আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০১০ ত্রিভুজ

জেনে বা না জেনেই হোক, ইসরায়েলী হামলায় কেন অংশগ্রহন করছেন?

০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

প্রচন্ড ক্ষোভ আর অক্ষমতা নিয়ে গতকাল প্রথম আলো ব্লগে 'পৃথিবীর সভ্যতা আসলে কতদূর এগিয়েছে?' ও 'রোড মার্চ টু ইসরায়েল : টার্গেট ওয়ান মিলিয়ন' শিরোনামে দু'টো পোস্ট করে ছিলাম। খুব একা আর অক্ষম মনে হচ্ছিলো। লং মার্চ করার উদ্দেশ্যে করা গ্রুপটায় দেখলাম মূহুর্তেই লোকজন যোগ দিতে শুরু করছে। কয়েক ঘন্টার ভেতরে সেটা শতক পেরিয়ে পরবর্তী শতকের কাছে চলে গেল। প্রতি মূহুর্তেই কেউ না কেউ যুক্ত হচ্ছেন লং মার্চের মিছিলে। STOP GENOCIDE in PALESTINE নামের আরেকটা গ্রুপে দেখলাম ৭০ হাজারের অধিক যোগ দিয়েছেন। সেখানেও প্রতিমূহুর্তে সদস্য সংখ্যা বেড়েই চলেছে। জেনে ভাল লাগলো যে এই গ্রুপটাও বাংলাদশ থেকে করা। বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবহারকারীর সংখ্যা তেমন বেশী নয়। এদের প্রায় সবাই-ই ইসরায়েলের এই বর্বর হামলার প্রতিবাদ করার জন্য প্রস্তুত জেনে মনে শক্তি পাই। এত স্বল্পসংখ্যক লোক মিলেও আমরা এরকম জনমত তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারছি দেখে বেশ ভাল লাগলো। ভাল লাগাটা মিইয়ে যেতে বেশীক্ষন লাগলো না। কী হবে এগুলো করে? লং মার্চে যাওয়ার পথটা এত সোজা না। বেশ কিছুদিন আগে অনলাইন থেকে এরকম আরেকটি প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পর আমাদের বন্ধুরা যখন জর্ডান থেকে রওনা দিয়েছিলো ইসরায়েল অভিমুখে তখন জর্ডন সরকার তাদের থামিয়ে দিয়েছিলো। এবারের পরিকল্পনাটা তাই অনেক ভেবে করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিষয়টা ছড়িয়ে নির্দিষ্ট কোন স্থানে সবাইকে জড়ো করতে হব। সেই সংখ্যাটা কমপক্ষে কয়েক লাখ না হলে দেশগুলোর সরকারী চাপের কাছে আবারো নতি স্বীকার করতে হবে। যাই হোক, এটা সময় সাপেক্ষ বিষয়। সময় নিয়ে সবাই ভেবে বের করতে হবে...

লং মার্চের পরিকল্পনা করতে গিয়ে আরেকটি বিষয় মাথায় আসলো। অনেকেই এখন যাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তাদের ভেতরে কতজনের পক্ষে আসলেই এরকম একটি লং মার্চে যাওয়া সম্ভব? বিকল্প হিসেবে আমরা দেশের ভেতরেই একটা লং মার্চের আয়োজন করতে পারি। কিন্তু সেই প্রতিকী প্রতিবাদের ইফেক্ট কতটুকু? পুরো বিশ্ব জুড়েই দশকের পর দশক ধরে এই বিষয়টি নিয়ে এরকম হাজার হাজার কর্মসূচী হয়ে আসছে। তাতে মিডিয়া কাভার ও ইস্যুটির গুরুত্ব বাড়া ছাড়া তেমন বাস্তব আর কী লাভ হয়েছে? এসব ভেবে বেশ হতাশ লাগছিলো.. আসলে আমরা কতটুকু করতে পারি?

চরম হতাশা আর অক্ষমতা নিয়ে ফেসবুকের গ্রুপগুলো ঘেঁটে দেখছিলাম। সেখানেই হঠাৎ Boycott Israel শিরোনামে একটা লিংক পেলাম। পুরো পেজটা পড়ে আৎকে উঠলাম.... কী করছি আমরা?


