আমার প্রিয় পোস্ট

ট্রুথ নট সেইড টুডে, কুড টার্ন টু আ লাই টুমোরো

জনাব, আপনার মানসিক ভারসাম্য কোন দিকে হালিয়া আছে?

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

শেয়ার করুন:                   Facebook


আপোষহীন নেত্রী বলিয়াছিলেন "পাগল আর শিশু ছাড়া কেহই নিরপেক্ষ নহে"। মাইনে সক্কলেই হয় লীগার, জামাতী বা জাতীয়তাবাদী। বাহ! মোক্ষম বলিয়াছিলেন সেকালে। কালজয়ী কথা। ১৫/২০ বৎছর পর ম্যাডাম গত হইলে( আল্লাহ না করুক), তারেক জামানাতে হয়ত এই বাণীখানি বিটিভির রাত ৮টার বাংলা সংবাদের আগে প্রচারিত হইবে। লাইনের নিচে ড্যাশ দিয়া লিখা থাকিবে খালেদা জিয়া।

১। মার্কেন্টাইল বাংকের সাবেক চেয়ারম্যান, ট্রাম্পকার্ড জলীলকে নিয়া দেশে বেশ রগড় হইয়া গেল। আমাদের দেশের কর্তাবাবুরা ঘন্টাব্যাপী মিটিং কইরা বাহির করিয়াছে... তাদের সাবেক বকরবকর মেশীনের "মানসিক ভারসাম্য" কোন দিকে জানি হেইলা রহিয়াছে। তবে এদ্দিন যাবত উনার কথা মন দিয়া শুনার ও শুনাইবার পর দেশজ সংবাদ মাধ্যম ও রাজনৈতিক মহানেরা হঠাৎ ক্যানো তাহার "মানসিক ভারসাম্য" নিয়া ঝুকিয়া পড়িলেন, তাহা বোধগম্য নয়। তবে দেশের সেরা মাথাগুলান (রাজপরিষদ নিয়া কথা হইতেছে জনাব, সেরা না বলিলে দেশদ্রোহীতা হইবেক!) যেহেতু ব্যাপক গবেষনা করিয়া জলীল সাহেবের মানসিক ভারসাম্যহীনতার সিদ্ধান্তে পৌছাইয়াছেন... তাহা মানিয়া নিতে বাধা নাই। তবে পরবর্তী সভায় রাজ পরিষদে ডাক্তার-কবরেজ শ্রেণীর কেউ থাকিলে এই নাদান আরেকটু কনফিডেন্স পাইত।

তবে ছা-পোষা গবেষক হিসাবে আমিও একখানা মন্তব্য করিতে চাই, "জলীল সাহেব মানসিক ভারসাম্যহীন হইলে প্রধানমন্ত্রীপুত্র "সবেধন নীলমনি যুব্রাজ" জয়েরো ভারসাম্যের অবস্থা সেরম সুবিধার নহে"। যে কথা বলিয়া জলীল বুড়ো "মানসিক ভারসাম্যহীন" হইল সেই কথাইতো Harvard International Review এ লিখিয়াছিলেন সজীব জয়। পড়িয়া আসুন লিঙ্কে Click This Link
লেখক নিজের পরিচিতি দিয়াছে এইভাবে " Sajeeb A. Wazed is an adviser to Sheikh Hasina...He has been a key negotiator for the Awami League on several occasions, most recently in the negotiations for the restoration of democracy in Bangladesh with the present military government."

এর তরজামায় বলা যায় "বর্তমানে গনতন্ত্রের যে সুবাতাস রাষ্ট্রযন্ত্রের অলিতে গলিতে প্রবাহিত হইতেছে, তাহা একখানা নেগসিয়েশনের ফলাফল... মাইনে একটা ডিল হইয়াছিল... টেবিলের একপাশে বিগত আধাখেচড়া সামরিক সরকার... অপরপ্রান্তে গনতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাকারী ও ত্রাতা সজীব খিলজী জয়... আর যথারীতি টেবিলের নিচে ছিল বাংলাদেশ"

মশায়, ভুল বুঝিবেন না, রাজসভার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করি নাই। কেবল যুবরাজের নামটা যোগ দিতে বলিয়াছি।

২। নিচের ছবিতে ইন্ডিয়া ও মায়ানমারের সমুদ্রসীমার দাবিটা দেখুন। কিরূপে তাহারা দুইপা প্রশস্ত করিয়া দুই পাশ হইতে আমাদের চাপিয়া দিতে চাহিতেছেন।

অতীতে একই বিছানার নিজ শেয়ার প্রতিষ্ঠা করিতে আমার জোষ্ঠ্য ভ্রাতাও এইরূপে পা ছড়াইয়া সমগ্র বিছানার দখল লইত। ক্ষুদ্র ছিলাম বিধায় জড়সড় হইয়া ঘুমাইতাম, তেমন একটা 'রা' করিতাম না। তবে বন্ধু রাষ্ট্র ভারত ও মায়ানমারের এহেন দাবির কারন, বিছানা নহে, সমুদ্রের মাছ শিকারও নহে বরং উহার তলদেশের কোটি কোটি টাকার তেল-গ্যাস। আমাদের প্রাপ্য সীমানাটা নীল দাগ বরাবর... সমান্তরাল লাইন। অপরের জায়গা চাইনে...নিজেরটুকু পাইলেই খুশি। তবে সরকার মশায় সেদিকে কোন খেয়াল আছে কিনা না, জানা নাই। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ কোন সমুদ্রসীমা দাবিই করে নাই। উনারা "জলীল সাহেব মানসিক বা মাসিক ভারসাম্যহীন কিনা" তা লইয়া ব্যাপক গবেষনায় ব্যস্ত।

প্রথম কথায়, মাইনে "পাগল ও শিশুর" রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কথায় ফিরিয়া যাই। কেন জানি মনে হইতেছে আপোষহীন নেত্রীকে দার্শনিক উপাধি দেয়া উচিত। দেশে আসলেই "দেশ স্বার্থ" দেখিবার কেহ নাই। কেহই নিরপেক্ষভাবে দেশের স্বার্থ দেখিতে পায় না। সকলেই হয় লীগার, জামাতী বা জাতীয়তাবাদীর চোখে স্বার্থ দেখে। আফোসস হইল অই সব চর্মচোক্ষে দেশের স্বার্থ দেখা যায় না। জাতি হিসেবে বাঙ্গালির মতো নিঃস্বার্থ বোধ করি আর কেহই নহে!

নিজের ও নিজ ভবিষ্যত বংশধরদের বিবিধ সমস্যা নিয়া চিন্তা না করিয়া আপনি যে নিশ্চিন্তে টিভিতে প্যাকেজ নাটক, টক শো আর ঘন্টায় ঘন্টায় খবরে রাজনৈতিক ক্লাউনের নাচাপিচা দেখিয়া হাততালি দিতেছেন... বলি "জনাব, আপনার মানসিক ভারসাম্য কোন দিকে হালিয়া আছে?"

অন্যান্য লেখা
তেল-গ্যাস বুঝো না, স্বাধীনতা বুঝো?

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫২

 

  • ২৬ টি মন্তব্য
  • ৪৫২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৬ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫
comment by: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: ব্যাপক............. =p~

আমারে কেউ ধর রে............... =p~
২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬
comment by: স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: ভাল
৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০
comment by: তাজা কলম বলেছেন: তথ্যবহুল, প্রিযতে রাখলাম। ++++++
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: ধ ন্য বা দ

৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩
comment by: দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
জনাব,
আদ্যোপান্ত পাঠ করিলাম। জনস্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলিয়া ধরিয়া একটি ধন্যবাদযোগ্য কাজ করিয়াছেন।
রচনার পরতে পরতে আপনার মেধা, উন্নত রুচি ও মননশীলতার দ্যুতি বিচ্ছুরিত হইতেছে। কালোত্তীর্ণ রচনা হিসাবে ইহা নিশ্চিতই বিদগ্ধজনের হৃদয়ে স্থায়ী হইবে। সন্দেহ নাই এইরূপ রচনাই হইবে অনাগত প্রজন্মের নিকট সকল অনুপ্রেরণার উৎস।
আপনার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করিতেছি।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: ধ ন্য বাদ। আমি যদ্দুর সাফল্য পাইছি, তাতেই শুক্রিয়া। এখন নিজের তদুপরি দেশের জীবণ-মরন সমস্যাতে জনমত গড়ে তুলতে শেয়ার করেন ছবিটা ফেসবুকে গ্রুপে। ভারসাম্যহীন জাতিটার ভারসাম্য কিছুটা হইলেও ফিরাইয়া আনেন।

৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮
comment by: ফালতু মিয়া বলেছেন: জলিল যখন ট্রাম্পকার্ড ছোড়ার কথা বলিয়াছিল তখন কিন্তু গণতন্ত্রের মানস কন্যা চুপ মারিয়াছিলেন, ক্ষমতায় যাইবার জন্য লগি বৈঠা দিয়া বিরোধী পক্ষকে (মানুষ) মারিবার জন্য নেতাকর্মীদের ঢাকায় আসিতে বলিলেন। তারা আসিল মানুষ মারিল নেত্রীর কোন দোষ হইল না। তিনি হুকুমদাতা আসামী হইলেন না, এক্ষণে মামলাও তুলিয়া নেওয়া হইল। কি আজিব দেশ আর তার নেত্রী!

ক্ষমতায় যখন গেল তখন তো জলিলের মতো আবাইল্যা নেতার দরকার হইল না, তারে তুরুপের তাসের মতো ব্যবহার করিয়া ছুড়িয়া ফেলিয়া দিল। বিগত ইতিহাস ঘাটিলে দেখিতে পাইবেন যে এই দল সব সময় তাদের ক্ষমতায় যাইবার জন্য নানা কিসিমের মানুষকে ব্যবহার করে। নেতারাও না বুঝিয়া হৈ হুল্যা করিয়া রাস্তা তথা ময়দার গরম করিয়া ফেলে। আন্দোলনে ইহাদের জুড়ি নাই।

ক্ষমতায় যাইবার জন্য যে একটা আপোষ রফা হইয়াছিল তাহা যতই গোপন রাখিতে চাহে ততই বাহিরে বাড়াইয়া যাইতেছে। এখন তো জলিল মিয়া গাজা চাষী হইবেই....... এখন সে মানসিক ভারসাম্য হারাইবে। কারণ তার পরিণতি তো হামিদ খান ভাসানী, ওসমানী, তাজ উদ্দিনের মতোই হইবে। ইহাতে অবাক হইবার কিছুই নাই। বিশাল বক্তৃতা দিয়া দিলাম। মনে কিছু করিবেন না।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: আপনি মনে হয় মাথায় ঝাতীয়তাবাদী টোপর পড়িয়া ব্লগখানা পড়িয়াছেন। মূল বিষয় ছিল "তেল গ্যাস, সমুদ্রসীমানা" প্রশ্নে সরকারের ও বিরোধীদলের অপ্রত্যাশিত নিরবতা। সেই সাথে আম জনতাও নিরব। পেপার পত্রিকা আর ক্যাবলে দেশের খবর নিয়া সকলে এক ধরনের ভ্রান্ত রাজনৈতিক সচেতনতার নেশায় বিভোর। এই অধম লেখক সেই নেশাতুর চোখে টর্চলাইট মারিতে চাইয়াছিল।

