মন'রে কৃষি কাজ জানো না, এমন মানব জমিন রইলো পতিত, আবাদ করলে ফলতো সোনা

দুঃসংবাদ
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:২৯
ব্লগারুরা আপনাদের সবার জন্য একটা দুঃসংবাদ নিয়ে আসলাম। কারো না কারো সাথে কষ্ট ভাগ করে নিতে হয় তাই এই পোস্টের অবতারণা।
আজ ১৬ই এপ্রিল ২০০৭ ভোর ৭.১৫ তে শুরু হওয়া গান ফায়ারে ভার্জিনিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১ জন শিক্ষার্থী মারা গেছে। সকাল ৭.১৫ তে শ্যুটিং শুরু হয় একটা কো-এড ডরমিটরিতে এরপর ৯.১৫ তে একটা ক্লাস রুমের। ক্লাস রুমের বেশীর ভাগই গুলিতে মারা গেছে। কিছু গুরুতর আহত। আততায়ী নিজেও মারা গেছে। ছবি দেবার ইচ্ছে হচ্ছে না। তবে মোবাইলে তোলা একটা ভিডিও'র লিংক (http://tinyurl.com/2emhg5) দিলাম।
আমেরিকায় স্কুল শ্যুট আউটের সবচেয়ে জঘন্যতম ঘটনা এটা।
দেশ, জাতীয়তা, ধর্ম এবং বর্ণের বাইরে আমরা সবাই মানুষ। আমাদেরই বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই সব নিহতেরা। এখান থেকেই হয়তো আসতে পারতো যুগান্তকারী কোনো সাংবাদিক, বিজ্ঞানী কিংবা সমাজবিদ। এরাই কারো না কারো আদরের সন্তান। কারো প্রেয়সী কিংবা ভালোবাসার মানুষ।
ভীষণ কষ্ট হচ্ছে।
মানুষের বুঝবার সময় কবে হবে
কখন মনে হবে, লাগাম টেনে ধরা দরকার ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভার্জিনিয়া শ্যুট আউট ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে ।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আমি আপনার কষ্টের ভাগি হলাম। ঘটনা খুবই দুঃখজনক।
ধূসর ছায়া বলেছেন:
খারাপ লাগছে ।
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন:
আসলেই দুঃখের বিষয়।
কেমিকেল আলী বলেছেন:
এর মধে্ থেকে নতুন বুশ ও আসার চান্স ছিল !!!!
তবে অন্য একটা কথা বলি, সকালে খবরটা দেখার পর থেকেই ভয়ে ছিলাম, মধ্যপ্রাচ্য, ইরাক/ইরান, বা পাকিস্তানী কোনো ছাত্রের কাজ কি না। কারণ ঐটা হলে টিভির সাংবাদিকদের আনন্দ আর আটকে রাখা যেতো না, আর মুসলিমদের উপরে আরো ঘৃণা, আক্রমণ হতো। এখন পর্যন্ত যা রিপোর্ট পাচ্ছি,তা অনুসারে আততায়ী হলো এশিয়ান, অর্থাৎ চীনা বা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার লোক (মার্কিনীরা এশিয়ান বললে এটাই বোঝায়)। তাই অন্তত ঐদিক থেকে রক্ষা!!
৩১ জন মারা গেছে, এর মধ্যে ছাত্র শিক্ষক সবাই আছে। ওখান থেকে বাঙালি কয়েকজন ছাত্র আমাদের বুয়েটিয়ান মেইলিং লিস্টে মেইল করে জানিয়েছেন, বাংলাদেশী সবাই অক্ষত আছে।
যারা আহত হয়েছেন, তাঁদের সবার আরোগ্য কামনা করছি।
হযবরল বলেছেন:
বাংলাদেশীরা সবাই ভাল আছে @ ধূ গো ।আমাদের দেশ থেকে ও নতুন বাংলা ভাই আসতে পারে, তবে কি সব বাংলাদেশী মেরে ফেলতে হবে @ কেমিক্যাল আলী ।
সবাইকে ধন্যবাদ ।
আড্ডাবাজ বলেছেন:
সত্যি খুব কস্টকর দু:সংবাদ। বাবা মায়েদের সান্তনার কোন বাণী নেই । যারা হারিয়েছে, তারাই জানে।
হযবরল বলেছেন:
কোন কারণ বিহীন, সার বেঁধে দাড় করিয়ে গুলি করা সম্ভব এটা বিশ্বাস হতে চায় না।
দ্রোহী বলেছেন:
কেন বিশ্বাস হবে না? একাত্তরে কত হয়েছে! কারনে-অকারণে
অরুনাভ বলেছেন:
দুঃখ জনক ঘটনা....
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
সারাদিন খবর ট্র্যাক করে কাটালাম। ২০০২ এ অ্যারিজোনায় তুসন শহরে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ অ্যারিজোনায় এরকমটি একবার ঘটেছিল। এবিসি নিউজ দেখলাম চেপে গেল ব্যপারটা!
মাহবুব সুমন বলেছেন:
খবরাটা জেনেছি সকাল বেলা, এখণ দেখছি পূর্নাংগ রিপোট। অস্ত্র কেনা এতো সহজ থাকলে এ ধরনের কষ্টকর ঘটনা চলতেই থাকবে।
সুমি বলেছেন:
খুবই দুঃখজনক এবং কষ্ট লাগছে
হযবরল বলেছেন:
আততায়ী দক্ষিণ কোরিয়ান। সে ভার্জিনিয়া টেক এরই ছাত্র। যে ডর্মে গুলি করেছে, সেই ডর্মে সে থাকত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গাফিলতি কিছুটা দায়ী এই ঘটনার জন্য। সকাল ৭.১৫ তে যে ডর্মে গুলি করেছিল সেই একই জন দুঘন্টা বাদে ক্লাসে গিয়ে গুলি করেছে বলে ধারণা। তাহলে আততায়ী ধরা না পড়ার পরেও কেন ক্যাম্পাসে রেড অল্যার্ট জারি করা হয়নি? কিভাবে একই আততায়ী দুঘন্টা পর ক্লাস রুমে শিক্ষক-প্রফেসরকে সার বেঁধে গুলি করে। ওটা ছিল জার্মান ভাষা শেখার ক্লাস,পঁচিশ জনের মধ্যে মাত্র চারজন বেঁচে আছে। এবার শুরু হবে আবার এশিয়ান ডিসক্রিমিনেশন,এই ঘটনার পর। এই দিককার লোক কখন,কি কারণে ক্রেজি হবে বলা মুশকিল। হয়তো কেউ মনে করল জেসাস এর নামে হত্যা করলে যে মারবে এবং যারা মরবে সবার বেহেশ্ত লাভ হবে। মারো গুলি, সস্তা জিনিস।
সবাইকে ধন্যবাদ।

