ভেবে দেখেছেন কী?
- আমরা যে কোমল পানীয় হিসেবে কোক বা পেপসি খাচ্ছি সেগুলোর লাভের টাকায় কেনা বুলেটগুলো কাদের বিদ্ধ করছে?
- আমরা যে নকিয়া সেট ব্যবহার করছি সেটার লাভের টাকায় তৈরি যোগাযোগ নেটওয়ার্কে
- আমরা যে পিসিতে ইন্টেল প্রসেসর ও আইবিএম পিসি ব্যবহার করছি এর থেকে লাভের টাকায় তৈরি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর মিডিয়া মুসলিমদের বিরু্দ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে?
- আমরা বাচ্চাদের যে Nestle-র প্রোডাক্ট খাওয়াচ্ছি সেগুলোর লাভের টাকা প্যালেস্টাইনে আরেকজন শিশুকে খুন করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে!
- মজা করে যে ম্যাগি স্যুপ খাচ্ছেন সেই টাকায় কেনা খাদ্য খেয়ে বর্বর ইসরায়েলী সেনারা কাদের হত্যা করছে?
- ভেবে দেখুন, আপনার পকেটের টাকা খরচ করে কেনা ডিজনির কার্টুনটি থেকে প্রাপ্ত লাভ দিয়ে তারা প্যালেস্তাইনি শিশুদের কিরকম দু:স্বপ্ন উপহার দিচ্ছে!
- ভেবে দেখুন, আপনি যে সখ করে Marks & Spencers এর পোশাক পড়ছেন সেই পোশাকের মুনাফা ইসরায়েলী সেনাদের অত্যাধুনিক সামরিক ড্রেস কেনা হচ্ছে!


Marks & Spencers shop front in Brighton defaced to read
"Dont Support Apartheid - Boycott Marks & Spencers"

- আপনি যে CNN চ্যানেল দেখছেন সেই চ্যানেল কী করছে? মিথ্যা অযুহাত দেখিয়ে ইরাকে বর্বর হামলা ছাড়াও পুরো বিশ্বে ইসরায়েলী প্রোপাগান্ডা ছাড়া এই চ্যানেলের আর কাজ কী?



কী এমন ক্ষতি হবে যদি নকিয়া ফোন ব্যবহার না করেন? কী এমন ক্ষতি ইন্টেল প্রসেসর ব্যবহার না করে অলটারনেটিভ ভাল প্রসেসরগুলো ব্যবহার করলে? কোকাকোলা পেপসি না খেয়ে অন্য কোমল পানীয় খেলে কী এমন ক্ষতি? ম্যাগি নুডুলস খেতেই হবে এমন কী বাধ্যবাধকতা? Marks & Spencers এর পোশাক না পড়ে অন্য যেকান ব্রান্ড পড়লে কী সমস্যা? ইসরায়েলী প্রতিটি পণ্যের বিকল্প ব্যবহার করলে কী এমন ক্ষতি?

আপনি হয়তো লং মার্চে যেতে পারছেন না। আপনি হয়তো গাজায় আর্থিক সাহায্য পাঠাতে পারছেন না। আপনার কোন কিছু বলারও ক্ষমতা নেই হয়তো। কিন্তু...

আপনি চাইলেই সেইসব পণ্য বর্জন করতে পারেন যেগুলো থেকে প্রাপ্ত মুনাফা ইসরায়েলকে দিন দিন অপ্রতিরোধ্য করে তুলছে। পুরো বিশ্ববাসীর দাবী উপেক্ষা করে ফিলিস্তিনে বর্বর অমানবিক হামলা করার শক্তি যোগাচ্ছে! ইসরায়েলী পণ্য ব্যবহার করে আপনিও সেই হামলায় অংশগ্রহন করছেন....

জেনে বা না জেনেই হোক, ইসরায়েলী হামলায় কেন অংশগ্রহন করছেন?

