আমার প্রিয় পোস্ট

ট্রুথ নট সেইড টুডে, কুড টার্ন টু আ লাই টুমোরো

হস্তীভক্ষন ও বিদ্যুৎখাতের স্টিকী পোষ্ট: ডিবাংক (রিপোষ্ট)

২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

শেয়ারঃ
0 0 0

হস্তীভক্ষণ, গার্মেন্টস ও আমাদের বিদ্যুৎখাত শীর্ষক পোষ্টটি স্টিকী করা হইছে আজ ২ দিন হইলো। লেখাটিতে কন্সেপচুয়াল কিছু ভয়াবহ ভূল আছে।

লেখক যে সমাধানটা দিতে চাইছেন সেটা হইলো "ছোট ছোট শিল্পপার্ক করে পাওয়ার প্লান্ট করলে " বিদ্যুত সমস্যা সমাধান হবে। এইটাকে তিনি লেখার শুরুতেই অতিকায় হস্তী কাটাকুটি করে ভক্ষনের সাথে তুলনা করেছেন। কিন্তু টেকনিকালি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিদ্যুত প্লান্ট ইনফিসিবল। তবে আমার কাছে যেটা সবচেয়ে ভয়ংকর মনে হয়েছে সেটা লিখেছেন শেষ লাইনে "এ কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে, কেবল সরকারের পক্ষে এ খাতের চাহিদা পূরণ করা কখনই সম্ভব হবে না। " আমি মনে করি সরকারকেই পুরা দ্বায়িত্ত নিতে হবে, এবং সরকারের পক্ষেই এটা সম্ভব। আপনার দেশে কোন শিল্পপার্ক বা চিড়িয়াখানাতেই বিনিয়োগকারী আসবে না, যদি আপনি ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত না দেন। এখানে নিজে বানিয়ে বিদ্যুত ব্যবহারে উৎসাহিত করা একটা ভয়ংকর আত্মঘাতী প্রস্তাব।

এই খাতে বেসরকারীকরন করলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সাথে, সাধারন মানুষও কারেন্ট বিল দিতে গিয়ে ফতুর হবে।

বিদ্যুত বিষয়ে হাবযাব চিন্তার আগে জানতে হবে, বিদ্যুত কিভাবে তৈরী হয়, কি দিয়ে তৈরী হয়, সংকটের কারন কি?

সমস্যার কারন
১। গ্যাস সংকট
২। পাওয়ার প্লান্ট সংকট
৩। পুরাতন পাওয়ার প্লান্টের লাইফ টাইম শেষ কিন্তু রক্ষনাবেক্ষনের অভাব।
৪। ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে কারিগরি সমস্যা হেতু লাইন লস।

গ্যাস সংকট বিষয়ে অনেকেই অনেক কথা বলছে বলতেছে আরো বলবে। ডঃ এম তামিম ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ফকরুদ্দিন সাহেবের বিদ্যুত ও জ্বলানী বিষয়ক সহকারী উপদেষ্টা(এই পোষ্টখানাও নুতন তৈয়ার হইছিল), আমার সম্মানিত শিক্ষক। আজ থেকে মাত্র কয়েক বছর আগেও উনি গ্যাস রপ্তানির পক্ষে ছিলেন। বহুজাতিক কম্পানীগুলার হিসাবেও বলা হচ্ছিল বাংলাদেশ গ্যাসে ভাসতেছে। এদেরই মদদে ক্ষমতা পাবার পর...উনি বললেন গ্যাস নাই। তাইলে স্যার, আগে যদি আপনার কথা মত রপ্তানি করতাম, আজকে রাস্তায় বসতে হইতো আমাদের। তিনি গত ২ বছর নজর দিলেন গভীর সমুদ্রে গ্যাস এক্সপ্লোরেশনে। আরো মনযোগ দিয়ে তৈরী করলেন কয়লানীতির খসড়া। হেহে। এখন আমাদের নাকি তাপ বিদ্যুতের দিকে নজর দিতে হবে। মাল মুহিতের স্টিকুলাস প্ল্যানেও কয়লার কথা লেখা আছে গুরুত্ব সহকারে।এর মানে যেকোন উপায়েই( ওপেন মাইনিঙ্গেও অরুচি নাই) ফুলবাড়িয়ার কয়লা বাহির করতে হবে। খুড়াখুড়ি করে, ফুল বাড়িয়া মানুষগুলার বাস্তুভিটা উচ্ছেদ করে, না হয় বাহির করলাম, এরপর? আমাদের তো কয়লা ভিত্তিক পাওয়ার প্লান্ট তেমন নাই। সমাধান রপ্তানী। কাকে? দোস্তরাষ্ট্র ভারত হে না! কয়লা দিন বিদ্যুত নিন। কিন্তু কাচা কয়লা যে দামে বেচবেন তার চেয়ে বেশী দামেই দাদাদের বিদ্যুত কিনতে হবে। ভারত নিজেই ভয়াবহ বিদ্যুত চাহিদা মিটাইতে হিমসিম। তাইত মাঝে মাঝে উনারা আমাদের সমুদ্র সীমানায় মাছ মারতে আসেন। নেপালের সাথেও জলবিদ্যুত উৎপাদনের দেন দরবার করছেন।

