব বিস্তৃত করতে।

নাস্তিকদের অর্ধ-শিক্ষিত তথ্য-যুক্তি ও অজ্ঞতার জবাবে যে কথাটুকুই যথেষ্ট তা হচ্ছে, নাস্তিকরা কোরাআনের যেসকল বিকৃতির অভিযোগ তা শুধু একটি কারণেই অবাস্তব। আর তা হচ্ছে হাফেজগণ। কোরআন অবতীর্ন হওয়ার পর থেকেই এত বেশী মানুষ এটিকে আত্মস্থ (হেফ্‌জ) করেছিলেন যে কেউ উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে এর সামান্যতম পরিবর্তন করতে চাইলেও একাধিক ব্যাক্তি তা ধরে ফেলতে সক্ষম ছিলেন। আর কোরআন হেফ্‌জ করা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। রাসুল (সাঃ) এর সময় হতে অদ্যবধি হাজার হাজার কোরআন হাফেজ তৈরি হয়েছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত ক্রমাগত আরো নতুন অনেকে কোরআনে হাফেজ হবেন। ইসলামে কোরআনে হাফেজ্‌'দের বিশেষ সম্মানের চোখে দেখা হয়।

এই বিষয়ে প্রখ্যাত খ্রিস্টান প্রাচ্যবিদ স্যার উইলিয়াম ম্যুর-এর 'হায়াত-ই-মুহাম্মদ' গ্রন্থ থেকে কিছু অংশ কোট করা যেতে পারে। উল্লেখ্য এই উইলিয়াম ম্যুর ছিলেন এমন এক ব্যাক্তি যিনি পারলে সারা বিশ্ববাসীর গলায় শূলচিহ্ন (ক্রস) ঝুলিয়ে দিতেন। তিনি ইসলাম ও ইসলামের নবীর বিরুদ্ধে সমালোচনার উপকরণ উদ্ভাবন প্রচেষ্টা কখনো পরিত্যাগ করেননি। তা সত্বেও তিনি লিখেছেন:
"নামাযে তেলাওয়াতের প্রয়োজনে প্রাথমিক যুগের প্রতিটি মুসলমান (পবিত্র) কোরআনের কিছু না কিছু অংশ মুখস্ত করে নিত। এটাকে তারা নিজেদের জীবনের চাইতে মূল্যবান সম্পদ বলে মনে করত। প্রাক্‌-ইসলামী যুগ থেকেই আরবরা কবিতা, বংশ-তালিকা ও বিভিন্ন ঘটনা বর্ণনা মুখস্থ করায় অভ্যস্থ্ ছিল। এই অভ্যাস তাদের (পবিত্র) কোরআন মুখস্থ করা আরো সহজ করে দিয়েছিলো।...."

"...পবিত্র কোরআনের আয়াতগুলো ও সেসবের শানে নযুল তারা এমনভাবে মুখস্থ করেছিল যে, সেগুলো তারা ইচ্ছা করলেই পুনরাবৃত্তি করতে পারত।...."

"....তা ছাড়া, প্রাক্‌-নবুয়ত যুগে মক্কাবাসীদের লেখা-পড়া জানার ব্যাপারটিও প্রমাণিত সত্য। বদর যুদ্ধে মক্কার বন্দীদের মধ্যে কিছু লোক মুক্তিপণ আদায়ে অসমর্থ ছিল। কিন্তু তারা লেখা-পড়া জানত। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এ ধরনের বন্দীদের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তাতে নির্দিষ্ট সংখ্যক মুসলমানদের লেখা-পড়া শিখানোর বিনিময়ে বন্দীদের মুক্তিদানের কথা বলা হয়। চুক্তিটি যথাযথভাবে কার্যকর করা হয়। অসংখ্য মুসলমান অমুসলিম যুদ্ধবন্দীদের নিকট লেখাপড়া করে। মদীনাবাসীদের অধিকাংশ যদিও ইসলাম ধর্ম গ্রহণের আগেই লিখতে-পড়তে জানত, কিন্তু তাহযীব-তামাদ্দুনের দিক দিয়ে তারা মক্কাবাসীদের অনেক পেছনে ছিলো।.."

"...এ ব্যাপারটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, পবিত্র কোরআনের যেসব সূরা ও আয়াত মুসলামনদের কণ্ঠস্থ ছিল, সেগুলো লিখিতভাবেও সংরক্ষণ করা হতো।..."

এই বিষয়ে ড. মরিস বুকাইলি তাঁর 'The Bible, The Qur'an and Science' গ্রন্থে লিখেছেন-
"আসমানী কিতাবসমূহের মধ্যে সঠিকত্ব ও বিশুদ্ধতার দিক থেকে কোরআনের মর্যাদা অনন্য। বাইবেলের পুরাতন নিয়ম ও নতুন নিয়মের কোন পুস্তকই এরুপ মর্যাদার হকদার নয়। এজন্য কোরআন অবশ্যই প্রশংসার দাবীদার।..."

বাইবেল, কোরআন ও হাদীস সম্পর্কিত আলোচনার এক পর্যায়ে তাঁর লেখা আরো কিছু অংশ কোট করি-
"..কোরআন সংকলনের ব্যাপারটা ছিল কিন্তু এর সম্পূর্ণ বিপরীত। ঐশীবাণীসমূহ ক্রমান্বয়ে অবতীর্ণ হচ্ছিল, আর মোহাম্মদ (সাঃ) নিজে এবং তাঁর সাহাবী ও অনুসারীবৃন্দ অবতীর্ণ ঐশীবাণীসমূহ ধারাবাহিকভাবে মুখস্থ (হেফ্‌জ) করে নিচ্ছিলেন। শুধু তাই না, অবতীর্ণ বাণীসমূহ সঙ্গে সঙ্গে লিপিকারদের দ্বারা লিখে রাখাও হচ্ছিল। এভাবে গোড়া থেকে কোরআনের সঠিকত্বের দু'টি ধারা একই সঙ্গে চালু থেকেছে।.."

...(চলবে)...

(লেখার আকৃতি ছোট রাখা এবং সংশ্লিষ্ট গ্রন্থগুলো আরেকবার রিভিশন দেয়া জন্য সময় বের করার জন্য একটু সময় নিয়ে খন্ড খন্ড আকারে অনেকগুলো পর্ব আসবে। পরের পর্বে বিভিন্ন সময়ে কোরআন সংরক্ষনের বিভিন্ন ইতিহাস নিয়ে আলোচনা হবে। সবগুলো পর্ব লিখে একবারে পোস্ট করার ইচ্ছে রইলো।)

--

যেসকল গ্রন্থের সাহায্য নেয়া হচ্ছে-
১) The Bible, The Qur'an and Science - Dr. Maurice Bucaille
২) Al-Quran the Ultimate Miracle - Ahmed Deedat, Durban
৩) Hans Wehr Arabic English Dictionary - J.M Cowan
৪) Arabic English Dictionary - F. Steingass
৫) কোরআন শব্দের অদ্যাক্ষর ক্কাফ - ড. রশীদ খলিফা মিশরী (অনুবাদ, জনাব ফরিদ উদ্দিন মাসউদ)
৬) কোরআন নির্দেশিকা - আবদুল মতীন জালালাবাদী
৭) আল-কোরআন দ্য চ্যালেঞ্জ - মেজর কাজী জাহান মিয়া
৮) The Life of Hazrat Muhammad (sm) - Dr. Muhammad Hossain Haikal
৯) হায়াত-ই-মুহাম্মদ - স্যার উইলিয়াম ম্যুর
১০) দ্য স্পিরিট অব ইসলাম - সৈয়দ আমীর আলী

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আল কোরআনশুদ্ধতার প্রমাণ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ধর্ম ও জীবন  বিভাগে ।

 

  • ১০৮ টি মন্তব্য
  • ১২০২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫১ জনের ভাল লেগেছে, ২০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
comment by: শফিকুল বলেছেন: আমি আপনার কাছে অনেক কিছু জানলাম।

আপনাকে ধন্যবাধ।

কিছু জিনিষ আছে যা টাকা দিয়ে কেনা যায় না।
২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:


ধন্যবাদ শফিকুল। ভাল হবে যদি আপনারা আরো কিছু রেফারেন্সের তালিকা দিতে পারেন। আমার ব্যাক্তিগত লাইব্রেরীতে অনেকই বই-ই নেই। ইন্টারনেটের তথ্যের উপর আমার বিশেষ ভরসা না থাকাও ওখান থেকে বেশী কিছু নিতে পারছি না।


@দিশাহারা ওমর সোলাইমান এবং হাসিব মাহমুদ
চুপিচুপি মাইনাস দিয়ে গেলেন কেন? আপনাদের দেয়া প্রতিটি মাইনাস আপনাদের অসহায়ত্বের ইন্ডিকেটর হিসেবে এই পোস্টের নিচে জ্বল জ্বল করবে। যুক্তি প্রদানে অক্ষমরা মাইনাস দিয়ে দায়িত্ব পালন করে যেতে পারেন... তাতে সত্য মিথ্যা হয়ে যাবে না।


৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
comment by: নাজমুল। বলেছেন: আপনাকে আনেক ধন্যবাদ। চালিয়ে যান। আমারও পোস্ট আসবে ইনশাল্লাহ। পোস্ট সুন্দর হয়েছে। +
৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
comment by: রাজামশাই বলেছেন: পড়লাম
৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭
comment by: দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন: @দিশাহারা ওমর সোলাইমান এবং হাসিব মাহমুদ
চুপিচুপি মাইনাস দিয়ে গেলেন কেন? আপনাদের দেয়া প্রতিটি মাইনাস আপনাদের অসহায়ত্বের ইন্ডিকেটর হিসেবে এই পোস্টের নিচে জ্বল জ্বল করবে। যুক্তি প্রদানে অক্ষমরা মাইনাস দিয়ে দায়িত্ব পালন করে যেতে পারেন... তাতে সত্য মিথ্যা হয়ে যাবে না।

----------------------------

হাহাপগে।
ব্যান করিয়া রাখিয়া কমেন্ট করিয়া আবার ব্যানমুক্ত করিয়া তুমি ছাগুরাম নামের যথার্থতা প্রমান করিয়া দিলা।
৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

@নাজমুল।
আপনার পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম।

ধন্যবাদ @রাজামশাই

@দিশাহারা ওমর সোলাইমান
এখন তো ব্যানমুক্ত আছেন.. এবার আপনার মাইনাস দেয়ার কারণ দর্শাতে পারেন।

৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
comment by: িদদারুল আলম বাননা বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিভুজ ভাই।
কিছু শিখতে পারলাম,জানতে পারলাম।

Eid mubarak! How are you?
Wish you have a wonderful, memorable, enjoyable and happy eid day.
Enjoy your eid day with your friends & family.
Take care.
Allah hafez.
৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:
এটা ভূমিকা পর্ব টাইপ ছিলো। মূল লেখাগুলো পরবর্তী পর্বে পাবেন ইনশাল্লাহ। সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন....

আপনাকেও ঈদের শুভেচ্ছা... ভাল থাকুন।

৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৪
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: ঈদের উপলক্ষে প্রচুর ছাগমাংস রান্না করছি । ফ্রিজে আর যায়গা নাই । এই কারনে এই পুস্টে কিছু কৈ নাই ।
১০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
comment by: আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: কোরআনে ১৯ সংখ্যার তাৎপর্য নিয়ে যদি কোনো পোস্ট/ ইন্টারনেট তথ্য থাকে জানারে খুশি হব।
------------
এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ
১১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০
comment by: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: তথ্য ও তত্ত্ববহুল।
সম্পূর্ণটা জলদি লিখে ফেলা হোক ব্রাদার।
১২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

@আহমেদ হেলাল ছোটন
১৯ সংখ্যার তাৎপর্য বিষয়ক বিস্তারিত লিখার ইচ্ছে রইলো...


@নাহিদ মাহমুদ
ধন্যবাদ। অপেক্ষায় থাকো... তোমার কাছ থেকে এধরনের একটি লেখা আশা করছিলাম... সময় থাকলে লিখে ফেলো। আমি ঈদের ছুটিটাকে এই বিষয়ক আরো স্টাডির জন্য কাজে লাগাচ্ছি....

১৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫
comment by: -নকশী- বলেছেন: +...
১৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯
comment by: ফারিহান মাহমুদ বলেছেন: Plz continue. Don't worry about getting minus.............ignore it.
১৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮
comment by: নরকের পাপী বলেছেন: ভালো লেখা ত্রিভুজ। কিছুদিন আগে টেম্পারিং করা কোরানের কিছু ইমেজ ফাইল নিয়ে একটা পোস্ট দেখছিলাম। হাস্যকর।
আর আপনার রেফারেন্স কিংবা ব্যাখ্যা মরিসের মইদ্ধে সীমাবদ্ধ রাইখেন না। মরিস ই সব কিছুর মানদন্ড না।
১৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩
comment by: জাতেমাতাল বলেছেন: জনাব ত্রিভুজ- সালাম নিবেন। পবিত্র কোরান শরীফের বিশুদ্ধতা রক্ষার আপনার কোশেশ নজরে পড়লো। সেই সাথে নজরে পড়লো আপনার মতের বিরুদ্ধতাকারীদের মন্তব্য সমুহ।আপনার সাথে এই বিরুদ্ধমতাবলম্বীদের পুরানো জানী দুষমনি আছে, বোঝাই যাচ্ছে- ফলে এই বিরোধিতা কতটা আপনার যুক্তির বিরোধিতা, কতটা ব্যক্তি হিসাবে আপনার বিরোধিতা তা প্রশ্ন সাপেক্ষ। আপনি সবে মাত্র প্রথম কিস্তি লিখেছেন-- সামনে আরো বেশ কিছু কিস্তি আসছে- অনুমান করি অনুসঙ্গ হিসাবে খিস্তিও বেশ পরিমান আসবে। সঙ্গত কারনে আমার দুশ্চিন্তা কিস্তির বিপরীতের খিস্তিগুলো নিয়ে।

বিষয়টা মোটেও রসিকতার নয়- আগামী কয়েকদিন আপনি এবং আপনার প্রতিপক্ষ ব্লগে খিস্তি খেউড়ের বন্যা বইয়ে দিবেন বলেই মনে হচ্ছে- এবং এই সব কাদা ছোড়াছুড়ির মধ্যে পবিত্র কোরান শরীফের বিশুদ্ধতা রক্ষার কাজটি কতটুকু রক্ষিত হবে তা আমার মত একজন আম জনতা, যার কাছে পবিত্র কোরান শরীফের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন সন্দেহ বা প্রশ্ন নেই- বড়ই সঙ্কিত বোধ করছি।
১৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:


@-নকশী-
থ্যাংকস...


@ফারিহান মাহমুদ
i don't care about plus/minus...

@নরকের পাপী
মরিসের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তবে যেহেতু আলোচনাটা নাস্তিকদের সাথে সেহেতু হাদীস/কোরআনের রেফারেন্স ব্যবহার কম করার চেষ্টা করবো।


@জাতেমাতাল
প্রথমত পবিত্র কোরআন শরীফের বিশুদ্ধতা রক্ষার দায়িত্ব আল্লাহ নিজের হাতেই নিয়ে নিয়েছেন। এই বিশাল দায়িত্ব আমাকে নিতে হচ্ছে না। আমার ভূমিকা এখানে খুবই নগন্য.. অজ্ঞতা ও হীনমন্যতার দরুন যারা কোরআন নিয়ে বুঝে না বুঝে যাচ্ছে তাই বলে যাচ্ছে তাদের সামনে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এতে তাদের হেদায়াত হওয়ার সম্ভবনা যদিও খুবই ক্ষীন তথাপিও দুর্বল ঈমানের মুসলিম (যারা তাদের এইসব অর্ধ-শিক্ষিত বুলি দেখে বিভ্রান্ত)-দের জন্য লিখা উচিত বলে মনে করছি।

আর কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষীর খিস্তিতে কোরাআন শরীফের বিশুদ্ধতা রক্ষার কাজ ব্যাহত হবে এমনটা মনে করার কোন কারণ নেই। এদের এসব খিস্তি-খেউরে কিছু যায় আসে না। ইসলাম বিরোধীরা সেই রাসুল (সাঃ) এর সময় থেকেই খিস্তি-খেউর করে আসছে... এটা নতুন কিছু নয়।

১৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
comment by: ড্রিমক্যাচার বলেছেন:

এডাল্ট ওয়েবসাইটের মডারেটারের ইসলাম নিয়া ভন্ডামীরে মাইনাস দিলাম।
১৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯
comment by: রাঙা মীয়া বলেছেন: জাতেমাতাল সহমত।
আমি জানি সংকলনের সময়ে কুরআনের কিছু গুরূত্বপূর্ণ অংশের আয়াত পরিবর্তন ও উদ্দেশ্যমূলক সংযোজন হয়েছে।অবশ্য উদ্দেশ্য ছিলো ভালো ।ইসলামকে আল্লাহর ভাষায় একমাত্র দ্বীণ ঘোষনা ও জীবন বিধানের মত গুরূত্বপূর্ণ অংশ সংযোজনের মাধ্যমে ইসলামের প্রকৃত চেহারা কে আড়াল করা হয়েছে।অবশ্য এর কারনে ইসলামের সুদূর প্রসারী প্রসার হয়েছে।
এ বিষয়ে তর্ক করার ইচ্ছা নেই।কিছু প্রমান করতেও চাচ্ছি না।কুরআনে বিশ্বাস রাখি । ইসলামকে পছন্দ করি না তার সেচ্ছাচারমূলক দম্ভের কারণে।
২০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

@রাঙা মীয়া
পবিত্র কোরআনের কোন আয়াত বা তার অংশ বিশেষ পরিবর্তন বা উদ্দেশ্যমূলক সংযোজন ঘটানো হয়নি। এই বিষয়ে আপনি পুরোপুরিই ভুল জানেন। আপনার জানার পক্ষে রেফারেন্স দিলে ভাল হতো।

পবিত্র কোরআন যখন নাজিল হয় তখন নিয়মিত তা সাহাবীদের শুনানো হতে। সেখানে সবাই সেটা মুখস্ত করতো এবং লিপিবদ্ধ করতো। এই প্রক্রিয়ার ভেতরে একদিন একটি শব্দ আরব ব্যাকরনের রীতিতে মিল না খাওয়া নিয়ে সাহাবীরা শব্দটি পরিবর্তন করতে চেয়েছিলো। রাসুল (সাঃ) সেই পরিবর্তন করতে নিশেষ করে হুবহু যা নাজিল হয়েছিলো তাই হেফ্‌জ ও লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

পবিত্র কোরআন নাজিলের পাশাপাশি প্রায়ই রাসুল (সাঃ) জিব্রাইলকে পুরো কোরআন তেলওয়াত করে শুনাতেন কোন প্রকার বিচ্যুতি আছে কিনা বের করার জন্য। সুতরাং কোন ভাবেই এটা পরিবর্তনযোগ্য ছিলো না।
২১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
comment by: প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: ব্লগে ইদানিং দেখছি নতুন নতুন নিক নিয়ে নাস্তিকদের আগমন গঠছে এবং উস্কানীমুলক লেখা লিখছে ।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, সামহোয়ার কতৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপই নিচ্ছে না।
২২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০
comment by: বিবিধ বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি চাচ্ছিলাম এরকম কেউ লেখুক। বাকী পর্বগুলো দ্রুত লিখে ফেলুন।
২৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:


@প্রবাস কন্ঠ
লিখতে দিন। এধরনের উস্কানীমুলক লেখার প্রয়োজনীয়ত রয়েছে। যেটা তাদের মনে রয়েছে সেটা প্রকাশিত হয়ে যাওয়াই ভাল। তাতে সেটার দুর্বলতাটা তাদের জানিয়ে দেয়ার একটা পথ তৈরি হয়। এরকম কিছু উস্কানীমুলক লেখার জবাবেই কিন্তু ব্লগে কোরআন-এর ইতিহাস ও বিশেষত্ব নিয়ে বেশ ভাল কিছু পোস্ট এসেছে, আসবে। আপনি আমি এরকম উস্কানীমুলক লেখা পড়েই বহুদিন আগে পড়া কোন বই নিয়ে আবার বসে পরি... নতুন করে ঝালাই হয় অনেক পুরাতন জ্ঞান।

এভাবেই হয়তো আল্লাহ কোরআনের মহিমা প্রকাশ করছেন... আমি এদের উস্কানীমুলক লেখা ব্যান করার পক্ষে নই।


@বিবিধ
ধন্যবাদ... চেষ্টা করছি। বেশ কিছু বিষয় ভুলে গিয়েছি.. সুতরাং স্টাডি করতে হচ্ছে... দোয়া রাখবেন।

২৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

*** কোরআন বিষয়ক আলোচনায় গালাগালি ও নোংরা অসত্য বক্তব্য দেয়ার কারণে ব্লগার 'রহমান হেনরী' কে ব্যান করা হলো। (মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে।

২৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮
comment by: জাতেমাতাল বলেছেন: পবিত্র কোরআন শরীফের বিশুদ্ধতা রক্ষার দায়ীত্ব যে আল্লাহ নিজের হাতেই নিয়ে নিয়েছেন তার প্রতি আমাদের ঈমান দৃঢ়তর করলেই কিন্ত ঝামেলা অনেক কমে যায়।কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষীর খিস্তিতে কোরআন শরীফের বিশুদ্ধতা রক্ষার কাজ ব্যাহত হবে এমনটা মনে করার আসলেই কোন কারণ নেই। আমিও আপনার সাথে একমত।ইসলাম বিরোধীরা সেই রাসুল (সাঃ) এর সময় থেকেই খিস্তি-খেউর করে আসছে... এটা নতুন কিছু নয়। সেই সাথে এটাও খেয়াল করেন আমদের রাসুল (সাঃ) তার নবুয়ত প্রাপ্তি থেকে শুরু করে কোরান নাজেল হওয়া পর্যন্ত সব কিছুতেই জোর দিয়েছেন ঈমানের ওপর। তথ্য প্রমান দেখে তো কেউ ইসলাম কবুল করেন নি।

আপনি আপনার মন্তব্য ব্লগে দিয়েছেন- এখন সা ইন টা যেহেতু আওয়ামী লীগ বা বিএনপি’র প্রেসিডিয়ামের সভা নয় আর আপনিও যেহেতু সম্মানিত হাসিনা বা খালেদা নন সঙ্গত কারনে আপনি যা বলবেন তাই কন্ঠ ভোটে পাস হয়ে যাবে পরিস্থিতিও তেমন নয়। বিভিন্ন কর্ণার থেকে আপনার মতের বিরুদ্ধ মত আসতেই পারে- ব্লগে সবাই নিজ নিজ মতামত দিবে এটাই তো স্বাভাবিক- তার কিছু আপনার পছন্দ হবে, কিছু অপছন্দ হবে। তো অপছন্দের মত পোষনকারীদের আপনি যদি ব্লক করে রাখেন তো বিরুদ্ধ মত শোনার জন্য আপনি মানসিক ভাবে প্রস্তুত সেটা তো আপনি প্রমান করতে পারছেন না। অথচ সামাজিক একটা বির্তক আপনি শুরু করতে যাচ্ছেন!!

আল্লার রহমতের ওপর আস্থা রাখেন- আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি কিন্ত অতি বড় নাস্তিকেরও রুটি রুজি বা তার নিঃশ্বাসের বরাদ্দ বাতাস টুকু বন্ধ করেন না, কিন্ত আখেরাতে তার বিচার করেন। আল্লার এই বিচারের প্রতি ঈমান আনাটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে উচিত কাজ হবে। আল্লাহ আমাদের শুভ বুদ্ধি দেন- সুম্মা আমিন।
২৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:


@জাতেমাতাল
না বুঝে না জেনে এতগুলো কতা বলে ফেলা কি ঠিক হলো? বেশ কয়েক বছরইতো হলো ব্লগিং করছি। বিরুদ্ধমতকে ব্লক করে রাখার অভিযোগ এই দীর্ঘ সময়ে কেউ আমার নামে করতে পারেনি... মন্তব্যটা করার আগে গত দুই বছর সাত মাসে করা পোস্টগুলো দেখতে পারতেন।

২৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: পোস্ট টি সুন্দর।

২৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬
comment by: অ্যালন বলেছেন:

ভাল পোষ্ট..বাকী পর্বগুলো দ্রুত লিখে ফেলুন ..

+
২৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৯
comment by: ফালতু মিয়া বলেছেন: Go Ahed, No fear no hasitation.
৩০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: বাকী পর্বগুলোর জন্য অপেকক্ষায় রইলাম
৩১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫১
comment by: এক্সবিজনেস বলেছেন: নতুনত্ব নেই ।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: বিতর্কটাই পুরানো.. এই বিষয়ে যাদের স্টাডি আছে, তাদের কাছেও নতুনত্ব নেই.. আমার নিজের কাছেই নেই। পোস্টেই বলেছি একবার....

৩২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০২
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: মাইনাস দিয়ে শুরু করছি........

বিজ্ঞান ও ইসলাম সংক্রান্ত আপনার পোস্টের জবাবে আমার আলোচনার কোন জবাব দেননি- ফলে, এবারো আপনি আমার কথাকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারেন ধরে নিয়েও কিছু আলোচনা করছি- সাধারণ ব্লগারদের উদ্দেশ্যে।

১। যেহেতু এখনো এই পোস্টে তেমন কোন যুক্তি আনেন নি কোরআনের বিশুদ্ধতার ব্যাপারে, সেহেতু ধরে ধরে আলোচনা করলাম না, পরবর্তী পোস্টগুলোর জন্য অপেক্ষায় থাকলাম। তবে আমার সর্বশেষ পোস্ট বা কুম্ভকর্ণের পোস্টে আমার আর সাহোশি৬ এর আলোচনার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য/যুক্তি আশা করছি। আমার পোস্টের লিংকঃ Click This Link

২। আপনার তথ্যসূত্রে রাশাদ খলীফার নাম দেখলাম। এবং কোরআনের ম্যাথমেটিকল মিরাকল বা ১৯ তত্ত নিয়েও আপনাকে কথা বলতে দেখলাম। ১৯ তত্তের জনক রাশাদ খলীফা সম্পর্কে আমার একটি প্রবন্ধের অংশ বিশেষ এখানে তুলে দিচ্ছি, আপনার এবং অন্যদের কাজে লাগতে পারে বিবেচনায়.......


"রাশাদ খালীফাঃ
তিনি মূলত একজন বায়োকেমিস্ট ছিলেন। মিশরে জন্ম হলেও ১৯৫৯ সালে আমেরিকায় বায়োকেমিস্ট্রিতে পিএইচডি করতে যান এবং সেখানেই থেকে যান। তিনি ইউনাইটেড সাবমিটার ইন্টারন্যাশনাল (USI) নামে গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন, যারা নিজেদেরকে প্রকৃত ইসলামের অনুসারী বলে দাবী করতো। এই গ্রুপ কখনো ইসলাম শব্দ ব্যবহার করেনি, বদলে ব্যবহার করে সাবমিশন এবং মুসলিমের বদলে ব্যবহার করে সাবমিটার। (6)

ম্যাথমেটিকল মিরাকল অব কোরআন এর জনকঃ

রাশাদ খলীফা ১৯৭৪ সালে তার বিখ্যাত ম্যাথমেটিকল মিরাকল অব কোরআন প্রকাশ করেন। এই তত্ত্বের মূলে আছে একটি সংখ্যা ১৯। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এ আছে ১৯ টি অক্ষর, মোট সুরার সংখ্যা ১১৪ যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য, আয়াতের সংখ্যা ৬৩৪৬ যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য, মোট অক্ষর ১৬২১৪৬ যাও ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। এমন আরো বিশাল একটি তালিকা তিনি বের করেন, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য বা কোন না কোন ভাবে ১৯ এর সাথে সম্পর্কযুক্ত। (7)

কোরআনের বাইরেও প্রাকৃতিক বিভিন্ন ঘটনার মধ্যেও তিনি ১৯ কে নিয়ে আসেন (যেমন হ্যালির ধুমকেতু ৭৬ বছর (১৯*৪) পর পর আবির্ভুত হয়)।

রাশাদ খলীফার মতে এই ১৯ এর ব্যাপারটি কোরআনের ৭৪ নম্বর সুরাতেই বিদ্যমান।
কোরআন ৭৪:৩০: তার উপরে রয়েছে "ঊনিশ"।

আল্লাহর ম্যাসেঞ্জারঃ

এরপরে তিনি নিজেকে আল্লাহর ম্যাসেঞ্জার হিসাবে দাবি করেন। (8)। তিনি কোরআনের ৩:৮১ কে নিজের মত করে অনুবাদ ও তাফসীর করে জানান যে, প্রোফেট বা রাসুল হলেন তারা যারা আল্লাহর ওহী প্রাপ্ত হন, এবং ম্যাসেঞ্জার হলো তিনি যিনি রাসুলের প্রতি নাযিলকৃত ওহীকে যথার্থতা প্রদান করবেন। তিনিই কোরআনকে তার প্রকৃত রূপে সকলের সামনে তুলে ধরেছেন বিধায় তিনি সেই ম্যাসেঞ্জার।

একইভাবে সুরা আত তাকবীরে (৮১:১৯-২৪) তিনি তাঁর বিখ্যাত ১৯ তত্ত্ব দিয়ে দেখিয়েছেন যে সেখানে যে ম্যাসেঞ্জারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি আর কেউ নন, রাশাদ খলীফা নিজেই। (সুরা আত-তাকবীরের সুরা নাম্বার, আয়াত সংখ্যা, 'রাশাদ' ও 'খলীফা' শব্দদুটির gematrical value যোগ করলে হয় ১৩৩০, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। সুতরাং এই সুরায় উল্লেখিত ম্যাসেঞ্জার আর কেউ নন, রাশাদ খলীফা!!)। এবং তার অনুবাদে তিনি ২২ নং আয়াতে "সে" এর পাশে ব্রাকেটে "রাশাদ" যুক্ত করেও দিয়েছেন!
81:22: Your friend (Rashad) is not crazy. (9)

এবারে আবার ম্যাথমেটিকল মিরাকল দিয়ে প্রমাণ করে দেন যে তিনিই সেই ম্যাসেঞ্জার। তিনি এই আবিষ্কার জানান ১৯৭৪ সালে। এই ১৯ এর অলৌকিকত্ব বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে ৭৪ নম্বর সুরায়, তিনি এই আবিষ্কার করেন ১৯৭৪ সালে। এই বছরটি হলো হিজরী ১৪০৬। ১৪০৬ = ১৯*৭৪। অতএব, তিনিই আল্লাহর ম্যাসেঞ্জার। (10)

কোরআনকে যথার্থতা প্রদানঃ

আজকের মোটামুটি যে গোটা দুনিয়ায় মোটামুটি একই ধরণের আদর্শ ক