ইসরাইলী পণ্যের একটি তালিকা নিচের লিংকে পাবেন-
Click This Link

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

 

  • ৩৭ টি মন্তব্য
  • ১৮৫৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩৩ জনের ভাল লেগেছে, ২৫ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
comment by: ইসানুর বলেছেন: কোক বা পেপসি, ইন্টেল প্রসেসর ও আইবিএম পিসি , নোকিয়া কি ইসরাইলের কোন প্রুতিষ্ঠান? যতটুকু যানতাম যে, এগুলোর মালিকানা ইসরাইলের না।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: এই বিষয়ে সাইট থেকে যেসব তথ্য পাওয়া সেগুলো নিচের লিংকে পাবেন।
http://www.inminds.co.uk/boycott-israel.php


আর ইসরায়েলী পণ্যের একটা বিশাল তালিকা নিচের লিংকে আছে-
Click This Link

২. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
comment by: মদন বলেছেন: পন্য বর্জন দিয়ে আদতেই কিছু হয়? তার থেকে কি এইটা ভাল নয় যে আমরা নিজেদেরকে তাদের প্রতিরোধ করার মতো যোগ্যতা অর্জনের জন্য গড়ে তুলি। তাদের যেমন মিডিয়া আছে আমরাও তোমন মিডিয়া বানাই। তাদের যেমন পৃথিবীর অর্থনীতি, মিডিয়া, ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে আমরাও সেটা করতে যা যা করা লাগে করি। সব চেয়ে বড় কথা নিজেদের ইমান শক্ত করার পাশাপাশি সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। পন্য বর্জন দিয়ে তাদের সামান্যতম ক্ষতিও হবে না।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: পুরোপুরি একমত আপনার সাথে। পণ্য বর্জন দিয়েই শুরু হোক। পণ্য বর্জন করতে তো তেমন কোন সমস্যা হচ্ছে না....

৩. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
comment by: মদন বলেছেন:
ইসরাইল নিপাত যাক...
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: এই ছবিগুলো দেখে গতকাল থেকে আমি কোন কাজ করতে পারছি না.....

ইসরায়েল নিপাত যাক

৪. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১
comment by: সুহেল রাজজ বলেছেন: আপনার সাথে আমিও একমত । আল্লাহ কবে এদের ধ্বংস করবেন তা........................।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: আল্লাহ সিস্টেমের বাইরে কিছু করেন না। আমরা যেখানে তাদের পণ্য ব্যবহার করে তাদের শক্তিশালী করছি সেখানে আল্লাহর কাছে বিচার চাওয়াটা ভন্ডামী ছাড়া আর কিছুই না। আগে আমাদেরকে ঠিক হতে হবে.. তারপর আল্লাহর কাছে প্রার্থনা।

আমরা এই জায়ানবাদী শক্তির ধ্বংস কামনা করি।

৫. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
comment by: সততার আলো বলেছেন: পণ্য বর্জনের ব্যাপারে আগেও জনমত গঠনের চেষ্টা করা হলেও ইসরাইল সমর্থক মিডিয়াগুলো একে নিয়ে ব্যাঙ্গই করেছে শুধু। মিডিয়া যদি এ ব্যাপারে সহায়তা করে তবে পণ্য বর্জনে সবার অংশগ্রহন সহজ হয়ে যেত। নকিয়া, কোকালার চেয়ে অনেক ভাল পন্য এ পৃথিবীতে আছে। যাকে বিকল্প হিসেবে গ্রহন করা কঠিন কোন কাজ নয়।

আসুন আমরা ইসরাইলী পণ্য ত্যাগ করি।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: আসুন আমরা ইসরাইলী পণ্য এবং ইসরাইল কে সহায়তাকারী কোম্পানীগুলোকেও বর্জন করি।

Click This Link

৬. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
comment by: সততার আলো বলেছেন: ইসরাইল পন্থী পত্র পত্রিকার চেহারা আমরা আগে থেকেই চিনি। এরা এবারও পন্য বর্জনে জনসচেতনাকে হাস্যকর বানিয়ে ছাড়বে।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: হ্যা.... দু:খজনক বিষয় হলো মুসলিম দেশের পত্রিকা এবং স্বয়ং মুসলিমরাও ইসরায়েলী মিডিয়ার দ্বারা প্রভাবিত হয়...