তবে বক্তৃতা ভাল ছিল। কষ্ট করিয়া চোখ দিয়া পড়ার জন্য ধ ন্য বাদ। এবার হৃদয় দিয়া বুঝুন।

৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১
comment by: সরকার সেলিম বলেছেন: সেই বরাবরের মতই ফাটাইলেন..........
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: ফাটিল কোথায়? কেহ তো পড়িলই না, খোমাখাতায় শেয়ারো দিল না। তবে দেশের স্বার্থ আবারো ফাটিতে যাইতেছে।

৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০২
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: জাতি হিসেবে বাঙ্গালির মতো নিঃস্বার্থ বোধ করি আর কেহই নহে!

একেবারে খাঁটিকথা বলেছেন। এসব নিয়ে প্রতিবাদ করার জন্য আনু মুহাম্মদ বা শহীদুল্লাহ ছাড়া কাউরে পাওয়া যায় না।বাকি সব মনে টিভিতে প্যাকেজ নাটক, হিন্দী সিরিয়াল দেখে।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: কথাটা ধার করিয়াছ আমার বন্ধু মামুরের কাছ হইতে।
শুক্রিয়া

৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২১
comment by: ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: হেলিয়া থাকা দূরের কথা, ভারসাম্য আছে কিনা তাতেই সন্দেহ হইতাছে!
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: হুম

৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
comment by: পুরাতন বলেছেন: :(
১০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪২
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: চমৎকার। আপনার ভাই আপনাকে ছোট পেয়ে ঠকিয়েছে।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ঠকাতে যাচ্ছে... সাবধান

১১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
comment by: বাঙ্গাল বলেছেন: গনতন্ত্র বুবু সংসদে বলেছেন যত বাধা আসুক গ্যাস তুলবোই
১২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২২
comment by: বোহেমিয়ান কথকথা বলেছেন: চমৎকার লেখা ++
আপনি রেফারেন্স যুক্তি হিউমার সব সুন্দর মিশিয়েছেন ।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: জ্বী ধন্যবাদ

১৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
comment by: অলস ছেলে বলেছেন: দেশের সবাই যদি এইরকম ধান্দাবাজ গবেষক হৈতো!! নি:স্বার্থ হইতে হইতে তো এক্কেরে সব যাইতাছে।

সবাই জইল্যারে কিংবা এই টাইপের বিষয় নিয়া ব্যস্ত, ফাকতালে আসল জিনিস মারা যাইতেছে, এই কথাটা চরম সত্য।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধান্দাবাজ গবেষক বলার জন্য

১৪. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪০
comment by: নীল লাল সবুজ বলেছেন: Vai apni ekta jinis...bangla astese na..sorry..apni lekha thamaben na..please continue it..
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: আমি জিনিস হইলে...আপ্নে আরেকটা জিনিস ভাই...হেহে...ভাল আছেন?

১৫. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
comment by: শূন্য আরণ্যক বলেছেন: আহা রে এই লেখা মিস হৈলো কেমতে --

জয় বাবাজী এমন কঠিন একখান নেগোশিয়েশন করছে - ওহারে কি নুবেল বা কৎবেল ধরাইয়া দেয়া যায় ?


আপোষহীন নেত্রীর কথা বড়ই আমোদ পাইলাম -- কিন্তু ওনার মাজা ভাংগা ছেলে আর কোন দিন কোমর সোজা করে দাড়াতে পারবে কিনা সন্দ আছে ।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ভাইরে জয় বাবাজী কৎবেল আমাগো হাতে ধরায়া দিয়া গেছে।
আর আপোষহীন নেত্রীর মাজা ভাংগা পোলায় দিছে আমাগ মাজা ভাইঙ্গা। এহন কি করবেন?

 

 


আমি একজন গবেষক..চিন্তা করাই আমার কাজ...চিন্তিত ভাই ব্রাদারদের আমার পেজে স্বাগতম।
troublekid09@gmail.com
http://www.amarblog.com/bangal/
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই