পাশাপাশি দুই দম্পতি বাস করেন।
একজোড়া নতুন।
নতুন দম্পতির নাম রকি ও নুরী।
একজোড়া পুরানো।
পুরোন দম্পতির নাম অলকেশ ও অলিভা।
রকি যখনই বাড়ির বাইরে যান, স্ত্রী-কে আদর করে যান।
বিষয়টি রোজ নজরে পড়ে অলিভার।
তিনি পুলকিত হন।
একদিন তিনি আদর দেখে ছুটে এসে বললেন--ওই মেয়েটির স্বামী বাড়ির বাইরে যাবার আগে প্রতিবার ওকে কেমন আদর করে
যায়। তুমিও করো না কেন?
খবরের কাগজ পড়তে-পড়তে অলকেশ বললেন--মেয়েটাকে তো আমি চিনিই না, আদর করবো কি করে?
(২)
ছেলে--বাবা আর পারছি না, হোমটাক্স করে-করে আমি ক্লান্ত।
বাবা--শোন খোকা, বেশী পরিশ্রম করে পৃথিবীতে আজ অব্দি কেউ মরেনি।
ছেলে--না বাবা, মরে বিশ্বরেকর্ড করার ঝুঁকি নিতে আমি রাজী নই।
(৩)
একজন মহিলা ট্রাক্সি চালক ট্রাফিক না মেনে যাচ্ছিলেন।
ভেতরে বসে ছিল দশ-বারো জন স্কুল ছাত্র-ছাত্রী।
তারা হইচই করছিল।
ওদের বাসায় ফেরার তাড়া ।
কিন্তু ট্রাফিক পুলিশের মটোর সাইকেল পথরোধ করে দাঁড়ালো ট্রাক্সির।
ট্রাফিক সার্জেন্ট বললেন--ছিঃ, কোথায় থামতে হয় তা-ও শেখেননি?
মহিলা বললেন--মাফ করবেন, ওরা আমার ছেলেমেয়ে নয়।
(৪)
সুজন গেছে সখীর কাছে দেখা করতে। খালি হাতে যাওয়া যায় না, তাই বাজার থেকে নকল ফুল
কিনে নিয়ে গেছে।
নকল ফুল দেখে সখীর খুব রাগ। বললো--ছিঃ, ছিঃ, তুমি আমার জন্যে প্লাসটিকের ফুল এনেছো।
সুজন থতমত খেয়ে বললো--এর পেছনে দুটো কারণ আছে।
সখী--একটা নিশ্চয় তুমি খুব কৃপণ, তাই।
সুজন--না, না, প্রথম কারণটা হলো, তোমার জন্যে এতো বেশী সময় অপেক্ষা করতে হয় যে বাগানের ফুল শুকিয়ে যায়।
সখী--দ্বিতীয় কারণ?
সুজন--এই ফুলগুলো আমার প্রেমের মতোই চির-সজীব।
(৫)
--আরে ভাই কতোবার বলবো, এটা একটা বাড়ি মানে হোম, কোন যাওয়া-আসার রাস্তা কিম্বা যাতায়াত বিভাগ নয়।
বলেই ফোনটা রেখে দিলেন স্বামী।
স্ত্রী এসে বললেন--কে ফোন করেছিল গো?
স্বামী--জানি না, কোন পাগল ছিল বোধহয়। বারম্বার জিজ্ঞেস করছিল, প্রিয়া, রাস্তা কি পরিস্কার হয়েছে।
(৬)
রীনারা নতুন এসেছে পাড়ায়। সে যখন কলেজ যায়। রকবাজ ছেলেরা ড্যাবড্যাব করে দেখে।
একদিন একজন রীনাকে শুনিয়ে-শুনিয়ে বললো--আরি বাস, চাঁদ তো রাতেই আলো দেয় বলে জানতাম। এখন যে দেখি
দিনেও জোসনা ছড়াচ্ছে।
রীনা ঝটপট জবাব দিলো--প্যাঁচারা রাতে ডাকে শুনেছি, এখন যে দেখি দিন-দুপুরেও ডাকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