৭. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
comment by: বকুল০৮ বলেছেন: plus+
valo legece...
priyo te rakhlam...tobe nokia\intel er bepargulo jachai kore dkhbo...Nokia to Finland er company...ani confirm.
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: http://www.inminds.co.uk/boycott-israel.php

এখানে বিভিন্ন পত্রিকার নিউজলিংক সহ বিস্তারিত তথ্য পাবেন.. দেখতে পারেন। বাংলাদেশী এক ব্যরিষ্টারও নাকি ইসরাইলকে সমর্থন করেন। ধরুন তাকেও আমাদের বর্জন করা উচিত.. বিষয়টা অনেকটা এরকম....

০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: নকিয়া: http://www.inminds.co.uk/boycott-nokia.html

ইন্টেল: http://www.inminds.co.uk/boycott-intel.html

৮. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
comment by: নির্বাসন বলেছেন: মাইনাসগুলো কে দিলো...যাই বলা হোক না কেন...বলা তো হচ্ছে মনে কষ্ট নিয়ে তাই না?...
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: মাইনাসে কিছু যায় আসে না.. থ্যাংকস......

৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
comment by: আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: আপনি নিজে জীবনে কয়বার সিএনএন দেখেছেন? সাম্প্রতিক সময়ে দেখেননি বলেই মনে হচ্ছে।

আমার জানামতে ইন্টেল, আইবিএম, নোকিয়া কোনটিই ইসরাইলি মালাকানাধীন নয়। তবে তারা ইসরাইলে ইনভেস্ট করেছে। কিন্তু সেজন্য সরাসরি "তাদের লাভের টাকায় ইসরাইল অস্ত্র তৈরী করছে" বলা যায় না।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: ইরাক যুদ্ধের সময় চরম মিথ্যাচারের পর সিএনএন আর দেখা হয়নি... সাম্প্রতিক সময়ে তাদের ভেতরে এমন কি রেডিক্যাল পরিবর্তন হলো? ফিলিস্তিনে গনহত্যার খবর প্রকাশের জন্য তাদের নির্দোষ ভাবছেন? একটা মিডিয়া নিরপেক্ষতার ভান ধরার জন্য অনেক স্বার্থ বিরোধী নিউজও কাভার করে। আওয়ামী পত্রিকা বা টিভি চ্যানেলেও দেখবেন মাঝে মাঝে আওয়ামীলিগের স্বার্থ নষ্ট হয় এরকম নিউজ করতে বাধ্য হয়।

ইন্টেল, আইবিএম, নোকিয়া কোনটিই ইসরাইলি মালাকানাধীন নয়.. তবে এগুলো ইসরাইলে প্রচুর সাহায্য দিয়ে থাকে। http://www.inminds.co.uk/boycott-israel.php --এই লিংকটায় কিছু নিউজ সহ খবর দেখলাম।

আর ইসরাইলি পণ্যের মূল তালিকাটা নিচের লিংকে পাবেন-
Click This Link

০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: RESEARCH FINDINGS :

Nokia have started to invest heavily in Israel.

Nokia general manager Lars Wolf said in an interview with The Jerusalem Post (4 March 2001): "We are really focusing on Israel from all perspectives, because we have an internal project called 'Project Israel' which means we are looking at Israel from a networks perspective, from the perspective of Nokia Ventures Organization, and also from the perspective of Nokia Research Center ". [1]

Nokia Venture Partners, a branch of Nokia Ventures Organization, launched a new $500 million fund in December 2000 and allowed that a "disproportionate" amount of it would go into Israeli companies. Nokia Research Center is on the lookout for Israeli start-ups with which it can cooperate. [1

http://www.inminds.co.uk/boycott-nokia.html

১০. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৭
comment by: কিরিটি রায় বলেছেন: শূণ্যে মহা আকাশে--
তুমি মগ্ন লীলা বিলাসে,
ভাঙ্গিছ গড়িছ নিতি
ক্ষনে ক্ষনে প্রভু নিরজনে।

১১. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৭
comment by: আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: খুবই ভাল পোষ্ট। তথ্যগুলো জানাবার জন্য ধন্যবাদ।
এখন থেকে আমি বর্জন শুরু করলাম। যেই পিসি কিনে ফেলেছি সেটা তো আর ফেলে দেয়া যাবে না। বরং এই প্রযুক্তিগুলো দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ার চেষ্টা করব।

কিন্তু এখন থেকে ইসরায়েলী কোন পণ্য কিনব না। এরকম তথ্য আরো জানাবেন আশা করি।

১২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
comment by: ত্রিশোনকু বলেছেন: পৃথিবীর ৭৫% ব্যাবসাই ইহুদীদের হাতে।
ইউরোপের ১০০% বস্ত্র ব্যাবসা ৩টি ইহুদী পরিবারের হাতে।
ইহুদীর পন্য বর্জন করতে হ'লে hunter gatherer জীবনে ফিরে যেতে হবে।
১৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫
comment by: ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আমি জানি এ অন্ধ আবেগ...কিন্তু ওইটুকুই সম্বল। আপনার দাবির সাথে সহমত
১৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৮
comment by: আবু সালেহ বলেছেন:
১০০ % সহমত ত্রিভুজ ....

ভবিষ্যতে এ ধরনের পন্য ব্যবহার থেকে দূরে থাকতে হবে আমাদের....
১৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৯
comment by: রুমমা বলেছেন: আপনার সাথে একমত।কিন্ত বুজতে পারছিনা ১৯ জনের ভালো লেগেছে আর ১৮ জনের আপনার পোস্ট ভালো লাগেনি..সেই ১৮ জন কে? এত ভালো একটা পোস্ট ১৮ জনের! খারাপ লাগলো কিভাবে?এতজনের খারাপ লেগেছে এমন তো কোনো বাজে পোস্টেও দেখিনি।আমি এ বিষয় টা নিয়ে চিন্তিত।তার মানে ঔ সব মুখোশধারীরা আমাদের মাঝেই আছে।
১৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৮
comment by: মুনিয়া বলেছেন: আমরা যতটুকু পারি ততটুকু করব।
ত্রিভুজকে থ্যাংকস পোস্টের জন্য।
১৭. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫
comment by: বাসার বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++
++++++++++++++++++++++++++++++++++++
++++++++++++++++++++++++++++++++++++
++++++++++++++++++++++++++++++++++++

ইসরায়েল নিপাত যাক
ভবিষ্যতে এ ধরনের পন্য ব্যবহার থেকে দূরে থাকতে হবে আমাদের....
১৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩২
comment by: ভাইরাস! বলেছেন: মাইনাস
১৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন:

পুরো দুনিয়া মুসলিম বিশ্বের তেল ব্যবহার করে , এই পন্য বর্জন যদি ভাইস ভার্সা হয় তাহলে আমি পন্য বর্জন করতে বেশি আগ্রহী হতাম ।
আমি আরব শুওরের বাচ্চাদের তেল বর্জন করতে পারলে বেশি খুশী হতাম , কিন্তু দূ:খের বিষয় আমার হাতে এর কোন বিকল্প নেই ।

ইসরাইল নিপাত যাক ।

আরবের বসে থাকা তেলসমৃদ্ধ নপুংসক জাতিগুলি আর তাদের নেতারা নিপাত যাক ।


২০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২
comment by: মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: //আল্লাহ সিস্টেমের বাইরে কিছু করেন না। আমরা যেখানে তাদের পণ্য ব্যবহার করে তাদের শক্তিশালী করছি সেখানে আল্লাহর কাছে বিচার চাওয়াটা ভন্ডামী ছাড়া আর কিছুই না। আগে আমাদেরকে ঠিক হতে হবে.. তারপর আল্লাহর কাছে প্রার্থনা।

আমরা এই জায়ানবাদী শক্তির ধ্বংস কামনা করি।//

এই সত্যটুকু আগে আমাদেরকে বুঝতে হবে। তারপরই যে কোন ধরনের তর্ক-আলোচনা-সমালোচনা সার্থক হবে।

"আল্লাহর নামে চলিলাম"... পথিমধ্যে এক্সিডেন্ট হলো, কার দোষ দিবেন?
ইহা ভন্ডামী ছাড়া আর কিছুই নয়, তবে আমরা বুঝতে পারি না। আপনি, যখন ঘর থেকে বের হচ্ছেন আপনি কি সেদিন ১। ফজরের নামাজ পড়েছেন? ২। আপনি কি হালাল রুজি এবং হালাল খাবার গ্রহণ করেছেন? ৩। আপনার পরিবার কি নামাজী? ৪। আপনি কি কুফর ও শিরক থেকে বেঁচে থাকেন? ইত্যাদি, ইত্যাদি।
এবার ঠান্ডা মাথায় উত্তরগুলো মিলিয়ে নিন? যদি উত্তর হয় 'না'। তাহলে নিছক ভন্ডামী ছাড়া আপনি আর কিছুই করেন নি। আল্লাহ আমাদেরকে বোঝবার তওফিক দান করুন। আমিন।।
---
আমাদের হাতে এই মুহূর্তে করার মতো আর কিছুই নাই। কিন্তু সাধ্যমত সম্ভবক্ষেত্রে যদি আমরা অংশগ্রহণ করি সেটাও অনেক বড় ফল এনে দিবে। সবচেয়ে বড় কথা আল্লাহ তায়ালা সাহায্য করার জন্য আমাদের নিয়্যতই এবং চেষ্টাই দেখবেন, সামর্থ্যকে নয়।
--- আসুন, যদি বিকল্প থাকে তাহলে সাধ্যমত ইসরায়েলীকে সমর্থন করে কিংবা ওদের কাছে লাভ যায় এমন পণ্য সমুহ বর্জন করি।

--- কোকাকোলা এবং পেপসি খাওয়া বন্ধ করলাম।
২১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪০
comment by: প্রগতিশীল বলেছেন: +
২২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪০
comment by: প্রগতিশীল বলেছেন: +
২৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
comment by: আরএন বলেছেন: আমি কোক এবং পেপসি খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু অন্যদের বললে তারা এমন ভাব নিয়ে তাকায় যেন আমি একটা উদ্ভট কথা বলছি। অনেকে জানেও না আমাদের কি করা উচিৎ। আমি একটা পোষ্ট ছেড়েছিলাম ফিলিস্তিনে বোমা পড়ছে আমাদের কি করা উচিৎ। জনৈক বেঞ্জিন নামধারী ব্লগার লিখেছেন বসে বসে দেখা ছাড়া কিছুই করার নাই। খারাপ লেগেছে। আমি ছোট থেকেই যখন থেকে ইসরাইল এবং ফিলিস্তিন এর ঘটনা বুঝতে পেরেছি তখন থেকেই ইসরাইল কে ঘৃণা করছি। ফিলিস্তিন এ এত বড় ঘটনা ঘটলো অথচ সৌদি আরব সহ মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলো কিছুই পদক্ষেপ নিলোনা। কেনই বা বলবে কারণ তাদের উপ-পত্নি হিসেবে তাদের হেরেম খানা গুলো উজ্জল করে রেখেছে ইসরায়েলী সহ খ্রিষ্টান দেশের অষ্টাদশী আন্তজার্তিক পতিতাগুলো...........
২৪. ২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
comment by: নিশাত শাহরিয়ার বলেছেন: আমরা নিজেদেরকে তাদের প্রতিরোধ করার মতো যোগ্যতা অর্জনের জন্য গড়ে তুলি। তাদের যেমন মিডিয়া আছে আমরাও তোমন মিডিয়া বানাই। তাদের যেমন পৃথিবীর অর্থনীতি, মিডিয়া, ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে আমরাও সেটা করতে যা যা করা লাগে করি। সব চেয়ে বড় কথা নিজেদের ইমান শক্ত করার পাশাপাশি সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।

*****একমত
২৫. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৭
comment by: অক্টোপাস বলেছেন: পৃথিবীর ৮০ ভাগ অশান্তি দূর হবে যদি ইসরায়েল রাষ্ট্রসহ ইহুদিরা ধ্বংস হয়ে যায়।
২৬. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৪
comment by: টোনা বলেছেন: Google এর মালিক ইহুদি .. এখন বলেন Google ছাড়া চলতে পারবেন ??

পোস্টে প্লাস

 

 


trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