এই রকম একটা অবস্থায় আমাদের যাওয়া উচিৎ কম গ্যাস খরচ করে কিভাবে বেশী বিদ্যুত বানানো যায় সেদিকে।এর মানে বড় পাওয়ার প্লান্টের (গ্যাস টার্বাইন, স্টীম টার্বাইন, কম্বাইন্ড সাইকেল) দিকে অগ্রসর হওয়া উচিৎ।

স্টিকীকৃ্ত "হস্তীভক্ষন" থিওরীতে আমরা যদি আগাই তাইলে
ছোটছোট পাওয়ার প্লান্ট তৈ্রী হবে(উপজেলায় উপজেলায় একটা! মোট উপজেলা আমাদের কয়টা জানি? :( ), এদের গ্যাস দিবে সরকার। ছোট মানে গ্যাস জেনারেটরে বিদ্যুত। এর মানে বেশী গ্যাসে কম বিদ্যুত। এর মানে এক ইউনিট বিদ্যুতে অধিক ব্যয়। এই ব্যয় বাড়াবে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যয়। এর মানে বিদেশী পন্যের সাথে হিটেই আউট। পাওয়ার প্লান্টের রক্ষনাবেক্ষন, নিরাপত্তাও একটা গুরুত্বপূর্ন ইস্যু। সামান্য ভূলচুকে ভয়াবহ দূর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যেক উপজেলায় একটা করে করলে এই দূর্ঘটনার সম্ভাবনাও বাড়ে।

জনরোষের ভয়ে সরকারও বিদ্যুৎ সমস্যায় উল্টাসিধা ডিসিশন নিচ্ছে। যেমন ঢাকা চিটাগাঙ্গে ফ্যানের পাখা ঘুরাইতে সার কারখানা বন্ধ করে গ্যাস বাচাইতেছে(নিউজঃ Govt to shut CUFL to save gas । কিন্ত সারের প্রকট অভাব কেমনে ট্যাকেল দিবে? সহজ জবাব, সার আমদানি হবে। কোথেকে? কেন ভারত। এরমানে বেশী দামে সার কিনে আগামী বছরে চালের দাম বাড়বে। সময় মত সার না পাইয়া সারের দাবিতে কিছু কৃ্ষক বিষ অথবা গুলি খাইলেও করার কিছু নাই, সরকারের গদিতে থাকতে হইলে ঢাকা চিটাগাঙ্গে পাখা বাতাস করতে হবে।হাহ!

শামীম সাহেব ঢাকা থেকে সকল গার্মেন্টস সরানোর যে প্রস্তাব করেছেন সেটাকে ১০০% সমর্থন করি। তবে তার আগে সরকারকেই শিল্প পার্ক স্থাপন করে সেখানে বিদ্যুত,পানির সুব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে, কারখানা প্রতিস্থাপনের হ্যাপা কোন বিবেকবান(!) ব্যবসায়ী ভূলেও নিবে না।

লেখাটা এখানেই শেষ করতাম, কিন্তু অনেকেই বলবেন, খালিতো ঝারিপট্টি লইলেন নিজেতো একটা সমাধানও দিবার পারলেন না!

সমাধান মোটেও সহজ না।

১। সরকারের প্রথম ১০০দিনেই বিদ্যুত নিয়ে ভাবা উচিৎ ছিল। ঘরে ঘরে জঙ্গি খোজার চেয়ে এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির দিকে তেনাগ নজর দেয়া উচিৎ।

২। বিরোধী বেগম বাড়ি হারায়া, এখন বিদ্যুতের ইস্যুতে বিবিধ হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। লজ্জা থাকলে বিদ্যুত বিষয়ে উনি কোন কথাই বলতেন না। কারন আজকের অবস্থার জন্য উনি(বিদ্যুত মন্ত্রানালয়ের দ্বায়িতে ছিলেন ৫ বছর, উৎপাদন বৃদ্ধি শুন্য মেগাওয়াট) ও উনার খাম্বা পুত্রই দায়ী।

৩।গ্যাসের বাচাইতে এর অবাধ ডিসট্রিবিউশন বন্ধ করতে হবে। দুনিয়ায় খুব কম জাগাতেই পাইপে করে বাসাবাড়িতে গ্যাস দেয়ার সিস্টেম আছে। গ্যাসে ভাসতেছে যারা সেই সবদেশেও সিলিন্ডারে করে গ্যাস বিক্রি হয়। সিলিন্ডারে বিক্রি করলে গ্যাস সাশ্রয় কয়েক গুন বাড়বে। একটা দিয়াশলাই কাঠির জন্য কেউ চুলা জ্বেলে রাখবে না, সারা রাত চুলার উপরে কাপড়ও শুকাবে না।

৪। তেলের দাম এখন অনেক কম আন্তর্জাতিক বাজারে। দুনিয়ার কোথাও এত সিএনজি চলে না বাংলাদেশের মত। সিএনজি কনভারশন আপাতত বন্ধ রাখতে হবে। তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে মিলিয়া কমাইতে হবে।
৫। সরকারকে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী: দুই ধরনের চিন্তাই করতে হবে। বিদ্যুতের সাথে গ্যাস ও সারের সরবরাহের হিসাবটাও বরাবর করতে হবে। বড় পাওয়ার প্লান্ট হিসেবে কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্টের কথা ভাবতে পারে।
৬। গ্যাসের বিকল্প হিসাবে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুত কেন্দ্রের কাজ শুরু করতে হবে। তড়িঘরি করে কয়লা উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। নাইলে আরেকটা টেংরাটিলা ঘটতে পারে।
৭। নেপালের জলবিদ্যুতে ইনভেস্ট করা যেতে পারে। ভারতে স্থল ভাগ দিয়ে আনার জন্য, তাদেরকেও বখরা দিয়ে ম্যানেজ করতে হবে।
৮। রাশিয়ার কারিগরী সহায়তায় পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ব্যাপারে কতদূর অগ্রসর হইলো জানা গেল না। ঘনবসতির দেশে এই ধরনের স্থাপনায় উচ্চপ্রযুক্তির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে।
৯। জনগনকে অকারন হল্লা, বিদ্যূৎ কেন্দ্র ভাংচুর, মিটিং মিছিল না করে, আগামী বছর কি অবস্থা হবে তা ভাবতে হবে। সরকারকেও কথা বার্তায় সতর্ক হইতে হবে। লাঠি দেখায়ে দেশ চালানো যায় না। সংকট কাটাইতে সংযম ও শৃংখলা জরুরী। অন্য উপায় ধরলে, আগামী পাচ বছরে ধবংস অনিবার্য।
------------------------------------------------
অন্যান্য পুষ্ট- খুচা দিয়া পড়েন
ব্যানানা বাংলাদেশ-৩ (গডফাদারের স্টিমুলাস মূলা)
ব্যানানা বাংলাদেশ-২ (প্রথম আলোর ইহুদীডিম্ব!)
ব্যানানা বাংলাদেশ-১ (ইকোনমিক হিটম্যান)

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: এটাকে স্টিকি করা হয় হোক
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: চিল্লা ফাল্লা মাত করো...আগের বারও স্টিকি করা হয় নাই...এখন রিপোষ্টকে স্টিকি করার দাবি হাস্যকর। আমারি কাতুকুতু লাগতেছে

২. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
জইন বলেছেন: ভাল বলছেন........
৩. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: রাশিয়া আসলে বাংলাদেশকে তাপ, জল এবং পারমানবিক তিন ধরনের বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। পারমানবিক বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপনের ফিসিবিলিটি স্টাডিজের জন্য রাশিয়া ঠেকে একটি টিম অলরেডী ভিজিট করে গেছে, এপ্রিলে আরেকটা টিমের আসার কথা আছে। এক্ষেত্রে সমস্যা হলো, এ ধরনের নেগোসিয়েশনে সময় লাগে প্রচুর---------যেটা এখনই শুরু করলেও শেষ হতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। তাছাড়া আইএইএ'র সাথেও বাংলাদএশকে এজন্য চুক্তি করতে হবে, অর্থাৎ তাদের পারমিশন লাগবে। এই প্রক্রিয়াটাই যদি কয়েক বছর আগে শুরু করা যেতো, তাহলে ঠিক ছিলো। কিন্তু অতীতের সরকারগুলো তা করেনি। এই সরকার এজন্য অন্তত ধন্যবাদ পাবার দাবী রাখেন যে, তারা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করতএ পেরেছেন এবং রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত বাংলাদএশের বিদ্যুত খাতে রাশিয়ার সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের পরিমান কম নয়।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: লাষ্ট আপডেট জানাবার জন্য ইনফরমেশন মোবারক। :)

৪. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: আরেকটা কথা, রাশিয়ার সাথে চুক্তির সুবিধা হলো যে রাশিয়া সব ধরনের চুক্তি করে সরকারের সাথে সরকারের---------যার ফলে প্রাইভেট কম্পানী, এনজিও বা অন্য মাধ্যমের দরকার হয় না।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: তাই নাকি, জানতামনা তো! আবারও ইনফরমেশন মোবারক।

৫. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: +++++ গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট ।
৬. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: স্যরি, আরেকটা কথা মনের দু:খে একটু বলে যেতে চাই: এই যে আমাদের এত্তো এত্তো ইউরোপীয় দাতা বন্ধু, কেউ কিন্তু পাওয়ার সেক্টরে বিনিয়োগে আগ্রহী না। আমাদের মানবাধিকার, জেন্ডার, পরিবেশের কন্ডিশন নিয়ে তাদের উদ্বেগের সীমা পরিসীমা নাই-------সবখানেই তাদের সরব উপস্থিতি। শুধুমাত্র পাওয়ার সেক্টর বাদে। এইখানে এসে এদের সুপারিশ শুধু প্রাইভেটাইজেশনের পক্ষে। এই সেক্টরে সেই একসময়ের পুরানো বন্ধু রাশিয়াই আটত্রিশ বছর ধরে আমাদের ঠেকা দিয়ে আসছে।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ইউরোপীয় দাতা বন্ধু আছে ইলেকশনের সময় মাতবরি করার তালে। ডাইকা ডাইকা চা বিড়ির দাওয়াত দিয়া সালিশ করবে...আর ঘনতন্ত্রের ফজিলত বর্নণা করবে।

৭. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০২
পারভেজ বলেছেন: ৩ নাম্বার পয়েন্ট প্রসঙ্গে একটা কথা বলতে চাই, বাসাবাড়িতে গ্যাসের ব্যবহারের পরিমাণ সর্বমোট উৎপাদনের কাছে নগণ্য, তাই এর অপচয় নিয়ে মনে হয় কেউ তেমন মাথা ঘামান না। তাই এই পদক্ষেপ থেকে খুব বেশী সাশ্রয় হবার কথাও নয়।
ছোট ছোট পাওয়ার প্ল্যান্টের অনুমোদন সাময়িক সমাধান, দীর্ঘমেয়াদীতে সেটা অপচয়ই বটে। নেপাল থেকে বিদ্যুত আমদানী হতে পারে সবচেয়ে তড়িৎ সমাধান; হাসিনা সরকারের ভারতের সাথে তাদের সূসম্পর্ককে কাজে লাগানো উচিত।
লেখকের পোস্টে প্লাস।
৮. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
সেতূ বলেছেন: @পাভেজ ভাই এই তো সমস্যা-
"বাসাবাড়িতে গ্যাসের ব্যবহারের পরিমাণ সর্বমোট উৎপাদনের কাছে নগণ্য, তাই এর অপচয় নিয়ে মনে হয় কেউ তেমন মাথা ঘামান না।"

অপচয় তো অপচয় ....

বিন্দু বিন্দু সিন্দু....সব শেষ..;)
৯. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
অনীয়ম বলেছেন: কোন মন্তব্য নয় । জটিল তথ্যবহুল পোস্ট। তারচেয়ে ও বেশী তথ্যবহুল কমন্টে... পিলাচ
১১. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০
বাঙ্গাল বলেছেন: প্রিয় পাঠককে মূল লেখাটিতে গিয়ে কমেন্ট করতে অনুরোধ করছি। আলোচনায় যোগ দেবার আমন্ত্রন রইল। হস্তীভক্ষন ও বিদ্যুৎখাতের স্টিকী পোষ্টঃ ডিবাংক

প্রস্তাবের সূচনাকারী লেখক(লেখাজোখা শামীম) কিছুটা শুধরে নতুন প্রস্তাব রেখেছেন।
১২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৪১
বাফড়া বলেছেন: বাংগাল (সরি স্পেলিংটা ভুল লিখছি!!!), আপনি আাপাতত এই পোস্ট দেখে আপানার মতামত টা জানান ত...
এইখানে


কিছু প্রশ্ন ছিল পরে জিগ্যাস করব... বাই দ্য ওয়ে দিনমজুরের ব্লগ কেমন লাগলো?
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: দিনমজুরের ব্লগ প্রিয়তে রাখছি। জব্বর।

১৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০৯
বাফড়া বলেছেন: হৈ.. প্রিয়তে রাখছ... আরা আমারে থ্যংকু দাও নাই(আইজকাইল থ্যংকু কম পাই তাই খুইজা লয়া লই!!! খিকজ ) !!!তুমি মিয়া পুজিবাদি... খিক খিক খিক.. দিনমজুর কিন্তু জোস পাবলিক.. মানে তার ব্লগ পইরা আমার ঘতেমন ই মনে হয়... ধৈর্য আছে গুরুর!!
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: যাও তুমারেও থ্যাঙ্কু দিলাম । দিনমজুর তেম ন রেগুলার না সামুতে কই কই ঘুরে :)

১৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
জনৈক আরাফাত বলেছেন: বায়ু বিদ্যুত সম্পর্কে কিছু ভেবেছিস? ইঞ্জিঃ খিজির খান (কোন একটা সরকারী বিদ্যুত সরবরাহ কারী প্রতিষ্ঠানের টপ লেভেলে আছেন। মনে করতে পারিনা নাম। ) খুব আফসোস করেছিলেন যে, তিনি ফেনীতে এটি করতে চেয়েছিলেন। এমনকি ভালো কাজ ও করার সম্ভাবনা ছিলো। কিন্তু, দাতারা এটিতে সাপোর্ট দেয়নি। বন্ধ করার তালে ছিলো। সো, সেটি এখন বন্ধ।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: ভাবিনাই...বায়ুপ্রবাহ তেমন রেগুলার না আম্রার দেশে...তাই সেই চিন্তা মাইনাস। যারা এইটার গান গায়...তেনারা প্রজেক্টের টাকা খায়...তাই গায়।

১৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১৮
জনৈক আরাফাত বলেছেন: সৈকত অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ নিয়মিত রে!
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: সাইক্লোন ঘূর্নিঝড়ও নিয়মিত। :(

১৬. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: শর্তসাপেক্ষে বিদ্যুত প্রোডাকশন উম্মুক্ত করে দিতে হবে। কন্ট্রোল সরকারের হাতে রেখেই তা করতে হবে। অন্যথায় এই সমস্যার সমাধার সম্ভব নয় (আমার অভিমত)। জ্বালানীর (গ্যাস, কয়লা, ডিজেল) অপ্রতুলতা সমস্যাকে আরো প্রখট করবে আগামী দিনগুলোতে।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট বাংলাদেশের জন্য হুমকি হতে পারে (ইউরেনিয়াম সরবরাহ কে করবে? রিসাইক্লিং কে করবে? ডাম্পিং কোথায় হবে?)। উন্নত বিশ্বগুলো আফ্রিকাকে মুলা ঝুলিয়ে ডাম্পিং করছে।

বায়ু বিদ্যুত সম্ভব নয়। প্রচুর ব্যয় সাপেক্ষ । ইউরোপে সরকার প্রচুর ভর্তুকি দিয়ে বায়ু বিদ্যুত চালু রেখেছে। আমাদের সমুদ্র সৈকতে যে লেয়ারে টারবাইন স্হাপন করা সম্ভব সেখানে খরচ আরও বেশি হবে।

হাত পাখাই ভরসা :(
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: লা-জওয়াব জনাব

১৭. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: বিদু্যৎ সংকট নিয়া আরেকটা পুস্ট মারছি। দেইখা ডিবাংক করেন।

Click This Link
০৩ রা মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৩

লেখক বলেছেন: কিজে কন...শরম দিলেন

০৩ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৮৯৮২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি একজন ঘবেষক..চিন্তা করাই আমার কাজ...চিন্তিত ভাই ব্রাদারদের আমার পেজে স্বাগতম।
troublekid09@gmail.com
http://www.amarblog.com/bangal/
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই